
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৬
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় চাচার হাতুড়ির আঘাতে হাত ভেঙে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী বিথী আক্তার (১৫) শেষ পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার জানান, আহত পরীক্ষার্থীর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিথীর জন্য একজন শ্রুতলেখক (রাইটার) নিয়োগ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বোর্ডে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের শাঁখারিকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিথী আক্তার ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. বাদল হাওলাদারের মেয়ে এবং তুষখালী তোফেল আকন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তুচ্ছ পারিবারিক বিরোধের জেরে বিথীর বাবা বাদল হাওলাদারের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম (৩৩) ও মো. রাহাতের (১৮) মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। বিষয়টি জানতে চাইলে বিথীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম হাতুড়ি দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বিথীর ডান হাত ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগে বিথীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তার পরিবার ও স্থানীয়রা। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় চাচার হাতুড়ির আঘাতে হাত ভেঙে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী বিথী আক্তার (১৫) শেষ পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার জানান, আহত পরীক্ষার্থীর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিথীর জন্য একজন শ্রুতলেখক (রাইটার) নিয়োগ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বোর্ডে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের শাঁখারিকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিথী আক্তার ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. বাদল হাওলাদারের মেয়ে এবং তুষখালী তোফেল আকন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তুচ্ছ পারিবারিক বিরোধের জেরে বিথীর বাবা বাদল হাওলাদারের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম (৩৩) ও মো. রাহাতের (১৮) মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। বিষয়টি জানতে চাইলে বিথীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম হাতুড়ি দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বিথীর ডান হাত ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগে বিথীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তার পরিবার ও স্থানীয়রা। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৬
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে বিথী আক্তার (১৫) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তার হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে তার চাচাতো চাচা নজরুল ইসলাম (৩৩) ও রাহাতকে (১৮)
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের শাঁখারিকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত বিথী ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. বাদল হাওলাদারের মেয়ে এবং তুষখালী তোফেল আকন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বিথীর বাবা বাদল হাওলাদারের সঙ্গে তুচ্ছ পারিবারিক বিষয় নিয়ে নজরুল ইসলাম ও রাহাতের বাগবিতণ্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে বিথীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম হাতুড়ি দিয়ে তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায়।
এতে তার ডান হাতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং হাত ভেঙে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় বিথীকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে এবং একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে আহত পরীক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে বিথী আক্তার (১৫) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তার হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত করা হয়েছে তার চাচাতো চাচা নজরুল ইসলাম (৩৩) ও রাহাতকে (১৮)
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের শাঁখারিকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত বিথী ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. বাদল হাওলাদারের মেয়ে এবং তুষখালী তোফেল আকন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বিথীর বাবা বাদল হাওলাদারের সঙ্গে তুচ্ছ পারিবারিক বিষয় নিয়ে নজরুল ইসলাম ও রাহাতের বাগবিতণ্ডা এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে কথা বলতে গেলে বিথীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম হাতুড়ি দিয়ে তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায়।
