
০৬ আগস্ট, ২০২৫ ০০:৪০
২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ভোলার লালমোহন উপজেলায় বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পৌরসভা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে চৌরাস্তার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল। এ ছাড়া সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন লালমোহন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল।
সভায় বক্তারা বলেন, গত বছরের জুলাই-আগস্টের তুমুল আন্দোলনের মুখে ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতন হয়। এরপর খুনি হাসিনা জনরোষের ভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বৈরাচারমুক্ত আজকের নতুন এই বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদেরকে আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। এই নতুন বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জনগণের ন্যায্য অধিকার, ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ জন্য প্রস্তুত রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাশে হবে জনগণের কল্যাণের দেশ। তাই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আগামী ফেব্রুয়ারীতেই একটি অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।
তারা আরও বলেন, ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসন বিএনপির ঘাটি, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের (বীরবিক্রম) ঘাটি। এ আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করতে এখন থেকেই সবাইকে কাজ করতে হবে। সবাইর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্ঠায় ধানের শীষ প্রতীকে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভোলা-৩ আসন উপহার দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক সোহেল আজিজ শাহীন, মো. শফিউল্যাহ হাওলাদার, পৌরসভার সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার সকল ওয়ার্ডের বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
২০২৪-এর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পতনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ভোলার লালমোহন উপজেলায় বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পৌরসভা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে চৌরাস্তার মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবাল। এ ছাড়া সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন লালমোহন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল।
সভায় বক্তারা বলেন, গত বছরের জুলাই-আগস্টের তুমুল আন্দোলনের মুখে ৫ই আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতন হয়। এরপর খুনি হাসিনা জনরোষের ভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। যাদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বৈরাচারমুক্ত আজকের নতুন এই বাংলাদেশ পেয়েছি, তাদেরকে আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। এই নতুন বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জনগণের ন্যায্য অধিকার, ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ জন্য প্রস্তুত রয়েছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাশে হবে জনগণের কল্যাণের দেশ। তাই বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আগামী ফেব্রুয়ারীতেই একটি অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।
তারা আরও বলেন, ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসন বিএনপির ঘাটি, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের (বীরবিক্রম) ঘাটি। এ আসন থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদকে ধানের শীষ প্রতীকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করতে এখন থেকেই সবাইকে কাজ করতে হবে। সবাইর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্ঠায় ধানের শীষ প্রতীকে সর্বোচ্চ ভোট দিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ভোলা-৩ আসন উপহার দেয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক সোহেল আজিজ শাহীন, মো. শফিউল্যাহ হাওলাদার, পৌরসভার সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সভাপতি শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার সকল ওয়ার্ডের বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৫
ভোলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার এক দিন আগে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবে। আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে খলিফা মজনু মিয়ার নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার দরবারে আউলিয়ার সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ ও ভোলা জেলার দায়িত্বে নিয়োজিত খলিফা মজনু মিয়ার স্ত্রী জয়গুন বিবি আজকের পত্রিকাকে বলেন, মজনু মিয়া মারা যাওয়ার পর তাঁর ছোট ছেলে রাশেদুল ইসলাম বাবু এই দায়িত্ব পালন করছেন।
সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ রাশেদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ভোলা জেলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবেন। তাই সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে আমাদের নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মাওলানা শিহাব উদ্দিন এই জামাতে ইমামতি করবেন।’
রাশেদুল ইসলাম আরও জানান, একই সঙ্গে গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে সকাল ৯টায় এবং পঞ্চায়েত বাড়ির জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলার ছালাম মেম্বার বাড়ি, আব্দুল্লাহ মাঝি বাড়ি, লালমোহন উপজেলার লাঙ্গলখালীর পশ্চিম পাশে পাটোয়ারী বাড়ির জামে মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ও রতনপুর গ্রাম; বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রাম; তজুমদ্দিন উপজেলার শিবপুর, খাসেরহাট, চাঁদপুর ও চাঁচড়া গ্রাম; লালমোহন উপজেলার পৌর শহর, ফরাজগঞ্জ গ্রাম এবং চরফ্যাশন উপজেলার পৌর শহর, দুলারহাট, ঢালচর ও চর পাতিলা গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার প্রতিবছর এক দিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকে।
