Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০৯
বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে এজলাস চলাকালে বিচারকের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান লিংকন-কে আটক করা হয়েছে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণে তার চেম্বার থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে এসএম শরীয়াতুল্লাহ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মানুন উল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাকে কারাগারে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে আইনজীবী সমিতির সভাপতির আটকের ঘটনায় আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করেন আইনজীবীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত এলাকায় র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, বিস্ফোরক মামলায় অভিযুক্তদের জেলা জজ আদালত থেকে জামিন দেয়া হলেও নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিম্ন আদালত থেকে জামিন দেয়ার ঘটনায় আইনজীবীরা মঙ্গলবার থেকে আদালত বর্জন করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
তিনি অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণের দাবি জানান এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত বর্জন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
বরিশাল অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে এজলাস চলাকালে বিচারকের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে অ্যাডভোকেট সাদিকুর রহমান লিংকন-কে আটক করা হয়েছে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণে তার চেম্বার থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে এসএম শরীয়াতুল্লাহ তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মানুন উল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাকে কারাগারে নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে আইনজীবী সমিতির সভাপতির আটকের ঘটনায় আদালত প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ শুরু করেন আইনজীবীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আদালত এলাকায় র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু বলেন, বিস্ফোরক মামলায় অভিযুক্তদের জেলা জজ আদালত থেকে জামিন দেয়া হলেও নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি রাজনৈতিক দলের নেতাদের নিম্ন আদালত থেকে জামিন দেয়ার ঘটনায় আইনজীবীরা মঙ্গলবার থেকে আদালত বর্জন করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
তিনি অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতের বিচারকের অপসারণের দাবি জানান এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত বর্জন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

২২ জুন, ২০২৬ ০১:০১

২১ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৫
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বড় ভাই। রোববার (২১ জুন) দুপুরে থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছোট ভাই মো. নজরুল সরদার (৪৫) এবং অভিযুক্ত বড় ভাই হারুন সরদার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়ির কাঞ্চন সরদারের ছেলে।
পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন সরদারের বড় ছেলে হারুন সরদার ও চতুর্থ ছেলে মজিবুর সরদারের মধ্যে জমিজমার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তৃতীয় ভাই সৌদি প্রবাসী মো: নজরুল সরদার চতুর্থ ভাই মজিবুর সরদারের পক্ষে কথা বলেছেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হারুন সরদার জোহরের নামাজ পড়া অবস্থায় মো: নজরুল সরদারকে এলোপাতাড়ি পেটে ও শরীরে কুপিয়ে জখম করেন। ভুক্তভোগীর ডাকচিৎকার শুনে আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (২০ জুন) নিহত প্রবাসী মো: নজরুল সরদারের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। বউয়ের অনুরোধে তিনি থেকে যান। পরিবারে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
কাজিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, হত্যার কথা শুনেছি। কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামি ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।’

২১ জুন, ২০২৬ ১৭:৫০
'প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তাকে শুধু স্মরণ নয়, অনুসরণ করতে হবে। শুধু আলোচনা নয়, চর্চা করতে হবে। একজন মোক্তার স্যার একাই শিক্ষাঙ্গনে যে পরিমাণে আলো ছড়িয়েছেন আমরা সবাই যদি তার আদর্শ অনুসরণ করে একেকজন মোক্তার স্যার হতে পারি তাহলে বাবুগঞ্জ উপজেলাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব তা ভেবে দেখা দরকার। কর্মবীর মোক্তার হোসাইন স্যারের গল্পটা আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রয়াত শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, 'একজন শিক্ষক সম্পর্কে আমি যা কল্পনা করি, আমি যা ধারণ করি তার পুরোটাই মোক্তার হোসাইন স্যারের সাথে মিলে যায়। আমাদের দুর্ভাগ্য জীবদ্দশায় আমরা মানুষের কর্মের মূল্যায়ন করতে পারি না। জীবদ্দশায় প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার সম্পর্কে আমি জানতে পারিনি সেই আক্ষেপ আমার থেকে যাবে। মোক্তার হোসাইন স্যার বাবুগঞ্জ এবং বরিশালে শিক্ষার উন্নয়ন যে অবদান রেখে গেছেন তার সুফল ভোগ করবে আগামী প্রজন্ম।'
