Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩০
মানুষ বাঁচতে চায়, নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অপমান, কটাক্ষ আর মানসিক যন্ত্রণার ভারে। তেমনই এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন বরিশালের এক তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে কাফনের কাপড় ও দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাশে রেখে বিষপান করেন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অসম্মতিতে ২০২৫ সালের মে মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের মাত্র চার মাস পর গোপনে তাকে তালাক দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর অভিযোগ, এর আগেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করান। সোমবার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলার শুনানি ছিল বরিশাল আদালতে। শুনানি শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় শ্বশুর ও দেবরের কটাক্ষ ও অশালীন মন্তব্যের শিকার হন তিনি। সেই অপমান ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে বাজার থেকে কাফনের কাপড় ও দাফনের সামগ্রী কিনে মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যান এবং সেখানে বিষপান করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, পার্কের একটি বেঞ্চে শুয়ে তরুণী কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পাশে একটি বিষের বোতল ও দাফনের সামগ্রী পড়ে ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানান, ওই তরুণী কীটনাশকজাতীয় বিষ পান করেছেন। হাসপাতালে আনার পর তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সামাজিক অবহেলা, পারিবারিক চাপ ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই এমন চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।
মানুষ বাঁচতে চায়, নতুন দিনের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কখনো কখনো সেই স্বপ্ন ভেঙে যায় অপমান, কটাক্ষ আর মানসিক যন্ত্রণার ভারে। তেমনই এক নির্মম বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নিজের জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে গিয়েছিলেন বরিশালের এক তরুণী।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্কে কাফনের কাপড় ও দাফনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাশে রেখে বিষপান করেন তিনি। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই তরুণীর সঙ্গে প্রকৌশলী সিদ্দিকুর রহমান সাগরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরিবারের অসম্মতিতে ২০২৫ সালের মে মাসে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে বিয়ের মাত্র চার মাস পর গোপনে তাকে তালাক দেয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
তরুণীর অভিযোগ, এর আগেই তিনি অন্তঃসত্ত্বা হলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জোরপূর্বক তার গর্ভপাত করান। সোমবার এই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি মামলার শুনানি ছিল বরিশাল আদালতে। শুনানি শেষে আদালত চত্বর থেকে বের হওয়ার সময় শ্বশুর ও দেবরের কটাক্ষ ও অশালীন মন্তব্যের শিকার হন তিনি। সেই অপমান ও মানসিক আঘাত সহ্য করতে না পেরে বাজার থেকে কাফনের কাপড় ও দাফনের সামগ্রী কিনে মুক্তিযোদ্ধা পার্কে যান এবং সেখানে বিষপান করেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বরিশাল জেলা পুলিশের সদস্য মো. জীবন জানান, পার্কের একটি বেঞ্চে শুয়ে তরুণী কাতরাচ্ছিলেন। শিশু-কিশোরদের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পান। পাশে একটি বিষের বোতল ও দাফনের সামগ্রী পড়ে ছিল। সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯ নম্বরে কল করা হলে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মেহেদী হাসান জানান, ওই তরুণী কীটনাশকজাতীয় বিষ পান করেছেন। হাসপাতালে আনার পর তার পাকস্থলী পরিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা এখনো সন্তোষজনক নয়।
এদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, সামাজিক অবহেলা, পারিবারিক চাপ ও মানসিক নির্যাতনের ফলেই এমন চরম সিদ্ধান্তের পথে হাঁটতে বাধ্য হচ্ছেন নারীরা।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫২
বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে ট্যুরিস্ট পুলিশে, পুলিশ সদরদপ্তরের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এবং ৫ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. হারুন অর রশিদকে রাজশাহীর সারদায় পদায়ন করা হয়েছে।
বরিশাল রেঞ্জের দায়িত্ব পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদবঞ্চিত ছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাকে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়। পরবর্তীতে গতবছরের গত ২৬ নভেম্বর তিনি পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হন। পরে তাকে পুলিশ সদরদপ্তরে পদায়ন করা হয়।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২৪
