
০৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:১১
প্রযুক্তির কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। আর বরিশালের নারী উদ্যোক্তারা প্রযুক্তির কল্যাণে সফলতার পাশাপাশি নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে নিজেরাও এগিয়ে যাচ্ছেন। নারী উদ্যোক্তাদের তৈরিকৃত বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর বরিশালে প্রায় আড়াই কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে বিসিক।
ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন, উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি।
বর্তমান এই যান্ত্রিক কর্মব্যস্ত দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রই আজ প্রযুক্তিনির্ভর। প্রযুক্তির কল্যাণে অনলাইনে নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বাড়ছে। নিত্য নতুন পন্থায় এই প্রযুক্তির কল্যাণেই তারা তৈরি করছেন তাদের নিজস্ব কর্মসংসস্থান। পোশাক, বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানান পণ্যের ব্যবসা জনপ্রিয়তা পেয়েছে এখানে। আজকাল মানুষ ভিড় এড়িয়ে অনলাইনসহ বিভিন্ন পন্থায় কেনাকাটা করছেন। প্রযুক্তির ছোয়ায় মানুষের জীবনযাত্রা হয়ে উঠছে সহজ। দিন দিনে নারীরাও আজ প্রযুক্তিবান্ধব হয়ে উঠেছেন।
বর্তমানে অনেক নারীই ডিজিটাল প্লটফর্মে যুক্ত হয়ে ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এতে করে ঘরে বসেই ঘর সংসারের কাজের পাশাপাশি বাড়তি উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা। অল্প পুঁজিতে নারীরা অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের সফলভাবে প্রকাশ করছেন সমাজে। বর্তমানে বরিশাল জেলায় ৩ শতাধিক নারী উদ্যোক্তা বিভিন্ন ব্যাবসায় এমনি ভাবে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছেন। দিন দিনই উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ছে।
তেমনি একজন লিসা ইউসুফ। পরিবারের কাজের পাশাপাশি অনলাইন পেজ খুলে ঘরে বসেই ছোট পরিসরে শুরু করেছিলেন বার্গার, সিঙ্গারা, রোল, মিষ্টিসহ নানা ধরনের খাবারের বেচাকেনা। ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তার খাবার পৌঁছে যায় ক্রেতাদের কাছে। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা। গত দুই বছরে এ কার্যক্রমে জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন বেশ।
শুধু মাত্র লিসা ইউসুফ নয় এরকম অনেকেই আছেন, যারা ঘরে বসেই খাবার তৈরি করে ডেলিভারি করছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অফিসেও। নিজের বা প্রতিষ্ঠানের পরিচিত বাড়াতে অংশগ্রহণ করছেন বিভিন্ন উদ্যোক্তা মেলায়ও।
এ বিষয়ে উদ্যোক্তা লিসা ইউসুফ বলেন, সংসার ছেলে মেয়ে সামলে চাকুরী করা পসিবল ছিলনা। সেই থেকে নিজের সার্কেলের ভেতরে কাজ করা শুরু। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা।
এমনই আর একজন উদ্যোক্তা ইসরাত জাহান। নিপুন হাতে সাজিয়ে তুলছেন কেকের ওপরে বিভিন্ন ধরনের নকশা। ইসরাত জাহানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রথমে বাসায় বসে কেক তৈরি করে অনালাইনের মাধ্যমে বিক্রি করলেও এখন নিজেই গড়ে তুলেছেন একটি প্রতিষ্ঠান। অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে প্রতিমাসে কেক বিক্রি করেন দেড় থেকে দুই লাখ টাকার।
ইসরাত জাহান, লিসা ইউসুফসহ বরিশালে অনেকেই আছেন যারা অনালাইনে শুরু করলেও আজ নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান। নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি তৈরি করেছে অনেকের কর্মসংস্থানও। নিজের সফলতার পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তারা তৈরি করছেন নতুন নতুন কর্মসংস্থান।
ঘরে বসেই ব্লকের কাজ করছেন রুবায়েত রাফা। প্রতি মাসে আয় করছেন ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। এভাবে নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন তিনি।
শুধুমাত্র বরিশালেই নয়, অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাঠাচ্ছেন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। নিজ উদ্যোগে স্বাবলম্বী হতে পেরে খুশি উদ্যোক্তারা। সল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা এবং নারীদের জন্য একটি মার্কেট প্লেস তৈরি হলে আগামীতে দেশের অর্থনীতিতে বড় ভুমিকা রাখার কথা জানিয়েছেন তারা।
রুবায়েত রাফা বলেন, আমি আজ নিজেই সাবলম্বী। নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানা জিনিসের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি। বর্তমানে আমি ও আমার সাথে আরো অনেক নারী উপার্জন করে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমারা এখন আর পিছিয়ে নেই।
