
২৭ মে, ২০২৫ ১২:৩২
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন।
Advertisement
এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় খামেনি বলেন, বিশ্বের উসকানিদাতা শক্তিগুলো যখন যুদ্ধ ও সংঘর্ষ তৈরিতে ব্যস্ত, তখন মুসলিম উম্মাহর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হচ্ছে ইসলামি দেশগুলোর ঐক্য।
তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান প্রশংসনীয়। যখন অনেক ইসলামি দেশই বিভিন্ন লোভ-লালসায় ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতি নরম অবস্থান নিচ্ছে, তখন পাকিস্তান দৃঢ়ভাবে তার অবস্থান বজায় রেখেছে।
খামেনি পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ককে উষ্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিমআখ্যা দিয়ে ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চার দেশের সফরের অংশ হিসেবে সোমবার ইরানে পৌঁছান। তুরস্ক সফর শেষে ইরান তার দ্বিতীয় গন্তব্য। তেহরানের সাদাবাদ প্রাসাদে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে স্বাগত জানান এবং আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোর ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন।
Advertisement
এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় খামেনি বলেন, বিশ্বের উসকানিদাতা শক্তিগুলো যখন যুদ্ধ ও সংঘর্ষ তৈরিতে ব্যস্ত, তখন মুসলিম উম্মাহর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একমাত্র উপায় হচ্ছে ইসলামি দেশগুলোর ঐক্য।
তিনি আরও বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান প্রশংসনীয়। যখন অনেক ইসলামি দেশই বিভিন্ন লোভ-লালসায় ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতি নরম অবস্থান নিচ্ছে, তখন পাকিস্তান দৃঢ়ভাবে তার অবস্থান বজায় রেখেছে।
খামেনি পাকিস্তানের সঙ্গে ইরানের সম্পর্ককে উষ্ণ ও ভ্রাতৃপ্রতিমআখ্যা দিয়ে ১৯৮০-এর দশকে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় পাকিস্তানের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করেন।
পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চার দেশের সফরের অংশ হিসেবে সোমবার ইরানে পৌঁছান। তুরস্ক সফর শেষে ইরান তার দ্বিতীয় গন্তব্য। তেহরানের সাদাবাদ প্রাসাদে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান তাকে স্বাগত জানান এবং আনুষ্ঠানিক গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৪
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌন সুবিধার বিনিময়ে কয়েকজন নারীকে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ভারতের বিজেপি নেতা সুব্রামানিয়ান স্বামী। এমনকি তাদের মধ্যে কাউকে কাউকে মন্ত্রিসভায়ও অন্তর্ভুক্ত করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
‘এপস্টেইন ফাইলস’ নিয়ে একটি পডকাস্ট আলোচনার সময় স্বামী এই বিস্ফোরক দাবি করেন, যা দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। একইসঙ্গে, এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন ডানপন্থী লেখক মধু পূর্ণিমা কিশ্বর, যিনি এর আগে মোদির প্রশংসা করেন এবং তাকে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে তুলনা করে বই লেখেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক দীর্ঘ পোস্টে কিশ্বর দাবি করেন, তিনি তার বই প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়ার জন্য সাক্ষাৎ এড়িয়ে গিয়েছিলেন, কারণ তিনি আগে থেকেই নারীদের প্রতি মোদির আচরণ সম্পর্কে অবগত ছিলেন।
কিশ্বর আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় মোদির “বিলাসবহুল” জীবনযাপনের কথাও তিনি শুনেছেন।
এর পাশাপাশি, তিনি কিছু উচ্চপর্যায়ের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি স্মৃতি ইরানির কথা উল্লেখ করেন, যিনি কলেজে না পড়েও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
এ ছাড়া রাজনৈতিক বিশ্লেষক তরুণ গৌতমসহ আরও কয়েকজন এই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন।
তবে টাইমস অব বাংলাদেশ জানিয়েছে, তারা এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
লেখক কিশ্বরের পোস্টটি ভাইরাল হয়। যা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ দেখেছেন, আর তারুণ গৌতমের পোস্ট দেখেছেন প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ।
উল্লেখ্য, সুব্রামানিয়ান স্বামী একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ ও আইনজ্ঞ, যিনি তার স্পষ্টভাষী ও প্রায়শই বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য পরিচিত। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। স্বামী বিজেপির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা—উভয় কক্ষেই দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে তিনি তামিলনাড়ু ও মহারাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌন সুবিধার বিনিময়ে কয়েকজন নারীকে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ভারতের বিজেপি নেতা সুব্রামানিয়ান স্বামী। এমনকি তাদের মধ্যে কাউকে কাউকে মন্ত্রিসভায়ও অন্তর্ভুক্ত করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
