ছবি: সংগৃহীত
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ভাটরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামছুল আলম বুলবুলকে কার্যালয় থেকে বের করে দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এছাড়া ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ মুছে না ফেলায় ছাত্রদলের নেতারা ইউপি সচিবের কার্যালয় থেকে সিসি ক্যামেরার ডিভাইস নিয়ে গেছেন বলেও জানা গেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনার প্রতিবাদে ভাটরা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী। এর আগে রোববার (১৫ মার্চ) দুপুরে ছাত্রদল নেতা বাবুর নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন ও রামগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহিন আলম মুন্না কার্যালয়ে তালা দেন বলে জানা গেছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিকেল পর্যন্ত ওই কার্যালয়ের তালা খোলা হয়নি এবং সিসিটিভি ডিভাইসটিও ফেরত দেওয়া হয়নি।
ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম বুলবুল ও সচিব সুজন চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রামগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জহির রায়হান বাবু ও সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেনের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে আসেন।
তারা চেয়ারম্যানকে তার কক্ষ থেকে বের করে দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ নেওয়ার জন্য তারা সচিবের কাছে যান। সচিব ফুটেজ ডিলিট করতে পারবেন না বলে জানালে ছাত্রদলের নেতারা সিসিটিভির ডিভাইস (মনিটর) নিয়ে যান।
তারা জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে তারা এসেছেন এবং ভিজিএফের চাল বিতরণের সময় চেয়ারম্যান সেখানে থাকতে পারবেন না।
এদিকে চেয়ারম্যান বুলবুলকে হেনস্তার প্রতিবাদে ভাটরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ শেখসহ এলাকাবাসী প্রতিবাদ মিছিল করেন। ভাটরা বাজারে রোববার রাত ও সোমবার দুপুরে এ প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনায় জাহিদ শেখকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা ছাত্রদল।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার দুপুরে ছাত্রদল নেতা বাবুর নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন ও রামগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহিন আলম মুন্নাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, শনিবার (১৪ মার্চ) ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে দল্টা বাজার ভূঁইয়া বাড়ির সামনে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ইফতার মাহফিল করেন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে চেয়ারম্যানের দাবি, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং ইফতার মাহফিলের বিষয়েও তিনি অবগত ছিলেন না।
ইউপি সচিব সুজন চন্দ্র দাস বলেন, সিসি ক্যামেরার ডিভাইস নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করেছি। এখনো ছাত্রদলের নেতারা ডিভাইসটি ফেরত দেননি। ফুটেজ ডিলিট না করায় তারা ডিভাইসটি নিয়ে যান।
ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম বুলবুল বলেন, আমি কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত নই। এরপরও ছাত্রদলের সভাপতি বাবুর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা এসে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন। আমাকে কার্যালয় থেকে বের করে দরজায় তালা লাগিয়ে দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে তারা এসেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জহির রায়হান বাবু বলেন, তিনদিন আগে ভাটরায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ইফতার পার্টি করেছে। এজন্য আমরা ইউনিয়ন কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের সঙ্গে এলাকার লোকজন সেখানে তালা দিয়েছে। সিসি ক্যামেরার যন্ত্রাংশ কে নিয়েছে, তা খোঁজ নেওয়া হবে।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনাটি নিয়ে ফোন এসেছে। তবে বিস্তারিত কিছু জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম বলেন, বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। সচিবের কক্ষ থেকে যেহেতু ডিভাইস নেওয়া হয়েছে, সে ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। চেয়ারম্যানের কক্ষের তালা দেওয়ার বিষয়ে তিনি নিজেই আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি বিভিন্নভাবে জানতে পেরেছি। তবে থানায় এখনো কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি।
বরিশাল টাইমস

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩১
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১২
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

১৭ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৮
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে ভাটরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামছুল আলম বুলবুলকে কার্যালয় থেকে বের করে দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এছাড়া ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ মুছে না ফেলায় ছাত্রদলের নেতারা ইউপি সচিবের কার্যালয় থেকে সিসি ক্যামেরার ডিভাইস নিয়ে গেছেন বলেও জানা গেছে।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনার প্রতিবাদে ভাটরা বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন এলাকাবাসী। এর আগে রোববার (১৫ মার্চ) দুপুরে ছাত্রদল নেতা বাবুর নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন ও রামগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহিন আলম মুন্না কার্যালয়ে তালা দেন বলে জানা গেছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিকেল পর্যন্ত ওই কার্যালয়ের তালা খোলা হয়নি এবং সিসিটিভি ডিভাইসটিও ফেরত দেওয়া হয়নি।
ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম বুলবুল ও সচিব সুজন চন্দ্র দাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রামগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জহির রায়হান বাবু ও সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেনের নেতৃত্বে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে আসেন।
তারা চেয়ারম্যানকে তার কক্ষ থেকে বের করে দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন। ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ নেওয়ার জন্য তারা সচিবের কাছে যান। সচিব ফুটেজ ডিলিট করতে পারবেন না বলে জানালে ছাত্রদলের নেতারা সিসিটিভির ডিভাইস (মনিটর) নিয়ে যান।
তারা জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে তারা এসেছেন এবং ভিজিএফের চাল বিতরণের সময় চেয়ারম্যান সেখানে থাকতে পারবেন না।
এদিকে চেয়ারম্যান বুলবুলকে হেনস্তার প্রতিবাদে ভাটরা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ শেখসহ এলাকাবাসী প্রতিবাদ মিছিল করেন। ভাটরা বাজারে রোববার রাত ও সোমবার দুপুরে এ প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনায় জাহিদ শেখকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা ছাত্রদল।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার দুপুরে ছাত্রদল নেতা বাবুর নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন ও রামগঞ্জ পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক শাহিন আলম মুন্নাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, শনিবার (১৪ মার্চ) ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে দল্টা বাজার ভূঁইয়া বাড়ির সামনে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ইফতার মাহফিল করেন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে চেয়ারম্যানের দাবি, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন এবং ইফতার মাহফিলের বিষয়েও তিনি অবগত ছিলেন না।
ইউপি সচিব সুজন চন্দ্র দাস বলেন, সিসি ক্যামেরার ডিভাইস নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) অবহিত করেছি। এখনো ছাত্রদলের নেতারা ডিভাইসটি ফেরত দেননি। ফুটেজ ডিলিট না করায় তারা ডিভাইসটি নিয়ে যান।
ইউপি চেয়ারম্যান শামছুল আলম বুলবুল বলেন, আমি কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত নই। এরপরও ছাত্রদলের সভাপতি বাবুর নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা এসে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন। আমাকে কার্যালয় থেকে বের করে দরজায় তালা লাগিয়ে দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের নির্দেশে তারা এসেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জহির রায়হান বাবু বলেন, তিনদিন আগে ভাটরায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ইফতার পার্টি করেছে। এজন্য আমরা ইউনিয়ন কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। আমাদের সঙ্গে এলাকার লোকজন সেখানে তালা দিয়েছে। সিসি ক্যামেরার যন্ত্রাংশ কে নিয়েছে, তা খোঁজ নেওয়া হবে।
জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ঘটনাটি নিয়ে ফোন এসেছে। তবে বিস্তারিত কিছু জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে।
রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারাশিদ বিন এনাম বলেন, বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। সচিবের কক্ষ থেকে যেহেতু ডিভাইস নেওয়া হয়েছে, সে ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। চেয়ারম্যানের কক্ষের তালা দেওয়ার বিষয়ে তিনি নিজেই আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি বিভিন্নভাবে জানতে পেরেছি। তবে থানায় এখনো কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেননি।
বরিশাল টাইমস
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৯
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১১
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