
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮
নানামুখী সমস্যায় জর্জড়িত বরিশাল শহরকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন নগর প্রশাসক বিএনপি নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। প্রাথমিকভাবে শহরের রাস্তা-ঘাট দখল করে গড়ে ওঠা ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অপসারণ করা এবং যানজট নিরসনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এবং কীর্তনখোলা নদীতীরবর্তী এই কবি জীবনানন্দের শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে প্রশাসক শিরিন আরও বেশকিছু পদক্ষেদ রাখতে যাচ্ছেন। অবহেলিত নগর উন্নয়নে তার এই ভাবনাকে ত্রিশটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি সাথে থেকে সহযোগিতারও অঙ্গীকার করেছন।
বিসিসি প্রশাসন জানিয়েছে, শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলোর প্রবেশমুখে যত্রতত্র ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করায় শহরে প্রতিদিনের চলাচলে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে এই ভ্রাম্যমাণ প্রতিষ্ঠান পসরা সাজিয়ে বসার কারণে কখনও কখনও শহরের সদর রোড, চকবাজার, নতুন বাজার, বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকাসমূহে যানজট দেখা যায়। এনিয়ে জনসাধারণের মধ্যেকার ক্ষোভও আছে এবং তাদের তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে উচ্ছেদের অনুরোধ করা হচ্ছিল।
জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছেন আপাদমস্তক রাজনৈতিক শিরিন। তাছাড়া শহরের সমস্যাগুলো তিনিও প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করেন। গত ৩ এপ্রিল বরিশাল সিটি কর্পোরেশন থেকে নোটিস জারি করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সাত দিনের সময় দিয়ে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। এবং এই সময়সীমা শেষ হলে কঠোর অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিসিসি উচ্ছেদে আল্টিমেটাম দেওয়ার পরে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অভিযান বন্ধ রাখতে প্রশাসক শিরিনের ধর্না ধরলেও তিনি কোনো প্রকার আপস করেননি। বরং সকলকে সাফ জানিয়ে দেন ১০ এপ্রিলের আগে অবৈধ স্থাপনা স্বেচ্ছায় সরিয়ে না নিলে বিসিসি ব্যবস্থাগ্রহণ করবে।
প্রশাসক শিরিনের সেই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন রোববার অফিস শুরুর দিনে দেখতে পেয়েছে শহরবাসী। এদিন সকালে সিটি কর্পোরেশন শহরের ফজলুল হক অ্যাভিনিউ রোড-বেলসপার্কে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। পূর্ব ঘোষণা প্রাপ্তির পরেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। অবশ্য এরআগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বেশ কদিন সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মাইকিংও করা হয়েছিল। কিন্তু তা কর্ণপাত করেননি ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা, যার কারণে নগর প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা রাখতে হয়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে নগর প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনের উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রথমদিন প্রাথমিকভাবে ফজলুল হক অ্যাভিনিউসহ বিভিন্ন স্থানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান বুলডেজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। নগরমাতা জনস্বার্থে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন, এখন থেকে প্রতিনিয়তই এই ধরনের তৎপরতা চলমান থাকবে।
তবে সিটি প্রশাসন এবারই প্রথম বরিশাল শহরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উদ্যোগ নেয়নি, এরআগে বিগত সময়েও একাধিক অভিযান চালিয়েছে। সবশেষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শুরুর দিকেও একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই বিসিসির কর্মকর্তাদের সাথে আপসরফা করে ফের রাস্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসাতে দেখা যায়।
অভিযোগ আছে, যখন যে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বা মেয়র হয়েছেন, তিনিই ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উদ্যোগ নেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে আপসরফা করে ফের দখল দিয়ে ফেলেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য এতে জনপ্রতিনিধিদেরও স্বার্থ নিহিত থাকে বলে মন্তব্য পাওয়া যায়।
