
২৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:২১
ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ কর্মী তাইজুল ইসলাম তাজসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ১১টায় বরিশাল মহানগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা সড়ক থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। তবে গ্রেপ্তারের পর পরেরদিন আদালতে প্রেরণ করলে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
মামলার প্রধান আসামি মো. আরাফাত ইসলাম (২২), যিনি রূপাতলীর সোবহান খান গলির বাসিন্দা। মামলার দ্বিতীয় আসামী ছাত্রলীগ কর্মী তাইজুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাইজুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর আমতলা মোড় এলাকায় ২৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের দাবি, তারা ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন। মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদেরকে তাড়া করে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের থেকে মোটরসাইকেলের ট্যাংকির ভিতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা নীল কালারের পলির মধ্য লুকানো ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
মাদকদ্রব্যসহ গ্রেপ্তার ও মামলার বিষয়ে জানার জন্য, ছাত্রলীগ কর্মী তাইজুল ইসলাম তাজের মোবাইলে একাধিকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. ফিরোজ আলম বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা সড়ক এলাকা থেকে ইয়াবাসহ দু'জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ গত ২১ জুলাই রাতে। পরেরদিন তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।'
ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ কর্মী তাইজুল ইসলাম তাজসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাত ১১টায় বরিশাল মহানগরীর ২৪ নং ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা সড়ক থেকে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। তবে গ্রেপ্তারের পর পরেরদিন আদালতে প্রেরণ করলে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
মামলার প্রধান আসামি মো. আরাফাত ইসলাম (২২), যিনি রূপাতলীর সোবহান খান গলির বাসিন্দা। মামলার দ্বিতীয় আসামী ছাত্রলীগ কর্মী তাইজুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাইজুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন।
মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর আমতলা মোড় এলাকায় ২৪ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের দাবি, তারা ইয়াবা বিক্রির উদ্দেশে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন। মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযানের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদেরকে তাড়া করে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের থেকে মোটরসাইকেলের ট্যাংকির ভিতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা নীল কালারের পলির মধ্য লুকানো ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
মাদকদ্রব্যসহ গ্রেপ্তার ও মামলার বিষয়ে জানার জন্য, ছাত্রলীগ কর্মী তাইজুল ইসলাম তাজের মোবাইলে একাধিকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি মডেল থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. ফিরোজ আলম বলেন, 'গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তিযোদ্ধা সড়ক এলাকা থেকে ইয়াবাসহ দু'জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ গত ২১ জুলাই রাতে। পরেরদিন তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।'

২৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:২৫
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এবং গৈলা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শিলা ইসলাম (৩৫) গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাতে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে (শিলা মেম্বার) বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দুইটি কন্যা সন্তানের জননী মৃত শিলা ইসলাম গৈলা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যা ছিলেন।
তার স্বামী সেরাল গ্রামের শফিকুল ইসলাম মারুফ সেরনিয়াবাত একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। শিলা ইসলাম ছিলেন মারুফ সেরনিয়াবাতের দ্বিতীয় স্ত্রী।
মৃত শিলা ইসলামের বাবা সেরাল গ্রামের আব্দুস সালাম হাওলাদার জানিয়েছেন, কারনে অকারনে শিলার স্বামী মারুফ সেরনিয়াবাত প্রায়ই তার মেয়ে শিলাকে মারধর করতো। ঘটনারদিন শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে সেরাল গ্রামের ভাড়াটিয়া বাসায় বসে মারুফ তার মেয়ে শিলাকে অমানুষিক নির্যাতন করে।
