Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

২৫ মে, ২০২৬ ১৩:৫৩
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া গাঁজা গাছসহ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান পরিচালনা করে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ।
এ সময় শাকিল হাওলাদারের বাড়ি থেকে প্রায় ৬ ফুট লম্বা একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শাকিল হাওলাদার (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। শাকিল ধাওয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডর বাসিন্দা মতি হাওলাদার ছেলে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত গাঁজা গাছটি জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হসান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান সবসময়ই জিরো টলারেন্স। সমাজ থেকে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

২৩ মে, ২০২৬ ১৮:৩৭
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে কর্মরত টিসি মোহরার শফিকুল ইসলাম কারাগারে থাকা অবস্থাতেও দাপ্তরিক তথ্য গোপন করে ছুটি গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হলেও এখনো তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শফিকুল ইসলামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামে। ২০২৫ সালের ৫ এপ্রিল নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত তিনি কারাগারে ছিলেন।তবে ওই সময় তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ গোপন রেখে অসুস্থতাজনিত ছুটি দেখিয়ে অফিসে তথ্য উপস্থাপন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এতে দাপ্তরিক রেকর্ডে তাকে নিয়মিত ছুটিতে থাকা কর্মচারী হিসেবে দেখানো হয়।
সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী গ্রেপ্তার বা কারাগারে থাকলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে সেই বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি এমন প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কার্যালয়ের একাধিক কর্মচারী জানান, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরে আলোচনা থাকলেও এখনো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে টিসি মোহরার শফিকুল ইসলাম কারাগারে থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এদিকে রহমতপুর সাব-রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) যোবায়ের হোসেন বলেন,শফিকুল ইসলাম অসুস্থতার কারণে তিন দিন ছুটিতে ছিলেন। তবে তিনি কারাগারে ছিলেন এ বিষয়ে আমাদের কোনো তথ্য নেই।
বরিশাল জেলা সাব-রেজিস্ট্রার মোহছেন মিয়া বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

