
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ জুন, ২০২৫ ১১:৫৩
জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক মাহিন্দ্র গাড়িচালককে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগে বিএনপির নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। মঙ্গলবার (০৩ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের জটিয়ারপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় বুধবার বিকালে মাহিন্দ্রা চালক রাঙ্গা মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ও পূর্ব জটিয়ারপাড়া এলাকার মুন্নাফের ছেলে গোলাম মোস্তফা জিন্নাহ ও তার সহযোগী একই এলাকার মৃত সুরুজ মন্ডলের ছেলে সোলাইমান সুলাই।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহিন্দ্র গাড়িচালক রাঙ্গা মিয়া পূর্ব জটিয়ারপাড়া এলাকার মমিনুর ইসলামের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়ায় বসবাস করে আসছিলেন। গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর বিএনপির নেতা জিন্নাহ ও তার সহযোগী সোলাইমান তার কাছে মাসিক ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে।
কিন্তু চাঁদা না দেওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হন। পরে গত ৩১ মে রাতে মাহিন্দ্র গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরলে হকিস্টিক ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রাঙ্গা মিয়াকে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা আহত রাঙ্গা মিয়াকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে।
এ ঘটনায় রাঙ্গা মিয়া মাদারগঞ্জ সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা জটিয়ারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে মাদক সেবনের সরঞ্জাম, গ্যাস লাইট ও দুইটি স্টিলের লাঠি উদ্ধার করে। মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আল মামুন বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ জনকে সেনাবাহিনী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী রাঙ্গা মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। বুধবার বিকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাঁদা না পেয়ে এক মাহিন্দ্র গাড়িচালককে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগে বিএনপির নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। মঙ্গলবার (০৩ জুন) দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়নের জটিয়ারপাড়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় বুধবার বিকালে মাহিন্দ্রা চালক রাঙ্গা মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার কড়ইচড়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ও পূর্ব জটিয়ারপাড়া এলাকার মুন্নাফের ছেলে গোলাম মোস্তফা জিন্নাহ ও তার সহযোগী একই এলাকার মৃত সুরুজ মন্ডলের ছেলে সোলাইমান সুলাই।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাহিন্দ্র গাড়িচালক রাঙ্গা মিয়া পূর্ব জটিয়ারপাড়া এলাকার মমিনুর ইসলামের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়ায় বসবাস করে আসছিলেন। গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর বিএনপির নেতা জিন্নাহ ও তার সহযোগী সোলাইমান তার কাছে মাসিক ১৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে।
কিন্তু চাঁদা না দেওয়ায় তারা ক্ষিপ্ত হন। পরে গত ৩১ মে রাতে মাহিন্দ্র গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরলে হকিস্টিক ও লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রাঙ্গা মিয়াকে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা আহত রাঙ্গা মিয়াকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে।
এ ঘটনায় রাঙ্গা মিয়া মাদারগঞ্জ সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে সেনাবাহিনীর সদস্যরা জটিয়ারপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে মাদক সেবনের সরঞ্জাম, গ্যাস লাইট ও দুইটি স্টিলের লাঠি উদ্ধার করে। মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আল মামুন বলেন, চাঁদাবাজির অভিযোগে ২ জনকে সেনাবাহিনী আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তাদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী রাঙ্গা মিয়া বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করে। বুধবার বিকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩০
ফেনীতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে জেলা পর্যায়ে ‘ইমাম সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে ইসলামী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ফেনী সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক।
ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনীর উপপরিচালক মো. নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফেনীর পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ কোরায়েত বিন করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেনী সদর সুলতানা নাসরিন কান্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, জেলা তথ্য অফিসার এস এম আল আমিন।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে প্রতিটি মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে জনগণের মাঝে ভোটের গুরুত্ব ও সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
কারণ সাধারণ মানুষ ইমামদের কথাকে অধিক গুরুত্ব দেয়। তাই আগামী নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারে একমাত্র ইমাম ও খতিবরা। এজন্য আমি গণভোট প্রচারে ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা চাই।
অনুষ্ঠানে ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনী জেলার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী ফালাহিয়া মাদ্রাসার মুহাদদ্দিস মাও. নুর মোহাম্মদ, শশদী দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ইসমাইল হায়দারসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদের প্রায় ৫ শতাধিক ইমাম, খতিব, ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৩
