
২৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:৩৬
ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ১১ বছর পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবামেক) ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত সোমবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত ৩০ সদস্যের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। গত মঙ্গলবার বিকেলে ছাত্রদলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে ওই কমিটির তালিকাটি শেয়ার করা হয়। এতে আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮ জনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার রাতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এই নিয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ আর অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
কলেজ সূত্র জানায়, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১১ আগস্ট শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্তে সব ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়।
জানা যায়, নবগঠিত কমিটি ৩০ সদস্যের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮ জনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এ নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।
সূত্র জানায়, নতুন কমিটির সভাপতি পদে থাকা মো. আসাদুজ্জামান প্রিন্স ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সময়কালে ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। দলটির পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল জাহিদ ফারুক শামীমের উপস্থিতিতে একাধিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের পক্ষে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। দলটির শীর্ষ নেতাদের সুদৃষ্টিতে থাকায় তাকে সব সময় সমীহ করত ছাত্রলীগের নেতারা।
নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা আব্দুল্লাহ আল ফাহিদও ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে দলবল নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে। নির্বাচনের সময় নৌকার লিফলেট বিতরণ ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে তার সবর উপস্থিতি ছিল।
এছাড়া সাবেক মন্ত্রী খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শেবামেক ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আল মাহমুদ, ফাইয়ান আলম ফাহিম, শোভন দেব দত্ত, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হাকিম আদিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাগীব মাহফুজ, শাওন আহমেদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হক শান্ত, সিয়াম হোসেন, শেখ আসিফ হাসান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এন এম রোহান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্পাদক তীর্থ মণ্ডল, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক রাফিউল ইসলাম শোভন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জিসান হোসেন আল দ্বীনকে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে।
নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আল মাহমুদ ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও প্রচার করেছেন।
ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে শেবামেক শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান প্রিন্সকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি ক্লাসে রয়েছেন এখন কথা বলতে পারবেন না। পরে আপনার সঙ্গে কথা বলব। এরপর একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে কলেজের নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফাহিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বার বার ফোনের লাইন কেটে দেওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. সাকিবুল হক রাসেল বলেন, বরিশাল মহানগর বিএনপির ও মহানগর ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা না করে কেন্দ্রীয় নেতারা কোনো কমিটি দিতে পারেন না। অবশ্যই বরিশাল মহানগর বিএনপি ও ছাত্রদলের সাইনিং পাওয়ার থাকা নেতারা নতুন কমিটির বিষয়ে জানেন বলে আমার বিশ্বাস।
তিনি বলেন, বরিশালে ত্যাগী নেতাকর্মীদের অভাব নেই। ত্যাগী নেতারা কোনো ব্যক্তির হয় না, তারা দলের সম্পদ। এ কারণে ব্যক্তি পছন্দের কাছে বার বার তারা হেরে যান। ব্যক্তি পছন্দের কারণে ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন করে ছাত্রলীগের নেতাদের সংযুক্ত করা হয়েছে নতুন কমিটিতে। এর দায়ভার বরিশাল মহানগর বিএনপি কিংবা ছাত্রদলের নেতারা এড়াতে পারে না।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি মো. রেজাউল করিম রনি বলেন, বিগত দিনগুলোতে শেবামেক ছাত্রদল বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের অধীনে ছিল। কমিটি হলেও তা মহানগর নেতারা যাচাই-বাছাই করে নতুন কমিটি দিয়েছেন। তবে এবারই প্রথম কেন্দ্র থেকে সরাসরি কমিটি ঘোষণা করেছে। নতুন কমিটিতে যারা এসেছেন তাদের বিষয়ে তিনি অবগত নন। কমিটিতে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসিত করা হলে তার দায়ভার বরিশাল মহানগর কমিটির নেতারা নেবে না।
এদিকে ছাত্রদলের একটি সূত্র জানায়, শেবামেকের কমিটি পুনর্গঠন বিষয়ে টিম প্রধান ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি দীপু পটোয়ারী। তার নেতৃত্বেই ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশীদের যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তবে কমিটিতে ছাত্রলীগের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে তার মোবাইল নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।’
ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ১১ বছর পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবামেক) ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত সোমবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত ৩০ সদস্যের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। গত মঙ্গলবার বিকেলে ছাত্রদলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে ওই কমিটির তালিকাটি শেয়ার করা হয়। এতে আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮ জনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার রাতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এই নিয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ আর অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
কলেজ সূত্র জানায়, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১১ আগস্ট শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্তে সব ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়।
জানা যায়, নবগঠিত কমিটি ৩০ সদস্যের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮ জনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এ নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।
সূত্র জানায়, নতুন কমিটির সভাপতি পদে থাকা মো. আসাদুজ্জামান প্রিন্স ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সময়কালে ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। দলটির পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল জাহিদ ফারুক শামীমের উপস্থিতিতে একাধিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের পক্ষে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। দলটির শীর্ষ নেতাদের সুদৃষ্টিতে থাকায় তাকে সব সময় সমীহ করত ছাত্রলীগের নেতারা।
নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা আব্দুল্লাহ আল ফাহিদও ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে দলবল নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে। নির্বাচনের সময় নৌকার লিফলেট বিতরণ ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে তার সবর উপস্থিতি ছিল।
এছাড়া সাবেক মন্ত্রী খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শেবামেক ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আল মাহমুদ, ফাইয়ান আলম ফাহিম, শোভন দেব দত্ত, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হাকিম আদিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাগীব মাহফুজ, শাওন আহমেদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হক শান্ত, সিয়াম হোসেন, শেখ আসিফ হাসান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এন এম রোহান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্পাদক তীর্থ মণ্ডল, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক রাফিউল ইসলাম শোভন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জিসান হোসেন আল দ্বীনকে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে।
নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আল মাহমুদ ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও প্রচার করেছেন।
ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে শেবামেক শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান প্রিন্সকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি ক্লাসে রয়েছেন এখন কথা বলতে পারবেন না। পরে আপনার সঙ্গে কথা বলব। এরপর একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে কলেজের নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফাহিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বার বার ফোনের লাইন কেটে দেওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. সাকিবুল হক রাসেল বলেন, বরিশাল মহানগর বিএনপির ও মহানগর ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা না করে কেন্দ্রীয় নেতারা কোনো কমিটি দিতে পারেন না। অবশ্যই বরিশাল মহানগর বিএনপি ও ছাত্রদলের সাইনিং পাওয়ার থাকা নেতারা নতুন কমিটির বিষয়ে জানেন বলে আমার বিশ্বাস।
তিনি বলেন, বরিশালে ত্যাগী নেতাকর্মীদের অভাব নেই। ত্যাগী নেতারা কোনো ব্যক্তির হয় না, তারা দলের সম্পদ। এ কারণে ব্যক্তি পছন্দের কাছে বার বার তারা হেরে যান। ব্যক্তি পছন্দের কারণে ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন করে ছাত্রলীগের নেতাদের সংযুক্ত করা হয়েছে নতুন কমিটিতে। এর দায়ভার বরিশাল মহানগর বিএনপি কিংবা ছাত্রদলের নেতারা এড়াতে পারে না।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি মো. রেজাউল করিম রনি বলেন, বিগত দিনগুলোতে শেবামেক ছাত্রদল বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের অধীনে ছিল। কমিটি হলেও তা মহানগর নেতারা যাচাই-বাছাই করে নতুন কমিটি দিয়েছেন। তবে এবারই প্রথম কেন্দ্র থেকে সরাসরি কমিটি ঘোষণা করেছে। নতুন কমিটিতে যারা এসেছেন তাদের বিষয়ে তিনি অবগত নন। কমিটিতে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসিত করা হলে তার দায়ভার বরিশাল মহানগর কমিটির নেতারা নেবে না।
এদিকে ছাত্রদলের একটি সূত্র জানায়, শেবামেকের কমিটি পুনর্গঠন বিষয়ে টিম প্রধান ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি দীপু পটোয়ারী। তার নেতৃত্বেই ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশীদের যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তবে কমিটিতে ছাত্রলীগের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে তার মোবাইল নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৬
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.