
১৭ মে, ২০২৬ ১২:৫৬
বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানায় ঢুকে সাইবার আইনের মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামিকে মারধর, ডিম নিক্ষেপ এবং অশালীন ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগ উঠেছে যুব ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
একই সঙ্গে থানার হাজতখানায় প্রবেশ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগও পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। শনিবার (১৬ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং তা ভাইরাল হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সাদা একটি মাইক্রোবাস থানায় প্রবেশ করছিল। পরে থানা কম্পাউন্ডের প্রধান গেট দিয়ে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে কতিপয় লোক স্লোগান দিয়ে প্রবেশ করে।
পুলিশ আসামিকে মাইক্রোবাস থেকে নামানোর সময় তাকে কিল, ঘুসি ও লাথি মারতে দেখা যায়। পুলিশ আসামিকে নিয়ে দৌড়ে থানা ভবনের মধ্যে প্রবেশ করে সামনের গেট আটকে দেয়। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, থানা হাজতে থাকা ওই আসামিকে উদ্দেশ্যে করে কয়েকজন গালাগালি করছেন। এই দৃশ্য ভিডিও করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ওই আসামি হলেন- বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের হযরত আলীর ছেলে লায়ন নিলয় পারভেজ। বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফারুক মৃধার করা সাইবার আইনের মামলার আসামি তিনি।
বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খানকে কটূক্তি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বাকেরগঞ্জ পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রোমান বলেন, আসামি বিভিন্নভাবে প্রতারণা করে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতারিত সাধারণ মানুষ এসে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে যুব ও ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী সেখানে ছিলেন না বলে দাবি করেন তিনি।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশে করা মামলায় শনিবার দুপুরে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে লায়ন নিলয় পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাত আটটার দিকে তাকে থানায় আনা হয়। এ সময় কিছু উত্তেজিত লোক তাকে লাঞ্ছিত ও হামলার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আসামিকে হেফাজতে নেয়।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ থানায় ঢুকে সাইবার আইনের মামলায় গ্রেপ্তার এক আসামিকে মারধর, ডিম নিক্ষেপ এবং অশালীন ভাষায় গালাগাল করার অভিযোগ উঠেছে যুব ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
একই সঙ্গে থানার হাজতখানায় প্রবেশ করে ভিডিও ধারণের অভিযোগও পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। শনিবার (১৬ মে) রাতে এ ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং তা ভাইরাল হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সাদা একটি মাইক্রোবাস থানায় প্রবেশ করছিল। পরে থানা কম্পাউন্ডের প্রধান গেট দিয়ে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে কতিপয় লোক স্লোগান দিয়ে প্রবেশ করে।
পুলিশ আসামিকে মাইক্রোবাস থেকে নামানোর সময় তাকে কিল, ঘুসি ও লাথি মারতে দেখা যায়। পুলিশ আসামিকে নিয়ে দৌড়ে থানা ভবনের মধ্যে প্রবেশ করে সামনের গেট আটকে দেয়। আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, থানা হাজতে থাকা ওই আসামিকে উদ্দেশ্যে করে কয়েকজন গালাগালি করছেন। এই দৃশ্য ভিডিও করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তার হওয়া ওই আসামি হলেন- বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের হযরত আলীর ছেলে লায়ন নিলয় পারভেজ। বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ফারুক মৃধার করা সাইবার আইনের মামলার আসামি তিনি।
বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হোসেন খানকে কটূক্তি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বাকেরগঞ্জ পৌর যুবদলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রোমান বলেন, আসামি বিভিন্নভাবে প্রতারণা করে মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। প্রতারিত সাধারণ মানুষ এসে তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তবে যুব ও ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মী সেখানে ছিলেন না বলে দাবি করেন তিনি।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশে করা মামলায় শনিবার দুপুরে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে লায়ন নিলয় পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাত আটটার দিকে তাকে থানায় আনা হয়। এ সময় কিছু উত্তেজিত লোক তাকে লাঞ্ছিত ও হামলার চেষ্টা করে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে আসামিকে হেফাজতে নেয়।

১৭ মে, ২০২৬ ২০:৩৪
দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের উপপরিচালক সেলিনা বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রবিবার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ মে আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের দেওয়া সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ এর অনুচ্ছেদ ২(খ)(আ) অনুযায়ী দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তদন্তের স্বার্থে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) মোতাবেক তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন বলেও অফিস আদেশে জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ মে আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে ম্যাচ ছিল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দলের।
মাঠে উপস্থিত থাকলেও শেষ পর্যন্ত খেলায় অংশ নিতে পারেনি ববি দল। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অসহযোগিতা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণেই দলটি ম্যাচে অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হয়।
