
১২ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:১৫
বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজার ছাড়িয়েছে। এ পর্যন্ত প্রাণহানি হয়েছে ৪৪ জনের। নভেম্বরের প্রথম ১০ দিনেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৪০ জনের বেশি এবং মারা গেছেন তিনজন। চিকিৎসকেরা বলছেন, জ্বরের পর চিকিৎসা নিতে দেরি করাতেই জটিলতা বাড়ছে।
এ নিয়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেলের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, গত বছর বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত্রের সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৭৭৩। এবার সে তুলনায় আক্রান্ত হয়েছেন দ্বিগুণের বেশি মানুষ। বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন গড়ে ৮০ থেকে ৯০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি থাকছেন।
হাসপাতালটিতে নভেম্বর পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় দুই হাজার।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, অক্টোবর মাসে আক্রান্ত ছিলেন ৩ হাজার ৮৭ জন। নভেম্বরের ১০ দিনেই আক্রান্ত ১ হাজার ২৪০ জনের বেশি। আর মৃত্যু হয়েছে তিনজনের।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর আরও জানান, ডেঙ্গু রোগীদের সেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। তবে হাসপাতালে সেবার পাশাপাশি জনসচেতনতাও জরুরি।
বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক(স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম বলছেন, ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে মশা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগের পাশাপাশি হাসপাতালে স্যালাইন ও অন্যান্য ওষুধ সরবরাহ বাড়ানো দরকার।
বরিশাল বিভাগের বরগুনা ও পটুয়াখালীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি। জটিলতা ও প্রাণহানি এড়াতে লক্ষণ দেখলেই দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজার ছাড়িয়েছে। এ পর্যন্ত প্রাণহানি হয়েছে ৪৪ জনের। নভেম্বরের প্রথম ১০ দিনেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৪০ জনের বেশি এবং মারা গেছেন তিনজন। চিকিৎসকেরা বলছেন, জ্বরের পর চিকিৎসা নিতে দেরি করাতেই জটিলতা বাড়ছে।
এ নিয়ে শের-ই-বাংলা মেডিকেলের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, গত বছর বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু আক্রান্ত্রের সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৭৭৩। এবার সে তুলনায় আক্রান্ত হয়েছেন দ্বিগুণের বেশি মানুষ। বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন গড়ে ৮০ থেকে ৯০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি থাকছেন।
হাসপাতালটিতে নভেম্বর পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছেন প্রায় দুই হাজার।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, অক্টোবর মাসে আক্রান্ত ছিলেন ৩ হাজার ৮৭ জন। নভেম্বরের ১০ দিনেই আক্রান্ত ১ হাজার ২৪০ জনের বেশি। আর মৃত্যু হয়েছে তিনজনের।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম মশিউল মুনীর আরও জানান, ডেঙ্গু রোগীদের সেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। তবে হাসপাতালে সেবার পাশাপাশি জনসচেতনতাও জরুরি।
বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক(স্বাস্থ্য) ডা. মোহাম্মদ লোকমান হাকিম বলছেন, ডেঙ্গুর বিস্তার ঠেকাতে মশা নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগের পাশাপাশি হাসপাতালে স্যালাইন ও অন্যান্য ওষুধ সরবরাহ বাড়ানো দরকার।
বরিশাল বিভাগের বরগুনা ও পটুয়াখালীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি। জটিলতা ও প্রাণহানি এড়াতে লক্ষণ দেখলেই দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল সকাল ৯ টায় মহাসড়কের বদরপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি বাকেরগঞ্জ থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি পটুয়াখালীর বদরপুর নামক স্থানে পৌঁছালে পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মোটরসাইকেল চালক মারুফ (২৩) গারুড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভান্ডারীকাঠি গ্রামের রফিকুল ইসলাম হাওলাদারের পুত্র। মারুফ গারুড়িয়া ইউনিয়নের কান্তা হাসান বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
পুলিশ জানায়, নিহত মারুফের মরা দেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার ১০ এপ্রিল সকাল ৯ টায় মহাসড়কের বদরপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলটি বাকেরগঞ্জ থেকে পটুয়াখালীর দিকে যাচ্ছিল। মোটরসাইকেলটি পটুয়াখালীর বদরপুর নামক স্থানে পৌঁছালে পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই চালক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মোটরসাইকেল চালক মারুফ (২৩) গারুড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ ভান্ডারীকাঠি গ্রামের রফিকুল ইসলাম হাওলাদারের পুত্র। মারুফ গারুড়িয়া ইউনিয়নের কান্তা হাসান বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ছিলেন।
দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বিঘ্নিত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
পুলিশ জানায়, নিহত মারুফের মরা দেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি জব্দ করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৬
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষিকা ও তার সন্তানরা।
১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলার ডাকবাংলা এলাকায় নিজ ভাইয়ের বাসায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বড়কোঠা ইউনিয়নের গাববাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মাদ্রাসা শিক্ষিকা সারমিন আক্তার নিপা। এ সময় তার দুই পুত্রও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সারমিন আক্তার নিপা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মোহাম্মদ শাজাহান হাওলাদার সুমন (৪৪) গত ৬ এপ্রিল সোমবার ঢাকার উত্তরখান এলাকায় নিজ বাসায় রহস্যজনকভাবে মারা যান।
ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে তিনি ছোট ছেলে হামীম হোসাইন সানমুনকে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শেষে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে স্বামীকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। কপালে হাত দিলে ঠান্ডা অনুভূত হয়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও স্থানীয়রা তাতে রাজি হননি এবং দ্রুত গোসল ও জানাজার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি তিনি শাশুড়িকে জানালে তারা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার কথা বলেন। পরে মরদেহ বাড়িতে আনার পর শাশুড়ি ও ননদের পক্ষ থেকে তার ও সন্তানদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
সারমিন বলেন, তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধও ছিল। তার অভিযোগ, তার অনুপস্থিতির সুযোগে স্বামীর মাদকসেবী বন্ধুদের কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
তিনি স্বামীর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় স্বামীর রহস্যজনক মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক মাদ্রাসা শিক্ষিকা ও তার সন্তানরা।
১০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০টায় উপজেলার ডাকবাংলা এলাকায় নিজ ভাইয়ের বাসায় এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বড়কোঠা ইউনিয়নের গাববাড়ি গ্রামের বাসিন্দা মাদ্রাসা শিক্ষিকা সারমিন আক্তার নিপা। এ সময় তার দুই পুত্রও উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে সারমিন আক্তার নিপা অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী মোহাম্মদ শাজাহান হাওলাদার সুমন (৪৪) গত ৬ এপ্রিল সোমবার ঢাকার উত্তরখান এলাকায় নিজ বাসায় রহস্যজনকভাবে মারা যান।
ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে তিনি ছোট ছেলে হামীম হোসাইন সানমুনকে নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শেষে বাসায় ফিরে দেখেন ঘরের দরজা খোলা। ভেতরে ঢুকে স্বামীকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে কাছে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। কপালে হাত দিলে ঠান্ডা অনুভূত হয়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেওয়ার অনুরোধ করা হলেও স্থানীয়রা তাতে রাজি হননি এবং দ্রুত গোসল ও জানাজার ব্যবস্থা করেন। বিষয়টি তিনি শাশুড়িকে জানালে তারা মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার কথা বলেন। পরে মরদেহ বাড়িতে আনার পর শাশুড়ি ও ননদের পক্ষ থেকে তার ও সন্তানদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং মৃত্যুকে ঘিরে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়।
সারমিন বলেন, তিনি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। পরবর্তীতে পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও দাবি করেন, তার স্বামী দীর্ঘদিন মাদকাসক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ নিয়ে পারিবারিক বিরোধও ছিল। তার অভিযোগ, তার অনুপস্থিতির সুযোগে স্বামীর মাদকসেবী বন্ধুদের কেউ এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
তিনি স্বামীর মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানান।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। লোহার রডের আঘাতে বনমালী রায় নামের ওই পুলিশ সদস্য আহত হয়ে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের হাগুড়াগছ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পালিয়ে যাওয়া আসামি হলেন উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের লোহাকাচি গ্রামের রাসেল ইসলাম (৩৩)। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য বনমালী রায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় কর্মরত।
এর আগে বুধবার রাতে একই এলাকার শরিফ উদ্দিনের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গরুর মালিক রাসেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া থানার এসআই বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলকে গ্রেপ্তারে তার বাড়ি ঘেরাও করে।
পুলিশ সদস্যরা নিশ্চিত হন যে আসামি ঘরের ভেতরে অবস্থান করছেন। পরে বনমালী রায় দরজার সামনে গেলে রাসেল হঠাৎ দরজা খুলে রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান।
পরে সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা আহত বনমালীকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহফুজা মুনির পূর্বা জানান, আহত পুলিশ সদস্যের মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। সর্বশেষ একটি গরু চুরির মামলার ভিত্তিতে অভিযান চলাকালে তিনি হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন এক পুলিশ সদস্য। লোহার রডের আঘাতে বনমালী রায় নামের ওই পুলিশ সদস্য আহত হয়ে বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের হাগুড়াগছ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পালিয়ে যাওয়া আসামি হলেন উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের লোহাকাচি গ্রামের রাসেল ইসলাম (৩৩)। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আহত পুলিশ সদস্য বনমালী রায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় কর্মরত।
এর আগে বুধবার রাতে একই এলাকার শরিফ উদ্দিনের গোয়াল থেকে দুটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গরুর মালিক রাসেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া থানার এসআই বদিউজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাসেলকে গ্রেপ্তারে তার বাড়ি ঘেরাও করে।
পুলিশ সদস্যরা নিশ্চিত হন যে আসামি ঘরের ভেতরে অবস্থান করছেন। পরে বনমালী রায় দরজার সামনে গেলে রাসেল হঠাৎ দরজা খুলে রড দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যান।
পরে সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা আহত বনমালীকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহফুজা মুনির পূর্বা জানান, আহত পুলিশ সদস্যের মাথায় চারটি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন আছেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল ইসলাম বলেন, আসামি রাসেলের বিরুদ্ধে ভ্যান ও গরু চুরির একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। সর্বশেষ একটি গরু চুরির মামলার ভিত্তিতে অভিযান চলাকালে তিনি হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান। আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৭
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৬
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০২