
২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৭:২৪
বরিশাল সদর ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন যাবৎ সার্ভেয়ার পদে কর্মরত রয়েছেন রিয়াজ উদ্দিন। মাঝেমধ্যে এই অসাধু সার্ভেয়ার রিয়াজের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুস-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠলেও রহস্যময় কারনে থেকে যান ধরাছোয়ার বাইরে। অনেকে রিয়াজের এই ঘুস বাণিজ্যের শিকার হলেও অজানা আতঙ্কে মুখ খুলছিলেন না। তবে হঠাৎই বরিশাল সদর ভূমি অফিসের অনিয়ম-ঘুষ বাণিজ্যের হোতা রিয়াজের গোমর ফাঁস হতে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে অনেক ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার রিয়াজ কর্তৃক প্রতারণার শিকার হয়ে তাদের অসহায়ত্বের কথাও তুলে ধরেন। আর এরই মাঝে এক ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার রিয়াজের বিরুদ্ধে অনিয়ম-ঘুষ বাণিজ্য ও অনৈতিকভাবে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে মাঠপর্যায়ে তদন্তকালে মনগড়া রিপোর্ট প্রকাশের বিচার চেয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্স্থ বিএডিসি’র পূর্বপাশে কীর্তনখোলা নদীসংলগ্ন বগুড়া আলেকান্দা মৌজার জে এল নং-৫০, খতিয়ান-৩৩৩ এর এস.এ দাগ নং-৫২৯১ এর ৭.২৫ শতাংশ জমি রেকর্ডীয় মালিকদের থেকে ক্রয় করেন ভুক্তভোগী নুরুল হক মৃধা। তিনি এই জমি ক্রয় করে দীর্ঘ বছর বসবাস করে আসছেন। কিন্তু হঠাৎই বিএডিসি কর্তৃপক্ষ বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করেন। বিএডিসির অপরিকল্পিত বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের কারণে ভুক্তভোগী নুরুল হকের প্রায় ২.৫০ শতাংশ জমি বিএডিসির অভ্যন্তরে চলে যায় এবং তাদের যাতায়াতের পথটিও বন্ধের উপক্রম হয়।
এতে ভুক্তভোগী নুরুল হক বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে এম.পি কেস নং-৩৭৮/২০২৫(১৪৪/১৪৫ ধারা) করেন এবং মোকাম বরিশাল সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে দেওয়ানী ১৫১/২০২৫ইং মোকদ্দমা করেন, যা বর্তমানে উভয় আদালতে চলমান রয়েছে। এমতাবস্থায় এমপি কেস নং ৩৭৮/২০২৫ (১৪৪/১৪৫ ধারা) এর বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরিশাল সদর ভূমি কর্মকর্তাকে সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে বরিশাল সদর ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার রিযাজ উদ্দিন সরেজমিনে যান। এ সময় বিরোধীয় জমির কোন মাপজোক না করে শুধুমাত্র উপস্থিতি স্বাক্ষর নিয়া চলে আসে এবং ভুক্তভোগী নুরুল হককে পরে দেখা করতে বলে। কিন্তু পরবর্তীতে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার রিয়াজ বিবাদীপক্ষ থেকে অনৈতিকভাবে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে একটি মনগড়া-বানোয়াট ও হয়রানিমূলক রিপোর্ট প্রদান করেন।
এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী নুরুল হক বলেন, আমার দলিল, এস রেকর্ড অনুযায়ী আমি ৭.২৫ শতাংশ জমির মালিকানা দাবিদার। অথচ সরেজমিনে মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশ জমি পেয়েছি। বাকি জমি বিএডিসি কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে পরিকল্পনাহীন বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে তাদের দখলে নিচ্ছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমার জমি ফিরে পেতে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ও সহকারি জজ আদালতে মামলা করি। এরই প্রেক্ষিতে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট থেকে সদর ভূমি অফিসে সরেজমিনে তদন্ত রিপোর্ট চাইলে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার রিয়াজকে আমার মালিকানার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রাধি দেখালে সে পরে দেখা করতে বলে। এবং তাকে তার দাবিকৃত ঘুস না দেওয়ায় তিনি সরেজমিনে জমির মাপজোক না করেই একটি বানোয়াট, মনগড়া ও হয়রানিমূলক রিপোর্ট দাখিল করেন। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমার মালিকানাধীন জমি ফেরত চাই। এবং এই ঘুষখোর সার্ভেয়ার রিয়াজের শাস্তির দাবি জানাই। যাতে আর কোন ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হয়।
জানা গেছে, ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার রিয়াজ উদ্দিন জমির মিউটিশনের আবেদন তার কাছে গেলেই ঘুষ বাবদ ১৫শ থেকে ২ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেন আবেদনকারীদের থেকে। এতে আবেদনকারী ব্যক্তিরা চরম ক্ষিপ্ত হলেও নীরবে সহ্য করেন রিয়াজের এ ঘুষ বাণিজ্যের অত্যাচার। স্বয়ং বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীও তার রোষানলে পড়েন। অবশ্য তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত থাকায় তাকে বেশি বেগ পেতে হয়নি। আরও জানা যায়, সার্ভেয়ার রিয়াজ সরেজমিনে তদন্তে গেলেই শুরু হয় তার ঘুষবাণিজ্য। এতে তার ওপরে চরম ক্ষিপ্ত ভুক্তভোগীরা, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।
