জাতীয় পতাকার প্রতি অবিচল আনুগত্য, দেশরক্ষার অঙ্গীকার এবং সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রত্যয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ২০২৬ ব্যাচের ৪৪১ জন নবীন নাবিক।
বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর বানৌজা শের-ই-বাংলা প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে তাদের বুটক্যাম্প প্রশিক্ষণের সফল সমাপ্তি ঘটে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন এবং প্রশিক্ষণে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী নবীন নাবিকদের মাঝে পদক ও পুরস্কার বিতরণ করেন।
প্রশিক্ষণে সর্বোচ্চ কৃতিত্ব অর্জন করে ‘নৌপ্রধান পদক’ লাভ করেন মোঃ শাহরিয়ার টুটুল। তিনি পেশাগত ও সামগ্রিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে সেরা চৌকশ নাবিক হিসেবে নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ‘কমখুল পদক’ পান মোঃ সামিউল ইসলাম শাকিল এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে ‘শের-ই-বাংলা পদক’ লাভ করেন মোঃ কাদের মিয়া। এছাড়া সেরা চৌকশ মহিলা নাবিক হিসেবে মোছাঃ মারিয়া আক্তার ‘প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার পদক’ অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌবাহিনী প্রধান মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন, শহীদ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জম হোসেনসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নৌ কমান্ডোদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রতি নৌবহরে দুটি হেলিকপ্টার, দুটি আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল (ইউএভি), চারটি মাল্টি-মিশন ইন্টারসেপ্টর বোট এবং পাঁচটি পেট্রোল বোট সংযোজন করা হয়েছে। পাশাপাশি নিজস্ব ডাটা সেন্টার, BNNET স্থাপন, হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে জাহাজ ও আধুনিক ড্রোন সিস্টেম সংযোজনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান, নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ডসমূহ নিজস্ব সক্ষমতায় যুদ্ধজাহাজ, এলসিটি ও অন্যান্য সহায়ক প্ল্যাটফর্ম নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
নৌবাহিনী প্রধান ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকায় দায়িত্ব পালনের জন্য নৌ সদস্যদের প্রশংসা করেন।
তিনি নবীন নাবিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সততা, শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও দেশপ্রেমের আদর্শ ধারণ করে দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
প্রাণবন্ত ও মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে নবীন নাবিকরা আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল অঙ্গনে যুক্ত হন এবং দেশ ও জাতির প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের শপথ গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী সদর দপ্তরের পিএসওগণ, উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং নবীন নাবিকদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

২২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:২৫
পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বাউফল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার ওই এলাকার মৃত আনালি হাওলাদারের ছেলে। তিনি পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
নিহতের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মিজানুর রহমান জানান, কালাইয়ার এক ব্যক্তির কাছে তাঁদের বাড়ির কয়েকটি গাছ বিক্রি করা হয়েছিল। বুধবার দুপুরে এক কাঠুরিয়া গাছে উঠে একটি ডাল কাটেন। পরে আরেক কাঠুরিয়া রশি দিয়ে ডালটি বেঁধে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় গাছের অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর বাবা মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের মাথার ওপর ডালটি পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইরফান উদ্দিন তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাউফল পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় এ ঘটনায় আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
পটুয়াখালীর বাউফলে গাছের ডাল মাথায় পড়ে মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার (৬৫) নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুর দেড়টার দিকে বাউফল পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার ওই এলাকার মৃত আনালি হাওলাদারের ছেলে। তিনি পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
নিহতের ছেলে ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব মিজানুর রহমান জানান, কালাইয়ার এক ব্যক্তির কাছে তাঁদের বাড়ির কয়েকটি গাছ বিক্রি করা হয়েছিল। বুধবার দুপুরে এক কাঠুরিয়া গাছে উঠে একটি ডাল কাটেন। পরে আরেক কাঠুরিয়া রশি দিয়ে ডালটি বেঁধে নিচে নামানোর চেষ্টা করেন। এ সময় গাছের অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা তাঁর বাবা মোসলেম উদ্দিন হাওলাদারের মাথার ওপর ডালটি পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পরে তাঁকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইরফান উদ্দিন তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাউফল পৌর বিএনপির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, মোসলেম উদ্দিন হাওলাদার পৌর বিএনপির সদস্য ছিলেন।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি বিষয়টি জানতে পেরেছেন। পরিবারের কোনো আপত্তি না থাকায় এ ঘটনায় আইনি কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:১১
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাবপত্রসহ পুড়ে গেছে নিজের ও বোনের বিয়ের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরে জমানো প্রায় সাত লাখ টাকা। এতে সর্বস্ব হারিয়ে পড়েছেন মোশাররফ হোসেনের (৩০) পরিবার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলালিংক টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ মোশাররফের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ঘরের মালামাল, গবাদিপশু ও নগদ টাকা পুড়ে যায়।
মোশাররফ হোসেন জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল পালন করে আসছেন তিনি। এর আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করে দেন। এরপর গবাদিপশু পালন শুরু করেন।
