
২৭ মে, ২০২৫ ১২:৩২
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন।
Advertisement
এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় খামেনি বলেন, বিশ্বের উসকানিদাতা শক্তিগুলো যখন যুদ্ধ ও সংঘর্ষ তৈরিতে ব্যস্ত, তখন মুসলিম উম্মাহর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হচ্ছে ইসলামি দেশগুলোর ঐক্য।
তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান প্রশংসনীয়। যখন অনেক ইসলামি দেশই বিভিন্ন লোভ-লালসায় ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতি নরম অবস্থান নিচ্ছে, তখন পাকিস্তান দৃঢ়ভাবে তার অবস্থান বজায় রেখেছে।
খামেনি পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ককে উষ্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিমআখ্যা দিয়ে ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চার দেশের সফরের অংশ হিসেবে সোমবার ইরানে পৌঁছান। তুরস্ক সফর শেষে ইরান তার দ্বিতীয় গন্তব্য। তেহরানের সাদাবাদ প্রাসাদে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে স্বাগত জানান এবং আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন।
Advertisement
এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় খামেনি বলেন, বিশ্বের উসকানিদাতা শক্তিগুলো যখন যুদ্ধ ও সংঘর্ষ তৈরিতে ব্যস্ত, তখন মুসলিম উম্মাহর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হচ্ছে ইসলামি দেশগুলোর ঐক্য।
তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান প্রশংসনীয়। যখন অনেক ইসলামি দেশই বিভিন্ন লোভ-লালসায় ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতি নরম অবস্থান নিচ্ছে, তখন পাকিস্তান দৃঢ়ভাবে তার অবস্থান বজায় রেখেছে।
খামেনি পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ককে উষ্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিমআখ্যা দিয়ে ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চার দেশের সফরের অংশ হিসেবে সোমবার ইরানে পৌঁছান। তুরস্ক সফর শেষে ইরান তার দ্বিতীয় গন্তব্য। তেহরানের সাদাবাদ প্রাসাদে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে স্বাগত জানান এবং আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

০৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:১২
ভারতের কর্নাটকে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ১২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা গত কয়েক বছর ধরে বেঙ্গালুরুর কাদুগোডি এবং ভার্থুর থানা এলাকায় অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন।
বেঙ্গালুরু পুলিশ কমিশনার সীমান্ত কুমার সিংয়ের নির্দেশে কেন্দ্রীয় অপরাধ শাখার (সিসিবি) চারটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃতদের মধ্যে ৪৮ জন পুরুষ, ৪২ জন নারী এবং ৩৪ জন শিশু রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, যে তারা প্রত্যেকেই অস্থায়ী ঝুপড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কারও কাছেই ভারতে প্রবেশ ও বসবাসের কোনো বৈধ নথি ছিল না।
বর্তমানে তাদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই বাংলাদেশিদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোসহ আনুষঙ্গিক পদক্ষেপ নিতে বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন অফিসে (এফআরআরও) একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
সিটি পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে অবৈধ বাংলাদেশিদের খোঁজে গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন থানার অন্তর্গত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানে ২০০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, দ্য গ্রেটার, বেঙ্গালুরু অথরিটি এবং সামাজিক ন্যায় বিচার বিভাগের সহায়তায় এই অভিযান চালানো হয়। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সাথে সাথে অভিযানও অব্যাহত থাকবে।
ভারতের কর্নাটকে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ১২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা গত কয়েক বছর ধরে বেঙ্গালুরুর কাদুগোডি এবং ভার্থুর থানা এলাকায় অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন।
বেঙ্গালুরু পুলিশ কমিশনার সীমান্ত কুমার সিংয়ের নির্দেশে কেন্দ্রীয় অপরাধ শাখার (সিসিবি) চারটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃতদের মধ্যে ৪৮ জন পুরুষ, ৪২ জন নারী এবং ৩৪ জন শিশু রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, যে তারা প্রত্যেকেই অস্থায়ী ঝুপড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কারও কাছেই ভারতে প্রবেশ ও বসবাসের কোনো বৈধ নথি ছিল না।