বরিশাল নগরীর বাসিন্দা আলামিন সিকদার নামে এক ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার রিয়াজ উদ্দিনের ছবিতে কমেন্ট করে লিখেন রিয়াজ ঘুসখোর, আমাদের একটা ঘটনায় সরেজমিনে তদন্তে এসে মোটা অঙ্কের টাকা চায়। তাকে টাকা না দেওয়ায় অপরপক্ষ থেকে অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা নিয়ে মনগড়া রিপোর্ট প্রদান করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আলামিন বলেন, আমার বাবা বিআইডব্লিউটিএ’র কাছ থেকে নগরীর ফলপট্টির মুখে একটি স্টল বাৎসরিক হিসেবে লিজ নিয়া হোটেল ব্যবসা করেন। তিনি মারা যাবার পরে আমার বড় ভাই সেই দোকান নিজের দখলে নেন। এ ঘটনায় বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা হলে সার্ভেযার রিয়াজ তদন্তে গিয়া ঘুষ চাইলে আমার তা দিতে না পারায় আমার ভাইয়ের থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়া তদন্ত রিপোর্টে বিআইডব্লিউটিএ’র জমি উল্লেখ না করে তার দখলে আছে বলে রিপোর্ট প্রদান করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত রিয়াজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কথা বলতে পারবো না, আপনি এসিল্যান্ড স্যারের সাথে কথা বলেন।
বরিশাল সদর (ভূমি) সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আজহারুল ইসলাম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সার্ভেয়ার রিয়াজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
বরিশাল সদর ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন যাবৎ সার্ভেয়ার পদে কর্মরত রয়েছেন রিয়াজ উদ্দিন। মাঝেমধ্যে এই অসাধু সার্ভেয়ার রিয়াজের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুস-বাণিজ্যের অভিযোগ উঠলেও রহস্যময় কারনে থেকে যান ধরাছোয়ার বাইরে। অনেকে রিয়াজের এই ঘুস বাণিজ্যের শিকার হলেও অজানা আতঙ্কে মুখ খুলছিলেন না। তবে হঠাৎই বরিশাল সদর ভূমি অফিসের অনিয়ম-ঘুষ বাণিজ্যের হোতা রিয়াজের গোমর ফাঁস হতে শুরু করেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে অনেক ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার রিয়াজ কর্তৃক প্রতারণার শিকার হয়ে তাদের অসহায়ত্বের কথাও তুলে ধরেন। আর এরই মাঝে এক ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার রিয়াজের বিরুদ্ধে অনিয়ম-ঘুষ বাণিজ্য ও অনৈতিকভাবে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে মাঠপর্যায়ে তদন্তকালে মনগড়া রিপোর্ট প্রকাশের বিচার চেয়ে বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্স্থ বিএডিসি’র পূর্বপাশে কীর্তনখোলা নদীসংলগ্ন বগুড়া আলেকান্দা মৌজার জে এল নং-৫০, খতিয়ান-৩৩৩ এর এস.এ দাগ নং-৫২৯১ এর ৭.২৫ শতাংশ জমি রেকর্ডীয় মালিকদের থেকে ক্রয় করেন ভুক্তভোগী নুরুল হক মৃধা। তিনি এই জমি ক্রয় করে দীর্ঘ বছর বসবাস করে আসছেন। কিন্তু হঠাৎই বিএডিসি কর্তৃপক্ষ বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করেন। বিএডিসির অপরিকল্পিত বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের কারণে ভুক্তভোগী নুরুল হকের প্রায় ২.৫০ শতাংশ জমি বিএডিসির অভ্যন্তরে চলে যায় এবং তাদের যাতায়াতের পথটিও বন্ধের উপক্রম হয়।
এতে ভুক্তভোগী নুরুল হক বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে এম.পি কেস নং-৩৭৮/২০২৫(১৪৪/১৪৫ ধারা) করেন এবং মোকাম বরিশাল সিনিয়র সহকারি জজ আদালতে দেওয়ানী ১৫১/২০২৫ইং মোকদ্দমা করেন, যা বর্তমানে উভয় আদালতে চলমান রয়েছে। এমতাবস্থায় এমপি কেস নং ৩৭৮/২০২৫ (১৪৪/১৪৫ ধারা) এর বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বরিশাল সদর ভূমি কর্মকর্তাকে সরেজমিন তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে বরিশাল সদর ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার রিযাজ উদ্দিন সরেজমিনে যান। এ সময় বিরোধীয় জমির কোন মাপজোক না করে শুধুমাত্র উপস্থিতি স্বাক্ষর নিয়া চলে আসে এবং ভুক্তভোগী নুরুল হককে পরে দেখা করতে বলে। কিন্তু পরবর্তীতে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার রিয়াজ বিবাদীপক্ষ থেকে অনৈতিকভাবে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে একটি মনগড়া-বানোয়াট ও হয়রানিমূলক রিপোর্ট প্রদান করেন।
এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী নুরুল হক বলেন, আমার দলিল, এস রেকর্ড অনুযায়ী আমি ৭.২৫ শতাংশ জমির মালিকানা দাবিদার। অথচ সরেজমিনে মাত্র সাড়ে ৪ শতাংশ জমি পেয়েছি। বাকি জমি বিএডিসি কর্তৃপক্ষ অবৈধভাবে পরিকল্পনাহীন বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে তাদের দখলে নিচ্ছে। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমার জমি ফিরে পেতে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট ও সহকারি জজ আদালতে মামলা করি। এরই প্রেক্ষিতে বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট থেকে সদর ভূমি অফিসে সরেজমিনে তদন্ত রিপোর্ট চাইলে ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার রিয়াজকে আমার মালিকানার প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্রাধি দেখালে সে পরে দেখা করতে বলে। এবং তাকে তার দাবিকৃত ঘুস না দেওয়ায় তিনি সরেজমিনে জমির মাপজোক না করেই একটি বানোয়াট, মনগড়া ও হয়রানিমূলক রিপোর্ট দাখিল করেন। আমি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে আমার মালিকানাধীন জমি ফেরত চাই। এবং এই ঘুষখোর সার্ভেয়ার রিয়াজের শাস্তির দাবি জানাই। যাতে আর কোন ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হয়।
জানা গেছে, ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার রিয়াজ উদ্দিন জমির মিউটিশনের আবেদন তার কাছে গেলেই ঘুষ বাবদ ১৫শ থেকে ২ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেন আবেদনকারীদের থেকে। এতে আবেদনকারী ব্যক্তিরা চরম ক্ষিপ্ত হলেও নীরবে সহ্য করেন রিয়াজের এ ঘুষ বাণিজ্যের অত্যাচার। স্বয়ং বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীও তার রোষানলে পড়েন। অবশ্য তিনি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে কর্মরত থাকায় তাকে বেশি বেগ পেতে হয়নি। আরও জানা যায়, সার্ভেয়ার রিয়াজ সরেজমিনে তদন্তে গেলেই শুরু হয় তার ঘুষবাণিজ্য। এতে তার ওপরে চরম ক্ষিপ্ত ভুক্তভোগীরা, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও।
বরিশাল নগরীর বাসিন্দা আলামিন সিকদার নামে এক ভুক্তভোগী সার্ভেয়ার রিয়াজ উদ্দিনের ছবিতে কমেন্ট করে লিখেন রিয়াজ ঘুসখোর, আমাদের একটা ঘটনায় সরেজমিনে তদন্তে এসে মোটা অঙ্কের টাকা চায়। তাকে টাকা না দেওয়ায় অপরপক্ষ থেকে অবৈধভাবে আর্থিক সুবিধা নিয়ে মনগড়া রিপোর্ট প্রদান করে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আলামিন বলেন, আমার বাবা বিআইডব্লিউটিএ’র কাছ থেকে নগরীর ফলপট্টির মুখে একটি স্টল বাৎসরিক হিসেবে লিজ নিয়া হোটেল ব্যবসা করেন। তিনি মারা যাবার পরে আমার বড় ভাই সেই দোকান নিজের দখলে নেন। এ ঘটনায় বরিশাল অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা হলে সার্ভেযার রিয়াজ তদন্তে গিয়া ঘুষ চাইলে আমার তা দিতে না পারায় আমার ভাইয়ের থেকে মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়া তদন্ত রিপোর্টে বিআইডব্লিউটিএ’র জমি উল্লেখ না করে তার দখলে আছে বলে রিপোর্ট প্রদান করেন।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত রিয়াজের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কথা বলতে পারবো না, আপনি এসিল্যান্ড স্যারের সাথে কথা বলেন।
বরিশাল সদর (ভূমি) সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আজহারুল ইসলাম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সার্ভেয়ার রিয়াজের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৮:১২
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশালের কালিজিরা নদী থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর অটোরিকশার চালক নাজমুল মোল্লার (২২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নিহত নাজমুল বরিশাল নগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের হরিণফুলিয়া-জাগুয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশিদ মোল্লার ছেলে। আল মামুন উল ইসলাম জানান, সকালে কালিজিরা নদীর তেমাথা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
ওসি বলেন, ‘শনিবার অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হন নাজমুল। এরপর তিনি বাসায় ফিরে আসেননি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পরেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে রোববার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
সোমবার সকাল ৭টার দিকে স্থানীয় লোকজন নদীতে একটি লাশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশটি শনাক্ত করে।’
অটোরিকশা ছিনতাই করার উদ্দেশ্যে নাজমুলকে হত্যা করা হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করে ওসি আরো বলেন, ‘লাশের ধরন দেখে মনে হচ্ছে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।
পরে একটি বস্তায় ভরে কাঁথা দিয়ে পেঁচিয়ে নদীতে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৩৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) শাখা ছাত্রদল বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ‘গুম ও অপহরণের নাটক’ সাজানোর অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সংগঠনটির দাবি, এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের অবমাননা করা হচ্ছে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে জড়ো হয়ে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে শেষ হয়।