মোশাররফ বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচটি গরু ও ৪০টির বেশি ছাগল বিক্রি করে প্রায় সাত লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। নিজের ও বোনের বিয়ের খরচের জন্য টাকাগুলো ঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু আগুনে তাঁর সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও ঘরের আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ছাব্বির আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বসতঘরে অগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি, আসবাবপত্রসহ পুড়ে গেছে নিজের ও বোনের বিয়ের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরে জমানো প্রায় সাত লাখ টাকা। এতে সর্বস্ব হারিয়ে পড়েছেন মোশাররফ হোসেনের (৩০) পরিবার।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলালিংক টাওয়ারসংলগ্ন এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ মোশাররফের বসতঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেও সফল হননি। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ঘরের মালামাল, গবাদিপশু ও নগদ টাকা পুড়ে যায়।
মোশাররফ হোসেন জানান, কৃষিকাজের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে গরু-ছাগল পালন করে আসছেন তিনি। এর আগে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অটোরিকশার ব্যাটারি চুরি হয়ে যাওয়ায় সেটি বিক্রি করে দেন। এরপর গবাদিপশু পালন শুরু করেন।
মোশাররফ বলেন, গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচটি গরু ও ৪০টির বেশি ছাগল বিক্রি করে প্রায় সাত লাখ টাকা জমিয়েছিলেন। নিজের ও বোনের বিয়ের খরচের জন্য টাকাগুলো ঘরে রেখেছিলেন। কিন্তু আগুনে তাঁর সব সঞ্চয় পুড়ে গেছে। প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের দুটি গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি ও ঘরের আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। এখন কীভাবে সংসার চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
বাউফল ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার ছাব্বির আহমেদ বলেন, সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে তাঁরা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৫৬
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর ১০ মাস বয়সী শিশু রাইয়ানের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ঘুটাবাছা গ্রামে আল আমিনের বাড়ির পাশের একটি খাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। রাইয়ান ওই গ্রামের রাসেল খানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে বাবার সঙ্গে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল রাইয়ান। এ সময় শিশুটির মা রুমানা বেগম ঘরের বাইরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে ব্যস্ত ছিলেন। সকাল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে রাসেল ঘুম থেকে উঠে ঘরে তাঁর স্ত্রীর বোনের স্বামী আল আমিনকে দেখতে পান। এরপর তিনি আবার ঘুমিয়ে পড়েন। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে আর খুঁজে পাননি।
এ ঘটনায় পারিবারিক বিরোধের জেরে আল আমিন শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেছে রাইয়ানের পরিবার। বৃহস্পতিবার রাতেই আল আমিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকে আসামি করে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন রুমানা বেগম। এর আগে ওই দিন দুপুরে আল আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

২১ মে, ২০২৬ ১৩:০১
জাতীয় পতাকার প্রতি অবিচল আনুগত্য, দেশরক্ষার অঙ্গীকার এবং সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দৃঢ় প্রত্যয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন ২০২৬ ব্যাচের ৪৪১ জন নবীন নাবিক।
বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর বানৌজা শের-ই-বাংলা প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে তাদের বুটক্যাম্প প্রশিক্ষণের সফল সমাপ্তি ঘটে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও সালাম গ্রহণ করেন এবং প্রশিক্ষণে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জনকারী নবীন নাবিকদের মাঝে পদক ও পুরস্কার বিতরণ করেন।
প্রশিক্ষণে সর্বোচ্চ কৃতিত্ব অর্জন করে ‘নৌপ্রধান পদক’ লাভ করেন মোঃ শাহরিয়ার টুটুল। তিনি পেশাগত ও সামগ্রিক বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে সেরা চৌকশ নাবিক হিসেবে নির্বাচিত হন। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ‘কমখুল পদক’ পান মোঃ সামিউল ইসলাম শাকিল এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করে ‘শের-ই-বাংলা পদক’ লাভ করেন মোঃ কাদের মিয়া। এছাড়া সেরা চৌকশ মহিলা নাবিক হিসেবে মোছাঃ মারিয়া আক্তার ‘প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার পদক’ অর্জন করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌবাহিনী প্রধান মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন, শহীদ লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জম হোসেনসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নৌ কমান্ডোদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ত্রিমাত্রিক নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সম্প্রতি নৌবহরে দুটি হেলিকপ্টার, দুটি আনম্যানড এরিয়াল ভেহিকল (ইউএভি), চারটি মাল্টি-মিশন ইন্টারসেপ্টর বোট এবং পাঁচটি পেট্রোল বোট সংযোজন করা হয়েছে। পাশাপাশি নিজস্ব ডাটা সেন্টার, BNNET স্থাপন, হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে জাহাজ ও আধুনিক ড্রোন সিস্টেম সংযোজনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। তিনি আরও জানান, নৌবাহিনী পরিচালিত শিপইয়ার্ডসমূহ নিজস্ব সক্ষমতায় যুদ্ধজাহাজ, এলসিটি ও অন্যান্য সহায়ক প্ল্যাটফর্ম নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
নৌবাহিনী প্রধান ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকায় দায়িত্ব পালনের জন্য নৌ সদস্যদের প্রশংসা করেন।
তিনি নবীন নাবিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সততা, শৃঙ্খলা, আনুগত্য ও দেশপ্রেমের আদর্শ ধারণ করে দেশসেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে। একই সঙ্গে সেনা ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
প্রাণবন্ত ও মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে নবীন নাবিকরা আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল অঙ্গনে যুক্ত হন এবং দেশ ও জাতির প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারের শপথ গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী সদর দপ্তরের পিএসওগণ, উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং নবীন নাবিকদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৪
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০৭
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:২০
২৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:৪২