‘এপস্টেইন ফাইলস’ নিয়ে একটি পডকাস্ট আলোচনার সময় স্বামী এই বিস্ফোরক দাবি করেন, যা দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। একইসঙ্গে, এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন ডানপন্থী লেখক মধু পূর্ণিমা কিশ্বর, যিনি এর আগে মোদির প্রশংসা করেন এবং তাকে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে তুলনা করে বই লেখেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক দীর্ঘ পোস্টে কিশ্বর দাবি করেন, তিনি তার বই প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়ার জন্য সাক্ষাৎ এড়িয়ে গিয়েছিলেন, কারণ তিনি আগে থেকেই নারীদের প্রতি মোদির আচরণ সম্পর্কে অবগত ছিলেন।
কিশ্বর আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় মোদির “বিলাসবহুল” জীবনযাপনের কথাও তিনি শুনেছেন।
এর পাশাপাশি, তিনি কিছু উচ্চপর্যায়ের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি স্মৃতি ইরানির কথা উল্লেখ করেন, যিনি কলেজে না পড়েও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
এ ছাড়া রাজনৈতিক বিশ্লেষক তরুণ গৌতমসহ আরও কয়েকজন এই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন।
তবে টাইমস অব বাংলাদেশ জানিয়েছে, তারা এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
লেখক কিশ্বরের পোস্টটি ভাইরাল হয়। যা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ দেখেছেন, আর তারুণ গৌতমের পোস্ট দেখেছেন প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ।
উল্লেখ্য, সুব্রামানিয়ান স্বামী একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ ও আইনজ্ঞ, যিনি তার স্পষ্টভাষী ও প্রায়শই বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য পরিচিত। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। স্বামী বিজেপির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা—উভয় কক্ষেই দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে তিনি তামিলনাড়ু ও মহারাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

০৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:১২
ভারতের কর্নাটকে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ১২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা গত কয়েক বছর ধরে বেঙ্গালুরুর কাদুগোডি এবং ভার্থুর থানা এলাকায় অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন।
বেঙ্গালুরু পুলিশ কমিশনার সীমান্ত কুমার সিংয়ের নির্দেশে কেন্দ্রীয় অপরাধ শাখার (সিসিবি) চারটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃতদের মধ্যে ৪৮ জন পুরুষ, ৪২ জন নারী এবং ৩৪ জন শিশু রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, যে তারা প্রত্যেকেই অস্থায়ী ঝুপড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কারও কাছেই ভারতে প্রবেশ ও বসবাসের কোনো বৈধ নথি ছিল না।
বর্তমানে তাদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই বাংলাদেশিদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোসহ আনুষঙ্গিক পদক্ষেপ নিতে বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন অফিসে (এফআরআরও) একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
সিটি পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে অবৈধ বাংলাদেশিদের খোঁজে গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন থানার অন্তর্গত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানে ২০০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, দ্য গ্রেটার, বেঙ্গালুরু অথরিটি এবং সামাজিক ন্যায় বিচার বিভাগের সহায়তায় এই অভিযান চালানো হয়। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সাথে সাথে অভিযানও অব্যাহত থাকবে।
ভারতের কর্নাটকে অবৈধভাবে বসবাসের অভিযোগে ১২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বেঙ্গালুরু সিটি পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা গত কয়েক বছর ধরে বেঙ্গালুরুর কাদুগোডি এবং ভার্থুর থানা এলাকায় অস্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন।
বেঙ্গালুরু পুলিশ কমিশনার সীমান্ত কুমার সিংয়ের নির্দেশে কেন্দ্রীয় অপরাধ শাখার (সিসিবি) চারটি দল এই অভিযান পরিচালনা করে। আটককৃতদের মধ্যে ৪৮ জন পুরুষ, ৪২ জন নারী এবং ৩৪ জন শিশু রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, যে তারা প্রত্যেকেই অস্থায়ী ঝুপড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন। অভিযানের সময় তাদের কারও কাছেই ভারতে প্রবেশ ও বসবাসের কোনো বৈধ নথি ছিল না।
বর্তমানে তাদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই বাংলাদেশিদের নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোসহ আনুষঙ্গিক পদক্ষেপ নিতে বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন অফিসে (এফআরআরও) একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
সিটি পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পুলিশ কমিশনারের নির্দেশে অবৈধ বাংলাদেশিদের খোঁজে গত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন থানার অন্তর্গত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এই অভিযানে ২০০ বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, দ্য গ্রেটার, বেঙ্গালুরু অথরিটি এবং সামাজিক ন্যায় বিচার বিভাগের সহায়তায় এই অভিযান চালানো হয়। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সাথে সাথে অভিযানও অব্যাহত থাকবে।