তিনি আরও বলেন, নির্যাতন সইতে না পেরে ভাড়াটিয়া বাসার দরজা বন্ধ করে শিলা ইসলাম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙ্গে শিলা ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে ও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসলে রাতে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’
কার্যক্রম নিষিদ্ধ বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এবং গৈলা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শিলা ইসলাম (৩৫) গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দিবাগত রাতে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে (শিলা মেম্বার) বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
দুইটি কন্যা সন্তানের জননী মৃত শিলা ইসলাম গৈলা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্যা ছিলেন।
তার স্বামী সেরাল গ্রামের শফিকুল ইসলাম মারুফ সেরনিয়াবাত একই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। শিলা ইসলাম ছিলেন মারুফ সেরনিয়াবাতের দ্বিতীয় স্ত্রী।
মৃত শিলা ইসলামের বাবা সেরাল গ্রামের আব্দুস সালাম হাওলাদার জানিয়েছেন, কারনে অকারনে শিলার স্বামী মারুফ সেরনিয়াবাত প্রায়ই তার মেয়ে শিলাকে মারধর করতো। ঘটনারদিন শুক্রবার বিকেল তিনটার দিকে সেরাল গ্রামের ভাড়াটিয়া বাসায় বসে মারুফ তার মেয়ে শিলাকে অমানুষিক নির্যাতন করে।
তিনি আরও বলেন, নির্যাতন সইতে না পেরে ভাড়াটিয়া বাসার দরজা বন্ধ করে শিলা ইসলাম গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।
পরবর্তীতে প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙ্গে শিলা ইসলামকে উদ্ধার করে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে ও পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে আসলে রাতে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মো. আল মামুন উল ইসলাম জানিয়েছেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৫
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে জনগণ যাদের হাতে দেশের ক্ষমতা দিয়েছে, তারা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা প্রমাণ করেছে, তারা দেশের জনগণের পালস বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি বলেন, ভালো নেতা ও ভালো নীতি ছাড়া জাতির মুক্তি সম্ভব নয়। ভালো নেতা ও নীতির সমন্বয় না হলে দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের স্বপ্ন কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। দেশে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদক দূর করতে ইসলামের শ্রেষ্ঠ আদর্শের কোনো বিকল্প নেই।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, কালো বর্ণের মানুষের নাম ‘সাদা মিয়া’ রাখলে যেমন সে সাদা হয়ে যায় না, তেমনি ইসলামের নাম ব্যবহার করে অনৈতিকতা, উচ্ছৃঙ্খলতা ও ধোঁকাবাজি করলেই তা ইসলাম হয়ে যায় না। বরং ইসলামের নামে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলে ইসলামেরই কলঙ্ক হয়।
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ তালুকদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক নেসার উদ্দিন হুজাইফ যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঢাকা উত্তর যে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুর রহমান মুজাহিদ।
বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা হাম্মাদ বিন মোশাররফ, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গাজী আতাউর রহমান বলেন, সরকার দলীয় হুইপ মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু বলেছেন, এ দেশে চাঁদাবাজি নির্মূল করা যাবে না। এটা দুঃখজনক। তাহলে সরকারকে মানুষ ক্ষমতায় এনেছে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য। যদি তাতেই তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে সরকারের কাজটা কী?
তিনি বলেন, এই সরকার বলেছিল এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়ে কর্মসংস্থান সংকোচন করছে।
প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, একটি দল ইসলামের নাম দিয়ে যে কর্মকাণ্ড করছে তাতে ইসলামের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। আমরা তাদেরকে আহ্বান জানাই, সঠিক ইসলামের চর্চা করুন। ইসলামের নামে মনগড়া মতবাদের চর্চা বন্ধ করুন।
আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকর্মীরা প্রকৃত দেশপ্রেমিক জনশক্তি। জুলাইতে যুব আন্দোলন জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদকে রুখে দাঁড়িয়েছিল।
