
২৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১০:৫৩
গভীর রাতে ঘুম ভেঙেছিল আগুনের লেলিহান শিখায়। চারদিকে দপদপে আলো, ধোঁয়া আর চিৎকার। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রাখাইন সম্প্রদায়ের এক পরিবার সেই দুঃস্বপ্নের রাত পেরোচ্ছে এখনও আতঙ্ক নিয়ে।
গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) গভীর রাতে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে পুড়ে যায় বসতঘরের সামনের বারান্দা ও রান্নাঘর। কেটে দেওয়া হয় কয়েকটি খুঁটি। এতে একপাশে হেলে পড়ে পুরো বাড়ি। গতকাল শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকরার ছুটে যান। গিয়ে দেখেন গোটা উঠোনজুড়ে পোড়া কাঠ, ছাই আর বাতাসে পোড়া গন্ধ।
আগুন দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়রা কেউই মুখ খুলতে চান না। কিন্তু অভিযোগপত্রে নাম উঠে এসেছে রুবেল সিকদার নামের এক ব্যক্তির। রাখাইন পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ তার।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বালিয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ‘সহযোগিতায়’ শতবর্ষী রাখাইন নারী সেমাচিংয়ের সাড়ে ১২ একর জমি জাল ওয়ারিশ সনদ তৈরি করে দলিল করে নেন রুবেল। এসব প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেন স্থানীয় এক মাতবরও।
বসতঘরের মালিক মংচাওয়েন রাখাইন (৪২) বলেন, বুধবার রাতে বাড়িতে কেউ ছিল না। সেই সুযোগেই অজ্ঞাতপরিচয় লোকজন আগুন ধরিয়ে দেয়। জমি নিয়ে বহুদিন ধরে বিরোধ চলছে। রুবেল সিকদার ও তার লোকেরাই পরিকল্পিতভাবে এই আগুন দিতে পারে।
মংচাওয়েনের দাবি, এর আগেও একই ঘরে আগুন দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘জালিয়াতির মাধ্যমে আমাদের জমি দখলের পাঁয়তারা চলছে। সংখ্যালঘু হওয়ায় বারবার নির্যাতনের শিকার হচ্ছি।’
মংচাওয়েন রাখাইনের ভাই মায়া রাখাইন বলেন, ‘আগের সরকার আমলে আমাদের ওপর অনেক নির্যাতন করেছে রুবেল। আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। রুবেলের নামে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এখন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
এদিকে, সরকারি নথিতেও পাওয়া যায় এসএ ১৯৫ নম্বর খতিয়ান এবং বিএস ১০৮৭ খতিয়ানসহ একাধিক দাগে সেমচিং গং-এর মালিকানার তথ্য।
মংচাওয়েন রাখাইন বাবা:
সেমচিং রাখাইন-যাঁর জমিকে ঘিরেই এই উত্তেজনা- বলেন, রাতে আমাদের ঘরে আগুন দিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করছে রুবেল সিকদার। সংখ্যালঘু হওয়ায় বারবার নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। ন্যায়বিচার চাই।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রুবেল সিকদার। তাঁর দাবি, আমি কারও জমি দখল করিনি। আগুনের ঘটনা শুনেছি সকালেই। এর বেশি কিছু জানি না।
কলাপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গভীর রাতে ঘুম ভেঙেছিল আগুনের লেলিহান শিখায়। চারদিকে দপদপে আলো, ধোঁয়া আর চিৎকার। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রাখাইন সম্প্রদায়ের এক পরিবার সেই দুঃস্বপ্নের রাত পেরোচ্ছে এখনও আতঙ্ক নিয়ে।
গত বুধবার (২৬ নভেম্বর) গভীর রাতে দুর্বৃত্তের দেওয়া আগুনে পুড়ে যায় বসতঘরের সামনের বারান্দা ও রান্নাঘর। কেটে দেওয়া হয় কয়েকটি খুঁটি। এতে একপাশে হেলে পড়ে পুরো বাড়ি। গতকাল শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকরার ছুটে যান। গিয়ে দেখেন গোটা উঠোনজুড়ে পোড়া কাঠ, ছাই আর বাতাসে পোড়া গন্ধ।
আগুন দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়রা কেউই মুখ খুলতে চান না। কিন্তু অভিযোগপত্রে নাম উঠে এসেছে রুবেল সিকদার নামের এক ব্যক্তির। রাখাইন পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধ তার।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বালিয়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ‘সহযোগিতায়’ শতবর্ষী রাখাইন নারী সেমাচিংয়ের সাড়ে ১২ একর জমি জাল ওয়ারিশ সনদ তৈরি করে দলিল করে নেন রুবেল। এসব প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেন স্থানীয় এক মাতবরও।
বসতঘরের মালিক মংচাওয়েন রাখাইন (৪২) বলেন, বুধবার রাতে বাড়িতে কেউ ছিল না। সেই সুযোগেই অজ্ঞাতপরিচয় লোকজন আগুন ধরিয়ে দেয়। জমি নিয়ে বহুদিন ধরে বিরোধ চলছে। রুবেল সিকদার ও তার লোকেরাই পরিকল্পিতভাবে এই আগুন দিতে পারে।
মংচাওয়েনের দাবি, এর আগেও একই ঘরে আগুন দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তিনি বলেন, ‘জালিয়াতির মাধ্যমে আমাদের জমি দখলের পাঁয়তারা চলছে। সংখ্যালঘু হওয়ায় বারবার নির্যাতনের শিকার হচ্ছি।’
মংচাওয়েন রাখাইনের ভাই মায়া রাখাইন বলেন, ‘আগের সরকার আমলে আমাদের ওপর অনেক নির্যাতন করেছে রুবেল। আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। রুবেলের নামে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এখন আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।’
এদিকে, সরকারি নথিতেও পাওয়া যায় এসএ ১৯৫ নম্বর খতিয়ান এবং বিএস ১০৮৭ খতিয়ানসহ একাধিক দাগে সেমচিং গং-এর মালিকানার তথ্য।
মংচাওয়েন রাখাইন বাবা:
সেমচিং রাখাইন-যাঁর জমিকে ঘিরেই এই উত্তেজনা- বলেন, রাতে আমাদের ঘরে আগুন দিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করছে রুবেল সিকদার। সংখ্যালঘু হওয়ায় বারবার নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। ন্যায়বিচার চাই।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রুবেল সিকদার। তাঁর দাবি, আমি কারও জমি দখল করিনি। আগুনের ঘটনা শুনেছি সকালেই। এর বেশি কিছু জানি না।
কলাপাড়া থানার ওসি মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:০১
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১৭
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.