Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১২:৩৬
ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ১১ বছর পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবামেক) ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত সোমবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত ৩০ সদস্যের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। গত মঙ্গলবার বিকেলে ছাত্রদলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে ওই কমিটির তালিকাটি শেয়ার করা হয়। এতে আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮ জনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার রাতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এই নিয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ আর অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
কলেজ সূত্র জানায়, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১১ আগস্ট শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্তে সব ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়।
জানা যায়, নবগঠিত কমিটি ৩০ সদস্যের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮ জনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এ নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।
সূত্র জানায়, নতুন কমিটির সভাপতি পদে থাকা মো. আসাদুজ্জামান প্রিন্স ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সময়কালে ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। দলটির পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল জাহিদ ফারুক শামীমের উপস্থিতিতে একাধিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের পক্ষে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। দলটির শীর্ষ নেতাদের সুদৃষ্টিতে থাকায় তাকে সব সময় সমীহ করত ছাত্রলীগের নেতারা।
নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা আব্দুল্লাহ আল ফাহিদও ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে দলবল নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে। নির্বাচনের সময় নৌকার লিফলেট বিতরণ ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে তার সবর উপস্থিতি ছিল।
এছাড়া সাবেক মন্ত্রী খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শেবামেক ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আল মাহমুদ, ফাইয়ান আলম ফাহিম, শোভন দেব দত্ত, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হাকিম আদিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাগীব মাহফুজ, শাওন আহমেদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হক শান্ত, সিয়াম হোসেন, শেখ আসিফ হাসান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এন এম রোহান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্পাদক তীর্থ মণ্ডল, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক রাফিউল ইসলাম শোভন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জিসান হোসেন আল দ্বীনকে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে।
নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আল মাহমুদ ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও প্রচার করেছেন।
ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে শেবামেক শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান প্রিন্সকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি ক্লাসে রয়েছেন এখন কথা বলতে পারবেন না। পরে আপনার সঙ্গে কথা বলব। এরপর একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে কলেজের নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফাহিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বার বার ফোনের লাইন কেটে দেওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. সাকিবুল হক রাসেল বলেন, বরিশাল মহানগর বিএনপির ও মহানগর ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা না করে কেন্দ্রীয় নেতারা কোনো কমিটি দিতে পারেন না। অবশ্যই বরিশাল মহানগর বিএনপি ও ছাত্রদলের সাইনিং পাওয়ার থাকা নেতারা নতুন কমিটির বিষয়ে জানেন বলে আমার বিশ্বাস।
তিনি বলেন, বরিশালে ত্যাগী নেতাকর্মীদের অভাব নেই। ত্যাগী নেতারা কোনো ব্যক্তির হয় না, তারা দলের সম্পদ। এ কারণে ব্যক্তি পছন্দের কাছে বার বার তারা হেরে যান। ব্যক্তি পছন্দের কারণে ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন করে ছাত্রলীগের নেতাদের সংযুক্ত করা হয়েছে নতুন কমিটিতে। এর দায়ভার বরিশাল মহানগর বিএনপি কিংবা ছাত্রদলের নেতারা এড়াতে পারে না।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি মো. রেজাউল করিম রনি বলেন, বিগত দিনগুলোতে শেবামেক ছাত্রদল বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের অধীনে ছিল। কমিটি হলেও তা মহানগর নেতারা যাচাই-বাছাই করে নতুন কমিটি দিয়েছেন। তবে এবারই প্রথম কেন্দ্র থেকে সরাসরি কমিটি ঘোষণা করেছে। নতুন কমিটিতে যারা এসেছেন তাদের বিষয়ে তিনি অবগত নন। কমিটিতে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসিত করা হলে তার দায়ভার বরিশাল মহানগর কমিটির নেতারা নেবে না।
এদিকে ছাত্রদলের একটি সূত্র জানায়, শেবামেকের কমিটি পুনর্গঠন বিষয়ে টিম প্রধান ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি দীপু পটোয়ারী। তার নেতৃত্বেই ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশীদের যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তবে কমিটিতে ছাত্রলীগের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে তার মোবাইল নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।’
ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ ১১ বছর পর বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবামেক) ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত সোমবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত ৩০ সদস্যের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। গত মঙ্গলবার বিকেলে ছাত্রদলের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে ওই কমিটির তালিকাটি শেয়ার করা হয়। এতে আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন কমিটিকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮ জনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার রাতে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। এই নিয়ে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ আর অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
কলেজ সূত্র জানায়, চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ১১ আগস্ট শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কাউন্সিলের সভার সিদ্ধান্তে সব ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়।
জানা যায়, নবগঠিত কমিটি ৩০ সদস্যের মধ্যে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৮ জনই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এ নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়।
সূত্র জানায়, নতুন কমিটির সভাপতি পদে থাকা মো. আসাদুজ্জামান প্রিন্স ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সময়কালে ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। দলটির পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও বরিশাল-৫ আসনের সংসদ সদস্য কর্নেল জাহিদ ফারুক শামীমের উপস্থিতিতে একাধিক কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের পক্ষে স্লোগান দিতে দেখা গেছে। দলটির শীর্ষ নেতাদের সুদৃষ্টিতে থাকায় তাকে সব সময় সমীহ করত ছাত্রলীগের নেতারা।
নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা আব্দুল্লাহ আল ফাহিদও ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ২০২৩ সালের বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে দলবল নিয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে। নির্বাচনের সময় নৌকার লিফলেট বিতরণ ও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে তার সবর উপস্থিতি ছিল।
এছাড়া সাবেক মন্ত্রী খোকন সেরনিয়াবাতের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণায় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শেবামেক ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আল মাহমুদ, ফাইয়ান আলম ফাহিম, শোভন দেব দত্ত, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হাকিম আদিল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাগীব মাহফুজ, শাওন আহমেদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হক শান্ত, সিয়াম হোসেন, শেখ আসিফ হাসান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক এন এম রোহান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সম্পাদক তীর্থ মণ্ডল, শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক রাফিউল ইসলাম শোভন, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জিসান হোসেন আল দ্বীনকে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ করতে দেখা গেছে।
নবগঠিত কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আল মাহমুদ ছাত্রলীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও প্রচার করেছেন।
ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে শেবামেক শাখা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির সভাপতি মো. আসাদুজ্জামান প্রিন্সকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি ক্লাসে রয়েছেন এখন কথা বলতে পারবেন না। পরে আপনার সঙ্গে কথা বলব। এরপর একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে কলেজের নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফাহিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। বার বার ফোনের লাইন কেটে দেওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মো. সাকিবুল হক রাসেল বলেন, বরিশাল মহানগর বিএনপির ও মহানগর ছাত্রদলের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা না করে কেন্দ্রীয় নেতারা কোনো কমিটি দিতে পারেন না। অবশ্যই বরিশাল মহানগর বিএনপি ও ছাত্রদলের সাইনিং পাওয়ার থাকা নেতারা নতুন কমিটির বিষয়ে জানেন বলে আমার বিশ্বাস।
তিনি বলেন, বরিশালে ত্যাগী নেতাকর্মীদের অভাব নেই। ত্যাগী নেতারা কোনো ব্যক্তির হয় না, তারা দলের সম্পদ। এ কারণে ব্যক্তি পছন্দের কাছে বার বার তারা হেরে যান। ব্যক্তি পছন্দের কারণে ত্যাগীদের অবমূল্যায়ন করে ছাত্রলীগের নেতাদের সংযুক্ত করা হয়েছে নতুন কমিটিতে। এর দায়ভার বরিশাল মহানগর বিএনপি কিংবা ছাত্রদলের নেতারা এড়াতে পারে না।
এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি মো. রেজাউল করিম রনি বলেন, বিগত দিনগুলোতে শেবামেক ছাত্রদল বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের অধীনে ছিল। কমিটি হলেও তা মহানগর নেতারা যাচাই-বাছাই করে নতুন কমিটি দিয়েছেন। তবে এবারই প্রথম কেন্দ্র থেকে সরাসরি কমিটি ঘোষণা করেছে। নতুন কমিটিতে যারা এসেছেন তাদের বিষয়ে তিনি অবগত নন। কমিটিতে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসিত করা হলে তার দায়ভার বরিশাল মহানগর কমিটির নেতারা নেবে না।
এদিকে ছাত্রদলের একটি সূত্র জানায়, শেবামেকের কমিটি পুনর্গঠন বিষয়ে টিম প্রধান ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি দীপু পটোয়ারী। তার নেতৃত্বেই ছাত্রদলের পদপ্রত্যাশীদের যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তবে কমিটিতে ছাত্রলীগের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে তার মোবাইল নম্বরে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।’

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।