ময়মনসিংহে ভোররাতে ঘুমানোর পর না ওঠায় ১২ ঘণ্টা পর দরজা ভেঙে সোহান (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
সোহান নগরীর বেসরকারি একটি কলেজের দ্বিতীয বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেরার বাসিন্দা। সোহান নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসে থেকে লেখাপড়া করেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে আইএনবি২৪ ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এরপর ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে, সোমবার (২ মার্চ) বেলা ৩টার দিকে নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছাত্র মেসে শিক্ষার্থীরা দরজা ধাক্কাকে ধাক্কাতে সহপাঠীকে ডাকতে থাকে। কিন্তু তার কোনো সাড়া মেলেনি। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে বাসার দরজার সামনে ও নিচে ভিড় জমায়। স্থানীয়রা অনেক ডাকাডাকি করে। কিন্তু কিছুতেই তার সাড়া মিলছিল না। পরে স্থানীয় থানায় খবর দিলে পুলিশও ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাকাডাকি করে। তবে কোনো সাড়া না মেলায় ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওই শিক্ষার্থীকে ডেকে তোলে।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জুলহাস উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসে একটি ছেলে ভোররাতে ঘুমিয়ে পড়েন।
তার সহপাঠীরা না ঘুমিয়ে বাইরে চলে যায়। এমন সময় সোহান ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে সকালে সোহানের সহপাঠীরা এসে অনেক ডাকাডাকি করে। তবে, তার সাড়া মেলেনি।
বিষয়টি আশপাশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষজন ভিড় জমাতে থাকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে দরজা ভেঙে ১২ ঘণ্টা পর সোহানকে দরজা ভেঙে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ছেলেটি সারারাত না ঘুমিয়ে ভোররাতে ঘুমায়। যে কারণে অনেক ডাকাডাকি করলেও সে টের পায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেটি এখন সুস্থ আছে।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফাহাদ খান (৩০) সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।সোমবার (২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চরাদি ইউনিয়নের হলতা গ্রামের সরদার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ফাহাদ খান উপজেলার চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি এবং কামাল হোসেন খানের ছেলে।
গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।
হাসপাতালে নেওয়ার পথে ফাহাদ খান স্বজনদের মাধ্যমে ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাদের প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম হাওলাদারের ছেলে এবং চরাদি ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম রানা, মোশাররফ হোসেন (পান্নু) খানের ছেলে আরিফ খান, সুলতান খানের ছেলে কাজী রিয়াজসহ অজ্ঞাত ২-৩ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং কুপিয়ে জখম করে।
ভিডিও বার্তায় ফাহাদ দাবি করেন, হলতা বাজারের এক ডিস ব্যবসায়ীর কাছে ইউপি সদস্য রানাসহ কয়েকজন চাঁদা দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি প্রতিবাদ করেন এবং ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে থানায় যান। এর জের ধরেই তার ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইউপি সদস্য রানা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী এবং তার সঙ্গে বাকেরগঞ্জ থানার ওসির সুসম্পর্ক রয়েছে। হামলায় তার মৃত্যু হলে উল্লিখিত ব্যক্তিদের দায়ী করেন বলেও ভিডিওতে উল্লেখ করেন।
ফাহাদের বাবা কামাল হোসেন বলেন, গত সপ্তাহে ডিস ব্যবসায়ীর করা চাঁদাবাজির মামলায় আমার ছেলে বাদীর সঙ্গে থানায় গিয়েছিল। অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তারা আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। বাকেরগঞ্জ থানার ওসি কে এম সোহেল রানা বলেন, ডিস ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে গত সপ্তাহে একটি চাঁদাবাজি ও একটি অন্যান্য ধারায় দুটি মামলা হয়েছে।
সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।
বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলমকে ট্যুরিস্ট পুলিশে, পুলিশ সদরদপ্তরের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমানকে বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি এবং ৫ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. হারুন অর রশিদকে রাজশাহীর সারদায় পদায়ন করা হয়েছে।
