
২২ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪১
২০২৬ সালটা বিশ্বকাপের বছর। তবে বিশ্বকাপের আগে নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিয়েছে ফিফা। এর নাম ‘ফিফা সিরিজ’। আগামী বছর মার্চ ও এপ্রিল মাসের উইন্ডোয় এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াবে বলে জানিয়েছে ফিফা।
এই টুর্নামেন্টে আন্তর্জাতিক বিরতির সময় বিভিন্ন মহাদেশের জাতীয় দল একে অন্যের বিপক্ষে খেলবে। এই সিরিজের উদ্দেশ্য দলগুলোকে নতুন অভিজ্ঞতা দেওয়া এবং মহাদেশের বাইরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ তৈরি করা। ২০২৪ সালের পাইলট প্রোগ্রাম সফল হওয়ার পর এবার প্রথমবার বড় পরিসরে এই আয়োজন হচ্ছে।
ফিফা জানায়, এবার আরও বেশি আয়োজক দেশ এবং আরও বেশি দল অংশ নেবে। প্রথমবার নারীদের জন্যও আলাদা সংস্করণ থাকবে। এই বড় ফরম্যাটের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ফুটবলে সমতা আনা এবং খেলার মান বাড়ানো। ২০২৩ থেকে ২০২৭ সালের যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সেই পরিকল্পনার মধ্যেই রয়েছে এই উদ্যোগ।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, ‘ফিফা সিরিজ খেলোয়াড়, কোচ এবং সমর্থকদের উন্নতির সুযোগ করে দেবে। এই আয়োজন ফুটবলের সর্বজনীনতা এবং বৈচিত্র্যকে সামনে আনবে। ২০২৬ সালের সিরিজ পুরুষ ও নারী—দুই পর্যায়ের ফুটবলেরই উন্নতি আরও বাড়াবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশগুলোকে যুক্ত করা আমাদের লক্ষ্য। স্থানীয় দল ও সমর্থকদের বিশ্বমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত করাই এই সিরিজের উদ্দেশ্য।’
ফিফা সিরিজ ২০২৬ এর আয়োজন করবে অস্ট্রেলিয়া, আজারবাইজান, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, মরিশাস, পুয়ের্তো রিকো, রুয়ান্ডা এবং উজবেকিস্তান। আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নারীদের সিরিজ শুরু হবে ব্রাজিল, কোট দি আইভরি এবং থাইল্যান্ডে।
প্রতিটি গ্রুপে বিভিন্ন মহাদেশের দল একসঙ্গে খেলবে। ম্যাচগুলো হবে প্রীতি ম্যাচের মতো। এতে দলগুলো নতুন খেলার ধরণ, নতুন কৌশল এবং নতুন প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা পাবে।
মাঠের বাইরে এই সিরিজ বিভিন্ন দেশকে আরও সুযোগ দেবে। নতুন বাজারে তাদের ফুটবল পরিচিতি বাড়বে। ফুটবল সংস্কৃতি বিনিময় হবে। এক দেশের দল আরেক দেশের খেলার ধরন থেকে শিখবে। মূলত এই উদ্দেশ্য নিয়েই টুর্নামেন্টটি আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে ফিফা।
২০২৬ সালটা বিশ্বকাপের বছর। তবে বিশ্বকাপের আগে নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিয়েছে ফিফা। এর নাম ‘ফিফা সিরিজ’। আগামী বছর মার্চ ও এপ্রিল মাসের উইন্ডোয় এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়াবে বলে জানিয়েছে ফিফা।
এই টুর্নামেন্টে আন্তর্জাতিক বিরতির সময় বিভিন্ন মহাদেশের জাতীয় দল একে অন্যের বিপক্ষে খেলবে। এই সিরিজের উদ্দেশ্য দলগুলোকে নতুন অভিজ্ঞতা দেওয়া এবং মহাদেশের বাইরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ তৈরি করা। ২০২৪ সালের পাইলট প্রোগ্রাম সফল হওয়ার পর এবার প্রথমবার বড় পরিসরে এই আয়োজন হচ্ছে।
ফিফা জানায়, এবার আরও বেশি আয়োজক দেশ এবং আরও বেশি দল অংশ নেবে। প্রথমবার নারীদের জন্যও আলাদা সংস্করণ থাকবে। এই বড় ফরম্যাটের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ফুটবলে সমতা আনা এবং খেলার মান বাড়ানো। ২০২৩ থেকে ২০২৭ সালের যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, সেই পরিকল্পনার মধ্যেই রয়েছে এই উদ্যোগ।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, ‘ফিফা সিরিজ খেলোয়াড়, কোচ এবং সমর্থকদের উন্নতির সুযোগ করে দেবে। এই আয়োজন ফুটবলের সর্বজনীনতা এবং বৈচিত্র্যকে সামনে আনবে। ২০২৬ সালের সিরিজ পুরুষ ও নারী—দুই পর্যায়ের ফুটবলেরই উন্নতি আরও বাড়াবে।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেশগুলোকে যুক্ত করা আমাদের লক্ষ্য। স্থানীয় দল ও সমর্থকদের বিশ্বমঞ্চের সঙ্গে যুক্ত করাই এই সিরিজের উদ্দেশ্য।’
ফিফা সিরিজ ২০২৬ এর আয়োজন করবে অস্ট্রেলিয়া, আজারবাইজান, ইন্দোনেশিয়া, কাজাখস্তান, মরিশাস, পুয়ের্তো রিকো, রুয়ান্ডা এবং উজবেকিস্তান। আরও কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। নারীদের সিরিজ শুরু হবে ব্রাজিল, কোট দি আইভরি এবং থাইল্যান্ডে।
প্রতিটি গ্রুপে বিভিন্ন মহাদেশের দল একসঙ্গে খেলবে। ম্যাচগুলো হবে প্রীতি ম্যাচের মতো। এতে দলগুলো নতুন খেলার ধরণ, নতুন কৌশল এবং নতুন প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা পাবে।
মাঠের বাইরে এই সিরিজ বিভিন্ন দেশকে আরও সুযোগ দেবে। নতুন বাজারে তাদের ফুটবল পরিচিতি বাড়বে। ফুটবল সংস্কৃতি বিনিময় হবে। এক দেশের দল আরেক দেশের খেলার ধরন থেকে শিখবে। মূলত এই উদ্দেশ্য নিয়েই টুর্নামেন্টটি আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে ফিফা।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১১
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এবারের আসরের প্রধান আয়োজক ভারত, সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। তবে ভারতে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে নিপা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার একাধিক দেশ ভারতফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং চালু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে পুনরায় কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা চালুর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতে নিপা ভাইরাসের বিস্তার নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। জিও সুপার, ট্যাপম্যাড, হেলথ মাস্টার, খাইবার নিউজসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
