
১২ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:২৪
বরিশাল- কুয়াকাটা মহাসড়কের বাকেরগঞ্জের বোয়ালিয়া এলাকায় ঢাকা গামী এনা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১২ নভেম্বর) বুধবার বেলা ১১টার দিকে বোয়ালিয়ার কাঠের পোল নামক স্থানে। স্থানীয় সূত্র জানায়, কুয়াকাটা থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করা বাসটি পথে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং রাস্তার পাশে খাদে পড়ে উল্টে যায়।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। আহতদের বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার ফলে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয় এবং কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়।
বরিশাল- কুয়াকাটা মহাসড়কের বাকেরগঞ্জের বোয়ালিয়া এলাকায় ঢাকা গামী এনা পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১২ নভেম্বর) বুধবার বেলা ১১টার দিকে বোয়ালিয়ার কাঠের পোল নামক স্থানে। স্থানীয় সূত্র জানায়, কুয়াকাটা থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করা বাসটি পথে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং রাস্তার পাশে খাদে পড়ে উল্টে যায়।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। আহতদের বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার ফলে সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয় এবং কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল ব্যাহত হয়।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল সকাল ৯ টায় মহাসড়কের বদরপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি বাকেরগঞ্জ থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি পটুয়াখালীর বদরপুর নামক স্থানে পৌঁছালে পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মোটরসাইকেল চালক মারুফ (২৩) গারুড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভান্ডারীকাঠি গ্রামের রফিকুল ইসলাম হাওলাদারের পুত্র। মারুফ গারুড়িয়া ইউনিয়নের কান্তা হাসান বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
পুলিশ জানায়, নিহত মারুফের মরা দেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল সকাল ৯ টায় মহাসড়কের বদরপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি বাকেরগঞ্জ থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি পটুয়াখালীর বদরপুর নামক স্থানে পৌঁছালে পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মোটরসাইকেল চালক মারুফ (২৩) গারুড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভান্ডারীকাঠি গ্রামের রফিকুল ইসলাম হাওলাদারের পুত্র। মারুফ গারুড়িয়া ইউনিয়নের কান্তা হাসান বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
পুলিশ জানায়, নিহত মারুফের মরা দেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৬
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষিকা ও তার সন্তানরা।
১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলার ডাকবাংলা এলাকায় নিজ ভাইয়ের বাসায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বড়কোঠা ইউনিয়নের গাববাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মাদ্রাসা শিক্ষিকা সারমিন আক্তার নিপা। এ সময় তার দুই পুত্রও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সারমিন আক্তার নিপা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মোহাম্মদ শাজাহান হাওলাদার সুমন (৪৪) গত ৬ এপ্রিল সোমবার ঢাকার উত্তরখান এলাকায় নিজ বাসায় রহস্যজনকভাবে মারা যান।
ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে তিনি ছোট ছেলে হামীম হোসাইন সানমুনকে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শেষে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে স্বামীকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। কপালে হাত দিলে ঠান্ডা অনুভূত হয়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও স্থানীয়রা তাতে রাজি হননি এবং দ্রুত গোসল ও জানাজার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি তিনি শাশুড়িকে জানালে তারা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার কথা বলেন। পরে মরদেহ বাড়িতে আনার পর শাশুড়ি ও ননদের পক্ষ থেকে তার ও সন্তানদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
সারমিন বলেন, তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধও ছিল। তার অভিযোগ, তার অনুপস্থিতির সুযোগে স্বামীর মাদকসেবী বন্ধুদের কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
তিনি স্বামীর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষিকা ও তার সন্তানরা।
১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলার ডাকবাংলা এলাকায় নিজ ভাইয়ের বাসায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বড়কোঠা ইউনিয়নের গাববাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মাদ্রাসা শিক্ষিকা সারমিন আক্তার নিপা। এ সময় তার দুই পুত্রও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সারমিন আক্তার নিপা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মোহাম্মদ শাজাহান হাওলাদার সুমন (৪৪) গত ৬ এপ্রিল সোমবার ঢাকার উত্তরখান এলাকায় নিজ বাসায় রহস্যজনকভাবে মারা যান।
ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে তিনি ছোট ছেলে হামীম হোসাইন সানমুনকে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শেষে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে স্বামীকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। কপালে হাত দিলে ঠান্ডা অনুভূত হয়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও স্থানীয়রা তাতে রাজি হননি এবং দ্রুত গোসল ও জানাজার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি তিনি শাশুড়িকে জানালে তারা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার কথা বলেন। পরে মরদেহ বাড়িতে আনার পর শাশুড়ি ও ননদের পক্ষ থেকে তার ও সন্তানদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
সারমিন বলেন, তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধও ছিল। তার অভিযোগ, তার অনুপস্থিতির সুযোগে স্বামীর মাদকসেবী বন্ধুদের কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
তিনি স্বামীর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০০
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
মৃত সাদিয়া (২ বছর) বরিশালের মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রাজীবের মেয়ে এবং রাকিব (৯ মাস) বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মুশিউল মুনির জানান, এই দুই শিশু ৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয় হাম উপসর্গ নিয়ে এবং শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে দুজনারই মৃত্যু হয় একঘণ্টার ব্যবধানে।
সাদিয়ার মৃত্যু হয় পৌনে চারটায় ও রাকিবের মৃত্যু হয় ভোর পৌনে পাঁচটায়। এই নিয়ে হাসপাতালে হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
পরিচালক আরও জানান, হাসপাতালে বর্তমানে ৯২ জন হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি গিয়েছেন। এই পর্যন্ত এই হাসপাতালে মোট ৩৪১ জন হাম উপসর্গ থাকা রোগী ভর্তি হয়েছেন।’
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হাম উপসর্গ নিয়ে শিশু মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।
মৃত সাদিয়া (২ বছর) বরিশালের মুলাদী উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের রাজীবের মেয়ে এবং রাকিব (৯ মাস) বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাবিবুর রহমানের ছেলে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মুশিউল মুনির জানান, এই দুই শিশু ৮ এপ্রিল দুপুর ২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয় হাম উপসর্গ নিয়ে এবং শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ভোরে দুজনারই মৃত্যু হয় একঘণ্টার ব্যবধানে।
সাদিয়ার মৃত্যু হয় পৌনে চারটায় ও রাকিবের মৃত্যু হয় ভোর পৌনে পাঁচটায়। এই নিয়ে হাসপাতালে হাম উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
পরিচালক আরও জানান, হাসপাতালে বর্তমানে ৯২ জন হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জন ভর্তি হয়েছেন। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি গিয়েছেন। এই পর্যন্ত এই হাসপাতালে মোট ৩৪১ জন হাম উপসর্গ থাকা রোগী ভর্তি হয়েছেন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৬
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০২