২৩ মে, ২০২৬ ১৬:১৪
পবিত্র ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে, পিরোজপুরে ততই জমজমাট হয়ে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। জেলাজুড়ে স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করেছে ছোট-বড় নানা আকারের কোরবানিযোগ্য পশু। তবে হাটগুলোতে এবার মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাঁচপাড়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিক্রেতারা তাদের পালিত পশু নিয়ে হাটে হাজির হয়েছেন। ক্রেতারাও ভিড় করছেন, তবে এখনই কেনার চেয়ে দাম যাচাই-বাছাই করতেই বেশি পছন্দ করছেন তারা।
হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে, ক্রেতা মো. রহমান আলী বলেন, হাটে গরুর আমদানি বেশ ভালো। তবে বিক্রেতারা এখন দাম একটু চড়া চাচ্ছেন। আমার বাজেট মাঝারি সাইজের গরুর। আরও দু-একটা হাট দেখে তারপর পছন্দের পশুটি কিনব।
খামারি ও বিক্রেতা হাশেম মিয়া বলেন, সবেমাত্র হাটে গরু তুলতে শুরু করেছি। ক্রেতারা আসছেন, দেখছেন, দাম করছেন—কিন্তু এখনো পুরোদমে কেনাবেচা শুরু হয়নি। আশা করছি, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে হাট পুরোপুরি জমে উঠবে এবং ভালো দাম পাব।
কোরবানির হাটগুলোকে কেন্দ্র করে জালিয়াতি, ছিনতাই ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। পিরোজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর পুরো জেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে সর্বমোট ৫৫টি পশুর হাট বসছে।
হাটের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, কোরবানির পশুর হাটগুলোর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। হাটে আমাদের পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে। ক্রেতা ও বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে এবং নিরাপদে টাকা লেনদেন ও পশু আনা-নেওয়া করতে পারেন, তার জন্য পুলিশ প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
বাজার সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ঈদের ছুটির দিনগুলো শুরু হলে হাটের বেচাবিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যাবে এবং খামারিরা তাদের কাঙ্ক্ষিত মূল্য পাবেন।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া গাঁজা গাছসহ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার (২৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার ধাওয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান পরিচালনা করে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ।
এ সময় শাকিল হাওলাদারের বাড়ি থেকে প্রায় ৬ ফুট লম্বা একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শাকিল হাওলাদার (২৫) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। শাকিল ধাওয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডর বাসিন্দা মতি হাওলাদার ছেলে।
পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত গাঁজা গাছটি জব্দ করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হসান জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান সবসময়ই জিরো টলারেন্স। সমাজ থেকে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক নির্মূলে এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িতদে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর সাব-রেজিস্ট্রার কার্যালয়ে কর্মরত টিসি মোহরার শফিকুল ইসলাম কারাগারে থাকা অবস্থাতেও দাপ্তরিক তথ্য গোপন করে ছুটি গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা শুরু হলেও এখনো তার বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শফিকুল ইসলামের বাড়ি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামে। ২০২৫ সালের ৫ এপ্রিল নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৭ মে থেকে ২০ মে পর্যন্ত তিনি কারাগারে ছিলেন।তবে ওই সময় তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিতির প্রকৃত কারণ গোপন রেখে অসুস্থতাজনিত ছুটি দেখিয়ে অফিসে তথ্য উপস্থাপন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এতে দাপ্তরিক রেকর্ডে তাকে নিয়মিত ছুটিতে থাকা কর্মচারী হিসেবে দেখানো হয়।
সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী গ্রেপ্তার বা কারাগারে থাকলে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক। একই সঙ্গে এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে সেই বিধান যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি এমন প্রশ্ন তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কার্যালয়ের একাধিক কর্মচারী জানান, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরে আলোচনা থাকলেও এখনো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেয়নি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে টিসি মোহরার শফিকুল ইসলাম কারাগারে থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। এদিকে রহমতপুর সাব-রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) যোবায়ের হোসেন বলেন,শফিকুল ইসলাম অসুস্থতার কারণে তিন দিন ছুটিতে ছিলেন। তবে তিনি কারাগারে ছিলেন এ বিষয়ে আমাদের কোনো তথ্য নেই।
বরিশাল জেলা সাব-রেজিস্ট্রার মোহছেন মিয়া বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।
পবিত্র ঈদুল আজহা যতই ঘনিয়ে আসছে, পিরোজপুরে ততই জমজমাট হয়ে উঠছে কোরবানির পশুর হাট। জেলাজুড়ে স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটগুলোতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করেছে ছোট-বড় নানা আকারের কোরবানিযোগ্য পশু। তবে হাটগুলোতে এবার মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
সরেজমিনে সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী পাঁচপাড়া বাজার ঘুরে দেখা যায়, বিক্রেতারা তাদের পালিত পশু নিয়ে হাটে হাজির হয়েছেন। ক্রেতারাও ভিড় করছেন, তবে এখনই কেনার চেয়ে দাম যাচাই-বাছাই করতেই বেশি পছন্দ করছেন তারা।
হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে, ক্রেতা মো. রহমান আলী বলেন, হাটে গরুর আমদানি বেশ ভালো। তবে বিক্রেতারা এখন দাম একটু চড়া চাচ্ছেন। আমার বাজেট মাঝারি সাইজের গরুর। আরও দু-একটা হাট দেখে তারপর পছন্দের পশুটি কিনব।
খামারি ও বিক্রেতা হাশেম মিয়া বলেন, সবেমাত্র হাটে গরু তুলতে শুরু করেছি। ক্রেতারা আসছেন, দেখছেন, দাম করছেন—কিন্তু এখনো পুরোদমে কেনাবেচা শুরু হয়নি। আশা করছি, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে হাট পুরোপুরি জমে উঠবে এবং ভালো দাম পাব।
কোরবানির হাটগুলোকে কেন্দ্র করে জালিয়াতি, ছিনতাই ও অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। পিরোজপুর পুলিশ সুপার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর পুরো জেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে সর্বমোট ৫৫টি পশুর হাট বসছে।
হাটের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, কোরবানির পশুর হাটগুলোর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। হাটে আমাদের পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা নজরদারি থাকবে। ক্রেতা ও বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে এবং নিরাপদে টাকা লেনদেন ও পশু আনা-নেওয়া করতে পারেন, তার জন্য পুলিশ প্রশাসন বদ্ধপরিকর।
বাজার সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, ঈদের ছুটির দিনগুলো শুরু হলে হাটের বেচাবিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যাবে এবং খামারিরা তাদের কাঙ্ক্ষিত মূল্য পাবেন।