
০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১২:১৬
পিরোজপুরের নেছারাবাদে এক সময়ের ব্যস্ততম নৌযান নির্মাণ কেন্দ্রগুলোতে এখন নীরবতা। ছোট-বড় মিলিয়ে ৩০টি ডকইয়ার্ডের মধ্যে গত দুই বছরে বন্ধ হয়ে গেছে অন্তত ৭টি। বন্ধ হয়ে যাওয়া এই ডকগুলোর সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে হাজারো শ্রমিকের স্বপ্ন। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় আড়াই হাজার দক্ষ শ্রমিক। সংকটে রয়েছে বাকি ডকইয়ার্ডগুলোও।
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের ২৭ কিলোমিটার উজানে অবস্থিত নেছারাবাদ উপজেলার দুই পাশে বয়ে চলেছে সন্ধ্যা নদী। নদী ঘেঁষেই গড়ে ওঠে ছারছিনা, নান্দুহার, কালীবাড়ি, বালিহারী, মাগুরাসহ আশপাশের গ্রামগুলোর ডকইয়ার্ডগুলো। ৩৫ বছর আগে বরছাকাঠির আবদুল বারেক ও রুস্তম আলীর হাত ধরে যাত্রা শুরু হয় এই শিল্পের।
তখন থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে প্রায় ৩০টিরও বেশি ডকইয়ার্ড। এই ডকইয়ার্ডগুলোতে বছরে তৈরি হতো প্রায় ২০০টি নৌযান। মেরামত করা হতো আরও দেড় থেকে দুই হাজার নৌযান। এখানে ৫০ লাখ থেকে শুরু করে ১০ কোটি টাকা মূল্যের জাহাজ নির্মাণ হতো, যার মধ্যে ছিল লঞ্চ, উন্নতমানের ট্রলার ও বড় আকারের কার্গো জাহাজ। ২০০ থেকে ২৫০ ফুট দীর্ঘ নৌযান নির্মাণে সময় লাগতো প্রায় ৯-১০ মাস।
তবে করোনাভাইরাস মহামারির পর থেকেই হঠাৎ থমকে যায় এই শিল্পের চাকা। মহামারির পর থেকে নৌযান নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের দামের বৃদ্ধি এবং সড়ক ও রেলপথে পরিবহনের ওপর নির্ভরতা বাড়ার ফলে ডকইয়ার্ডগুলোর ওপর চাপ বাড়তে থাকে। এখন এই ডকইয়ার্ডগুলোতে শুধু মেরামতের কাজই সীমিতভাবে চলছে।
নেছারাবাদ উপজেলার ডকইয়ার্ড গুলোতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কয়েকটি ডকইয়ার্ডে কমপক্ষে ৫০ থেকে ১০০ জন শ্রমিকের জায়গায় কাজ করছে মাত্র ২০ থেকে ২৫ জন। বিশাল আকারের জাহাজ নির্মাণের জায়গাগুলো খালি পড়ে আছে। আগের মতো লোহার শব্দ নেই। নদীর পাড়ে পড়ে থাকা জাহাজের খোলা খোলস যেন কথা বলছে একটি সম্ভাবনাময় শিল্পের জীর্ণ দশার।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা বলছেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিকল্পিত উদ্যোগ না থাকলে এই শিল্প পুরোপুরি বিলুপ্তির পথে যাবে। অথচ নেছারাবাদের ডকইয়ার্ড শিল্প দেশের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সম্ভাবনাময় খাত হতে পারত।
নুরুল হায়দার নামে এক শ্রমিক বলেন, আমি প্রায় ১৮ বছর ধরে এই কাজ করি। ডকইয়ার্ডে এখন তেমন কাজ নেই। যে মজুরি পাই তাতে আমাদের সংসারও চলে না। সরকার যদি আমাদের একটা ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করে দিত যদি একটা সার্টিফিকেট এর ব্যবস্থা করত তাইলে আমরা অন্য জায়গায় গিয়েও কাজ করতে পারতাম।
মো. রিয়াজ নামে আরেক শ্রমিক বলেন, আগে দিনে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা রোজগার হইতো, এখন হাত গুটাইয়া বসে আছি। যদি সরকার কিছু সহযোগিতা করত, এই শিল্প আবার দাঁড়াইত। নইলে আমাদের সবাইকে না খেয়ে মরতে হবে।
জাহাজ মালিক কামরুল ইসলাম বলেন, মূলত এই জাহাজ ব্যবসা আগের মতো আর নেই। করোনার পরে বিদেশী জাহাজ এখন আর বাংলাদেশে আসে না। এ কারণে আমরা জাহাজের কাঁচামাল এবং পুরাতন জাহাজের মাল পাচ্ছি না। এ কারণে কাঁচামালের দামও বেশি সব মিলিয়ে আমাদের জাহাজ ব্যবসা এখন আর আগের মতো নেই। এই ব্যবসায় সরকার যদি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়াতো তবেই ব্যবসাটি টিকে থাকতো।
এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সহজ শর্তে ঋণ, কাঁচামালের সহজলভ্যতা নিশ্চিতকরণ, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং সরকারি তদারকি থাকলে এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নেছারাবাদ উপজেলায় বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড রয়েছে এর মধ্যে ডকইয়ার্ড শিল্প গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। নিজস্ব উদ্যোগে এখানের কিছু মানুষ এ উপজেলার সন্ধ্যা নদীর তীরে ডকইয়ার্ড শিল্প গড়ে তুলেছে।
ডকইয়ার্ড শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে নিয়ে গত বছরের জুন মাসের মাঝামাঝি একটি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিলাম। যাতে করে তারা এই কাজটি ভালো করে করতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি গড়তে ভূমিকা রাখতে পারে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সার্বিক খেয়াল রাখছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে এক সময়ের ব্যস্ততম নৌযান নির্মাণ কেন্দ্রগুলোতে এখন নীরবতা। ছোট-বড় মিলিয়ে ৩০টি ডকইয়ার্ডের মধ্যে গত দুই বছরে বন্ধ হয়ে গেছে অন্তত ৭টি। বন্ধ হয়ে যাওয়া এই ডকগুলোর সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে হাজারো শ্রমিকের স্বপ্ন। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় আড়াই হাজার দক্ষ শ্রমিক। সংকটে রয়েছে বাকি ডকইয়ার্ডগুলোও।
