
১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
ভোলার লালমোহন উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মোসা. রুনা বেগম নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গণেশপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূ রুনা ওই এলাকার মো. হাফিজুর রহমানের মেয়ে। ঘটনার পর পালিয়ে যান স্বামী মো. জিহাদ।
তবে বুধবার ভোর রাতের দিকে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশ লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করে র্যাব ও পুলিশের যৌথ টিম। জিহাদ একই ইউনিয়নের পাঙাশিয়া এলাকার মো. আলমগির হোসেনের ছেলে।
জানা গেছে, রুনা ও জাহিদ সর্ম্পকে মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন। তবে গত ৭ মাস আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। বিষয়টি একাধিকবার পারিবারিকভাবে মিমাংসা করা হয়।
বুধবারও রুনার মা সালিশের উদ্দেশ্যে জিহাদের বাড়িতে যান। সে সময় রুনা বাড়িতে অবস্থান করছিলেন, জিহাদও নিজ বাড়িতে ছিলেন। সালিশের পরপরই জিহাদ রুনার বাড়িতে যান। রুনার চাচি নূর জাহান বেগম বলেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে রুনার ঘর থেকে শব্দ পেয়ে আমি সেখানে যাই। এরপর ঘরে ঢুকে দেখি বিছানায় পড়ে রয়েছে রুনা।
তার শরীর কম্বল দিয়ে ডাকা ছিল এবং বুকের ওপর একটি বালিশ রাখা ছিল। এরপর তাকে ডাকাডাকি করলেও তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে কম্বল সরিয়ে দেখতে পাই রুনার গলায় নখের আঁচড়ের দাগ এবং বিছানা প্রস্রাবে ভিজে রয়েছে।
তার মুখে লালা এবং রক্ত ছিল। পরে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসককে খবর দিলে তিনি এসে রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তবে ঘটনার পর থেকে তার স্বামী জিহাদ পলাতক থাকায় তাকে তথ্য- প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী রুনা বেগমকে বালিশ চাপা দিয়ে শ^াসরোধে হত্যা করেছেন বলে স্বীকার করেছেন জিহাদ। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে মোসা. রুনা বেগম নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গণেশপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূ রুনা ওই এলাকার মো. হাফিজুর রহমানের মেয়ে। ঘটনার পর পালিয়ে যান স্বামী মো. জিহাদ।
তবে বুধবার ভোর রাতের দিকে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশ লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করে র্যাব ও পুলিশের যৌথ টিম। জিহাদ একই ইউনিয়নের পাঙাশিয়া এলাকার মো. আলমগির হোসেনের ছেলে।
জানা গেছে, রুনা ও জাহিদ সর্ম্পকে মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন। তবে গত ৭ মাস আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। বিষয়টি একাধিকবার পারিবারিকভাবে মিমাংসা করা হয়।
বুধবারও রুনার মা সালিশের উদ্দেশ্যে জিহাদের বাড়িতে যান। সে সময় রুনা বাড়িতে অবস্থান করছিলেন, জিহাদও নিজ বাড়িতে ছিলেন। সালিশের পরপরই জিহাদ রুনার বাড়িতে যান। রুনার চাচি নূর জাহান বেগম বলেন, বুধবার সন্ধ্যার দিকে রুনার ঘর থেকে শব্দ পেয়ে আমি সেখানে যাই। এরপর ঘরে ঢুকে দেখি বিছানায় পড়ে রয়েছে রুনা।
তার শরীর কম্বল দিয়ে ডাকা ছিল এবং বুকের ওপর একটি বালিশ রাখা ছিল। এরপর তাকে ডাকাডাকি করলেও তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে কম্বল সরিয়ে দেখতে পাই রুনার গলায় নখের আঁচড়ের দাগ এবং বিছানা প্রস্রাবে ভিজে রয়েছে।
তার মুখে লালা এবং রক্ত ছিল। পরে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসককে খবর দিলে তিনি এসে রুনাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তবে ঘটনার পর থেকে তার স্বামী জিহাদ পলাতক থাকায় তাকে তথ্য- প্রযুক্তির সহায়তায় র্যাব-পুলিশের যৌথ অভিযানে ইলিশা লঞ্চঘাট থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রী রুনা বেগমকে বালিশ চাপা দিয়ে শ^াসরোধে হত্যা করেছেন বলে স্বীকার করেছেন জিহাদ। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৮
ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরিফ নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তি বেসরকারি ক্লিনিকের প্রতিনিধি (দালাল) হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওষুধ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কৌশলে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
এ সময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য রোগীর স্বজনরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত আরিফকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সরকারি হাসপাতালের ভেতর এমন সুরক্ষিত স্থানে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও কর্মরতদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
’গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১০
বাকপ্রতিবন্ধী শিশুসন্তানের সামনে থেকে কোনো পরোয়ানা ছাড়াই ভোলায় জামায়াতের নারী কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে ।
রবিবার (৫ এপ্রিল) গভীর রাতে ভোলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জমজম টাওয়ারের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং সরকার ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
লিখিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত দাবি করে, ফ্যাসিবাদের আমলে বাংলাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতাসহ সবকিছুই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখনো সরকার সেই পথেই হাঁটছে।
পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী কোনো ধরনের কারণ ছাড়াই ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ভোলা পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী বিবি সাওদাকে (৩৭) পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
কারণ জানতে চাইলে পুলিশ কোনো কারণ উল্লেখ করতে পারেনি। বিষয়টি রহস্যজনক মনে হওয়ায় পুলিশ সারা দিন তাকে থানায় আটকে রেখে ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে জেলহাজতে পাঠান। এমন অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
গোয়েন্দা শাখার এসআই জুয়েল হোসেন খান আদালতে দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবি সাওদা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু কী ধরনের সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড করেছেন, তা উল্লেখ করেননি।
এ কারণে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য ৫৪ ধারায় তাকে জেলহাজতে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক ও ফ্যাসিবাদী বলে উল্লেখ করে জামায়াত।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ভোলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরিফ নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তি বেসরকারি ক্লিনিকের প্রতিনিধি (দালাল) হিসেবে কাজ করেন বলে জানা গেছে।
হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ওষুধ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কৌশলে হাসপাতালের তৃতীয় তলার একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।
এ সময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য রোগীর স্বজনরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং অভিযুক্ত আরিফকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
সরকারি হাসপাতালের ভেতর এমন সুরক্ষিত স্থানে এ ধরনের ঘটনায় সাধারণ মানুষ ও কর্মরতদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযুক্তকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।’
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
গ্রেপ্তার জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী বিবি সাওদার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে তার জামিন আদেশ প্রদান করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, বোন সাওদা সুমি মুক্ত।
’গত ৫ এপ্রিল দিবাগত রাত ১১টায় ভোলা পৌরসভার নিজ বাসভবন থেকে বিবি সাওদাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে ভোলা আদালতে তাকে তোলা হয়।
এ ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। একই সঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তার মুক্তি দাবি করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বাকপ্রতিবন্ধী শিশুসন্তানের সামনে থেকে কোনো পরোয়ানা ছাড়াই ভোলায় জামায়াতের নারী কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টা আটকে রেখে ৫৪ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে ।
রবিবার (৫ এপ্রিল) গভীর রাতে ভোলা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের জমজম টাওয়ারের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং সরকার ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
লিখিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত দাবি করে, ফ্যাসিবাদের আমলে বাংলাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতাসহ সবকিছুই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এখনো সরকার সেই পথেই হাঁটছে।
পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী কোনো ধরনের কারণ ছাড়াই ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে ভোলা পৌরসভা জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী বিবি সাওদাকে (৩৭) পুলিশ গ্রেপ্তার করে।
কারণ জানতে চাইলে পুলিশ কোনো কারণ উল্লেখ করতে পারেনি। বিষয়টি রহস্যজনক মনে হওয়ায় পুলিশ সারা দিন তাকে থানায় আটকে রেখে ৫৪ ধারায় সন্দেহভাজনভাবে জেলহাজতে পাঠান। এমন অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এবং অনতিবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা।
গোয়েন্দা শাখার এসআই জুয়েল হোসেন খান আদালতে দেওয়া লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, বিবি সাওদা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছিলেন। কিন্তু কী ধরনের সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড করেছেন, তা উল্লেখ করেননি।
এ কারণে বিষয়টি পর্যবেক্ষণের জন্য ৫৪ ধারায় তাকে জেলহাজতে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। বিষয়টি অত্যন্ত অমানবিক ও ফ্যাসিবাদী বলে উল্লেখ করে জামায়াত।