বর্তমানে দেশের পরিবেশ রক্ষায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করছে। এছাড়াও দেশের বেকার যুবকদেরকে বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্য জনশক্তি হিসেবে তৈরি করছে। আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান সহযোগী হবে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে জনগণ যাদের হাতে দেশের ক্ষমতা দিয়েছে, তারা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে না। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অনীহা প্রমাণ করেছে, তারা দেশের জনগণের পালস বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি বলেন, ভালো নেতা ও ভালো নীতি ছাড়া জাতির মুক্তি সম্ভব নয়। ভালো নেতা ও নীতির সমন্বয় না হলে দেশের উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের স্বপ্ন কোনোদিন বাস্তবায়ন হবে না। দেশে দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদক দূর করতে ইসলামের শ্রেষ্ঠ আদর্শের কোনো বিকল্প নেই।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, কালো বর্ণের মানুষের নাম ‘সাদা মিয়া’ রাখলে যেমন সে সাদা হয়ে যায় না, তেমনি ইসলামের নাম ব্যবহার করে অনৈতিকতা, উচ্ছৃঙ্খলতা ও ধোঁকাবাজি করলেই তা ইসলাম হয়ে যায় না। বরং ইসলামের নামে অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা হলে ইসলামেরই কলঙ্ক হয়।
ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা অলিউল্লাহ তালুকদারের সভাপতিত্বে সমাবেশে ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন ও দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক নেসার উদ্দিন হুজাইফ যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি, ঢাকা উত্তর যে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুর রহমান মুজাহিদ।
বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাওলানা হাম্মাদ বিন মোশাররফ, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গাজী আতাউর রহমান বলেন, সরকার দলীয় হুইপ মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু বলেছেন, এ দেশে চাঁদাবাজি নির্মূল করা যাবে না। এটা দুঃখজনক। তাহলে সরকারকে মানুষ ক্ষমতায় এনেছে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য। যদি তাতেই তারা ব্যর্থ হয়, তাহলে সরকারের কাজটা কী?
তিনি বলেন, এই সরকার বলেছিল এক কোটি বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন মিল-ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়ে কর্মসংস্থান সংকোচন করছে।
প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী বলেন, একটি দল ইসলামের নাম দিয়ে যে কর্মকাণ্ড করছে তাতে ইসলামের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। আমরা তাদেরকে আহ্বান জানাই, সঠিক ইসলামের চর্চা করুন। ইসলামের নামে মনগড়া মতবাদের চর্চা বন্ধ করুন।
আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকর্মীরা প্রকৃত দেশপ্রেমিক জনশক্তি। জুলাইতে যুব আন্দোলন জীবন দিয়ে ফ্যাসিবাদকে রুখে দাঁড়িয়েছিল।
বর্তমানে দেশের পরিবেশ রক্ষায় সারাদেশে বৃক্ষরোপণ ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করছে। এছাড়াও দেশের বেকার যুবকদেরকে বিভিন্ন কারিগরি ও প্রযুক্তি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যোগ্য জনশক্তি হিসেবে তৈরি করছে। আগামীর স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণের প্রধান সহযোগী হবে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ।

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৬
বরিশালের গৌরনদীতে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি গার্ডার সেতুর ছাদ ঢালাইয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধসে পড়েছে। ছাদে ঢালাইয়ের কাজ বুধবার সকালে শেষ হওয়ার পর বিকেলেই সেটি ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)কে না জানিয়ে তার অনুপস্থিতিতে ঢালাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।
তবে ঠিকাদারের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগেই বিষয়টি জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি।
ঘটনাটি উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের আহম্মেদকাঠী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুতে ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢালাইয়ের আগে নিয়ম অনুযায়ী পিআইওকে অবহিত করে তার উপস্থিতিতে কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তা না করেই ঢালাই দেওয়া হয়।
পরে সেতুর ছাদ ধসে পড়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে পুরো কাঠামো ভেঙে নতুন করে নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঠিকাদার আবুল খায়ের বলেন, মঙ্গলবার সকালে পিআইও ও একজন প্রকৌশলী কাজ পরিদর্শনে এসে বুধবার ঢালাইয়ের বিষয়টি জেনেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তারা কেউ উপস্থিত হননি।
তার দাবি, নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। টানা বৃষ্টিতে খালের পানি বেড়ে যাওয়ায় সেন্টারিংয়ে ব্যবহৃত বাঁশ ভেঙে পড়ায় সেতুর ছাদ ধসে যায়।