বর্তমানে তাদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই বাংলাদেশিদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোসহ আনুষঙ্গিক পদক্ষেপ নিতে বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন অফিসে (এফআরআরও) একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
সিটি পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে অবৈধ বাংলাদেশিদের খোঁজে গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন থানার অন্তর্গত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানে ২০০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, দ্য গ্রেটার, বেঙ্গালুরু অথরিটি এবং সামাজিক ন্যায় বিচার বিভাগের সহায়তায় এই অভিযান চালানো হয়। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সাথে সাথে অভিযানও অব্যাহত থাকবে।

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:১২
সৌদি আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এসডিএফ) বাংলাদেশসহ ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এ ছাড়া ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট প্রদেশ ও শহরে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে গালফ নিউজ।
এসডিএফ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং দেশীয় বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা মান জোরদার করার জন্য নেওয়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই নিষেধাজ্ঞার তালিকাটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।
ওকাজ সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে কিছু দেশ এর মধ্যেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দেশও ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পশু রোগ-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে যুক্ত হয়েছে, বিশেষ করে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাবের কারণে। এটি দেখায় যে, এসডিএফ বিশ্বব্যাপী মহামারি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ৪০টি দেশ হলো—আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক, ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মিয়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিশর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, আইভরি কোস্ট এবং মন্টেনিগ্রো।
আংশিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে—অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইন, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কিছু প্রদেশ ও শহর।
এসডিএফ আরও জানিয়েছে, নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস নির্মূলের জন্য তাপ চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করা মুরগি এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আওতা থেকে ছাড় পাবে। তবে এর জন্য প্রয়োজন উৎপত্তিস্থলের সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা স্বাস্থ্য শংসাপত্র থাকতে হবে, যা নিশ্চিত করবে যে পণ্যের তাপ চিকিৎসা বা প্রক্রিয়াকরণ যথেষ্টভাবে ভাইরাস নির্মূল করেছে। এই ছাড় কোনোভাবেই স্বাস্থ্য বা মান ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
সৌদি আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এসডিএফ) বাংলাদেশসহ ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এ ছাড়া ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট প্রদেশ ও শহরে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে গালফ নিউজ।
এসডিএফ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং দেশীয় বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা মান জোরদার করার জন্য নেওয়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই নিষেধাজ্ঞার তালিকাটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।
ওকাজ সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে কিছু দেশ এর মধ্যেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দেশও ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পশু রোগ-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে যুক্ত হয়েছে, বিশেষ করে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাবের কারণে। এটি দেখায় যে, এসডিএফ বিশ্বব্যাপী মহামারি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ৪০টি দেশ হলো—আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক, ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মিয়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিশর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, আইভরি কোস্ট এবং মন্টেনিগ্রো।
আংশিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে—অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইন, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কিছু প্রদেশ ও শহর।