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাব ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগ শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ হলরুমে ওই স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবং আগরপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সভাপতি এ.এফ.এম জালাল আহমেদ।
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাবের সভাপতি ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শাহে আলমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১০'এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মনজুর রহমান টুটুল বিশ্বাস, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালাউদ্দিন কাওসার, সহকারী শিক্ষক কাজী এনায়েত হোসেন, হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
স্মরণসভা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদ। স্মরণসভায় বক্তারা শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের উপরে বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্মরণসভা শেষে মোক্তার স্যারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।
স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও টিচার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না, তিনি একজন মানুষের চরিত্র গঠন করেন। নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি করার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়েন। মোক্তার হোসাইন স্যার নিজেই যেমন ছিলেন একজন আলোকিত মানুষ তেমনি তিনি এই সমাজে অসংখ্য আলোকিত মানুষ তৈরি করেছেন। শুধু বাবুগঞ্জ উপজেলা নয়, বৃহত্তর বরিশাল বিভাগে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সরকারিকরণ ও সংস্কারসহ শিক্ষার নানামুখী উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। কীর্তিমানের মৃত্যু নেই। একজন ভালো শিক্ষক তার শিক্ষার্থীদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকেন। আমার মতো অসংখ্য ছাত্রের মাঝে আদর্শিক মহীরুহ হয়ে মোক্তার হোসাইন স্যার প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে থাকবেন।' #
'প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার ছিলেন এক আলোকবর্তিকা। তাকে শুধু স্মরণ নয়, অনুসরণ করতে হবে। শুধু আলোচনা নয়, চর্চা করতে হবে। একজন মোক্তার স্যার একাই শিক্ষাঙ্গনে যে পরিমাণে আলো ছড়িয়েছেন আমরা সবাই যদি তার আদর্শ অনুসরণ করে একেকজন মোক্তার স্যার হতে পারি তাহলে বাবুগঞ্জ উপজেলাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব তা ভেবে দেখা দরকার। কর্মবীর মোক্তার হোসাইন স্যারের গল্পটা আমাদের নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রয়াত শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, 'একজন শিক্ষক সম্পর্কে আমি যা কল্পনা করি, আমি যা ধারণ করি তার পুরোটাই মোক্তার হোসাইন স্যারের সাথে মিলে যায়। আমাদের দুর্ভাগ্য জীবদ্দশায় আমরা মানুষের কর্মের মূল্যায়ন করতে পারি না। জীবদ্দশায় প্রফেসর মোক্তার হোসাইন স্যার সম্পর্কে আমি জানতে পারিনি সেই আক্ষেপ আমার থেকে যাবে। মোক্তার হোসাইন স্যার বাবুগঞ্জ এবং বরিশালে শিক্ষার উন্নয়ন যে অবদান রেখে গেছেন তার সুফল ভোগ করবে আগামী প্রজন্ম।'
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাব ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগ শনিবার বিকেলে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ হলরুমে ওই স্মরণসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ এবং আগরপুর ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাবেক সভাপতি এ.এফ.এম জালাল আহমেদ।
বাবুগঞ্জ টিচার্স ক্লাবের সভাপতি ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শাহে আলমের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১০'এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মনজুর রহমান টুটুল বিশ্বাস, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও মাধবপাশা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন, রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সালাউদ্দিন কাওসার, সহকারী শিক্ষক কাজী এনায়েত হোসেন, হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
স্মরণসভা অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদ। স্মরণসভায় বক্তারা শিক্ষাবিদ মোক্তার হোসাইন স্যারের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের উপরে বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্মরণসভা শেষে মোক্তার স্যারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাওলানা ইব্রাহিম খলিল।