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম নগরের আংশিক) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর ছবি ব্যবহার করে ‘ভোটার সম্মানী রসিদের’ ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার পর ছবিটি নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে আলোচনার ঝড় বইছে।
বিএনপির দাবি, ভুয়া ফেসবুক আইডি দিয়ে এমন ভিত্তিহীন প্রচারণা চালিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীর ইমেজ ক্ষুণ্ন করার চক্রান্ত করছে একটি পক্ষ।
ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ওপরের একপাশে আসলাম চৌধুরীর ছবি, মাঝখানে ভোটার সম্মানী রসিদ ও ডান পাশে সবার আগে বাংলাদেশ লেখা।
বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে আসলাম চৌধুরীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান এজেন্ট স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. মোরসালিন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলামের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, এমডি এএইচ রাকিব ও একাধিক ফেসবুক আইডিতে ‘ভোটার সম্মানীর রসিদ’ পোস্ট করে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রচারণা চালানো হচ্ছে। একটি পক্ষ ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর ইমেজ ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও আচরণবিধি পরিপন্থি।
এতে সুবিধাভোগী হিসেবে সাহেদা বেগম নামে একজনের নাম লেখা রয়েছে। তার বিকাশ নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দেওয়া আছে। যেখানে দুটি অঙ্ক কালি দিয়ে মোছা রয়েছে। সাহেদা বেগমের ঠিকানা জাহানাবাদ ভাটিয়ারী উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রেস উইং কর্মকর্তা আবু তাহের গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিবৃতিতে জানান, আসলাম চৌধুরীর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চক্র ফেক আইডির মাধ্যমে অনৈতিক পথ অবলম্বন করেছে। আসলাম চৌধুরীর মতো জনপ্রিয় নেতাকে টাকা দিয়ে ভোট নিতে হবে না। দেশের সাধারণ মানুষ এমন অপপ্রচারকে ঘৃণ্যভাবে প্রত্যাখান করছে।
এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটার সম্মানী রসিদ নামে একটি রসিদের ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের চার বছর পর চেয়ারম্যান হলেন অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদ নামে এক জামায়াত নেতা।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়েদ আহমদ জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির।
তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ- সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ছিলেন। পরে আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মাওলানা সাইয়েদ আহমদ ‘চশমা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
অভিযোগ রয়েছে, সবগুলো কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে তিনি বিজয়ী হলেও উপজেলা পর্যায়ে ফলাফল বদলে দিয়ে তাকে পরাজিত দেখানো হয়। এ নির্বাচনে মাত্র ১১ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. সামছুল আলমকে বিজয়ী ঘোষণা করেন নির্বাচন কর্মকর্তারা।
ভুক্তভোগী প্রার্থীর দাবি, পেশিশক্তি ব্যবহার করে জোরপূর্বক জনরায়কে পাল্টে দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি ফলাফল কারচুপির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন এবং ওই সময় মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ২৪ মে নোয়াখালী জেলা দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ দেওয়ান মনিরুজ্জামান অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে ৪৬৬ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন।
এদিকে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বিবাদী পক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল করলেও উচ্চতর আদালত পূর্বের রায়টি বহাল রেখে বিজয়ী মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে শপথ পড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।
শপথ শেষে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়েদ আহমদ বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজ সত্যের জয় হয়েছে। যে মামলা ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তা শেষ হতে চার বছর লেগে গেল। এতে আমার ইউনিয়নের ভোটাররা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
চেয়ারম্যানের ছেলে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ফরহাদ এ জয়কে ‘ন্যায় ও ইনসাফের জয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে ন্যায়বিচার এখনো মরে যায়নি। আমরা সেইসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তি চাই।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) ফেরদৌসী বেগম, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোসাদ্দেক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভোটের চার বছর পর চেয়ারম্যান হলেন অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদ নামে এক জামায়াত নেতা।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়েদ আহমদ জামায়াতে কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও নোয়াখালী জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির।
তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ- সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে জামায়াতের প্রার্থী ছিলেন। পরে আসনটি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ছেড়ে দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে মাওলানা সাইয়েদ আহমদ ‘চশমা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
অভিযোগ রয়েছে, সবগুলো কেন্দ্রের প্রাথমিক ফলাফলে তিনি বিজয়ী হলেও উপজেলা পর্যায়ে ফলাফল বদলে দিয়ে তাকে পরাজিত দেখানো হয়। এ নির্বাচনে মাত্র ১১ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. সামছুল আলমকে বিজয়ী ঘোষণা করেন নির্বাচন কর্মকর্তারা।