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:১২
সৌদি আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এসডিএফ) বাংলাদেশসহ ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এ ছাড়া ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট প্রদেশ ও শহরে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে গালফ নিউজ।
এসডিএফ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং দেশীয় বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা মান জোরদার করার জন্য নেওয়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই নিষেধাজ্ঞার তালিকাটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।
ওকাজ সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে কিছু দেশ এর মধ্যেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দেশও ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পশু রোগ-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে যুক্ত হয়েছে, বিশেষ করে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাবের কারণে। এটি দেখায় যে, এসডিএফ বিশ্বব্যাপী মহামারি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ৪০টি দেশ হলো—আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক, ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মিয়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিশর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, আইভরি কোস্ট এবং মন্টেনিগ্রো।
আংশিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে—অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইন, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কিছু প্রদেশ ও শহর।
এসডিএফ আরও জানিয়েছে, নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস নির্মূলের জন্য তাপ চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করা মুরগি এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আওতা থেকে ছাড় পাবে। তবে এর জন্য প্রয়োজন উৎপত্তিস্থলের সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা স্বাস্থ্য শংসাপত্র থাকতে হবে, যা নিশ্চিত করবে যে পণ্যের তাপ চিকিৎসা বা প্রক্রিয়াকরণ যথেষ্টভাবে ভাইরাস নির্মূল করেছে। এই ছাড় কোনোভাবেই স্বাস্থ্য বা মান ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
সৌদি আরবের খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এসডিএফ) বাংলাদেশসহ ৪০টি দেশ থেকে মুরগি ও ডিম আমদানি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এ ছাড়া ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট প্রদেশ ও শহরে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে গালফ নিউজ।
এসডিএফ জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ জনস্বাস্থ্য রক্ষা এবং দেশীয় বাজারে খাদ্য নিরাপত্তা মান জোরদার করার জন্য নেওয়া সতর্কতামূলক ব্যবস্থা। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই নিষেধাজ্ঞার তালিকাটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পর্যালোচনা করা হবে।
ওকাজ সংবাদপত্রের তথ্য অনুযায়ী, ২০০৪ সাল থেকে কিছু দেশ এর মধ্যেই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দেশও ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং পশু রোগ-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে যুক্ত হয়েছে, বিশেষ করে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রাদুর্ভাবের কারণে। এটি দেখায় যে, এসডিএফ বিশ্বব্যাপী মহামারি পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ৪০টি দেশ হলো—আফগানিস্তান, আজারবাইজান, জার্মানি, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বুলগেরিয়া, বাংলাদেশ, তাইওয়ান, জিবুতি, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, ইরাক, ঘানা, ফিলিস্তিন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, কাজাখস্তান, ক্যামেরুন, দক্ষিণ কোরিয়া, উত্তর কোরিয়া, লাওস, লিবিয়া, মিয়ানমার, যুক্তরাজ্য, মিশর, মেক্সিকো, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, নাইজার, নাইজেরিয়া, ভারত, হংকং, জাপান, বুরকিনা ফাসো, সুদান, সার্বিয়া, স্লোভেনিয়া, আইভরি কোস্ট এবং মন্টেনিগ্রো।
আংশিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে—অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, বেলজিয়াম, ভুটান, পোল্যান্ড, টোগো, ডেনমার্ক, রোমানিয়া, জিম্বাবুয়ে, ফ্রান্স, ফিলিপাইন, কানাডা, মালয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের কিছু প্রদেশ ও শহর।
এসডিএফ আরও জানিয়েছে, নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস নির্মূলের জন্য তাপ চিকিৎসা বা অন্যান্য প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতি অনুসরণ করা মুরগি এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যগুলো অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আওতা থেকে ছাড় পাবে। তবে এর জন্য প্রয়োজন উৎপত্তিস্থলের সরকারি কর্তৃপক্ষ দ্বারা জারি করা স্বাস্থ্য শংসাপত্র থাকতে হবে, যা নিশ্চিত করবে যে পণ্যের তাপ চিকিৎসা বা প্রক্রিয়াকরণ যথেষ্টভাবে ভাইরাস নির্মূল করেছে। এই ছাড় কোনোভাবেই স্বাস্থ্য বা মান ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.