স্মরণসভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও টিচার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না, তিনি একজন মানুষের চরিত্র গঠন করেন। নৈতিক মূল্যবোধ তৈরি করার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ গড়েন। মোক্তার হোসাইন স্যার নিজেই যেমন ছিলেন একজন আলোকিত মানুষ তেমনি তিনি এই সমাজে অসংখ্য আলোকিত মানুষ তৈরি করেছেন। শুধু বাবুগঞ্জ উপজেলা নয়, বৃহত্তর বরিশাল বিভাগে তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, সরকারিকরণ ও সংস্কারসহ শিক্ষার নানামুখী উন্নয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। কীর্তিমানের মৃত্যু নেই। একজন ভালো শিক্ষক তার শিক্ষার্থীদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকেন। আমার মতো অসংখ্য ছাত্রের মাঝে আদর্শিক মহীরুহ হয়ে মোক্তার হোসাইন স্যার প্রজন্মের পর প্রজন্ম বেঁচে থাকবেন।' #
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে নামাজরত ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বড় ভাই। রোববার (২১ জুন) দুপুরে থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছোট ভাই মো. নজরুল সরদার (৪৫) এবং অভিযুক্ত বড় ভাই হারুন সরদার আন্দারমানিক ইউনিয়নের কাঞ্চন সরদার বাড়ির কাঞ্চন সরদারের ছেলে।
পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন সরদারের বড় ছেলে হারুন সরদার ও চতুর্থ ছেলে মজিবুর সরদারের মধ্যে জমিজমার ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তৃতীয় ভাই সৌদি প্রবাসী মো: নজরুল সরদার চতুর্থ ভাই মজিবুর সরদারের পক্ষে কথা বলেছেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই হারুন সরদার জোহরের নামাজ পড়া অবস্থায় মো: নজরুল সরদারকে এলোপাতাড়ি পেটে ও শরীরে কুপিয়ে জখম করেন। ভুক্তভোগীর ডাকচিৎকার শুনে আত্মীয়-স্বজন ও আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মুলাদী হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
শনিবার (২০ জুন) নিহত প্রবাসী মো: নজরুল সরদারের সৌদি আরব যাওয়ার কথা ছিল। বউয়ের অনুরোধে তিনি থেকে যান। পরিবারে তার স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়েসন্তান রয়েছে।
কাজিরহাট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সিদ্দিকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, হত্যার কথা শুনেছি। কোনো আসামি গ্রেপ্তার হয়নি। আসামি ধরার জন্য অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।’
বরিশালে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা। অভিযোগ রয়েছে- বরিশাল নগরীর ভাটিখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: তারিকুল ইসলাম পলিন্স, আখতারুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডালিয়া, শামিমা আক্তার শান্তনা, লাকি, আছমত মাষ্টার বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালমা, ১৯১নং কিশোর মজলিস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস আলী খান, সহকারি শিক্ষক জাহিদুল হক মামুন, আনোয়ার হোসেন, ১০৫নং দোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হালিমা খাতুন, এনায়েতুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিতু, নিগাল, তানিয়া, তানজিলা, উলালঘুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারী নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য। ব্যাচে ১৫ থেকে ২০ করে জনপ্রতি ৭০০-১০০০ টাকা নিয়ে নিজেদের বাসা বা ভাড়া বাসা নিয়ে কোচিং করাচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক অভিভাবক জানান, মূল্যায়নের নম্বর ও খাতায় কম নম্বর দেওয়া এবং ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে না দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং আসতে বাধ্য করছেন শিক্ষকরা।
কিছু শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কোচিং পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অনেক অভিভাবক ও শিক্ষার্থী কোচিং নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার কারণে কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছে।
কোচিং বাণিজ্যের কারণে অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি কিছু শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে পর্যাপ্ত মেনাযোগ না দিয়ে কোচিং কার্যক্রমে বেশি সময় ব্যয় করছেন। ফলে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তারা আরও জানান- তাছাড়া স্ব স্ব স্কুল প্রশ্ন করায় শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে বাধ্য করা হচ্ছে কোচিং করতে। স্ব স্ব স্কুলের করা মানহীন প্রশ্ন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বাস্থ্যসূত্রে জানা যায়, প্রথম প্রান্তিক পরীক্ষার আগে বেশকিছু প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উন্নয়ন ফি বাবদ ৫০-২০০ টাকা করে উত্তোলন করা হয়।