নিপা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং প্রাণঘাতী। সাধারণত কাঁচা খেজুরের রস পানসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এটি মানবদেহে সংক্রমিত হয়। একবার মানবদেহে প্রবেশ করলে দ্রুত অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা কার্যকর টিকা এখনো নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিপা ভাইরাসকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও মহামারি সৃষ্টির সম্ভাবনাসম্পন্ন ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সিজিটিএনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ইতোমধ্যে চিকিৎসাকর্মীসহ অন্তত পাঁচজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। জনবহুল দেশ হওয়ায় সবার কার্যকর স্ক্রিনিং করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত। যারা সুস্থ হন, তাদের অনেকের মধ্যেও পরবর্তীতে স্নায়ুবিক জটিলতা দেখা যায়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এবারের আসরের প্রধান আয়োজক ভারত, সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। তবে ভারতে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে নিপা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার একাধিক দেশ ভারতফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং চালু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে পুনরায় কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা চালুর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতে নিপা ভাইরাসের বিস্তার নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। জিও সুপার, ট্যাপম্যাড, হেলথ মাস্টার, খাইবার নিউজসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
নিপা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং প্রাণঘাতী। সাধারণত কাঁচা খেজুরের রস পানসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এটি মানবদেহে সংক্রমিত হয়। একবার মানবদেহে প্রবেশ করলে দ্রুত অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা কার্যকর টিকা এখনো নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিপা ভাইরাসকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও মহামারি সৃষ্টির সম্ভাবনাসম্পন্ন ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সিজিটিএনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ইতোমধ্যে চিকিৎসাকর্মীসহ অন্তত পাঁচজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। জনবহুল দেশ হওয়ায় সবার কার্যকর স্ক্রিনিং করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত। যারা সুস্থ হন, তাদের অনেকের মধ্যেও পরবর্তীতে স্নায়ুবিক জটিলতা দেখা যায়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
দক্ষিণ এশিয়ার নতুন টুর্নামেন্ট সাফ ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছে বাংলাদেশ নারী দল। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে সাবিনা-কৃষ্ণারা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে।
ব্যাংকক থেকে ফুটসাল দলের ম্যানেজার ইমরানুর রহমান জানিয়েছেন, ছেলেদের দল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় ঢাকায় পৌঁছাবে এবং দুইদিন পর একই সময় ঢাকায় পৌঁছাবে মেয়েদের দল।
প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই অংশ নেয়। ছেলেরা ৭ দেশের মধ্যে পঞ্চম হয়েছে। ৬ ম্যাচের দুটি জিতে ও একটি ড্র করে ৭ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
নারী বিভাগে সাবিনারা ৬ ম্যাচের পাঁচটি জিতেছে এবং একটি ড্র করে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নারী ফুটবলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার পরপর দুইবারের চ্যাম্পিয়ন। এবার নারী ফুটসালেও দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছে বাংলাদেশ।
দক্ষিণ এশিয়ার নতুন টুর্নামেন্ট সাফ ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছে বাংলাদেশ নারী দল। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে সাবিনা-কৃষ্ণারা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে।
ব্যাংকক থেকে ফুটসাল দলের ম্যানেজার ইমরানুর রহমান জানিয়েছেন, ছেলেদের দল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় ঢাকায় পৌঁছাবে এবং দুইদিন পর একই সময় ঢাকায় পৌঁছাবে মেয়েদের দল।
প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই অংশ নেয়। ছেলেরা ৭ দেশের মধ্যে পঞ্চম হয়েছে। ৬ ম্যাচের দুটি জিতে ও একটি ড্র করে ৭ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
নারী বিভাগে সাবিনারা ৬ ম্যাচের পাঁচটি জিতেছে এবং একটি ড্র করে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নারী ফুটবলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার পরপর দুইবারের চ্যাম্পিয়ন। এবার নারী ফুটসালেও দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছে বাংলাদেশ।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.