
২৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:৫৪
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ), জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মনোনীত দলীয় প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, 'সকল রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে জুলাই সনদ হয়েছে। অথচ সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা চলছে। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে প্রয়োজনে গণভোট দিতে হবে এবং সেটা অবশ্যই নির্বাচনের আগে। কোনো দল ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সেটা হবে বিরাট এক শুভঙ্করের ফাঁকি।' শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান বক্তার ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত ওই জনসভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একটি দল। এই দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। দখলবাজি করে না। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে না। পরের হক নষ্ট করে না। পার্সেন্টেজ-কমিশন খায় না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা মার্কা নির্বাচিত হলে পার্সেন্টেজমুক্ত, চাঁদাবাজি-দখলবাজিমুক্ত হবে বাবুগঞ্জ-মুলাদী। সবাই যার যার জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।'
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোঃ রহমাতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন। দলের বাবুগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শামসুল হকের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক কে.এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ জামিলুর রহমান, সদস্য মাস্টার মাহবুবুল হক মানিক, সদস্য মাওলানা ইব্রাহীম হুসাইন মৃধা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সভাপতি এম.এম সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, ইসলামী যুব আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, 'বিশ্বের মোট ৯১টি দেশে সংখানুপাতিক নির্বাচন (পিআর) পদ্ধতি চালু আছে। বিশ্বের উন্নত ৩৪টি দেশের মধ্যে ২৫টি দেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়। অথচ আমাদের দেশে পাঁচবার ক্ষমতায় থাকা একটি দলের নেতারা নাকি পিআর পদ্ধতি বোঝেন না! কেন বোঝেন না? কারণ পিআর বুঝলে তাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার নমিনেশন বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। পিআর পদ্ধতিতে মানুষ কোনো ব্যক্তিকে নয়, দলকে ভোট দেয়। যারা আজ পিআর বোঝেন না, তারা ১৯৯৬ সালে নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকারও বুঝতেন না। ১৫ ফেব্রুয়ারি একদলীয় নির্বাচন করেছিলেন। ক্ষমতা হারানোর পরে আবার কেয়ারটেকার সরকারের জন্যেও আন্দোলন করেছিলেন। সেভাবে আজ যারা পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন, ভবিষ্যতে তাদেরও পিআর চালুর জন্য আবার আন্দোলন করতে হবে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন না হলে দেশে আবার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম হবে।' #
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ), জেলা সভাপতি ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে মনোনীত দলীয় প্রার্থী উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, 'সকল রাজনৈতিক দলের মতামত নিয়ে জুলাই সনদ হয়েছে। অথচ সেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে তালবাহানা চলছে। জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি দিতে প্রয়োজনে গণভোট দিতে হবে এবং সেটা অবশ্যই নির্বাচনের আগে। কোনো দল ক্ষমতায় গিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সেটা হবে বিরাট এক শুভঙ্করের ফাঁকি।' শনিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান বক্তার ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
রাষ্ট্র সংস্কার, গণহত্যার বিচার ও সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত ওই জনসভায় উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম আরো বলেন, 'ইসলামী আন্দোলন ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার একটি দল। এই দলের কেউ চাঁদাবাজি করে না। দখলবাজি করে না। দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে না। পরের হক নষ্ট করে না। পার্সেন্টেজ-কমিশন খায় না। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা মার্কা নির্বাচিত হলে পার্সেন্টেজমুক্ত, চাঁদাবাজি-দখলবাজিমুক্ত হবে বাবুগঞ্জ-মুলাদী। সবাই যার যার জানমালের নিরাপত্তা নিয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।'
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি হাফেজ মাওলানা মোঃ রহমাতুল্লাহ মাতুব্বরের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন। দলের বাবুগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ শামসুল হকের সঞ্চালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সহ-প্রচার ও দাওয়াহ বিষয়ক সম্পাদক কে.এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের বরিশাল জেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ জামিলুর রহমান, সদস্য মাস্টার মাহবুবুল হক মানিক, সদস্য মাওলানা ইব্রাহীম হুসাইন মৃধা, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সভাপতি এম.এম সালাউদ্দিন, ইসলামী আন্দোলনের বাবুগঞ্জ উপজেলার সাবেক সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, ইসলামী যুব আন্দোলনের উপজেলা সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রমুখ।
