
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫৭

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি শহীদ প্যাদাসহ (৪৯) তার আটজন সহযোগিকে আটক করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে শহীদ প্যাদাকে তার নিজ বাসভবন থেকে এবং তার সহযোগিদের শহীদ প্যাদার মাছের ঘের এলাকা থেকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃতরা ওই এলাকায় মাদক সেবনে লিপ্ত ছিল। শহীদ প্যাদা ও তার সহযোগিরা দীর্ঘদিন থেকে এলাকাবাসীর ওপর জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, জমি দখল, অর্থ আত্মসাত, অবৈধভাবে বালুমহল দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলো।
অভিযান চলাকালে আটককৃতদের কাছ থেকে ইয়াবা, গাঁজা, মাদক সেবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম, বিপুল পরিমান অবৈধ সিগারেট ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পরবর্তীতে আটককৃত শীর্ষ সন্ত্রাসী শহীদ প্যাদা তার সহযোগি শামীম শেখ, শামীম মৃধা, সিরাজুল ইসলাম, শাওন শেখ, ফারুক শেখ, ওয়াশিম বেপারী, মামুন খান ও সুলতানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৬ পদাতিক ব্রিগেডের ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি বিশেষ দল এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানিক দল সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সমাজ থেকে অপরাধনির্মূলে সেনাবাহিনী সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
শীর্ষ সন্ত্রাসী শহীদ প্যাদা ও তার সহযোগিদের আটক করায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আটক শহীদ প্যাদা বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি। সে সুবাধে সে (শহীদ) বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকায় সন্ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করেন।
শহীদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। তারা (সন্ত্রাসী) বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপনের গরুর ফার্ম থেকে প্রকাশ্যে গরু লুট ও গত দুইদিন থেকে তার (স্বপন) মাছের ঘের থেকে প্রকাশ্যে কয়েক লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়েছে। এছাড়া ওইসব সন্ত্রাসীরা এলাকায় মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি শহীদ প্যাদাসহ (৪৯) তার আটজন সহযোগিকে আটক করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে শহীদ প্যাদাকে তার নিজ বাসভবন থেকে এবং তার সহযোগিদের শহীদ প্যাদার মাছের ঘের এলাকা থেকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃতরা ওই এলাকায় মাদক সেবনে লিপ্ত ছিল। শহীদ প্যাদা ও তার সহযোগিরা দীর্ঘদিন থেকে এলাকাবাসীর ওপর জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, জমি দখল, অর্থ আত্মসাত, অবৈধভাবে বালুমহল দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলো।
অভিযান চলাকালে আটককৃতদের কাছ থেকে ইয়াবা, গাঁজা, মাদক সেবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম, বিপুল পরিমান অবৈধ সিগারেট ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পরবর্তীতে আটককৃত শীর্ষ সন্ত্রাসী শহীদ প্যাদা তার সহযোগি শামীম শেখ, শামীম মৃধা, সিরাজুল ইসলাম, শাওন শেখ, ফারুক শেখ, ওয়াশিম বেপারী, মামুন খান ও সুলতানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৬ পদাতিক ব্রিগেডের ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি বিশেষ দল এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানিক দল সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সমাজ থেকে অপরাধনির্মূলে সেনাবাহিনী সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
শীর্ষ সন্ত্রাসী শহীদ প্যাদা ও তার সহযোগিদের আটক করায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আটক শহীদ প্যাদা বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি। সে সুবাধে সে (শহীদ) বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকায় সন্ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করেন।
শহীদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। তারা (সন্ত্রাসী) বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপনের গরুর ফার্ম থেকে প্রকাশ্যে গরু লুট ও গত দুইদিন থেকে তার (স্বপন) মাছের ঘের থেকে প্রকাশ্যে কয়েক লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়েছে। এছাড়া ওইসব সন্ত্রাসীরা এলাকায় মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছে।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নামের এক বিএনপি কর্মী খুন হয়েছেন। স্থানীয় বৌসেরহাট বাজারের অদূরে বুধবার রাতে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি রাতেই উদ্ধার করে।
ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মী দেলোয়ার হোসেনের সাথে আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীর বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে।
পুলিশ জানায়, দেলোয়ার চৌধুরী বৌসেরহাট বাজারে ইজারা উত্তোলনের কাজ করেন। তারাবির নামাজ চলাকালে তিনি বাইসাইকেলযোগে বাসার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তখন পথিমধ্যে বাদামতলা নামক এলকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।
এই খুনের ঘটনায় নিহতের স্বজনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীকে দায়ী করেছেন।
রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ জানান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর সাথে চাচাতো ভাইয়ের সন্তান আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধীয় জেরে নৃশংস খুনের শিকার হলেন বিএনপি কর্মী।
তবে এই হত্যাকান্ডে কারা জড়িত পুলিশ তাৎক্ষণিক কিছু বলতে পারছে না।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লক্ষ্য করা গেছে। অনুমান, কুপিয়ে হত্যার পরে বিএনপি কর্মীর লাশটি রাস্তার পাশে হাটুসমান জলে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রাত ১টার দিকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এর আগে RAB-CIDসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন।
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নামের এক বিএনপি কর্মী খুন হয়েছেন। স্থানীয় বৌসেরহাট বাজারের অদূরে বুধবার রাতে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি রাতেই উদ্ধার করে।
ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মী দেলোয়ার হোসেনের সাথে আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীর বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে।
পুলিশ জানায়, দেলোয়ার চৌধুরী বৌসেরহাট বাজারে ইজারা উত্তোলনের কাজ করেন। তারাবির নামাজ চলাকালে তিনি বাইসাইকেলযোগে বাসার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তখন পথিমধ্যে বাদামতলা নামক এলকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।
এই খুনের ঘটনায় নিহতের স্বজনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীকে দায়ী করেছেন।
রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ জানান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর সাথে চাচাতো ভাইয়ের সন্তান আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধীয় জেরে নৃশংস খুনের শিকার হলেন বিএনপি কর্মী।
তবে এই হত্যাকান্ডে কারা জড়িত পুলিশ তাৎক্ষণিক কিছু বলতে পারছে না।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লক্ষ্য করা গেছে। অনুমান, কুপিয়ে হত্যার পরে বিএনপি কর্মীর লাশটি রাস্তার পাশে হাটুসমান জলে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রাত ১টার দিকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এর আগে RAB-CIDসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৮
বাংলাদেশে ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন নতুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে শপথ নেয়। নতুন এই মন্ত্রিসভার সদস্য বরিশাল ১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের এমপি জহির উদ্দিন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
আজ বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে আসেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।তিনি বলেন, তিনি নিজেও জানেন, ভয়ভীতির মধ্যে যাঁরা বাস করেন, তাঁদের কী ধরনের মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। বিশেষ করে গণমাধ্যমের মতো এ রকম পেশায় যাঁরা কাজ করেন। তাঁদের যদি সারাক্ষণ নজরদারির মধ্যে থাকতে হয়।
জহির উদ্দিন আরও বলেন, ‘সমস্যা যেহেতু আমরা জানি, প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) যেহেতু তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিকল্পনা দিয়েছেন, তাহলে আমরা বাংলাদেশে একটা ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করব, ইনশা আল্লাহ।’
বাংলাদেশে ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন নতুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে শপথ নেয়। নতুন এই মন্ত্রিসভার সদস্য বরিশাল ১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের এমপি জহির উদ্দিন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
আজ বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে আসেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।তিনি বলেন, তিনি নিজেও জানেন, ভয়ভীতির মধ্যে যাঁরা বাস করেন, তাঁদের কী ধরনের মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। বিশেষ করে গণমাধ্যমের মতো এ রকম পেশায় যাঁরা কাজ করেন। তাঁদের যদি সারাক্ষণ নজরদারির মধ্যে থাকতে হয়।
জহির উদ্দিন আরও বলেন, ‘সমস্যা যেহেতু আমরা জানি, প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) যেহেতু তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিকল্পনা দিয়েছেন, তাহলে আমরা বাংলাদেশে একটা ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করব, ইনশা আল্লাহ।’

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪২
গ্রেপ্তারের প্রায় ৯ মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেওয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দুজনকে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন—মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।
এর আগে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে বরিশালের ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।
গ্রেপ্তারের প্রায় ৯ মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেওয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দুজনকে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন—মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।
এর আগে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে বরিশালের ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।