গোপনসূত্রে আরো জানা যায়, কোচিংবাজ এসব শিক্ষকরা শিক্ষা কর্মকতা ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ কোচিং বাণিজ্য, যার কারণে বার বার সংবাদ প্রকাশ হলেও বন্ধ হয়নি তাদের কোচিং বাণিজ্য। বরং অদৃশ্য ক্ষমতাবলে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য।
আরো জানা যায়- সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তারা কোচিং বাণিজ্যে চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে উপজেলার প্রশ্ন বাদ দিয়ে নিজ নিজ স্কুল প্রশ্ন করে পরীক্ষা নেওয়ার কারণে এসব কোচিংয়ের দিকে ঝুকছে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষাবিদদের মতে- এসব কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না হলে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ছিটকে পরবে কোমলমতি শিশুরা। বরিশাল সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নাছির উদ্দিন খলিফাকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দেখবেন বলে জানান। এ বিষয়ে জানতে জেলা শিক্ষা অফিসারের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি।
বরিশালে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্যের কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষা। অভিযোগ রয়েছে- বরিশাল নগরীর ভাটিখানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো: তারিকুল ইসলাম পলিন্স, আখতারুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডালিয়া, শামিমা আক্তার শান্তনা, লাকি, আছমত মাষ্টার বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালমা, ১৯১নং কিশোর মজলিস সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস আলী খান, সহকারি শিক্ষক জাহিদুল হক মামুন, আনোয়ার হোসেন, ১০৫নং দোহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হালিমা খাতুন, এনায়েতুল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিতু, নিগাল, তানিয়া, তানজিলা, উলালঘুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারী নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য। ব্যাচে ১৫ থেকে ২০ করে জনপ্রতি ৭০০-১০০০ টাকা নিয়ে নিজেদের বাসা বা ভাড়া বাসা নিয়ে কোচিং করাচ্ছেন।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একাধিক অভিভাবক জানান, মূল্যায়নের নম্বর ও খাতায় কম নম্বর দেওয়া এবং ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে না দেওয়ার ভয় দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কোচিং আসতে বাধ্য করছেন শিক্ষকরা।
কিছু শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কোচিং পরিচালনা করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অনেক অভিভাবক ও শিক্ষার্থী কোচিং নির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার কারণে কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছে।
কোচিং বাণিজ্যের কারণে অভিভাবকদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি কিছু শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে পর্যাপ্ত মেনাযোগ না দিয়ে কোচিং কার্যক্রমে বেশি সময় ব্যয় করছেন। ফলে দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
তারা আরও জানান- তাছাড়া স্ব স্ব স্কুল প্রশ্ন করায় শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে বাধ্য করা হচ্ছে কোচিং করতে। স্ব স্ব স্কুলের করা মানহীন প্রশ্ন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
বিশ্বাস্থ্যসূত্রে জানা যায়, প্রথম প্রান্তিক পরীক্ষার আগে বেশকিছু প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে উন্নয়ন ফি বাবদ ৫০-২০০ টাকা করে উত্তোলন করা হয়।
গোপনসূত্রে আরো জানা যায়, কোচিংবাজ এসব শিক্ষকরা শিক্ষা কর্মকতা ও প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ কোচিং বাণিজ্য, যার কারণে বার বার সংবাদ প্রকাশ হলেও বন্ধ হয়নি তাদের কোচিং বাণিজ্য। বরং অদৃশ্য ক্ষমতাবলে চালিয়ে যাচ্ছে কোচিং বাণিজ্য।
আরো জানা যায়- সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে তারা কোচিং বাণিজ্যে চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে উপজেলার প্রশ্ন বাদ দিয়ে নিজ নিজ স্কুল প্রশ্ন করে পরীক্ষা নেওয়ার কারণে এসব কোচিংয়ের দিকে ঝুকছে শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষাবিদদের মতে- এসব কোচিং বাণিজ্য বন্ধ না হলে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ছিটকে পরবে কোমলমতি শিশুরা। বরিশাল সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নাছির উদ্দিন খলিফাকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে দেখবেন বলে জানান। এ বিষয়ে জানতে জেলা শিক্ষা অফিসারের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি।
২২ জুন, ২০২৬ ০১:০১
২১ জুন, ২০২৬ ২৩:২৯
২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
২১ জুন, ২০২৬ ১৯:২৬