
৩০ জুলাই, ২০২৫ ২০:৩৪
ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অনুষ্ঠিত চারদিনব্যাপী গণভোটে অংশ নিয়েছেন ১১৪৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থী সরাসরি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনে এ ফলাফল প্রকাশ করে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল। আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন ভূমিকা সরকার এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মৃত্যুঞ্জয় রায়।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান। আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক আব্দুর রহমান, সুদীপ্ত হালদার, সওকাত ওসমান স্বাক্ষরসহ একাধিক শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।
গণভোটের ফলাফল তুলে ধরা হয় নির্বাচন কমিশন প্যানেলের সদস্যদের পক্ষ থেকে। এতে দেখা যায়—
মোট ভোটার: ১১৪৫ জন
ছাত্র সংসদ চান: ৯৮৭ জন (৮৬%)
ছাত্র সংসদ চান না: ১৩২ জন (১১.৫%)
বাতিল ভোট: ২৬টি (২.৫%)
এই গণরায়ের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব চায়। তারা বিশ্বাস করে, গণতান্ত্রিক চর্চাই একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থার মূল চালিকা শক্তি।
ছায়েদুল হক নিশান বলেন, গণভোটে শিক্ষার্থীরা যে রায় দিয়েছে তা ববি শিক্ষার্থীসিহ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের মতের বহিঃপ্রকাশ। এটা গোটা বাংলাদেশের সমস্ত শিক্ষার্থীর। দাবি এ কারণে তাদের মতের গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যে আইন আছে সেটাকে সংস্কার করে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচনের রুপরেখা প্রদান করতে হবে।
তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ না থাকলে দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়। যেই রাজনীতি অতীত সরকার গুলো করে গেছে। শিক্ষার্থীদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে কি হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেকোনো ধরনের ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ার জন্য ছাত্রদের মতামত প্রতিফলিত হওয়ার প্রয়োজনে ছাত্র সংসদের কোন বিকল্প নেই।
ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করার জন্য বছরের পর বছর কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকার গুলো ছাত্র সংসদকে অকার্যকর করে রেখেছে। আরেক দল ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের নাম করে গোপন রাজনীতি করে যাচ্ছে। যা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জজ্য হুমকি।
ফলে অনতিবিলম্বে শিক্ষার্থীদের রায় মেনে নিয়ে কার্যকর করা এবং সরকারের দায়িত্ব। এবং গণতান্ত্রিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিনির্মানে আগামী দিনে দৃষ্টান্ত হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধুমাত্র কর্মচারী কেরানী না বানিয়ে রাষ্ট্রের জন্য দায়িত্বশীল, শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষের রাজনীতি নির্মানে ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ভূমিকা সরকার বলেন “আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের মতামতই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই গণভোট প্রশাসনের কাছে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে— এখনই সময় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পথ সুগম করার।”
ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অনুষ্ঠিত চারদিনব্যাপী গণভোটে অংশ নিয়েছেন ১১৪৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৮৬ শতাংশ শিক্ষার্থী সরাসরি ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনে এ ফলাফল প্রকাশ করে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল। আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন ভূমিকা সরকার এবং সঞ্চালনায় ছিলেন মৃত্যুঞ্জয় রায়।
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি ছায়েদুল হক নিশান। আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক আব্দুর রহমান, সুদীপ্ত হালদার, সওকাত ওসমান স্বাক্ষরসহ একাধিক শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।
গণভোটের ফলাফল তুলে ধরা হয় নির্বাচন কমিশন প্যানেলের সদস্যদের পক্ষ থেকে। এতে দেখা যায়—
মোট ভোটার: ১১৪৫ জন
ছাত্র সংসদ চান: ৯৮৭ জন (৮৬%)
ছাত্র সংসদ চান না: ১৩২ জন (১১.৫%)
বাতিল ভোট: ২৬টি (২.৫%)
এই গণরায়ের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট হয়েছে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জবাবদিহিমূলক, অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব চায়। তারা বিশ্বাস করে, গণতান্ত্রিক চর্চাই একটি আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থার মূল চালিকা শক্তি।
ছায়েদুল হক নিশান বলেন, গণভোটে শিক্ষার্থীরা যে রায় দিয়েছে তা ববি শিক্ষার্থীসিহ সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষার্থীদের মতের বহিঃপ্রকাশ। এটা গোটা বাংলাদেশের সমস্ত শিক্ষার্থীর। দাবি এ কারণে তাদের মতের গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে যে আইন আছে সেটাকে সংস্কার করে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচনের রুপরেখা প্রদান করতে হবে।
তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ না থাকলে দুর্বৃত্তায়নের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হয়। যেই রাজনীতি অতীত সরকার গুলো করে গেছে। শিক্ষার্থীদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে কি হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় যেকোনো ধরনের ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহন প্রক্রিয়ার জন্য ছাত্রদের মতামত প্রতিফলিত হওয়ার প্রয়োজনে ছাত্র সংসদের কোন বিকল্প নেই।
ছাত্র রাজনীতিকে কলুষিত করার জন্য বছরের পর বছর কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয় এবং সরকার গুলো ছাত্র সংসদকে অকার্যকর করে রেখেছে। আরেক দল ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের নাম করে গোপন রাজনীতি করে যাচ্ছে। যা গণতান্ত্রিক পরিবেশের জজ্য হুমকি।