বিক্ষোভ সমাবেশে ববি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, “ছাত্রশিবির পরিকল্পিতভাবে গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। গুম ও অপহরণের মতো সংবেদনশীল বিষয়কে তারা রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।
নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে তারা ভিকটিম সেজে প্রকৃত ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করছে।” তিনি আরও বলেন, “ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের মতো অপরাধ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।”
এ সময় ববি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, “ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে সরকারবিরোধী যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন। সংগঠনটির নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা অসামাজিক কর্মকাণ্ডকে আড়াল করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এতে তাদের নৈতিক অবস্থান আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “এ ধরনের দ্বিচারিতা থেকে বের না হলে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক জিসান ১১ জুন নিখোঁজ হয়েছেন জানিয়ে তাঁর স্বজনরা দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক নারীর সঙ্গে জিসানের পরিচয় হয় এবং পরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশের দাবি, ওই সম্পর্কের জেরে নারীটি অন্তঃসত্ত্বা হলে বিষয়টি নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়।
পরবর্তীতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তা এড়াতে তিনি আত্মগোপনে যান এবং নিখোঁজ হওয়ার নাটক সাজান বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৬
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
বরিশালে সবজির বাজারে স্বস্তি মিললেও অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মাছের চড়া দাম। তবে নাগালের মধ্যে রয়েছে ব্রয়লার মুরগি ও মাংসের দাম। সোমবার (১৫ জুন) সকালে বরিশাল নগরীর পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও কয়েকটি খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই কাঁচামরিচ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, শসা ১২ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, করলা ২০ থেকে ৩০ টাকা, পেঁপে ১৫ থেকে ২০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৭০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ১০ টাকা, ঝিঙে ১৫ থেকে ২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ১৫ টাকা, পটল ৭ টাকা, লেবু হালি ৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজি খুচরা বাজারে দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৩০ টাকা, বেগুন ৮০ থেকে ৯০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, টমেটো (ইন্ডিয়ান) ৯০ থেকে ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ২০ টাকা, ঝিঙে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৩০ টাকা, পটল ২০ টাকা, লেবু হালি ১২ থেকে ১৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী তৌহিদ বলেন, পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে আনতে হয়। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। যে কারণে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে দাম কিছুটা বেশি।
এদিকে কিছু দিন ধরেই বরিশালের বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া সোনালি মুরগি ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা এবং লেয়ার ২৯০ থেকে ৩১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৮০০ টাকা ও খাসির মাংস ১২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ প্রতি কেজি আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, কাতল আকার ভেদে ২২০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, টেংরা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, টাকি ২২০ থেকে ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া তেলাপিয়া ১২০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা কেজি ও পাঙাশ ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা পর্যন্ত কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি আগের তুলনায় বেড়েছে সামুদ্রিক মাছের দামও।
পোর্ট রোড বাজার করতে আসা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মুশফিকুর রহমান বলেন, আগে এক হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে মাছ সবজি দুটোই কেনা যেতে, এখন এক হাজার টাকায় এক ধরনের মাছ কেনাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর ইলিশ তো এখন সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.