ভুক্তভোগী প্রার্থীর দাবি, পেশিশক্তি ব্যবহার করে জোরপূর্বক জনরায়কে পাল্টে দেওয়া হয়েছিল। পরে তিনি ফলাফল কারচুপির বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন এবং ওই সময় মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ সাড়ে তিন বছর আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ২৪ মে নোয়াখালী জেলা দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র সহকারী জজ দেওয়ান মনিরুজ্জামান অধ্যক্ষ মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে ৪৬৬ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন।
এদিকে গত বছরের ১০ ডিসেম্বর বিবাদী পক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে পুনরায় আপিল করলেও উচ্চতর আদালত পূর্বের রায়টি বহাল রেখে বিজয়ী মাওলানা সাইয়েদ আহমদকে শপথ পড়ানোর জন্য জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।
শপথ শেষে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মাওলানা সাইয়েদ আহমদ বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আজ সত্যের জয় হয়েছে। যে মামলা ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল, তা শেষ হতে চার বছর লেগে গেল। এতে আমার ইউনিয়নের ভোটাররা তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
চেয়ারম্যানের ছেলে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ফরহাদ এ জয়কে ‘ন্যায় ও ইনসাফের জয়’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে ন্যায়বিচার এখনো মরে যায়নি। আমরা সেইসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তি চাই।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসকের উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) ফেরদৌসী বেগম, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোসাদ্দেক হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ফেনীতে গণভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে জেলা পর্যায়ে ‘ইমাম সম্মেলন-২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে ইসলামী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ফেনী সরকারি কলেজ অডিটোরিয়ামে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মনিরা হক।
ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনীর উপপরিচালক মো. নাজমুস সাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফেনীর পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ কোরায়েত বিন করিম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফেনী সদর সুলতানা নাসরিন কান্তা, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, জেলা তথ্য অফিসার এস এম আল আমিন।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে প্রতিটি মসজিদের ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের মাধ্যমে জনগণের মাঝে ভোটের গুরুত্ব ও সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।
কারণ সাধারণ মানুষ ইমামদের কথাকে অধিক গুরুত্ব দেয়। তাই আগামী নির্বাচনে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারে একমাত্র ইমাম ও খতিবরা। এজন্য আমি গণভোট প্রচারে ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা চাই।
অনুষ্ঠানে ইসলামী ফাউন্ডেশন ফেনী জেলার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ফেনী ফালাহিয়া মাদ্রাসার মুহাদদ্দিস মাও. নুর মোহাম্মদ, শশদী দারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ইসমাইল হায়দারসহ জেলার বিভিন্ন মসজিদের প্রায় ৫ শতাধিক ইমাম, খতিব, ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রাম নগরের আংশিক) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর ছবি ব্যবহার করে ‘ভোটার সম্মানী রসিদের’ ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার পর ছবিটি নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে আলোচনার ঝড় বইছে।
বিএনপির দাবি, ভুয়া ফেসবুক আইডি দিয়ে এমন ভিত্তিহীন প্রচারণা চালিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীর ইমেজ ক্ষুণ্ন করার চক্রান্ত করছে একটি পক্ষ।
ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ওপরের একপাশে আসলাম চৌধুরীর ছবি, মাঝখানে ভোটার সম্মানী রসিদ ও ডান পাশে সবার আগে বাংলাদেশ লেখা।
বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে আসলাম চৌধুরীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান এজেন্ট স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মো. মোরসালিন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফখরুল ইসলামের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, এমডি এএইচ রাকিব ও একাধিক ফেসবুক আইডিতে ‘ভোটার সম্মানীর রসিদ’ পোস্ট করে মিথ্যা ও বানোয়াট প্রচারণা চালানো হচ্ছে। একটি পক্ষ ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর ইমেজ ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয় ও আচরণবিধি পরিপন্থি।
এতে সুবিধাভোগী হিসেবে সাহেদা বেগম নামে একজনের নাম লেখা রয়েছে। তার বিকাশ নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দেওয়া আছে। যেখানে দুটি অঙ্ক কালি দিয়ে মোছা রয়েছে। সাহেদা বেগমের ঠিকানা জাহানাবাদ ভাটিয়ারী উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রেস উইং কর্মকর্তা আবু তাহের গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিবৃতিতে জানান, আসলাম চৌধুরীর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চক্র ফেক আইডির মাধ্যমে অনৈতিক পথ অবলম্বন করেছে। আসলাম চৌধুরীর মতো জনপ্রিয় নেতাকে টাকা দিয়ে ভোট নিতে হবে না। দেশের সাধারণ মানুষ এমন অপপ্রচারকে ঘৃণ্যভাবে প্রত্যাখান করছে।
এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটার সম্মানী রসিদ নামে একটি রসিদের ছবি ছড়িয়ে পড়ায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫১