
০৩ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:১৫
পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামী নেতা মাসুদ সাঈদী বলেছেন, নির্বাচিত হলে তিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করবেন। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ আজ পরিবর্তন চায়। তারা চায় একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার, ন্যায় ও ইনসাফ-ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা।
সোমবার বিকেলে উপজেলার চন্ডিপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক প্রতিনিধি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চন্ডিপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী সভাপতি মাওলানা ছারোয়ার হোসেন মোল্লা।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাসুদ সাঈদী বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি ক্রান্তিকালে আছে। শত্রুরা বার বার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাচ্ছে। জুলাই মাসের পরিবর্তনের পর সকল দল দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে দেশ এগোতে পারত। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু বন্ধু যারা একত্রে ছিল তারা আবার বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করছে। যদি আমরা নিজেরা ঝগড়া-ফ্যাসাদে লিপ্ত হই, তাহলে ফ্যাসিস্ট দল আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, তিনি আল্লামা সাঈদীর অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে চান। আমি আপনাদের কাছে ওয়াদা করছি, আমিও আল্লামা সাঈদীর মত আমানতদারীর সাথে পিরোজপুরকে সাজাব,” মাসুদ সাঈদী বলেন।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মো. জহিরুল হক, সহকারী সেক্রেটারি শেখ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, পিরোজপুর সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, নাজিরপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক শেখ, ইন্দুরকানী উপজেলা আমীর মাওলানা আলী হোসেন, সাবেক আমীর মো. হাবিবুর রহমান, কেসি টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ এসএম ইউনুস আলী, সেক্রেটারি মো. তৌহিদুর রহমান রাতুল, ইন্দুরকানী উপজেলা ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম এবং স্থানীয় জামায়াত নেতারা।
মাসুদ সাঈদীর এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি ভোটারদের কাছে দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেছেন এবং স্থানীয় উন্নয়নের বিষয়ে তার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামী নেতা মাসুদ সাঈদী বলেছেন, নির্বাচিত হলে তিনি বাংলাদেশকে উন্নয়নের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করবেন। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ আজ পরিবর্তন চায়। তারা চায় একটি জবাবদিহিতামূলক সরকার, ন্যায় ও ইনসাফ-ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা।
সোমবার বিকেলে উপজেলার চন্ডিপুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ভোটকেন্দ্র ভিত্তিক প্রতিনিধি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চন্ডিপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী সভাপতি মাওলানা ছারোয়ার হোসেন মোল্লা।
এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাসুদ সাঈদী বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি ক্রান্তিকালে আছে। শত্রুরা বার বার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চাচ্ছে। জুলাই মাসের পরিবর্তনের পর সকল দল দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে দেশ এগোতে পারত। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু বন্ধু যারা একত্রে ছিল তারা আবার বিভিন্ন বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করছে। যদি আমরা নিজেরা ঝগড়া-ফ্যাসাদে লিপ্ত হই, তাহলে ফ্যাসিস্ট দল আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে।
তিনি আরও বলেন, তিনি আল্লামা সাঈদীর অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন করতে চান। আমি আপনাদের কাছে ওয়াদা করছি, আমিও আল্লামা সাঈদীর মত আমানতদারীর সাথে পিরোজপুরকে সাজাব,” মাসুদ সাঈদী বলেন।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি মো. জহিরুল হক, সহকারী সেক্রেটারি শেখ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, পিরোজপুর সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমীর মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, নাজিরপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক শেখ, ইন্দুরকানী উপজেলা আমীর মাওলানা আলী হোসেন, সাবেক আমীর মো. হাবিবুর রহমান, কেসি টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ এসএম ইউনুস আলী, সেক্রেটারি মো. তৌহিদুর রহমান রাতুল, ইন্দুরকানী উপজেলা ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলাম এবং স্থানীয় জামায়াত নেতারা।
মাসুদ সাঈদীর এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি ভোটারদের কাছে দাড়িপাল্লা মার্কায় ভোট প্রার্থনা করেছেন এবং স্থানীয় উন্নয়নের বিষয়ে তার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৭
