তিন শিক্ষককে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে আজীবনের জন্য বিরত রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বরিশাল নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কলেজের একাডেমিক ভবনের সামনে এ বিক্ষোভ করেন তারা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে আমরা আন্দোলন শুরু করেছিলাম। গত ৬ মে আমাদের আন্দোলনে বহিরাগতদের এনে হামলা চালানো হয়।
আমরা হামলাকারী ও তাদের মদদদাতা অত্র কলেজের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু ঘটনার দীর্ঘ চারমাস হয়ে গেলেওকার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শিক্ষক আলী আজগর, সাইদ হোসাইন রনি ও ফরিদা বেগম এখনো স্বপদে বহাল আছেন।
তারা বলেন, বর্তমানে আমরা বরিশাল নার্সিং কলেজ, বরিশালের সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকল্পে অভিযুক্ত তিন শিক্ষককে বিএসসি ইন নার্সিং কোর্সের সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে আজীবনের জন্য বিরত রাখার দাবি জানিয়েছি।
অভিযুক্ত শিক্ষকদের ক্লাস রুটিন থেকে অপসারণ ব্যতীত আরও বেশ কিছু দাবির কথা শিক্ষার্থীরা তুলে ধরেছেন। সেগুলো হলো- হোস্টেলের মেইন গেটে সার্বক্ষণিক বাধ্যতামূলক একজন দারোয়ান রাখা এবং রেজিস্টার খাতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যাওয়া-আসা নিয়ন্ত্রণ করা। উল্লেখ্য যে, রাত সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত পকেটগেট খোলা রাখা।
শিক্ষার্থীদের অবিভাবকদের জন্য ওয়েটিং রুমের ব্যবস্থা করা; কলেজের ৭টি ইয়ারের জন্য ন্যূনতম ১৪টি রেফ্রিজারেটরের ব্যবস্থা করা; হোস্টেলের বৈদ্যুতিক লাইনসহ যাবতীয় বৈদ্যুতিক ত্রুটি অতিসত্বর মেরামত করা এবং এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের থেকে কোনো প্রকার চাঁদা আদায় না করা; উভয় হোস্টেলের প্রতি রুমের দরজা, জানালা, লাইট, ফ্যানসহ সকল নষ্ট জিনিসপত্র অনতিবিলম্বে ঠিক করা; বেসরকারি বাবুর্চিদের বেতন এবং মেসের প্রতি মাসের গ্যাসের বিল কলেজ কর্তৃপক্ষের বহন করা; হোস্টেলে অতিসত্বর ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করা; প্রতি মাসে হোস্টেলের প্রত্যেকটি পানির ট্যাংকি পরিষ্কার করা এবং বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য ফিল্টারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের সকল দাবি কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া বিনাশর্তে অতিদ্রুত মেনে নিতে হবে, নয়তো কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
বরিশালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরপরই নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের অভিযোগ, সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার পর অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময়ই মাইশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বমি করতে শুরু করলে চিকিৎসকদের অবহেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধেই মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
মাইশা নগরের কালিজিরা এলাকার প্রয়াত মো. নাজমুর রহমান বাদলের মেয়ে। তিনি একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর পরামর্শেই রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হন মাইশা।
বৃহস্পতিবার সিজারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্বজনদের দাবি, এরপরই অপারেশন থিয়েটারে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে।
মাইশার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, “সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকা মানুষটি সেখান থেকে মৃত হয়ে বের হলেন—এটা কীভাবে সম্ভব? চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়নের অভিযোগ, স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের চারটি অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্ব একজন চিকিৎসকের ওপর থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে মৃত্যুর পর মাইশাকে দ্রুত শেবাচিমের আইসিইউতে পাঠিয়ে ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সাহিল আহমেদ সাকিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার শেষে মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে মাইশার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি তিনবার বমি করেন। বমি পরিষ্কার করার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সেখানে জানতে পারেন, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরপরই নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের অভিযোগ, সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার পর অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময়ই মাইশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বমি করতে শুরু করলে চিকিৎসকদের অবহেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধেই মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
মাইশা নগরের কালিজিরা এলাকার প্রয়াত মো. নাজমুর রহমান বাদলের মেয়ে। তিনি একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর পরামর্শেই রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হন মাইশা।
বৃহস্পতিবার সিজারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্বজনদের দাবি, এরপরই অপারেশন থিয়েটারে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে।
মাইশার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, “সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকা মানুষটি সেখান থেকে মৃত হয়ে বের হলেন—এটা কীভাবে সম্ভব? চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়নের অভিযোগ, স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের চারটি অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্ব একজন চিকিৎসকের ওপর থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে মৃত্যুর পর মাইশাকে দ্রুত শেবাচিমের আইসিইউতে পাঠিয়ে ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সাহিল আহমেদ সাকিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার শেষে মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে মাইশার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি তিনবার বমি করেন। বমি পরিষ্কার করার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সেখানে জানতে পারেন, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সফল তিন শিক্ষার্থী হলেন—জান্নাতুল আইশা, জয়ন্ত হালদার এবং মো. নাইম হোসাইন।