পরে চট্টগ্রাম থেকে ক্যাম্পাসে ফিরে গত ১৪ মে খেলোয়াড় ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। একই সঙ্গে তাকে ছয় ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্তের দাবি জানিয়ে আলটিমেটামও দেন তারা।
শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বরিশাল টাইমস

১৭ মে, ২০২৬ ২০:১১

১৭ মে, ২০২৬ ১৬:৫০
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দফতরের উপপরিচালক সেলিনা বেগমকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো: হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। অফিস আদেশে বলা হয়, গত ১৪ মে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের দেয়া সুনির্দিষ্ট অভিযোগপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ এর অনুচ্ছেদ ২ (খ) এর (আ) মোতাবেক দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্তের লক্ষ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪-এর (৬) মোতাবেক সেলিনা বেগমকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তবে সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরাকীভাতা প্রাপ্য হবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ এপ্রিল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিপক্ষে ম্যাচ ছিল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের।
কিন্তু মাঠে উপস্থিত হয়েও শেষ পর্যন্ত খেলা থেকে বাদ পড়তে হয় ববি ফুটবল দলকে। অভিযোগ ওঠে, শারীরিক শিক্ষা দফতরের এই কর্মকর্তার অসহযোগিতা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে অংশগ্রহণ করতে পারেনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।
এরপর চট্টগ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে গত ১৪ মে ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলোয়াড় এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা শারীরিক শিক্ষা দফতরের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
একইসাথে তাকে আগামী ছয় ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্ত করার আলটিমেটাম ও জোর দাবি জানান তারা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখেই শেষ পর্যন্ত তদন্তের স্বার্থে এই ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের উপপরিচালক সেলিনা বেগমকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রবিবার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ মে আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের দেওয়া সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ এর অনুচ্ছেদ ২(খ)(আ) অনুযায়ী দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তদন্তের স্বার্থে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪(৬) মোতাবেক তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা প্রাপ্য হবেন বলেও অফিস আদেশে জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ মে আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে ম্যাচ ছিল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দলের।
মাঠে উপস্থিত থাকলেও শেষ পর্যন্ত খেলায় অংশ নিতে পারেনি ববি দল। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অসহযোগিতা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণেই দলটি ম্যাচে অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হয়।
পরে চট্টগ্রাম থেকে ক্যাম্পাসে ফিরে গত ১৪ মে খেলোয়াড় ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। একই সঙ্গে তাকে ছয় ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্তের দাবি জানিয়ে আলটিমেটামও দেন তারা।
শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মুলাদীতে পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আল আমিন হাওলাদার (২৩) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আল আমিন হাওলাদার ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিয়াতলী গ্রামের হানিফ হাওলাদারের ছেলে। এ ঘটনায় নোমান পন্ডিত, আজিজুল সরদার ও শাহাবুদ্দিন ঘরামীকে আটক করেছে পুলিশ।
মুলাদী থানার ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্বজনদের দাবি, উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের সালাম পন্ডিতের ছেলে নোমান পন্ডিত (৩৫), দক্ষিণ বালিয়াতলী গ্রামের আক্তার ওরফে নান্নু সরদারের ছেলে আজিজুল সরদার (২৭), লক্ষ্মীপুর গ্রামের হানিফ আকনের ছেলে কাওসার আকন (৪৫) ও আলী ঘরামীর ছেলে শাহাবুদ্দিন ঘরামীসহ ৪-৫ জন মিলে আল আমিন হাওলাদারকে হত্যা করেছে।
মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
নিহতের ভাই আসিফ হাওলাদার জানান, রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে নোমান পন্ডিত ও আজিজুল সরদার তাদের বাড়িতে যান। তারা দুজন আল আমিনকে পাওনা টাকা দেবেন বলে বাড়ির বাইরে ডেকে নেন। পরে তারা আল আমিনকে মোটরসাইকেলে করে নোমান পন্ডিতের বাড়ি নিয়ে যান। সেখানে নোমান পন্ডিত, আজিজুল সরদার, কাওসার আকন, শাহাবুদ্দিন ঘরামীসহ কয়েকজন আল আমিনকে মারধর ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন। পরে মৃত ভেবে তারা আল আমিনকে পার্শ্ববর্তী বিলের মধ্যে ফেলে দেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি আসিফকে মোবাইলে জানান। পরবর্তীতে তিনি লোকজন নিয়ে নোমান পন্ডিতের বাড়ির পাশ থেকে তার ভাইকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক মো. কামরুল হাসান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, তার ভাই এলাকায় ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। প্রায় ১৫-২০ দিন আগে তিনি একটি মাদক মামলায় জামিনে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে ফেরেন। আল আমিন বিভিন্ন সময়ে নোমান পণ্ডিত, আজিজুল সরদার, কাওসার আকন, শান্ত হাওলাদারসহ কয়েকজনকে ১০ লাখ টাকা ধার দিয়েছিলেন। কারাগার থেকে ফিরে তার টাকার প্রয়োজন হওয়ায় তিনি নোমানসহ অন্যদের কাছে টাকা ফেরত চান। পরে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তারা আল আমিনকে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের মা ডালিয়া বেগম বাদী হয়ে মুলাদী থানায় মামলা করবেন বলে জানান তিনি।