এতে তার ১২ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন প্রকল্পের আওতায় আহম্মেদকাঠী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণে ৩৯ লাখ টাকার টেন্ডার দেওয়া হয়।
কাজটি পায় বরিশালের ‘ডায়নামিক আইসিটি সপ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্পন্ন হয়নি।
পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে গৌরনদীর ঠিকাদার আবুল খায়ের কাজটি শুরু করেন।
চলতি বছরের জুনে সেতুর নির্মাণ শেষ করে হস্তান্তরের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও সেটিও নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) খোকন চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের বলেন, কাজে অনিয়ম করার উদ্দেশ্যেই হয়তো তাকে না জানিয়ে ঢালাই দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত সেতু নির্মাণকাজের বিপরীতে কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম বলেন, কয়েক দিন আগে পিআইও সেতুটি পরিদর্শন করে নির্মাণকাজে অনিয়মের বিষয় শনাক্ত করেছিলেন। তখন ঠিকাদারকে গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঢালাইয়ের আগে তাকে অবহিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, নির্দেশ উপেক্ষা করেই ঢালাই দেওয়া হয় এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেতুর ছাদ ধসে পড়ে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা মিললে তাকে কালো তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
একই সঙ্গে তদন্তে পিআইওর কোনো গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বরিশালের গৌরনদীতে ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন একটি গার্ডার সেতুর ছাদ ঢালাইয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ধসে পড়েছে। ছাদে ঢালাইয়ের কাজ বুধবার সকালে শেষ হওয়ার পর বিকেলেই সেটি ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)কে না জানিয়ে তার অনুপস্থিতিতে ঢালাই দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।
তবে ঠিকাদারের দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আগেই বিষয়টি জানানো হয়েছিল, কিন্তু তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি।
ঘটনাটি উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের আহম্মেদকাঠী খালের ওপর নির্মাণাধীন সেতুতে ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঢালাইয়ের আগে নিয়ম অনুযায়ী পিআইওকে অবহিত করে তার উপস্থিতিতে কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, তা না করেই ঢালাই দেওয়া হয়।
পরে সেতুর ছাদ ধসে পড়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে পুরো কাঠামো ভেঙে নতুন করে নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
ঠিকাদার আবুল খায়ের বলেন, মঙ্গলবার সকালে পিআইও ও একজন প্রকৌশলী কাজ পরিদর্শনে এসে বুধবার ঢালাইয়ের বিষয়টি জেনেছিলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে তারা কেউ উপস্থিত হননি।
তার দাবি, নির্মাণকাজে কোনো অনিয়ম হয়নি। টানা বৃষ্টিতে খালের পানি বেড়ে যাওয়ায় সেন্টারিংয়ে ব্যবহৃত বাঁশ ভেঙে পড়ায় সেতুর ছাদ ধসে যায়।
এতে তার ১২ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাস্তবায়ন প্রকল্পের আওতায় আহম্মেদকাঠী খালের ওপর সেতুটি নির্মাণে ৩৯ লাখ টাকার টেন্ডার দেওয়া হয়।
কাজটি পায় বরিশালের ‘ডায়নামিক আইসিটি সপ’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা সম্পন্ন হয়নি।
পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে গৌরনদীর ঠিকাদার আবুল খায়ের কাজটি শুরু করেন।
চলতি বছরের জুনে সেতুর নির্মাণ শেষ করে হস্তান্তরের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও সেটিও নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) খোকন চন্দ্র দাস সাংবাদিকদের বলেন, কাজে অনিয়ম করার উদ্দেশ্যেই হয়তো তাকে না জানিয়ে ঢালাই দেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, এখন পর্যন্ত সেতু নির্মাণকাজের বিপরীতে কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি।
গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইব্রাহীম বলেন, কয়েক দিন আগে পিআইও সেতুটি পরিদর্শন করে নির্মাণকাজে অনিয়মের বিষয় শনাক্ত করেছিলেন। তখন ঠিকাদারকে গুণগত মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি ঢালাইয়ের আগে তাকে অবহিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
তিনি দাবি করেন, নির্দেশ উপেক্ষা করেই ঢালাই দেওয়া হয় এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেতুর ছাদ ধসে পড়ে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ঠিকাদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা মিললে তাকে কালো তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
একই সঙ্গে তদন্তে পিআইওর কোনো গাফিলতি প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।