বরিশাল উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বিলকিস আহমেদ লিলি জানান, স্থানীয় ভাবে মূলত অনলাইনে মানুষের খাদ্য পণ্য ও পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষই অনলাইনের প্রতি ঝুঁকছেন, এতে এ খাত আরো প্রসারতি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে তাহলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবেন।
জানতে চাইলে বরিশাল বিসিকের উপ-ব্যবস্থাপক জালিস মাহামুদ জানান, নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং পরিচালনা করছে বিসিক। এছাড়া নারীদের সুবিধার্থে সল্প সুদে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থাও করেছে। নারীদের এই পথচলায় যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করবে বিসিক এমন আশ্বাস দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। বর্তমানে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে পুরুষদের সাথে তাল মিলিয়ে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ফেইজবুক ভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমেও নিজের পরিচিতি বাড়াচ্ছেন উদ্যোক্তারা। যেসব নারীরা কিছু একটা করতে চায় অনলাইন পাল্টফর্মে, তাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রযুক্তির কল্যাণে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। আর বরিশালের নারী উদ্যোক্তারা প্রযুক্তির কল্যাণে সফলতার পাশাপাশি নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করে নিজেরাও এগিয়ে যাচ্ছেন। নারী উদ্যোক্তাদের তৈরিকৃত বিভিন্ন পণ্যসামগ্রীর বরিশালে প্রায় আড়াই কোটি টাকার বাজার তৈরি হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছে বিসিক।
ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে আসলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন, উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি।
বর্তমান এই যান্ত্রিক কর্মব্যস্ত দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রই আজ প্রযুক্তিনির্ভর। প্রযুক্তির কল্যাণে অনলাইনে নারী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা বাড়ছে। নিত্য নতুন পন্থায় এই প্রযুক্তির কল্যাণেই তারা তৈরি করছেন তাদের নিজস্ব কর্মসংসস্থান। পোশাক, বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানান পণ্যের ব্যবসা জনপ্রিয়তা পেয়েছে এখানে। আজকাল মানুষ ভিড় এড়িয়ে অনলাইনসহ বিভিন্ন পন্থায় কেনাকাটা করছেন। প্রযুক্তির ছোয়ায় মানুষের জীবনযাত্রা হয়ে উঠছে সহজ। দিন দিনে নারীরাও আজ প্রযুক্তিবান্ধব হয়ে উঠেছেন।
বর্তমানে অনেক নারীই ডিজিটাল প্লটফর্মে যুক্ত হয়ে ব্যবসা পরিচালনায় আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এতে করে ঘরে বসেই ঘর সংসারের কাজের পাশাপাশি বাড়তি উপার্জনের সুযোগ পাচ্ছেন নারীরা। অল্প পুঁজিতে নারীরা অনলাইন ব্যবসার মাধ্যমে নিজেদের সফলভাবে প্রকাশ করছেন সমাজে। বর্তমানে বরিশাল জেলায় ৩ শতাধিক নারী উদ্যোক্তা বিভিন্ন ব্যাবসায় এমনি ভাবে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছেন। দিন দিনই উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ছে।
তেমনি একজন লিসা ইউসুফ। পরিবারের কাজের পাশাপাশি অনলাইন পেজ খুলে ঘরে বসেই ছোট পরিসরে শুরু করেছিলেন বার্গার, সিঙ্গারা, রোল, মিষ্টিসহ নানা ধরনের খাবারের বেচাকেনা। ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে তার খাবার পৌঁছে যায় ক্রেতাদের কাছে। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা। গত দুই বছরে এ কার্যক্রমে জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন বেশ।
শুধু মাত্র লিসা ইউসুফ নয় এরকম অনেকেই আছেন, যারা ঘরে বসেই খাবার তৈরি করে ডেলিভারি করছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন অফিসেও। নিজের বা প্রতিষ্ঠানের পরিচিত বাড়াতে অংশগ্রহণ করছেন বিভিন্ন উদ্যোক্তা মেলায়ও।
এ বিষয়ে উদ্যোক্তা লিসা ইউসুফ বলেন, সংসার ছেলে মেয়ে সামলে চাকুরী করা পসিবল ছিলনা। সেই থেকে নিজের সার্কেলের ভেতরে কাজ করা শুরু। ৩ বছর ধরে একটু একটু করে আজ এই অনলাইনের মাধ্যমে খাবার বিক্রি করে তার মাসে আয় প্রায় ১ লাখ টাকা।
এমনই আর একজন উদ্যোক্তা ইসরাত জাহান। নিপুন হাতে সাজিয়ে তুলছেন কেকের ওপরে বিভিন্ন ধরনের নকশা। ইসরাত জাহানের সাথে কথা হলে তিনি জানান, প্রথমে বাসায় বসে কেক তৈরি করে অনালাইনের মাধ্যমে বিক্রি করলেও এখন নিজেই গড়ে তুলেছেন একটি প্রতিষ্ঠান। অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে প্রতিমাসে কেক বিক্রি করেন দেড় থেকে দুই লাখ টাকার।
