Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:২৬
বরিশালের রাস্তায় এখন পুলিশের টহল গাড়ি চোখে পড়ে কম। কোনো কোনো দিন পুরো থানার দায়িত্বে থাকে একটি জিপ। তবু বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) বলছে, ‘সেবা থেমে নেই, চেষ্টা চলছে’।
২৫ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত বিএমপি তখন সীমাবদ্ধ ছিল এক কোতোয়ালী থানায়।
সময়ের সঙ্গে শহরের পরিধি বেড়েছে, বেড়েছে অপরাধের ধরণও। বর্তমানে চারটি থানা- কোতোয়ালী, কাউনিয়া, বন্দর ও বিমানবন্দর রয়েছে। কিন্তু থানার সংখ্যা বাড়লেও সরকারি পরিবহনের চাকা ঘোরেনি।
বর্তমানে বিএমপির সরকারি গাড়ি ৫৮টি, অনুদানসহ গাড়ির সংখ্যা মোট ৮০টি।
এর মধ্যে রয়েছে ১টি এপিসি (জলকামান), ১টি রেকার, ১টি বাস, ১টি ট্রাক, ২৭টি ডাবল কেবিন জিপ ও পিকআপ, ১৭টি অপারেশনাল গাড়ি এবং ৭৭টি মোটরসাইকেল। এই সীমিত যানবাহন দিয়েই টহল, অপরাধ দমন, মিটিং-মিছিল ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। গাড়ির সংকটে পুলিশ সদস্যদের প্রায়ই হিমশিম খেতে হয়। অনেক গাড়ি পুরনো হয়ে গেছে, কিছু আবার বিকল হয়ে পড়ে মাঝপথে।
বিএমপি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এক গাড়ি সচল রাখতে কখনো কখনো অন্যটির যন্ত্রাংশ খুলে নিতে হয়।
এক এসআই বলেন, ‘রাতভর টহল দিতে হয়। আগে গাড়ি কম থাকলেও প্রয়োজনে রিকুইজিশন করা যেত। এখন রিকুইজিশনেও সমস্যা। কখনো কখনো পায়ে হেঁটে টহল দিতে হচ্ছে।
উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. শরফুদ্দীন বলেন, ‘নির্বাচন সামনে রেখে সব যানবাহন সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিকল গাড়িগুলো দ্রুত মেরামত চলছে, পাশাপাশি নতুন গাড়ির আবেদন পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় নগরবাসীর মধ্যে বাড়ছে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ। রাতে টহল কমে গেলে চুরি বা ছিনতাইয়ের আশঙ্কা থেকে যায়।
নগরের বাসিন্দা কামরুল হাসান বলেন, ‘রাতে দুর্ঘটনা বা অপরাধ ঘটলে পুলিশ না পেলে মানুষ আতঙ্কিত হয়। গাড়ির সংকট দ্রুত কাটুক, এটাই প্রত্যাশা।’
স্থানীয় রাজনীতিবিদরাও মনে করছেন, পরিবহন ঘাটতি যেন নির্বাচনের সময় নিরাপত্তায় প্রভাব না ফেলে, তা এখন সরকারের দায়িত্ব।
বিএমপি কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিক পুলিশিংয়ের মূল চাবিকাঠি হলো দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা। যা নির্ভর করে সচল পরিবহনের ওপর।
পরিবহনের দায়িত্বে থাকা এক সহকারী পুলিশ কমিশনার জানান, প্রতিটি থানা ও বিট এলাকায় অন্তত একটি নির্ভরযোগ্য টহল গাড়ি থাকা দরকার। তাহলে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনসেবা দুটোই সহজ হবে।
বিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের নিরাপত্তা ও টহল কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে অতিরিক্ত গাড়ির চাহিদা বিষয়টি হেডকোয়ার্টারে জানানো হয়েছে। আমরা আশাবাদী, নির্বাচনের আগেই কিছু যানবাহন পাওয়া যাবে।’