ফলে অনতিবিলম্বে শিক্ষার্থীদের রায় মেনে নিয়ে কার্যকর করা এবং সরকারের দায়িত্ব। এবং গণতান্ত্রিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিনির্মানে আগামী দিনে দৃষ্টান্ত হিসেবে ভূমিকা রাখবে।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধুমাত্র কর্মচারী কেরানী না বানিয়ে রাষ্ট্রের জন্য দায়িত্বশীল, শ্রমজীবী খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষের রাজনীতি নির্মানে ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি ভূমিকা সরকার বলেন “আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষার্থীদের মতামতই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই গণভোট প্রশাসনের কাছে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে— এখনই সময় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের পথ সুগম করার।”

১৭ মার্চ, ২০২৬ ০০:৩৯
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’
আজ ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৭তম জন্মদিন। ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর তিনি প্রথমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
ব্রিটিশ ভারত এবং পরবর্তী সময়ে পূর্ব পাকিস্তানে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেও তিনি সোচ্চার ছিলেন। রাজনৈতিক জীবনে তাকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।
১৯৬৬ সালে তিনি ঐতিহাসিক ৬ দফা পেশ করেন। ১৯৬৮ সালে তাকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামি করা হয়। ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি গণঅভ্যুত্থান ও জনগণের চাপের মুখে পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে শেখ মুজিবসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দেয়। মুক্তিলাভের পর ছাত্র-জনতা শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত মুজিবের ১৯৭১ সালে দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে ইউনেস্কো।
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি চালায়। এ প্রেক্ষাপটে ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়। ওই বছরের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ঐতিহাসিক ভাষণ দেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ রাতে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাকিস্তানের কারাগারে ছিলেন। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির বাসভবনে সপরিবারের নিহত হন বঙ্গবন্ধু।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার দিনটির রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সরকারি ছুটি বাতিল করে। সেইসঙ্গে ২০০৯ সাল থেকে শুরু হওয়া জাতীয় শিশু দিবস পালনও বন্ধ হয়ে যায়। পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে এবারও বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ঘিরে কোনো কর্মসূচি পালন হচ্ছে না।’

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।
বরিশালে ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মাসিউটিক্যালসের গ্লোবাল ক্যাপসুল কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নগরীর রূপাতলী কারখানায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পরে ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম জানান, কারখানার বয়লারের জ্বালানির জন্য কাঠের গুড়ি স্তূপ করে রাখা ছিল। অসাবধানতাবশত ওই কাঠের গুড়িতে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা খবর পেয়ে ছুটে এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কাঠের গুড়ি হওয়ায় পুরোপুরি নিভে যেতে সময় লাগবে।
রবিউল ইসলাম আরও বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত ও কত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব নয়, পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক তথ্য জানা যাবে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৭
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে পুড়িয়ে মারার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী কিশোরের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অগ্নিসংযোগের পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিশু রাইসা বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দিনমজুর নজরুল ইসলামের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।
মৃত্যুর আগে অগ্নিদগ্ধ রাইসার একটি ভিডিও বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে রাইসাকে বলতে শোনা যায়, আমারে খারাপ জিনিস কইছে, আমি হুনিনাই দেইখা শিফাত আমার গায় আগুন দিছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা তসলিম জানান, রাইসারা এক ভাই, এক বোন। মা তাদের ফেলে রেখে অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বড় ভাই ঢাকার একটি ফলের দোকানে চাকরি করেন। বাবা কাঠমিস্ত্রি।
তিনি বলেন, রাইসা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ঘটনার সময় ওর বাবা বাড়িতে ছিল না। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানুষের ডাকাডাকি এবং রাইসার চিৎকার শুনে ওর ঘরের সামনে ছুটে যায়। দেখতে পাই সারা শরীরের দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে। দ্রুত এক বাতলি পানি মেরে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে ওরে কোলে নিয়ে পাশে থাকা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আগুন নেভাই।
তসলিম বলেন, ‘রাইসাকে উদ্ধার করে যখন হাসপাতালে নিয়ে যাই তখন প্রতিবেশী জালাল সিকদারকে রাইসা দেখতে পায়। তখন রাইসা কাঁদতে কাঁদতে বলতে থাকে— জালাল সিকদারের ছেলে শিফাতের জন্য তার শরীরের আগুন লেগেছে।
তবে ঘটনার পর শিফাতকে ঘটনাস্থলের আশপাশে দেখা যায়নি। আদৌ কেউ ওর গায়ে আগুন দিয়েছে নাকি আগুন লেগেছে, অথবা নিজেই আগুন দিয়েছে কিনা আমার জানা নেই।
তসলিম জানান, ঘটনার পর রাইসাকে পার্শ্ববর্তী উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখানেও তাকে না রেখে ঢাকা মেডিকেলের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করে। সেখানে পৌঁছাতে রাত হয়ে যায়। ভর্তি করে অপারেশন থিয়েটার পর্যন্ত যেতে ২ ঘণ্টা সময় লাগে।
চিকিৎসক জানান, রাইসার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে, অবস্থা ভালো না। এরপর অপারেশন থিয়েটারে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চিকিৎসক জানান রাইসা মারা গেছে। তখন রাত সাড়ে ১০টার মতো বাজতে পারে। বর্তমানে রাইসার মরদেহ মর্গে রয়েছে।
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মো. এহতেশামুল ইসলাম বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন একটি ঘটনার ভিডিও দেখেছি। তবে এমন অভিযোগ নিয়ে কেউ থানায় আসেনি বা কেউ পুলিশকে জানায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.