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের ২৭ কিলোমিটার উজানে অবস্থিত নেছারাবাদ উপজেলার দুই পাশে বয়ে চলেছে সন্ধ্যা নদী। নদী ঘেঁষেই গড়ে ওঠে ছারছিনা, নান্দুহার, কালীবাড়ি, বালিহারী, মাগুরাসহ আশপাশের গ্রামগুলোর ডকইয়ার্ডগুলো। ৩৫ বছর আগে বরছাকাঠির আবদুল বারেক ও রুস্তম আলীর হাত ধরে যাত্রা শুরু হয় এই শিল্পের।
তখন থেকেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে প্রায় ৩০টিরও বেশি ডকইয়ার্ড। এই ডকইয়ার্ডগুলোতে বছরে তৈরি হতো প্রায় ২০০টি নৌযান। মেরামত করা হতো আরও দেড় থেকে দুই হাজার নৌযান। এখানে ৫০ লাখ থেকে শুরু করে ১০ কোটি টাকা মূল্যের জাহাজ নির্মাণ হতো, যার মধ্যে ছিল লঞ্চ, উন্নতমানের ট্রলার ও বড় আকারের কার্গো জাহাজ। ২০০ থেকে ২৫০ ফুট দীর্ঘ নৌযান নির্মাণে সময় লাগতো প্রায় ৯-১০ মাস।
তবে করোনাভাইরাস মহামারির পর থেকেই হঠাৎ থমকে যায় এই শিল্পের চাকা। মহামারির পর থেকে নৌযান নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এর পাশাপাশি দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের দামের বৃদ্ধি এবং সড়ক ও রেলপথে পরিবহনের ওপর নির্ভরতা বাড়ার ফলে ডকইয়ার্ডগুলোর ওপর চাপ বাড়তে থাকে। এখন এই ডকইয়ার্ডগুলোতে শুধু মেরামতের কাজই সীমিতভাবে চলছে।
নেছারাবাদ উপজেলার ডকইয়ার্ড গুলোতে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কয়েকটি ডকইয়ার্ডে কমপক্ষে ৫০ থেকে ১০০ জন শ্রমিকের জায়গায় কাজ করছে মাত্র ২০ থেকে ২৫ জন। বিশাল আকারের জাহাজ নির্মাণের জায়গাগুলো খালি পড়ে আছে। আগের মতো লোহার শব্দ নেই। নদীর পাড়ে পড়ে থাকা জাহাজের খোলা খোলস যেন কথা বলছে একটি সম্ভাবনাময় শিল্পের জীর্ণ দশার।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা বলছেন, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিকল্পিত উদ্যোগ না থাকলে এই শিল্প পুরোপুরি বিলুপ্তির পথে যাবে। অথচ নেছারাবাদের ডকইয়ার্ড শিল্প দেশের দক্ষিণাঞ্চলে একটি সম্ভাবনাময় খাত হতে পারত।
নুরুল হায়দার নামে এক শ্রমিক বলেন, আমি প্রায় ১৮ বছর ধরে এই কাজ করি। ডকইয়ার্ডে এখন তেমন কাজ নেই। যে মজুরি পাই তাতে আমাদের সংসারও চলে না। সরকার যদি আমাদের একটা ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করে দিত যদি একটা সার্টিফিকেট এর ব্যবস্থা করত তাইলে আমরা অন্য জায়গায় গিয়েও কাজ করতে পারতাম।
মো. রিয়াজ নামে আরেক শ্রমিক বলেন, আগে দিনে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা রোজগার হইতো, এখন হাত গুটাইয়া বসে আছি। যদি সরকার কিছু সহযোগিতা করত, এই শিল্প আবার দাঁড়াইত। নইলে আমাদের সবাইকে না খেয়ে মরতে হবে।
জাহাজ মালিক কামরুল ইসলাম বলেন, মূলত এই জাহাজ ব্যবসা আগের মতো আর নেই। করোনার পরে বিদেশী জাহাজ এখন আর বাংলাদেশে আসে না। এ কারণে আমরা জাহাজের কাঁচামাল এবং পুরাতন জাহাজের মাল পাচ্ছি না। এ কারণে কাঁচামালের দামও বেশি সব মিলিয়ে আমাদের জাহাজ ব্যবসা এখন আর আগের মতো নেই। এই ব্যবসায় সরকার যদি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়াতো তবেই ব্যবসাটি টিকে থাকতো।
এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সহজ শর্তে ঋণ, কাঁচামালের সহজলভ্যতা নিশ্চিতকরণ, প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং সরকারি তদারকি থাকলে এ শিল্প আবারও ঘুরে দাঁড়াতে পারে। নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, নেছারাবাদ উপজেলায় বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড রয়েছে এর মধ্যে ডকইয়ার্ড শিল্প গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। নিজস্ব উদ্যোগে এখানের কিছু মানুষ এ উপজেলার সন্ধ্যা নদীর তীরে ডকইয়ার্ড শিল্প গড়ে তুলেছে।
ডকইয়ার্ড শিল্পের সঙ্গে যারা জড়িত তাদেরকে নিয়ে গত বছরের জুন মাসের মাঝামাঝি একটি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিলাম। যাতে করে তারা এই কাজটি ভালো করে করতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি গড়তে ভূমিকা রাখতে পারে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন সার্বিক খেয়াল রাখছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাধারণ ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে পিরোজপুরে প্রচারণামূলক কর্মসূচি পালন করছে জেলা তথ্য অফিস। ‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় মঙ্গলবার দিনব্যাপী ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সুরে সুরে সচেতনতা একটি সুসজ্জিত ট্রাককে অস্থায়ী মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করে স্থানীয় লোকসংগীত শিল্পীরা গান ও বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভোট প্রদানের গুরুত্ব এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করছেন। পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসহ শহরের প্রধান প্রধান গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানটি প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে শিল্পীরা দেহতত্ত্ব, দেশাত্মবোধক এবং নির্বাচনী সচেতনতামূলক গান পরিবেশন করেন। প্রচারণার মূল লক্ষ্য ছিল ‘গণভোট ২০২৬’ এবং একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ।