অপরদিকে নিহত আল আমিনকে উদ্ধারের সময় তার স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে নোমান পন্ডিত ও আজিজুল সরদারকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। পরে সফিপুর ফাড়ি পুলিশ ওই এলাকা থেকে শাহাবুদ্দিন ঘরামীকেও আটক করেন। শাহাবুদ্দিন ঘরামীর বিরুদ্ধে মাদকসহ প্রায় অর্ধশত মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, যুবককে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত অন্যান্যদের আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের মুলাদীতে পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আল আমিন হাওলাদার (২৩) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
রোববার (১৭ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াতলী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আল আমিন হাওলাদার ওই ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিয়াতলী গ্রামের হানিফ হাওলাদারের ছেলে। এ ঘটনায় নোমান পন্ডিত, আজিজুল সরদার ও শাহাবুদ্দিন ঘরামীকে আটক করেছে পুলিশ।
মুলাদী থানার ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্বজনদের দাবি, উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের সালাম পন্ডিতের ছেলে নোমান পন্ডিত (৩৫), দক্ষিণ বালিয়াতলী গ্রামের আক্তার ওরফে নান্নু সরদারের ছেলে আজিজুল সরদার (২৭), লক্ষ্মীপুর গ্রামের হানিফ আকনের ছেলে কাওসার আকন (৪৫) ও আলী ঘরামীর ছেলে শাহাবুদ্দিন ঘরামীসহ ৪-৫ জন মিলে আল আমিন হাওলাদারকে হত্যা করেছে।
মাদক ব্যবসা নিয়ে বিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
নিহতের ভাই আসিফ হাওলাদার জানান, রোববার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে নোমান পন্ডিত ও আজিজুল সরদার তাদের বাড়িতে যান। তারা দুজন আল আমিনকে পাওনা টাকা দেবেন বলে বাড়ির বাইরে ডেকে নেন। পরে তারা আল আমিনকে মোটরসাইকেলে করে নোমান পন্ডিতের বাড়ি নিয়ে যান। সেখানে নোমান পন্ডিত, আজিজুল সরদার, কাওসার আকন, শাহাবুদ্দিন ঘরামীসহ কয়েকজন আল আমিনকে মারধর ও ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আহত করেন। পরে মৃত ভেবে তারা আল আমিনকে পার্শ্ববর্তী বিলের মধ্যে ফেলে দেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি আসিফকে মোবাইলে জানান। পরবর্তীতে তিনি লোকজন নিয়ে নোমান পন্ডিতের বাড়ির পাশ থেকে তার ভাইকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক মো. কামরুল হাসান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, তার ভাই এলাকায় ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। প্রায় ১৫-২০ দিন আগে তিনি একটি মাদক মামলায় জামিনে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে ফেরেন। আল আমিন বিভিন্ন সময়ে নোমান পণ্ডিত, আজিজুল সরদার, কাওসার আকন, শান্ত হাওলাদারসহ কয়েকজনকে ১০ লাখ টাকা ধার দিয়েছিলেন। কারাগার থেকে ফিরে তার টাকার প্রয়োজন হওয়ায় তিনি নোমানসহ অন্যদের কাছে টাকা ফেরত চান। পরে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে তারা আল আমিনকে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের মা ডালিয়া বেগম বাদী হয়ে মুলাদী থানায় মামলা করবেন বলে জানান তিনি।
অপরদিকে নিহত আল আমিনকে উদ্ধারের সময় তার স্বজন ও স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে নোমান পন্ডিত ও আজিজুল সরদারকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। পরে সফিপুর ফাড়ি পুলিশ ওই এলাকা থেকে শাহাবুদ্দিন ঘরামীকেও আটক করেন। শাহাবুদ্দিন ঘরামীর বিরুদ্ধে মাদকসহ প্রায় অর্ধশত মামলা রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, যুবককে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। অভিযুক্ত অন্যান্যদের আটকে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দফতরের উপপরিচালক সেলিনা বেগমকে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
রোববার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো: হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। অফিস আদেশে বলা হয়, গত ১৪ মে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের দেয়া সুনির্দিষ্ট অভিযোগপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ এর অনুচ্ছেদ ২ (খ) এর (আ) মোতাবেক দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্তের লক্ষ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইনের ধারা ৪৪-এর (৬) মোতাবেক সেলিনা বেগমকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তবে সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক খোরাকীভাতা প্রাপ্য হবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ১৩ এপ্রিল আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিপক্ষে ম্যাচ ছিল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের।
কিন্তু মাঠে উপস্থিত হয়েও শেষ পর্যন্ত খেলা থেকে বাদ পড়তে হয় ববি ফুটবল দলকে। অভিযোগ ওঠে, শারীরিক শিক্ষা দফতরের এই কর্মকর্তার অসহযোগিতা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপক্ষে অংশগ্রহণ করতে পারেনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।
এরপর চট্টগ্রাম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে গত ১৪ মে ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলোয়াড় এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা শারীরিক শিক্ষা দফতরের এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেন।
একইসাথে তাকে আগামী ছয় ঘণ্টার মধ্যে বরখাস্ত করার আলটিমেটাম ও জোর দাবি জানান তারা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখেই শেষ পর্যন্ত তদন্তের স্বার্থে এই ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।