ইসরাত জাহান, লিসা ইউসুফসহ বরিশালে অনেকেই আছেন যারা অনালাইনে শুরু করলেও আজ নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান। নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি তৈরি করেছে অনেকের কর্মসংস্থানও। নিজের সফলতার পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তারা তৈরি করছেন নতুন নতুন কর্মসংস্থান।
ঘরে বসেই ব্লকের কাজ করছেন রুবায়েত রাফা। প্রতি মাসে আয় করছেন ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। এভাবে নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন তিনি।
শুধুমাত্র বরিশালেই নয়, অনলাইনের মাধ্যমে অর্ডার নিয়ে বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাঠাচ্ছেন রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায়। নিজ উদ্যোগে স্বাবলম্বী হতে পেরে খুশি উদ্যোক্তারা। সল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা এবং নারীদের জন্য একটি মার্কেট প্লেস তৈরি হলে আগামীতে দেশের অর্থনীতিতে বড় ভুমিকা রাখার কথা জানিয়েছেন তারা।
রুবায়েত রাফা বলেন, আমি আজ নিজেই সাবলম্বী। নিজের চেষ্টায় পোশাক, কসমেটিক্স, জুয়েলারী, অর্নামেন্টসসহ নানা জিনিসের প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি। বর্তমানে আমি ও আমার সাথে আরো অনেক নারী উপার্জন করে পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমারা এখন আর পিছিয়ে নেই।
বরিশাল উইমেন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি বিলকিস আহমেদ লিলি জানান, স্থানীয় ভাবে মূলত অনলাইনে মানুষের খাদ্য পণ্য ও পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বর্তমান সময়ে অধিকাংশ মানুষই অনলাইনের প্রতি ঝুঁকছেন, এতে এ খাত আরো প্রসারতি হচ্ছে। তবে বিভিন্ন ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলো যদি নারী উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসে তাহলে নারী উদ্যোক্তারা আরও এগিয়ে যাবেন।
জানতে চাইলে বরিশাল বিসিকের উপ-ব্যবস্থাপক জালিস মাহামুদ জানান, নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিতে বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং পরিচালনা করছে বিসিক। এছাড়া নারীদের সুবিধার্থে সল্প সুদে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থাও করেছে। নারীদের এই পথচলায় যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করবে বিসিক এমন আশ্বাস দিয়েছেন এই কর্মকর্তা। বর্তমানে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে পুরুষদের সাথে তাল মিলিয়ে। তিনি বলেন, বিভিন্ন ধরনের ফেইজবুক ভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমেও নিজের পরিচিতি বাড়াচ্ছেন উদ্যোক্তারা। যেসব নারীরা কিছু একটা করতে চায় অনলাইন পাল্টফর্মে, তাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৭
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবৈধভাবে গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে এক স্থানীয় ডিলারকে জরিমানা করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে আলম কমিশনার বাড়িতে পরিচালিত এক অভিযানে স্থানীয় ডিলার মোঃ শামসুল আলম শিমুকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে ৩ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা (এনএসআই), বরিশাল জেলা’র গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ বাইজিদুর রহমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এসময় জেলা এনএসআইয়ের কর্মকর্তা ও বানারীপাড়া থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুসন্ধানে জানা যায়, শামসুল আলম শিমুর সর্বোচ্চ ৪০টি গ্যাস সিলিন্ডার মজুদের অনুমতি থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ২০০০ থেকে ২৫০০টি গ্যাস ভর্তি সিলিন্ডার নিজ বাড়িতে মজুদ করে রাখেন।
পরবর্তীতে এসব সিলিন্ডার তিনি উপজেলা সদরের বন্দর বাজারের ফেরিঘাট সংলগ্ন তার দোকান ‘বৈশাখী প্লাস’ থেকে বেশি দামে বিক্রি করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এনএসআই সদস্যদের দীর্ঘদিনের নজরদারিতে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে উপজেলা প্রশাসন তার বাড়ি ও দোকানে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আরোপ করে।
পাশাপাশি মজুদকৃত সিলিন্ডার দ্রুত সরবরাহ এবং অনুমতিপত্র অনুযায়ী ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে ১ হাজার টাকার মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.