এর মধ্যে জান্নাতুল আইশা মেধাতালিকায় ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তিনজনই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তাদের এই সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সফল তিন শিক্ষার্থী হলেন—জান্নাতুল আইশা, জয়ন্ত হালদার এবং মো. নাইম হোসাইন।
এর মধ্যে জান্নাতুল আইশা মেধাতালিকায় ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তিনজনই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তাদের এই সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৪
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনায় রুনু বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূ ফাতেমা বেগমের (২৬) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফাতেমাকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়নের আটহাজার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনু বেগম ওই গ্রামের খলিল পেশকারের স্ত্রী। আটক ফাতেমা বেগম তার ছেলে রেদওয়ান পেশকারের স্ত্রী। ফাতেমার বাবার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রুনু বেগম ও ফাতেমা বেগমের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এ সময় রুনু বেগম ফাতেমার একটি আঙুল কামড়ে ধরেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে শ্বাসরোধ হয়ে রুনু বেগমের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।
খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুনু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে ফাতেমা বেগমকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও মারামারির একপর্যায়ে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নে বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও হাতাহাতির ঘটনায় রুনু বেগম (৬৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূ ফাতেমা বেগমের (২৬) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফাতেমাকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে ইউনিয়নের আটহাজার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনু বেগম ওই গ্রামের খলিল পেশকারের স্ত্রী। আটক ফাতেমা বেগম তার ছেলে রেদওয়ান পেশকারের স্ত্রী। ফাতেমার বাবার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে রুনু বেগম ও ফাতেমা বেগমের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। এ সময় রুনু বেগম ফাতেমার একটি আঙুল কামড়ে ধরেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে শ্বাসরোধ হয়ে রুনু বেগমের মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়দের দাবি।
খবর পেয়ে কাউনিয়া থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রুনু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে ফাতেমা বেগমকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও মারামারির একপর্যায়ে ফাতেমা তার শাশুড়ির গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ২০:৩৭
তিন শিক্ষককে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে আজীবনের জন্য বিরত রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বরিশাল নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কলেজের একাডেমিক ভবনের সামনে এ বিক্ষোভ করেন তারা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিতে আমরা আন্দোলন শুরু করেছিলাম। গত ৬ মে আমাদের আন্দোলনে বহিরাগতদের এনে হামলা চালানো হয়।
আমরা হামলাকারী ও তাদের মদদদাতা অত্র কলেজের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু ঘটনার দীর্ঘ চারমাস হয়ে গেলেওকার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। শিক্ষক আলী আজগর, সাইদ হোসাইন রনি ও ফরিদা বেগম এখনো স্বপদে বহাল আছেন।
তারা বলেন, বর্তমানে আমরা বরিশাল নার্সিং কলেজ, বরিশালের সার্বিক শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতকল্পে অভিযুক্ত তিন শিক্ষককে বিএসসি ইন নার্সিং কোর্সের সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে আজীবনের জন্য বিরত রাখার দাবি জানিয়েছি।
অভিযুক্ত শিক্ষকদের ক্লাস রুটিন থেকে অপসারণ ব্যতীত আরও বেশ কিছু দাবির কথা শিক্ষার্থীরা তুলে ধরেছেন। সেগুলো হলো- হোস্টেলের মেইন গেটে সার্বক্ষণিক বাধ্যতামূলক একজন দারোয়ান রাখা এবং রেজিস্টার খাতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যাওয়া-আসা নিয়ন্ত্রণ করা। উল্লেখ্য যে, রাত সাড়ে ৮ টা পর্যন্ত পকেটগেট খোলা রাখা।
শিক্ষার্থীদের অবিভাবকদের জন্য ওয়েটিং রুমের ব্যবস্থা করা; কলেজের ৭টি ইয়ারের জন্য ন্যূনতম ১৪টি রেফ্রিজারেটরের ব্যবস্থা করা; হোস্টেলের বৈদ্যুতিক লাইনসহ যাবতীয় বৈদ্যুতিক ত্রুটি অতিসত্বর মেরামত করা এবং এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের থেকে কোনো প্রকার চাঁদা আদায় না করা; উভয় হোস্টেলের প্রতি রুমের দরজা, জানালা, লাইট, ফ্যানসহ সকল নষ্ট জিনিসপত্র অনতিবিলম্বে ঠিক করা; বেসরকারি বাবুর্চিদের বেতন এবং মেসের প্রতি মাসের গ্যাসের বিল কলেজ কর্তৃপক্ষের বহন করা; হোস্টেলে অতিসত্বর ক্যান্টিনের ব্যবস্থা করা; প্রতি মাসে হোস্টেলের প্রত্যেকটি পানির ট্যাংকি পরিষ্কার করা এবং বিশুদ্ধ খাবার পানির জন্য ফিল্টারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
শিক্ষার্থীরা জানান, তাদের সকল দাবি কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়া বিনাশর্তে অতিদ্রুত মেনে নিতে হবে, নয়তো কঠোর আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