এতে তার ডান হাতে গুরুতর আঘাত লাগে এবং হাত ভেঙে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় বিথীকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, ভুক্তভোগী পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে মামলা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে এবং একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে আহত পরীক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৫
পিরোজপুরের জিয়ানগরে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে থানায় অবস্থান নিয়েছে এক শিক্ষার্থী। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিয়ে ঠেকাতে ওই শিক্ষার্থী জিয়ানগর থানায় দুই দফায় হাজির হয়।
ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা জানায়, সে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। সে লেখাপড়া করুক, শিক্ষিত হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক। সে বাল্যবিবাহের শিকার হোক, সেটা আমরা কেউ চাই না।
প্রতিবেশী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘শুনেছি অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে মেয়েটাকে বিয়ে দিতে চাচ্ছে। তবে বাল্যবিবাহ হয়ে কোনো মেয়ের জীবন ধ্বংস হোক—এটা আমরা চাই না।’
থানায় অবস্থান নেওয়া ওই শিক্ষার্থী জানায়, তার বাবা, ভাই ও ভাবি মিলে জোর করে বিয়ে দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু সে এখন বিয়ে করতে রাজি না। আর কয়েক দিন পর তার এসএসসি পরীক্ষা। সে পরীক্ষা দিতে চায়।
সে বলে, ‘লেখাপড়া করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই। বিয়ে ঠেকাতে আমি দুইবার থানায় এসেছি। সবার কাছে অনুরোধ, আপনারা আমার বিয়েটা ঠেকান।’
এ বিষয়ে ওই মেয়ের বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ের বয়স ১৮ বছর তিন মাস। তার জন্য সব সময় ভালো ছেলের খোঁজ পাই না। এবার একটা ভালো বিয়ের প্রস্তাব এসেছে বিধায় আমরা রাজি হয়েছি।
’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চাই তাকে বিয়ে দিয়ে সংসারী করে জীবনটা দাঁড় করাতে। আর সে চাচ্ছে লেখাপড়া করে চাকরি করতে। একটা অবিবাহিত মেয়ে চাকরি করলে মানুষজন কী বলবে।’
এ বিষয়ে ওই শিক্ষার্থীর স্কুল শিক্ষক নাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা তাকে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছি। এই বিবাহ যেকোনো মূল্যে ঠেকাব। কোনো শিক্ষার্থীকেই আমরা ঝরে পড়তে দেব না।’
জিয়ানগর থানার দায়িত্বরত উপপরিদর্শক সাইদুর রহমান জানান, বাল্যবিবাহ দেবে না—এই শর্তে লিখিত আকারে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষী রেখে ওই মেয়েকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পিরোজপুরের জিয়ানগরে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেতে থানায় অবস্থান নিয়েছে এক শিক্ষার্থী। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিয়ে ঠেকাতে ওই শিক্ষার্থী জিয়ানগর থানায় দুই দফায় হাজির হয়।
ওই শিক্ষার্থীর সহপাঠীরা জানায়, সে একজন মেধাবী শিক্ষার্থী। সে লেখাপড়া করুক, শিক্ষিত হয়ে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হোক। সে বাল্যবিবাহের শিকার হোক, সেটা আমরা কেউ চাই না।
প্রতিবেশী তাজুল ইসলাম বলেন, ‘শুনেছি অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে মেয়েটাকে বিয়ে দিতে চাচ্ছে। তবে বাল্যবিবাহ হয়ে কোনো মেয়ের জীবন ধ্বংস হোক—এটা আমরা চাই না।’
থানায় অবস্থান নেওয়া ওই শিক্ষার্থী জানায়, তার বাবা, ভাই ও ভাবি মিলে জোর করে বিয়ে দিতে চাচ্ছেন। কিন্তু সে এখন বিয়ে করতে রাজি না। আর কয়েক দিন পর তার এসএসসি পরীক্ষা। সে পরীক্ষা দিতে চায়।
সে বলে, ‘লেখাপড়া করে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই। বিয়ে ঠেকাতে আমি দুইবার থানায় এসেছি। সবার কাছে অনুরোধ, আপনারা আমার বিয়েটা ঠেকান।’
এ বিষয়ে ওই মেয়ের বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ের বয়স ১৮ বছর তিন মাস। তার জন্য সব সময় ভালো ছেলের খোঁজ পাই না। এবার একটা ভালো বিয়ের প্রস্তাব এসেছে বিধায় আমরা রাজি হয়েছি।
’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা চাই তাকে বিয়ে দিয়ে সংসারী করে জীবনটা দাঁড় করাতে। আর সে চাচ্ছে লেখাপড়া করে চাকরি করতে। একটা অবিবাহিত মেয়ে চাকরি করলে মানুষজন কী বলবে।’
এ বিষয়ে ওই শিক্ষার্থীর স্কুল শিক্ষক নাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা তাকে বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা করার চেষ্টা করছি। এই বিবাহ যেকোনো মূল্যে ঠেকাব। কোনো শিক্ষার্থীকেই আমরা ঝরে পড়তে দেব না।’
জিয়ানগর থানার দায়িত্বরত উপপরিদর্শক সাইদুর রহমান জানান, বাল্যবিবাহ দেবে না—এই শর্তে লিখিত আকারে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাক্ষী রেখে ওই মেয়েকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২০