এসডিএফ আরও জানিয়েছে, নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস নির্মূলের জন্য তাপ চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করা মুরগি এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আওতা থেকে ছাড় পাবে। তবে এর জন্য প্রয়োজন উৎপত্তিস্থলের সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা স্বাস্থ্য শংসাপত্র থাকতে হবে, যা নিশ্চিত করবে যে পণ্যের তাপ চিকিৎসা বা প্রক্রিয়াকরণ যথেষ্টভাবে ভাইরাস নির্মূল করেছে। এই ছাড় কোনোভাবেই স্বাস্থ্য বা মান ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।

৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:৪১
ভারতের হরিয়ানার ফরিদাবাদ জেলায় ২৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে চলন্ত গাড়িতে দুই ঘণ্টা ধরে ধর্ষণের পর চলন্ত গাড়ি থেকেই রাস্তায় ফেলে গেছে ধর্ষকরা। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে।
সিসিটিভি ফুটেজ থেকে পাওয়া তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাত ৩টার দিকে শহরের এসজিএম নগরের রাজা চত্ত্বরে চলন্ত গাড়ি থেকে ওই তরুণীকে ফেলে দেয় ধর্ষকরা। এতে ওই তরুণী মুখে প্রচণ্ড আঘাত পান।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ওই তরুণীর আঘাতপ্রাপ্ত মুখে ১০ থেকে ১২টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও এখনো ভয় ও শঙ্কায় আছেন তিনি। পুলিশ এখনো তার বিবৃতি রেকর্ড করতে পারেনি।
এনডিটিভি বলছে, সোমবার রাতে বাসায় ফেরার জন্য গাড়ি খুঁজছিলেন ওই তরুণী। এমন সময়ে দুই যুবক তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গাড়িতে তোলে। এরপর দুই-আড়াই ঘণ্টা ধরে গাড়িতেই ওই নারীকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগপত্রে জানিয়েছে তার পরিবার। ওই তরুণীর প্রতিরোধ-অনুরোধ সত্ত্বেও অভিযুক্তরা থামেনি, উল্টো ওই তরুণীকে হত্যার হুমকি দেয়।
ধর্ষণের শিকার তরুণীর বোন অভিযোগপত্রে বলেছেন, ঘটনার আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে ফোন করেছিলেন ওই তরুণী। মা-র সঙ্গে বাদানুবাদের পর ঘর থেকে বেরিয়ে এক বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছেন জানিয়ে বোনকে ওই তরুণী বলেছিলেন, ঘণ্টা তিনেকের মধ্যে বাসায় ফিরবেন তিনি।
ধর্ষণের শিকার তরুণী তার বোনকে অনেকবার কল করেছিলেন, বোন ফিরতি কল করার পর ঘটনার কথা জানতে পারেন। তিনি ও পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ধর্ষণের শিকার তরুণী বিবাহিত এবং তিন সন্তান আছে তার। পারিবারিক বিরোধের কারণে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করেন না তিনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। ধর্ষণে ব্যবহৃত গাড়িটিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
ভারতের হরিয়ানার ফরিদাবাদ জেলায় ২৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে চলন্ত গাড়িতে দুই ঘণ্টা ধরে ধর্ষণের পর চলন্ত গাড়ি থেকেই রাস্তায় ফেলে গেছে ধর্ষকরা। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে।
সিসিটিভি ফুটেজ থেকে পাওয়া তথ্য উল্লেখ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাত ৩টার দিকে শহরের এসজিএম নগরের রাজা চত্ত্বরে চলন্ত গাড়ি থেকে ওই তরুণীকে ফেলে দেয় ধর্ষকরা। এতে ওই তরুণী মুখে প্রচণ্ড আঘাত পান।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ওই তরুণীর আঘাতপ্রাপ্ত মুখে ১০ থেকে ১২টি সেলাই দেওয়া হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও এখনো ভয় ও শঙ্কায় আছেন তিনি। পুলিশ এখনো তার বিবৃতি রেকর্ড করতে পারেনি।
এনডিটিভি বলছে, সোমবার রাতে বাসায় ফেরার জন্য গাড়ি খুঁজছিলেন ওই তরুণী। এমন সময়ে দুই যুবক তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে গাড়িতে তোলে। এরপর দুই-আড়াই ঘণ্টা ধরে গাড়িতেই ওই নারীকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগপত্রে জানিয়েছে তার পরিবার। ওই তরুণীর প্রতিরোধ-অনুরোধ সত্ত্বেও অভিযুক্তরা থামেনি, উল্টো ওই তরুণীকে হত্যার হুমকি দেয়।
ধর্ষণের শিকার তরুণীর বোন অভিযোগপত্রে বলেছেন, ঘটনার আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে ফোন করেছিলেন ওই তরুণী। মা-র সঙ্গে বাদানুবাদের পর ঘর থেকে বেরিয়ে এক বন্ধুর বাড়িতে যাচ্ছেন জানিয়ে বোনকে ওই তরুণী বলেছিলেন, ঘণ্টা তিনেকের মধ্যে বাসায় ফিরবেন তিনি।
ধর্ষণের শিকার তরুণী তার বোনকে অনেকবার কল করেছিলেন, বোন ফিরতি কল করার পর ঘটনার কথা জানতে পারেন। তিনি ও পরিবারের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
ধর্ষণের শিকার তরুণী বিবাহিত এবং তিন সন্তান আছে তার। পারিবারিক বিরোধের কারণে স্বামীর সঙ্গে বসবাস করেন না তিনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকেই গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। ধর্ষণে ব্যবহৃত গাড়িটিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