বরিশাল রেঞ্জের দায়িত্ব পাওয়া মোস্তাফিজুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পদবঞ্চিত ছিলেন। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তাকে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়। পরবর্তীতে গতবছরের গত ২৬ নভেম্বর তিনি পদোন্নতি পেয়ে ডিআইজি হন। পরে তাকে পুলিশ সদরদপ্তরে পদায়ন করা হয়।
ময়মনসিংহে ভোররাতে ঘুমানোর পর না ওঠায় ১২ ঘণ্টা পর দরজা ভেঙে সোহান (১৯) নামে এক কলেজ ছাত্রকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এ ঘটনার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।
সোহান নগরীর বেসরকারি একটি কলেজের দ্বিতীয বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি উপজেরার বাসিন্দা। সোহান নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসে থেকে লেখাপড়া করেন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বেলা ১২টার দিকে আইএনবি২৪ ফেসবুক পেজ থেকে ভিডিওটি পোস্ট করা হয়। এরপর ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে, সোমবার (২ মার্চ) বেলা ৩টার দিকে নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসের দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
ভিডিওতে দেখা যায়, একটি ছাত্র মেসে শিক্ষার্থীরা দরজা ধাক্কাকে ধাক্কাতে সহপাঠীকে ডাকতে থাকে। কিন্তু তার কোনো সাড়া মেলেনি। এমতাবস্থায় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে বাসার দরজার সামনে ও নিচে ভিড় জমায়। স্থানীয়রা অনেক ডাকাডাকি করে। কিন্তু কিছুতেই তার সাড়া মিলছিল না। পরে স্থানীয় থানায় খবর দিলে পুলিশও ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাকাডাকি করে। তবে কোনো সাড়া না মেলায় ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌছে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে ওই শিক্ষার্থীকে ডেকে তোলে।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জুলহাস উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নগরীর সানকিপাড়া হেলথ অফিসার গলির ছাত্র মেসে একটি ছেলে ভোররাতে ঘুমিয়ে পড়েন।
তার সহপাঠীরা না ঘুমিয়ে বাইরে চলে যায়। এমন সময় সোহান ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে সকালে সোহানের সহপাঠীরা এসে অনেক ডাকাডাকি করে। তবে, তার সাড়া মেলেনি।
বিষয়টি আশপাশ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মানুষজন ভিড় জমাতে থাকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে দরজা ভেঙে ১২ ঘণ্টা পর সোহানকে দরজা ভেঙে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, ছেলেটি সারারাত না ঘুমিয়ে ভোররাতে ঘুমায়। যে কারণে অনেক ডাকাডাকি করলেও সে টের পায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেটি এখন সুস্থ আছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফাহাদ খান (৩০) সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন।সোমবার (২ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে চরাদি ইউনিয়নের হলতা গ্রামের সরদার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত ফাহাদ খান উপজেলার চরাদি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি এবং কামাল হোসেন খানের ছেলে।
গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।
হাসপাতালে নেওয়ার পথে ফাহাদ খান স্বজনদের মাধ্যমে ১ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের একটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাদের প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম হাওলাদারের ছেলে এবং চরাদি ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আমিনুল ইসলাম রানা, মোশাররফ হোসেন (পান্নু) খানের ছেলে আরিফ খান, সুলতান খানের ছেলে কাজী রিয়াজসহ অজ্ঞাত ২-৩ জন তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং কুপিয়ে জখম করে।
ভিডিও বার্তায় ফাহাদ দাবি করেন, হলতা বাজারের এক ডিস ব্যবসায়ীর কাছে ইউপি সদস্য রানাসহ কয়েকজন চাঁদা দাবি করেন। এ ঘটনায় তিনি প্রতিবাদ করেন এবং ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে থানায় যান। এর জের ধরেই তার ওপর হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ইউপি সদস্য রানা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী এবং তার সঙ্গে বাকেরগঞ্জ থানার ওসির সুসম্পর্ক রয়েছে। হামলায় তার মৃত্যু হলে উল্লিখিত ব্যক্তিদের দায়ী করেন বলেও ভিডিওতে উল্লেখ করেন।
ফাহাদের বাবা কামাল হোসেন বলেন, গত সপ্তাহে ডিস ব্যবসায়ীর করা চাঁদাবাজির মামলায় আমার ছেলে বাদীর সঙ্গে থানায় গিয়েছিল। অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তারা আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো সাড়া মেলেনি। বাকেরগঞ্জ থানার ওসি কে এম সোহেল রানা বলেন, ডিস ব্যবসা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে গত সপ্তাহে একটি চাঁদাবাজি ও একটি অন্যান্য ধারায় দুটি মামলা হয়েছে।
সেই ঘটনার ধারাবাহিকতায় ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।