পিরোজপুরে চুরির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের নামে মেসের অস্থায়ী কেয়ারটেকার মো. ইউনুস ফকিরকে নির্যাতনের ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহম্মেদ সিদ্দিকী জানান, ডিবির ওসি মো. আরিফুল ইসলাম এবং দুই পুলিশ কনস্টেবল—মো. কাওসার ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ইউনুস ফকির পিরোজপুর সদর উপজেলার খানাকুনিয়ারি গ্রামের মৃত মোবারেক আলী ফকিরের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক এবং পুলিশ অফিসার্স মেসের অস্থায়ী কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, গত সোমবার টাকা চুরির অভিযোগে ডিবি পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের সময় ইউনুসকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় এবং সংবেদনশীল অঙ্গে মোমের আগুন দিয়ে পোড়ানোর অভিযোগও ওঠে। ঘটনাটি গোপন রাখতে প্রথমে তাকে সরকারি হাসপাতালে না নিয়ে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পরিবারের দাবি, সেখানে এবং পরবর্তীতেও নির্যাতনের প্রকৃত ঘটনা গোপন রাখতে ইউনুসকে ভিন্ন বক্তব্য দিতে চাপ দেওয়া হয়। পরে তাকে পিরোজপুরের পুলিশ সুপারের কাছে নেওয়া হলে তিনি বিস্তারিত শুনে মেসের ঝাড়ুদার শাকিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে শাকিল টাকা চুরির কথা স্বীকার করলে পুলিশ সেই টাকা উদ্ধার করে এবং ইউনুসের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ফেরত দেওয়া হয়।
ইউনুসের ভাই আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা চরম অমানবিক। তাকে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’
ইউনুসের ভাতিজি মাহমুদা অভিযোগ করেন, ‘আমরা বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেও কেউ আমাদের কথা শোনেননি। আমার চাচাকে মারধর করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. স্বাগত হাওলাদার জানান, ইউনুসের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তার পুরুষাঙ্গে পোড়ার আলামত পাওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগের বিষয়ে ডিবির ওসি মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার জন্য আমি দুঃখিত। তবে আমি কোনো নির্যাতন করিনি। আমাদের এক সোর্স রান্নাঘরে নিয়ে মোমবাতি দিয়ে এ কাজ করেছে।’
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহম্মেদ সিদ্দিকী বলেন, ‘বিষয়টি জানার পরপরই একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইউনুসের চিকিৎসার সব ব্যয় জেলা পুলিশ বহন করবে।’
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পিরোজপুরে চুরির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের নামে মেসের অস্থায়ী কেয়ারটেকার মো. ইউনুস ফকিরকে নির্যাতনের ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহম্মেদ সিদ্দিকী জানান, ডিবির ওসি মো. আরিফুল ইসলাম এবং দুই পুলিশ কনস্টেবল—মো. কাওসার ও মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী ইউনুস ফকির পিরোজপুর সদর উপজেলার খানাকুনিয়ারি গ্রামের মৃত মোবারেক আলী ফকিরের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক এবং পুলিশ অফিসার্স মেসের অস্থায়ী কেয়ারটেকার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, গত সোমবার টাকা চুরির অভিযোগে ডিবি পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের সময় ইউনুসকে অমানবিকভাবে নির্যাতন করে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় এবং সংবেদনশীল অঙ্গে মোমের আগুন দিয়ে পোড়ানোর অভিযোগও ওঠে। ঘটনাটি গোপন রাখতে প্রথমে তাকে সরকারি হাসপাতালে না নিয়ে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে তাকে খুলনার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
পরিবারের দাবি, সেখানে এবং পরবর্তীতেও নির্যাতনের প্রকৃত ঘটনা গোপন রাখতে ইউনুসকে ভিন্ন বক্তব্য দিতে চাপ দেওয়া হয়। পরে তাকে পিরোজপুরের পুলিশ সুপারের কাছে নেওয়া হলে তিনি বিস্তারিত শুনে মেসের ঝাড়ুদার শাকিলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে শাকিল টাকা চুরির কথা স্বীকার করলে পুলিশ সেই টাকা উদ্ধার করে এবং ইউনুসের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ফেরত দেওয়া হয়।
ইউনুসের ভাই আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে তা চরম অমানবিক। তাকে যেভাবে নির্যাতন করা হয়েছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।’
ইউনুসের ভাতিজি মাহমুদা অভিযোগ করেন, ‘আমরা বারবার বোঝানোর চেষ্টা করলেও কেউ আমাদের কথা শোনেননি। আমার চাচাকে মারধর করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।’
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. স্বাগত হাওলাদার জানান, ইউনুসের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তার পুরুষাঙ্গে পোড়ার আলামত পাওয়া গেছে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগের বিষয়ে ডিবির ওসি মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার জন্য আমি দুঃখিত। তবে আমি কোনো নির্যাতন করিনি। আমাদের এক সোর্স রান্নাঘরে নিয়ে মোমবাতি দিয়ে এ কাজ করেছে।’
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মঞ্জুর আহম্মেদ সিদ্দিকী বলেন, ‘বিষয়টি জানার পরপরই একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইউনুসের চিকিৎসার সব ব্যয় জেলা পুলিশ বহন করবে।’
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.