ফুটপাতের একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সাথে আলাপচারিতায় জানা গেছে, বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র আবুল খায়ের খোকন এবং সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহও উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে অভিযান শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসায়ী নেতারা সাক্ষাৎ লাভ এবং তাদের পক্ষে মিছিল-মিটিং করার অভয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখা হয়। ব্যবসায়ীদের ধারনা ছিল, সাবেক মেয়রদের ন্যায় প্রশাসক শিরিনও ব্যক্তি স্বার্থ লুটতে উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছেন, কিন্তু এবার তেমনটি হয়নি বা হওয়ার সম্ভবনা নেই। বরং শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলার তীর জনপদের এই শহরকে কী ভাবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং যানজটমুক্ত রাখা যায়, শিরিন সেই পথেই যেনো হাঁটছেন।
অবহেলিত বরিশাল শহরকে উন্নত এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসক শিরিন যে কতটা অন্তরিক তা তার বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য দেখলেও কিছুটা অনুমান করা যায়। প্রতাপশালী বিএনপি নেত্রী রোববার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, ছলচাতুরি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়ার সুযোগ নেই। কাজ এবং জনসেবা করে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হয়, তিনি সেই পথেই হাঁটছেন। প্রাথমিকভাবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করাসহ যানজট নিরসনে পদক্ষেপ নিলেও আরও বেশ কিছু উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ময়লাখোলা অপসাপরণ এবং স্বল্পসময়ের মধ্যে ভবন মালিকদের নির্মাণশৈলী প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকারে রাখা হয়েছে। এছাড়াও বরিশাল শহরের উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসক শিরিনের বহুমুখী চিন্তা-ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ১৪ মার্চ বরিশাল সিটির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এক মাস অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই তার বেশ কিছু উদ্যোগ শহরবাসীকে বিমুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে শহর থেকে ময়লাখোলা অপসারণ এবং ফুটপাথ দখলমুক্তকরণে তার উদ্যোগ আলোচনায় বেশিমাত্রায় গুরুত্ব পাচ্ছে। সাহসী শিরিনের এই যাত্রা অব্যাহত থাকলে এবং সেবার মাধ্যমে জনসমর্থন ধরে রাখতে সক্ষম হলে আগামী সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হওয়ার সম্ভবনা প্রবল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা।’
ছবি: বরিশাল টাইমস
নানামুখী সমস্যায় জর্জড়িত বরিশাল শহরকে ঢেলে সাজাতে চাইছেন নগর প্রশাসক বিএনপি নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। প্রাথমিকভাবে শহরের রাস্তা-ঘাট দখল করে গড়ে ওঠা ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান অপসারণ করা এবং যানজট নিরসনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এবং কীর্তনখোলা নদীতীরবর্তী এই কবি জীবনানন্দের শহরকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন করতে প্রশাসক শিরিন আরও বেশকিছু পদক্ষেদ রাখতে যাচ্ছেন। অবহেলিত নগর উন্নয়নে তার এই ভাবনাকে ত্রিশটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সাধুবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি সাথে থেকে সহযোগিতারও অঙ্গীকার করেছন।
বিসিসি প্রশাসন জানিয়েছে, শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাসহ বিনোদনকেন্দ্রগুলোর প্রবেশমুখে যত্রতত্র ভ্রাম্যমাণ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান তৈরি করায় শহরে প্রতিদিনের চলাচলে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে এই ভ্রাম্যমাণ প্রতিষ্ঠান পসরা সাজিয়ে বসার কারণে কখনও কখনও শহরের সদর রোড, চকবাজার, নতুন বাজার, বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন জনবহুল এলাকাসমূহে যানজট দেখা যায়। এনিয়ে জনসাধারণের মধ্যেকার ক্ষোভও আছে এবং তাদের তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে উচ্ছেদের অনুরোধ করা হচ্ছিল।
জনগণের ভোগান্তির বিষয়টি উপলব্ধি করতে পেরেছেন আপাদমস্তক রাজনৈতিক শিরিন। তাছাড়া শহরের সমস্যাগুলো তিনিও প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করেন। গত ৩ এপ্রিল বরিশাল সিটি কর্পোরেশন থেকে নোটিস জারি করে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সাত দিনের সময় দিয়ে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছিল। এবং এই সময়সীমা শেষ হলে কঠোর অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বিসিসি উচ্ছেদে আল্টিমেটাম দেওয়ার পরে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অভিযান বন্ধ রাখতে প্রশাসক শিরিনের ধর্না ধরলেও তিনি কোনো প্রকার আপস করেননি। বরং সকলকে সাফ জানিয়ে দেন ১০ এপ্রিলের আগে অবৈধ স্থাপনা স্বেচ্ছায় সরিয়ে না নিলে বিসিসি ব্যবস্থাগ্রহণ করবে।
প্রশাসক শিরিনের সেই হুঁশিয়ারির বাস্তবায়ন রোববার অফিস শুরুর দিনে দেখতে পেয়েছে শহরবাসী। এদিন সকালে সিটি কর্পোরেশন শহরের ফজলুল হক অ্যাভিনিউ রোড-বেলসপার্কে ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে। পূর্ব ঘোষণা প্রাপ্তির পরেও অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় অসংখ্য প্রতিষ্ঠান গুড়িয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে। অবশ্য এরআগে অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে বেশ কদিন সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে মাইকিংও করা হয়েছিল। কিন্তু তা কর্ণপাত করেননি ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা, যার কারণে নগর প্রশাসনকে কঠোর ভূমিকা রাখতে হয়।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে নগর প্রশাসক বিলকিস জাহান শিরিনের উদ্যোগের বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। প্রথমদিন প্রাথমিকভাবে ফজলুল হক অ্যাভিনিউসহ বিভিন্ন স্থানে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। এই অভিযানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান বুলডেজার দিয়ে ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া হয়। নগরমাতা জনস্বার্থে উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন, এখন থেকে প্রতিনিয়তই এই ধরনের তৎপরতা চলমান থাকবে।
তবে সিটি প্রশাসন এবারই প্রথম বরিশাল শহরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উদ্যোগ নেয়নি, এরআগে বিগত সময়েও একাধিক অভিযান চালিয়েছে। সবশেষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শুরুর দিকেও একই ধরনের অভিযান চালানো হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিন পরেই বিসিসির কর্মকর্তাদের সাথে আপসরফা করে ফের রাস্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভ্রাম্যমাণ দোকান বসাতে দেখা যায়।
অভিযোগ আছে, যখন যে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বা মেয়র হয়েছেন, তিনিই ফুটপাত দখলমুক্ত করতে উদ্যোগ নেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে আপসরফা করে ফের দখল দিয়ে ফেলেন ব্যবসায়ীরা। অবশ্য এতে জনপ্রতিনিধিদেরও স্বার্থ নিহিত থাকে বলে মন্তব্য পাওয়া যায়।
ফুটপাতের একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর সাথে আলাপচারিতায় জানা গেছে, বরিশাল সিটির সাবেক মেয়র আবুল খায়ের খোকন এবং সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহও উচ্ছেদের হুমকি দিয়ে অভিযান শুরু করেন। কিন্তু ব্যবসায়ী নেতারা সাক্ষাৎ লাভ এবং তাদের পক্ষে মিছিল-মিটিং করার অভয় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখা হয়। ব্যবসায়ীদের ধারনা ছিল, সাবেক মেয়রদের ন্যায় প্রশাসক শিরিনও ব্যক্তি স্বার্থ লুটতে উচ্ছেদ অভিযানে যাচ্ছেন, কিন্তু এবার তেমনটি হয়নি বা হওয়ার সম্ভবনা নেই। বরং শান্ত-স্নিগ্ধ কীর্তনখোলার তীর জনপদের এই শহরকে কী ভাবে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং যানজটমুক্ত রাখা যায়, শিরিন সেই পথেই যেনো হাঁটছেন।
অবহেলিত বরিশাল শহরকে উন্নত এবং পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রশাসক শিরিন যে কতটা অন্তরিক তা তার বিভিন্ন সময়ের বক্তব্য দেখলেও কিছুটা অনুমান করা যায়। প্রতাপশালী বিএনপি নেত্রী রোববার দুপুরে মুঠোফোনে বলেন, ছলচাতুরি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়ার সুযোগ নেই। কাজ এবং জনসেবা করে মানুষের ভালোবাসা অর্জন করতে হয়, তিনি সেই পথেই হাঁটছেন। প্রাথমিকভাবে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করাসহ যানজট নিরসনে পদক্ষেপ নিলেও আরও বেশ কিছু উদ্যোগ রয়েছে, যেগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে। এর মধ্যে শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ময়লাখোলা অপসাপরণ এবং স্বল্পসময়ের মধ্যে ভবন মালিকদের নির্মাণশৈলী প্রদানের বিষয়টি অগ্রাধিকারে রাখা হয়েছে। এছাড়াও বরিশাল শহরের উন্নয়ন নিয়ে প্রশাসক শিরিনের বহুমুখী চিন্তা-ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ১৪ মার্চ বরিশাল সিটির প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পান বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এক মাস অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই তার বেশ কিছু উদ্যোগ শহরবাসীকে বিমুগ্ধ করেছে। বিশেষ করে শহর থেকে ময়লাখোলা অপসারণ এবং ফুটপাথ দখলমুক্তকরণে তার উদ্যোগ আলোচনায় বেশিমাত্রায় গুরুত্ব পাচ্ছে। সাহসী শিরিনের এই যাত্রা অব্যাহত থাকলে এবং সেবার মাধ্যমে জনসমর্থন ধরে রাখতে সক্ষম হলে আগামী সিটি নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থী হওয়ার সম্ভবনা প্রবল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধারা।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.