পিরোজপুরে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে এক নারীর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় প্রতারক চক্র। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার সাধনা ব্রিজ সংলগ্ন সাগর স্টোরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী হোসনে আরা (৫৫) জানান, দুইজন অজ্ঞাত প্রতারক চক্রের সদস্য কথোপকথনের একপর্যায়ে তাকে বিভ্রান্ত করে। পরে তারা তথাকথিত ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে নগদ টাকা, সোনার কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ হাসান জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইসহ প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পিরোজপুরে ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে এক নারীর থেকে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় প্রতারক চক্র। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভার সাধনা ব্রিজ সংলগ্ন সাগর স্টোরের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী হোসনে আরা (৫৫) জানান, দুইজন অজ্ঞাত প্রতারক চক্রের সদস্য কথোপকথনের একপর্যায়ে তাকে বিভ্রান্ত করে। পরে তারা তথাকথিত ‘শয়তানের নিশ্বাস’ ব্যবহার করে নগদ টাকা, সোনার কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ হাসান জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইসহ প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২১
বিভিন্ন পত্রিকায় ‘মঠবাড়িয়ায় সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে লুটপাটের রাজত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনকে শোকজ করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার স্বাক্ষরিত শোকজের একটি নোটিশ ইতোমধ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাৎ ও নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় টেস্টে অকৃতকার্য ছাত্রীদের ফরম পূরণে মেধা তালিকায় নাম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং অফিস খরচ বাবৎ রসিদ ছাড়াই প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতিটি বিষয়ে ১০০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি নিয়ম বর্হিভূত খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের বেতন ৩০০ টাকা করে প্রতি শিক্ষার্থী কাছ থেকে আদায় করে।
এদিকে ২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ব্যাচের নিকট থেকে কোচিং করানোর কথা বলে তিন হাজার করে টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোচিং না করিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিভাবক মোস্তাফিজুর রহামন ফিরোজ অভিযোগ করেন। এ ছাড়াও গত ৩ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য উপবৃত্তির টাকাও বিতরণ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরিবর্তে ‘রবিন স্টোর’ নামক একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে ড্রেস ও জুতা কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেন।
ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকলেও সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। এমনকি বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও আঙিনা এতটাই নোংরা যে ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েও সরকারি ও জাতীয় দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি ও ২৬ মার্চ তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেননি। এমন কি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ ব্যাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়নি।
পরে উপজেলা বিএনপির সদস্য নিজামুল কবির মিরাজ তাকে (প্রধান শিক্ষক) মুঠোফেনে কল করে প্রতিষ্ঠানে আনেন। এতে রাষ্ট্রের প্রতি এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ ব্যাপরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের মুখোমুখি হয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. রুহুল আমিন দুলাল বলেছিলেন, সরকারি দিবসে প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকলিমা আকতার বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সকল অভিযোগের বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তিনি সঠিক জবাব দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিভিন্ন পত্রিকায় ‘মঠবাড়িয়ায় সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে লুটপাটের রাজত্ব’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনকে শোকজ করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার স্বাক্ষরিত শোকজের একটি নোটিশ ইতোমধ্যে গণমাধ্যম কর্মীদের হাতে পৌঁছেছে।
উল্লেখ্য, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ঐতিহ্যবাহী সরকারি হাতেম আলী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা, অর্থ আত্মসাৎ ও নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নীতিমালাকে তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন অজুহাতে ছাত্রীদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের অভিযোগে জানা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় টেস্টে অকৃতকার্য ছাত্রীদের ফরম পূরণে মেধা তালিকায় নাম দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এবং অফিস খরচ বাবৎ রসিদ ছাড়াই প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে প্রতিটি বিষয়ে ১০০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারি নিয়ম বর্হিভূত খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগের বেতন ৩০০ টাকা করে প্রতি শিক্ষার্থী কাছ থেকে আদায় করে।
এদিকে ২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী ব্যাচের নিকট থেকে কোচিং করানোর কথা বলে তিন হাজার করে টাকা নিয়েছে। কিন্তু কোচিং না করিয়ে ওই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিভাবক মোস্তাফিজুর রহামন ফিরোজ অভিযোগ করেন। এ ছাড়াও গত ৩ বছর ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাপ্য উপবৃত্তির টাকাও বিতরণ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বজায় রাখার পরিবর্তে ‘রবিন স্টোর’ নামক একটি নির্দিষ্ট দোকান থেকে ড্রেস ও জুতা কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করেন।
ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকলেও সেখানে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রবেশাধিকার নেই। এমনকি বিদ্যালয়ের শৌচাগার ও আঙিনা এতটাই নোংরা যে ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছে।
প্রধান শিক্ষক নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। অবিলম্বে এই দুর্নীতির তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
এদিকে সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রধান হয়েও সরকারি ও জাতীয় দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি ও ২৬ মার্চ তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসেননি। এমন কি বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে শহীদ ব্যাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়নি।
পরে উপজেলা বিএনপির সদস্য নিজামুল কবির মিরাজ তাকে (প্রধান শিক্ষক) মুঠোফেনে কল করে প্রতিষ্ঠানে আনেন। এতে রাষ্ট্রের প্রতি এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের শ্রদ্ধাবোধ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এ ব্যাপরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আখতার হেসেনের মুখোমুখি হয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মো. রুহুল আমিন দুলাল বলেছিলেন, সরকারি দিবসে প্রধান শিক্ষকের অনুপস্থিতির বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আকলিমা আকতার বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সকল অভিযোগের বিষয়ে জবাব দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক আখতার হোসেনকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তিনি সঠিক জবাব দিতে না পারলে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫৯
পিরোজপুরের নেছারাবাদে এক প্রসূতি একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া তিন নবজাতকই কন্যা এবং মা-শিশু সবাই সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ইন্দুরহাটে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রসূতি নুসরাত জাহান (২২) নিরাপদভাবে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিন সন্তানের জন্ম দেন।
ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী মো. মাইনুল ইসলাম অসীম জানান, মাগরিবের সময় সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। বর্তমানে মা ও নবজাতকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তারা সুস্থ রয়েছে।
প্রসূতির স্বামী শরিফুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, প্রসব বেদনা উঠলে তার স্ত্রীকে ‘সেবা’ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসক ডা. প্রীতিশ কুমার বিশ্বাস সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একসঙ্গে তিন কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। একসঙ্গে তিন সন্তানের বাবা হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
অস্ত্রোপচারকারী শিশু ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. প্রীতিশ বিশ্বাস জানান, এ ধরনের অপারেশন কিছুটা জটিল হলেও সতর্কতার সঙ্গে সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। মা ও নবজাতকরা সবাই সুস্থ আছে। একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্মের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আনন্দের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা নবজাতকদের সুস্থতা কামনা করেছেন।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে এক প্রসূতি একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া তিন নবজাতকই কন্যা এবং মা-শিশু সবাই সুস্থ রয়েছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকরা।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার ইন্দুরহাটে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রসূতি নুসরাত জাহান (২২) নিরাপদভাবে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিন সন্তানের জন্ম দেন।
ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী মো. মাইনুল ইসলাম অসীম জানান, মাগরিবের সময় সফলভাবে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। বর্তমানে মা ও নবজাতকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তারা সুস্থ রয়েছে।
প্রসূতির স্বামী শরিফুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, প্রসব বেদনা উঠলে তার স্ত্রীকে ‘সেবা’ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসক ডা. প্রীতিশ কুমার বিশ্বাস সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে একসঙ্গে তিন কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। একসঙ্গে তিন সন্তানের বাবা হতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
অস্ত্রোপচারকারী শিশু ও গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. প্রীতিশ বিশ্বাস জানান, এ ধরনের অপারেশন কিছুটা জটিল হলেও সতর্কতার সঙ্গে সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। মা ও নবজাতকরা সবাই সুস্থ আছে। একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্মের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আনন্দের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়রা নবজাতকদের সুস্থতা কামনা করেছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.