সুরেশ্বর পীরের মুরিদ ছাড়াও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এবং ভান্ডারি শরিফ পীরের মুরিদ এসব পরিবারের সদস্যরা শতাধিক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এক দিন আগে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।
ভোলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার এক দিন আগে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবে। আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে খলিফা মজনু মিয়ার নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার দরবারে আউলিয়ার সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ ও ভোলা জেলার দায়িত্বে নিয়োজিত খলিফা মজনু মিয়ার স্ত্রী জয়গুন বিবি আজকের পত্রিকাকে বলেন, মজনু মিয়া মারা যাওয়ার পর তাঁর ছোট ছেলে রাশেদুল ইসলাম বাবু এই দায়িত্ব পালন করছেন।
সুরেশ্বর দরবার পীরের মুরিদ রাশেদুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘ভোলা জেলার পাঁচ উপজেলার ১৪টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগামীকাল ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করবেন। তাই সকাল ৯টায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী গ্রামে আমাদের নিজ বাড়ির আঙিনায় ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মাওলানা শিহাব উদ্দিন এই জামাতে ইমামতি করবেন।’
রাশেদুল ইসলাম আরও জানান, একই সঙ্গে গ্রামের চৌকিদার বাড়ির জামে মসজিদে সকাল ৯টায় এবং পঞ্চায়েত বাড়ির জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে জেলার বিভিন্ন জায়গায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে তজুমদ্দিন উপজেলার ছালাম মেম্বার বাড়ি, আব্দুল্লাহ মাঝি বাড়ি, লালমোহন উপজেলার লাঙ্গলখালীর পশ্চিম পাশে পাটোয়ারী বাড়ির জামে মসজিদ-সংলগ্ন এলাকায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ও রতনপুর গ্রাম; বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ও মুলাইপত্তন গ্রাম; তজুমদ্দিন উপজেলার শিবপুর, খাসেরহাট, চাঁদপুর ও চাঁচড়া গ্রাম; লালমোহন উপজেলার পৌর শহর, ফরাজগঞ্জ গ্রাম এবং চরফ্যাশন উপজেলার পৌর শহর, দুলারহাট, ঢালচর ও চর পাতিলা গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবার প্রতিবছর এক দিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে থাকে।
সুরেশ্বর পীরের মুরিদ ছাড়াও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এবং ভান্ডারি শরিফ পীরের মুরিদ এসব পরিবারের সদস্যরা শতাধিক বছর ধরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে এক দিন আগে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।

১৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫০
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় মঙ্গলবার রাত দুইটার দিকে আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সাথে অসংখ্য গাছপালাও উপড়ে পরেছে। চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ করেই প্রবল বেগে ঝড় শুরু হয়। প্রথমে হালকা বাতাস থাকলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।
ঝড়ের সাথে গুড়ি গুড়ি শিলা বৃষ্টিও হয়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, টিনের ছাউনি উড়ে যায় এবং কাঁচা ঘরবাড়ি মুহূর্তেই মাটির সঙ্গে মিশে যায়। অনেক পরিবার রাতের আঁধারেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটোছুটি করতে থাকে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঢালচর ইউনিয়নের বাসিন্দারা। তাদের বেশিরভাগই কাঁচা ঘরে বসবাস করায় ঝড়ের আঘাত সহ্য করতে পারেনি। অনেকের ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যসামগ্রী এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।
উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর, কুকরি মুকরি, চর পাতিলা, চর নিজাম, চর ফারুকি, চর মানিকা, নজরুল নগরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় অর্ধশত বাড়িঘর ঝরে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, প্রতিদিনের মতো ওইদিন রাতে তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। সেহেরির সময়ের দুই ঘণ্টা আগেই দক্ষিণ থেকে ধেঁয়ে আসা তীব্র গতির বাতাসে তার বসত ঘরের চালা উড়ে যায়।
তিনি বলেন, আজ থেকে তিন দিন পরেই ঈদ। ঈদের আগেই আমাদের মাথাগোজার ঠাই হারিয়ে ফেলেছি। ঝড় আমাদের ঈদ আনন্দ কেড়ে নিয়েছে। শুধু আমি না, আমার মত আরও বহু পরিবার বসত ঘর হারিয়ে পথে বসেছে।
চর মানিকা ইউনিয়ন চর কচ্চপিয়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম হাওলাদার বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী। বাতাসের প্রবল চাপে চর কচ্চপিয়া বাজারে আমার একটি দোকান ঘরের চালা উড়ে যায়।
ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও ঢালচর বন কর্মকর্তা মুইনুল জানান, হঠাৎ ঝড়ে প্রায় ঢালচরে ত্রিশটি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এসব ক্ষতিগ্রস্থের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন জানান, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় মঙ্গলবার রাত দুইটার দিকে আকস্মিক ঝড়ে অর্ধশত বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেই সাথে অসংখ্য গাছপালাও উপড়ে পরেছে। চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলো।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ করেই প্রবল বেগে ঝড় শুরু হয়। প্রথমে হালকা বাতাস থাকলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেয়।
ঝড়ের সাথে গুড়ি গুড়ি শিলা বৃষ্টিও হয়। ঝড়ের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, টিনের ছাউনি উড়ে যায় এবং কাঁচা ঘরবাড়ি মুহূর্তেই মাটির সঙ্গে মিশে যায়। অনেক পরিবার রাতের আঁধারেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটোছুটি করতে থাকে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঢালচর ইউনিয়নের বাসিন্দারা। তাদের বেশিরভাগই কাঁচা ঘরে বসবাস করায় ঝড়ের আঘাত সহ্য করতে পারেনি। অনেকের ঘরের আসবাবপত্র, খাদ্যসামগ্রী এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে।
উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্যমতে, চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর, কুকরি মুকরি, চর পাতিলা, চর নিজাম, চর ফারুকি, চর মানিকা, নজরুল নগরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় অর্ধশত বাড়িঘর ঝরে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
ঢালচর ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মফিজ জানান, প্রতিদিনের মতো ওইদিন রাতে তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। সেহেরির সময়ের দুই ঘণ্টা আগেই দক্ষিণ থেকে ধেঁয়ে আসা তীব্র গতির বাতাসে তার বসত ঘরের চালা উড়ে যায়।
তিনি বলেন, আজ থেকে তিন দিন পরেই ঈদ। ঈদের আগেই আমাদের মাথাগোজার ঠাই হারিয়ে ফেলেছি। ঝড় আমাদের ঈদ আনন্দ কেড়ে নিয়েছে। শুধু আমি না, আমার মত আরও বহু পরিবার বসত ঘর হারিয়ে পথে বসেছে।
চর মানিকা ইউনিয়ন চর কচ্চপিয়া গ্রামের বাসিন্দা সেলিম হাওলাদার বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী। বাতাসের প্রবল চাপে চর কচ্চপিয়া বাজারে আমার একটি দোকান ঘরের চালা উড়ে যায়।
ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও ঢালচর বন কর্মকর্তা মুইনুল জানান, হঠাৎ ঝড়ে প্রায় ঢালচরে ত্রিশটি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এসব ক্ষতিগ্রস্থের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) এমাদুল হোসেন জানান, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫১
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরের বিস্তীর্ণ জমি এখন সবুজ তরমুজ ক্ষেতে ভরে উঠেছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহির উদ্দিন, তেলিয়ার চর ও নাগর পাটওয়ারীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে। বড় আকারের তরমুজ ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আড়তগুলোতেও তরমুজ পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তজুমদ্দিনে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ২৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি প্রদর্শনী প্লট রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান কাটার পর প্রতিবছর চরাঞ্চলের অনেক জমি পতিত পড়ে থাকত। তবে এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ ও পরামর্শে কৃষকরা ওই জমিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত সেচ, আগাছা দমন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন তারা।
সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক তছলিম মাঝি, মো. হান্নান ও সালাউদ্দিন বলেন, এবার তরমুজের ফলন খুব ভালো হয়েছে। রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। ফলে সার ও কীটনাশকের খরচ তুলনামূলক কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ দেওয়ায় তারা চাষে সফল হয়েছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম বলেন, ভালো দাম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সফলভাবে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা পুরো ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং এতে তারা আরও লাভবান হবেন।
বরিশাল টাইমস
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে পতিত জমিতে তরমুজ চাষ করে বাম্পার ফলন পেয়েছেন কৃষকরা। মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বিভিন্ন চরের বিস্তীর্ণ জমি এখন সবুজ তরমুজ ক্ষেতে ভরে উঠেছে। ভালো ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে স্বস্তির হাসি।
উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চর জহির উদ্দিন, তেলিয়ার চর ও নাগর পাটওয়ারীর চরসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার ব্যাপকভাবে তরমুজ চাষ হয়েছে। বড় আকারের তরমুজ ও ভালো ফলনের কারণে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্ষেত থেকে তরমুজ সংগ্রহ ও বাজারজাত করতে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি নোয়াখালী ও চট্টগ্রামের আড়তগুলোতেও তরমুজ পাঠানো হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তজুমদ্দিনে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২৬০ হেক্টর জমি। তবে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার ২৬৫ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ১০টি প্রদর্শনী প্লট রয়েছে।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমন ধান কাটার পর প্রতিবছর চরাঞ্চলের অনেক জমি পতিত পড়ে থাকত। তবে এবার উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যোগ ও পরামর্শে কৃষকরা ওই জমিতে তরমুজ চাষে আগ্রহী হন। চারা রোপণের পর থেকে নিয়মিত সেচ, আগাছা দমন, সার ও কীটনাশক প্রয়োগের পাশাপাশি ক্ষেত পাহারা দিচ্ছেন তারা।
সোনাপুর ইউনিয়নের কৃষক তছলিম মাঝি, মো. হান্নান ও সালাউদ্দিন বলেন, এবার তরমুজের ফলন খুব ভালো হয়েছে। রমজান মাসে তরমুজের চাহিদা বাড়বে বলে আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে কিছু তরমুজ বিক্রি শুরু হয়েছে এবং ভালো দামও পাওয়া যাচ্ছে।
তারা আরও জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পোকামাকড়ের আক্রমণ কম ছিল। ফলে সার ও কীটনাশকের খরচ তুলনামূলক কম হয়েছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া ও পরামর্শ দেওয়ায় তারা চাষে সফল হয়েছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইব্রাহিম বলেন, ভালো দাম ও অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবার কৃষকরা তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়েছেন। সরকারি সহযোগিতা ও কৃষি বিভাগের পরামর্শে তারা সফলভাবে তরমুজ চাষ করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা পুরো ফসল ঘরে তুলতে পারবেন এবং এতে তারা আরও লাভবান হবেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.