অতিথিবৃন্দ ও আয়োজন পিরোজপুর জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক পরীক্ষিৎ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী তথ্য অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
প্রশাসনের বক্তব্য জেলা তথ্য অফিসার পরীক্ষিৎ চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচনের বার্তা সহজে পৌঁছে দিতেই এই সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গানের মাধ্যমে তথ্য দিলে তা মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাউল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন। এ সময় ট্রাকের চারপাশ জুড়ে সাধারণ পথচারী ও দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ব্যানার ও পোস্টারে সজ্জিত এই ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ থেকে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, যেন তাঁরা নির্ভয়ে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। জেলা তথ্য অফিসের এই সৃজনশীল উদ্যোগকে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ সাধুবাদ জানিয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাধারণ ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে পিরোজপুরে প্রচারণামূলক কর্মসূচি পালন করছে জেলা তথ্য অফিস। ‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় মঙ্গলবার দিনব্যাপী ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সুরে সুরে সচেতনতা একটি সুসজ্জিত ট্রাককে অস্থায়ী মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করে স্থানীয় লোকসংগীত শিল্পীরা গান ও বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভোট প্রদানের গুরুত্ব এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করছেন। পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসহ শহরের প্রধান প্রধান গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানটি প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে শিল্পীরা দেহতত্ত্ব, দেশাত্মবোধক এবং নির্বাচনী সচেতনতামূলক গান পরিবেশন করেন। প্রচারণার মূল লক্ষ্য ছিল ‘গণভোট ২০২৬’ এবং একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ।
অতিথিবৃন্দ ও আয়োজন পিরোজপুর জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক পরীক্ষিৎ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী তথ্য অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
প্রশাসনের বক্তব্য জেলা তথ্য অফিসার পরীক্ষিৎ চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচনের বার্তা সহজে পৌঁছে দিতেই এই সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গানের মাধ্যমে তথ্য দিলে তা মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাউল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন। এ সময় ট্রাকের চারপাশ জুড়ে সাধারণ পথচারী ও দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ব্যানার ও পোস্টারে সজ্জিত এই ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ থেকে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, যেন তাঁরা নির্ভয়ে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। জেলা তথ্য অফিসের এই সৃজনশীল উদ্যোগকে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ সাধুবাদ জানিয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৩
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন মহিলা দল নেত্রী।
এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি তার ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন।
সুলতানা রাজিয়া নেছারাবাদ উপজেলা মহিলা দলের সদস্য ও জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব। নির্বাচনী সেন্টারের খরচ না পেয়ে হতাশ হয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৩ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাজিয়া লেখেন, ‘জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি, গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলাম। সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করেছি। আর ক্ষমতা নাই। কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি।’
সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘আমি নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করেছি। এখন আর পারছি না। আমাদের কোনো খরচ দেওয়া হচ্ছে না। তাই অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে স্বেচ্ছায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তবে যতদিন বেঁচে আছি, বিএনপি করে যাব।’
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘সে সৈকত সাহেবের লোক। আমি এত পারি না।’
নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, ‘মূলত সব ইউনিয়ন থেকে মহিলা নেত্রীদের একটি তালিকা ও কাগজপত্র দিতে হবে। এরপর ন্যূনতম একটি সেন্টার খরচ দেওয়া হবে। হয়ত কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন মহিলা দল নেত্রী।
এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি তার ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন।
সুলতানা রাজিয়া নেছারাবাদ উপজেলা মহিলা দলের সদস্য ও জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব। নির্বাচনী সেন্টারের খরচ না পেয়ে হতাশ হয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৩ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাজিয়া লেখেন, ‘জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি, গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলাম। সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করেছি। আর ক্ষমতা নাই। কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি।’
সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘আমি নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করেছি। এখন আর পারছি না। আমাদের কোনো খরচ দেওয়া হচ্ছে না। তাই অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে স্বেচ্ছায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তবে যতদিন বেঁচে আছি, বিএনপি করে যাব।’
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘সে সৈকত সাহেবের লোক। আমি এত পারি না।’
নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, ‘মূলত সব ইউনিয়ন থেকে মহিলা নেত্রীদের একটি তালিকা ও কাগজপত্র দিতে হবে। এরপর ন্যূনতম একটি সেন্টার খরচ দেওয়া হবে। হয়ত কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।’

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৯
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মোঃ রাইয়ান মল্লিক (৫) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার দিনগত রাত ১২টার দিকে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাইয়ান ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের প্রবাসি রাসেল মল্লিক এর ছেলে। শিশুটি স্থানীয় পশারিবুনীয়া আফছারিয়া নূরানী কিন্ডার গার্টেন এ শিশু শ্রেণিতে পড়ালেখা করত। পরিবারের অভিযোগ প্রতিপক্ষ চাচা আব্দুল কাদের মল্লিক শিশুটিকে হত্যার পর লাশ খড়ের গাদায় লুকিয়ে রেখেছে।
থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গত শনিবার শিশু রাইয়ান সকলের অগোচরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। খুঁজে না পেয়ে শিশুটির মা তন্নী আক্তার ভান্ডারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ভান্ডারিয়া থানা পুিলশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
এঘটনায় নিহত শিশুর মা তন্নী আক্তার বাদি হয়ে ভা-ারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মোঃ রাইয়ান মল্লিক (৫) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার দিনগত রাত ১২টার দিকে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাইয়ান ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের প্রবাসি রাসেল মল্লিক এর ছেলে। শিশুটি স্থানীয় পশারিবুনীয়া আফছারিয়া নূরানী কিন্ডার গার্টেন এ শিশু শ্রেণিতে পড়ালেখা করত। পরিবারের অভিযোগ প্রতিপক্ষ চাচা আব্দুল কাদের মল্লিক শিশুটিকে হত্যার পর লাশ খড়ের গাদায় লুকিয়ে রেখেছে।
থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গত শনিবার শিশু রাইয়ান সকলের অগোচরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। খুঁজে না পেয়ে শিশুটির মা তন্নী আক্তার ভান্ডারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ভান্ডারিয়া থানা পুিলশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
এঘটনায় নিহত শিশুর মা তন্নী আক্তার বাদি হয়ে ভা-ারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৬
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৯