
০৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৫:৫৭
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুরে এক জনসভায় আইনজীবী সমাজকে নিয়ে করা কটূক্তিমূলক বক্তব্য প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ বলেন, “গত ৫ নভেম্বর বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের একটি অনুষ্ঠানে আমি অংশগ্রহণ করি। সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে অনিচ্ছাকৃতভাবে শব্দচয়নে ভুলের কারণে আমি আইনজীবী সম্প্রদায় সম্পর্কে একটি মন্তব্য করে ফেলি, যা পরবর্তীতে আমার কাছে অনুতাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমি উপলব্ধি করেছি—এটি আমার পক্ষ থেকে একটি ভুল ছিল।”
তিনি আরও বলেন, “আমি আইনজীবী পেশাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখি। বাংলাদেশের আইন-আদালত ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, মর্যাদাপূর্ণ এবং অনস্বীকার্য। আমার বক্তব্যে কারও মনে কষ্ট বা ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়ে থাকলে, আমি সমস্ত আইনজীবী সম্প্রদায়ের নিকট আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ক্ষমা প্রার্থনা করছি।”
বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি, আইনজীবী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কেদারপুর ইউনিয়নের জনসভায় দেওয়া বক্তব্যের একটি অংশ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা আইনজীবী সমাজে সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে ঘটনাটি নিয়ে অনুতাপ প্রকাশ করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন সাবেক এমপি মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুরে এক জনসভায় আইনজীবী সমাজকে নিয়ে করা কটূক্তিমূলক বক্তব্য প্রত্যাহার করে দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ বলেন, “গত ৫ নভেম্বর বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের একটি অনুষ্ঠানে আমি অংশগ্রহণ করি। সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে অনিচ্ছাকৃতভাবে শব্দচয়নে ভুলের কারণে আমি আইনজীবী সম্প্রদায় সম্পর্কে একটি মন্তব্য করে ফেলি, যা পরবর্তীতে আমার কাছে অনুতাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমি উপলব্ধি করেছি—এটি আমার পক্ষ থেকে একটি ভুল ছিল।”
তিনি আরও বলেন, “আমি আইনজীবী পেশাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দেখি। বাংলাদেশের আইন-আদালত ব্যবস্থা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, মর্যাদাপূর্ণ এবং অনস্বীকার্য। আমার বক্তব্যে কারও মনে কষ্ট বা ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি হয়ে থাকলে, আমি সমস্ত আইনজীবী সম্প্রদায়ের নিকট আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি এবং ক্ষমা প্রার্থনা করছি।”
বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি, আইনজীবী ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কেদারপুর ইউনিয়নের জনসভায় দেওয়া বক্তব্যের একটি অংশ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা আইনজীবী সমাজে সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে ঘটনাটি নিয়ে অনুতাপ প্রকাশ করে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন সাবেক এমপি মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১২
অত্যন্ত সাদামাটা আয়োজনে বিজয় দিবস উদযাপন করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি)। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় একটি বিজয় র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক কমিটির আয়োজনে মুক্তমঞ্চে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ দেখা যায়নি। অনুষ্ঠানস্থলে ছিল না পর্যাপ্ত সাজসজ্জা কিংবা উৎসবমুখর পরিবেশ।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবছর বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নানাবিধ আয়োজন ও আলোকসজ্জার মাধ্যমে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করা হলেও চলতি বছর তা পরিলক্ষিত হয়নি। পাঁচ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে আলোকসজ্জা থাকলেও বিজয় দিবসের আগের দিন পর্যন্ত কোনো ধরনের আলোকসজ্জার কাজ শুরু হয়নি। পরে শিক্ষার্থীদের সমালোচনার মুখে পড়ে দায়সারা ভাবে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়।
এ বিষয়ে ববি শাখা ছাত্রদল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা কিংবা দৃশ্যমান আনুষ্ঠানিক উদযাপনের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়নি। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস নেই বলেও উল্লেখ করা হয়।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ববি শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, পূর্বে বিজয় দিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কারের আয়োজন করা হতো, যেখানে শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারতেন। এবার শিক্ষার্থীদের সমালোচনার পর প্রশাসন ঝাড়বাতি লাগাতে শুরু করেছে।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবসকে ঘিরে এমন আয়োজন আমাদের হতাশ করেছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিজয় দিবসের আয়োজন কীভাবে সম্পন্ন করা হবে সে বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর আলোকসজ্জা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