বরিশালের রাস্তায় এখন পুলিশের টহল গাড়ি চোখে পড়ে কম। কোনো কোনো দিন পুরো থানার দায়িত্বে থাকে একটি জিপ। তবু বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি) বলছে, ‘সেবা থেমে নেই, চেষ্টা চলছে’।
২৫ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত বিএমপি তখন সীমাবদ্ধ ছিল এক কোতোয়ালী থানায়।
সময়ের সঙ্গে শহরের পরিধি বেড়েছে, বেড়েছে অপরাধের ধরণও। বর্তমানে চারটি থানা- কোতোয়ালী, কাউনিয়া, বন্দর ও বিমানবন্দর রয়েছে। কিন্তু থানার সংখ্যা বাড়লেও সরকারি পরিবহনের চাকা ঘোরেনি।
বর্তমানে বিএমপির সরকারি গাড়ি ৫৮টি, অনুদানসহ গাড়ির সংখ্যা মোট ৮০টি।
এর মধ্যে রয়েছে ১টি এপিসি (জলকামান), ১টি রেকার, ১টি বাস, ১টি ট্রাক, ২৭টি ডাবল কেবিন জিপ ও পিকআপ, ১৭টি অপারেশনাল গাড়ি এবং ৭৭টি মোটরসাইকেল। এই সীমিত যানবাহন দিয়েই টহল, অপরাধ দমন, মিটিং-মিছিল ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। গাড়ির সংকটে পুলিশ সদস্যদের প্রায়ই হিমশিম খেতে হয়। অনেক গাড়ি পুরনো হয়ে গেছে, কিছু আবার বিকল হয়ে পড়ে মাঝপথে।
বিএমপি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এক গাড়ি সচল রাখতে কখনো কখনো অন্যটির যন্ত্রাংশ খুলে নিতে হয়।
এক এসআই বলেন, ‘রাতভর টহল দিতে হয়। আগে গাড়ি কম থাকলেও প্রয়োজনে রিকুইজিশন করা যেত। এখন রিকুইজিশনেও সমস্যা। কখনো কখনো পায়ে হেঁটে টহল দিতে হচ্ছে।
উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. শরফুদ্দীন বলেন, ‘নির্বাচন সামনে রেখে সব যানবাহন সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিকল গাড়িগুলো দ্রুত মেরামত চলছে, পাশাপাশি নতুন গাড়ির আবেদন পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় নগরবাসীর মধ্যে বাড়ছে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ। রাতে টহল কমে গেলে চুরি বা ছিনতাইয়ের আশঙ্কা থেকে যায়।
নগরের বাসিন্দা কামরুল হাসান বলেন, ‘রাতে দুর্ঘটনা বা অপরাধ ঘটলে পুলিশ না পেলে মানুষ আতঙ্কিত হয়। গাড়ির সংকট দ্রুত কাটুক, এটাই প্রত্যাশা।’
স্থানীয় রাজনীতিবিদরাও মনে করছেন, পরিবহন ঘাটতি যেন নির্বাচনের সময় নিরাপত্তায় প্রভাব না ফেলে, তা এখন সরকারের দায়িত্ব।
বিএমপি কর্মকর্তারা বলেন, আধুনিক পুলিশিংয়ের মূল চাবিকাঠি হলো দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা। যা নির্ভর করে সচল পরিবহনের ওপর।
পরিবহনের দায়িত্বে থাকা এক সহকারী পুলিশ কমিশনার জানান, প্রতিটি থানা ও বিট এলাকায় অন্তত একটি নির্ভরযোগ্য টহল গাড়ি থাকা দরকার। তাহলে অপরাধ প্রতিরোধ ও জনসেবা দুটোই সহজ হবে।
বিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের নিরাপত্তা ও টহল কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে অতিরিক্ত গাড়ির চাহিদা বিষয়টি হেডকোয়ার্টারে জানানো হয়েছে। আমরা আশাবাদী, নির্বাচনের আগেই কিছু যানবাহন পাওয়া যাবে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।