জনসভায় প্রধান অতিথি বক্তৃতাকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, 'বিশ্বের মোট ৯১টি দেশে সংখানুপাতিক নির্বাচন (পিআর) পদ্ধতি চালু আছে। বিশ্বের উন্নত ৩৪টি দেশের মধ্যে ২৫টি দেশে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন হয়। অথচ আমাদের দেশে পাঁচবার ক্ষমতায় থাকা একটি দলের নেতারা নাকি পিআর পদ্ধতি বোঝেন না! কেন বোঝেন না? কারণ পিআর বুঝলে তাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার নামে হাজার হাজার কোটি টাকার নমিনেশন বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাবে। লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজি বন্ধ হয়ে যাবে। পিআর পদ্ধতিতে মানুষ কোনো ব্যক্তিকে নয়, দলকে ভোট দেয়। যারা আজ পিআর বোঝেন না, তারা ১৯৯৬ সালে নির্বাচনকালীন কেয়ারটেকারও বুঝতেন না। ১৫ ফেব্রুয়ারি একদলীয় নির্বাচন করেছিলেন। ক্ষমতা হারানোর পরে আবার কেয়ারটেকার সরকারের জন্যেও আন্দোলন করেছিলেন। সেভাবে আজ যারা পিআর পদ্ধতির বিরোধিতা করছেন, ভবিষ্যতে তাদেরও পিআর চালুর জন্য আবার আন্দোলন করতে হবে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন না হলে দেশে আবার ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা কায়েম হবে।' #

১৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১৫
বরিশালের বাবুগঞ্জে এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পান তারা।সোমবার (১৫ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বালু ব্যবসায়ী ও ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মো. জহিরুল ইসলামের কাছে বালু ব্যবসা পরিচালনার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলছিল বলে জানা গেছে।
সোমবার রাত ৮টার দিকে জহিরুল ইসলাম টাকা দেওয়ার কথা বলে জাকির মোল্লাকে চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় যেতে বলেন। নির্ধারিত সময়ে জাকির মোল্লা তার সহযোগী চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক মোল্লাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া স্থানীয় জনতা তাদের ঘিরে ধরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় উত্তেজিত জনতা জাকির মোল্লা ও তার সহযোগীকে গণপিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেওয়ার পর বিএনপির ওই দুই নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, জাকির মোল্লার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, খালের মাটি বিক্রি, সালিশ-বৈঠকের নামে অর্থ আদায় এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।
তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে জাকির মোল্লা বলেন, আমি কোনো চাঁদা দাবি করিনি। বালু ব্যবসা নিয়ে একসঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
এ বিষয়ে চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কখনো চাঁদাবাজি কিংবা চাঁদাবাজকে প্রশ্রয় দেয় না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান বলেন, আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি, তাই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা নেই। তবে চাঁদাবাজির বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পান তারা।সোমবার (১৫ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বালু ব্যবসায়ী ও ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মো. জহিরুল ইসলামের কাছে বালু ব্যবসা পরিচালনার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলছিল বলে জানা গেছে।
সোমবার রাত ৮টার দিকে জহিরুল ইসলাম টাকা দেওয়ার কথা বলে জাকির মোল্লাকে চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় যেতে বলেন। নির্ধারিত সময়ে জাকির মোল্লা তার সহযোগী চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক মোল্লাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া স্থানীয় জনতা তাদের ঘিরে ধরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় উত্তেজিত জনতা জাকির মোল্লা ও তার সহযোগীকে গণপিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেওয়ার পর বিএনপির ওই দুই নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, জাকির মোল্লার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, খালের মাটি বিক্রি, সালিশ-বৈঠকের নামে অর্থ আদায় এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।
তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে জাকির মোল্লা বলেন, আমি কোনো চাঁদা দাবি করিনি। বালু ব্যবসা নিয়ে একসঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
এ বিষয়ে চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কখনো চাঁদাবাজি কিংবা চাঁদাবাজকে প্রশ্রয় দেয় না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান বলেন, আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি, তাই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা নেই। তবে চাঁদাবাজির বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.