অত্যন্ত সাদামাটা আয়োজনে বিজয় দিবস উদযাপন করেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি)। এ নিয়ে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।
দিবসটি উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯টায় একটি বিজয় র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক কমিটির আয়োজনে মুক্তমঞ্চে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ দেখা যায়নি। অনুষ্ঠানস্থলে ছিল না পর্যাপ্ত সাজসজ্জা কিংবা উৎসবমুখর পরিবেশ।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবছর বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নানাবিধ আয়োজন ও আলোকসজ্জার মাধ্যমে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করা হলেও চলতি বছর তা পরিলক্ষিত হয়নি। পাঁচ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে আলোকসজ্জা থাকলেও বিজয় দিবসের আগের দিন পর্যন্ত কোনো ধরনের আলোকসজ্জার কাজ শুরু হয়নি। পরে শিক্ষার্থীদের সমালোচনার মুখে পড়ে দায়সারা ভাবে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়।
এ বিষয়ে ববি শাখা ছাত্রদল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা কিংবা দৃশ্যমান আনুষ্ঠানিক উদযাপনের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়নি। মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস নেই বলেও উল্লেখ করা হয়।
ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ববি শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, পূর্বে বিজয় দিবস উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কারের আয়োজন করা হতো, যেখানে শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারতেন। এবার শিক্ষার্থীদের সমালোচনার পর প্রশাসন ঝাড়বাতি লাগাতে শুরু করেছে।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজয় দিবসকে ঘিরে এমন আয়োজন আমাদের হতাশ করেছে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, বিজয় দিবসের আয়োজন কীভাবে সম্পন্ন করা হবে সে বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটি ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর আলোকসজ্জা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় দলের ২০ জন আহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতখান উপজেলা স্টেডিয়ামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় জামায়াতে ইসলামীর ১৫ জন ও বিএনপির সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর দুজনকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দৌলতখান উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় দৌলতখান স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে পূর্বেই বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদদের পরিবার, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে আলাদাভাবে সবার জন্য আসন নির্ধারিত ছিল।
অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করেন জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলা শাখার আমির ও সেক্রেটারি। এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে আসনে জামায়াতের নেতাদের দেখে ‘রাজাকার বলে’ নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলার সেক্রেটারি মো. আশরাফ উদ্দিন ফারুক বলেন, উপজেলা প্রশাসন আমাদেরকে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছিল। দাওয়াত পেয়ে আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই। সেখানে অতিথিদের জন্য নির্ধারিত আসনে বিএনপির চারজন ও জামায়াতে ইসলামীর দুজন নেতার জন্য চেয়ার সংরক্ষিত ছিল।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আমরা আমাদের আসন গ্রহণ করি। এক পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে দৌলতখান পৌরসভা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল ও দৌলতখান উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিএনপি ও যুবদলের বেশ কয়েকজন পদধারী নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
তাদের হামলায় আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ পুরোপুরি নির্বিকার ছিল। এ ছাড়া তারা চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, তারা বাংলাদেশ চায়নি। তারা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল তাই তাদের কিছুটা সেক্রিফাইস মন-মানসিকতা থাকা দরকার ছিল। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসা নিয়ে নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কথা-কাটাকাটি ও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এ সময় চেয়ার ছোড়াছুড়িতে আমাদের ৫-৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার আসনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় দলের ২০ জন আহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতখান উপজেলা স্টেডিয়ামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় জামায়াতে ইসলামীর ১৫ জন ও বিএনপির সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর দুজনকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দৌলতখান উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় দৌলতখান স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে পূর্বেই বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদদের পরিবার, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে আলাদাভাবে সবার জন্য আসন নির্ধারিত ছিল।
অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করেন জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলা শাখার আমির ও সেক্রেটারি। এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে আসনে জামায়াতের নেতাদের দেখে ‘রাজাকার বলে’ নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলার সেক্রেটারি মো. আশরাফ উদ্দিন ফারুক বলেন, উপজেলা প্রশাসন আমাদেরকে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছিল। দাওয়াত পেয়ে আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই। সেখানে অতিথিদের জন্য নির্ধারিত আসনে বিএনপির চারজন ও জামায়াতে ইসলামীর দুজন নেতার জন্য চেয়ার সংরক্ষিত ছিল।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আমরা আমাদের আসন গ্রহণ করি। এক পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে দৌলতখান পৌরসভা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল ও দৌলতখান উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিএনপি ও যুবদলের বেশ কয়েকজন পদধারী নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
তাদের হামলায় আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ পুরোপুরি নির্বিকার ছিল। এ ছাড়া তারা চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, তারা বাংলাদেশ চায়নি। তারা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল তাই তাদের কিছুটা সেক্রিফাইস মন-মানসিকতা থাকা দরকার ছিল। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসা নিয়ে নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কথা-কাটাকাটি ও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এ সময় চেয়ার ছোড়াছুড়িতে আমাদের ৫-৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার আসনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৯
পদ্মা সেতুতে দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এক হেলপার নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন যাত্রী। গতকাল সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম মো. তোফায়েল মিয়া (২৭)। তিনি মাদারীপুরের দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভাঙ্গাগামী বসুমতি পরিবহনের একটি বাস পদ্মা সেতুর ওপর পৌঁছালে পেছন থেকে ঢাকা-কুয়াকাটাগামী পদ্মা স্পেশাল পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে বসুমতি পরিবহনের হেলপার মো. তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় বসুমতি পরিবহনের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে, দুর্ঘটনার পর পদ্মা সেতুতে সাময়িক যান চলাচল ব্যাহত হলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির আহমেদ বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের কাছে ভাঙ্গাগামী বসুমতী পরিবহনের একটি বাস চলমান আরেকটি বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়।
এতে বসুমতী পরিবহনের হেলপার তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।’
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর বাস দুটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এসআই কবির।
পদ্মা সেতুতে দুই যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে এক হেলপার নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে অন্তত ১৫ জন যাত্রী। গতকাল সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জাজিরা প্রান্তে পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত হেলপারের নাম মো. তোফায়েল মিয়া (২৭)। তিনি মাদারীপুরের দক্ষিণপাড়া এলাকার মৃত সেলিম মিয়ার ছেলে।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভাঙ্গাগামী বসুমতি পরিবহনের একটি বাস পদ্মা সেতুর ওপর পৌঁছালে পেছন থেকে ঢাকা-কুয়াকাটাগামী পদ্মা স্পেশাল পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দেয়। এতে বসুমতি পরিবহনের হেলপার মো. তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় বসুমতি পরিবহনের অন্তত ১৫ জন যাত্রী আহত হন।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে, দুর্ঘটনার পর পদ্মা সেতুতে সাময়িক যান চলাচল ব্যাহত হলেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর তৎপরতায় দ্রুত স্বাভাবিক করা হয়। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি জব্দ করেছে পুলিশ।
এ ব্যাপারে পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির আহমেদ বলেন, ‘পদ্মা সেতুর ২৯ নম্বর পিলারের কাছে ভাঙ্গাগামী বসুমতী পরিবহনের একটি বাস চলমান আরেকটি বাসের পেছনে ধাক্কা দেয়।
এতে বসুমতী পরিবহনের হেলপার তোফায়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য তা শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।’
আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আর বাস দুটি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান এসআই কবির।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.