আর অল্প কিছুক্ষণ পরেই বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় নির্বাচনি সমাবেশে যোগ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারেক রহমানকে বরণ করতে ইতিমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ইতোমধ্যে বরিশাল নগরের ঐতিহাসিক বেলস্ পার্ক ময়দানে ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬০ ফুট প্রস্থের একটি মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। সকাল থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে যোগ দিচ্ছেন নেতা কর্মী।
সকাল ১১ টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার আগেই ইতিমধ্যেই বেসবার ময়দানের অধিকাংশ এলাকা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। ১১টার মধ্যেই বেশ পাক ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হবে বলে জানান বিএনপি নেতারা।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মো. জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া জানান, বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় জনসভায় বেলা ১১টায় প্রধান অতিথি হিসেবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর পর আমাদের প্রিয় নেতা বরিশাল আসছেন। তার আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীসহ বরিশালবাসীর মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তার আগমন উপলক্ষে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে তারেক রহমান ও জনসভার নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন ।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার জানান, বিএনপি জনগণের দল, তাই তারেক রহমানের নিরাপত্তা জনগণই নিশ্চিত করবে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, আজকের সমাবেশ হবে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ। বরিশাল যে বিএনপির ঘাঁটি সমাবেশ থেকে এটা প্রমাণ করবে বরিশালের মানুষ।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৬
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’

২৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩১
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকার কর্মক্ষেত্রে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে চাকরি হারিয়েছেন। দীর্ঘফষন তিনি সাময়িক বরখাস্ত থাকলেও মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তাকে চূড়ান্তভাবে ২২ জুলাই চাকরিচ্যুৎ করা হয়। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সরকারি জমি অবৈধভাবে ব্যক্তিমালিকানায় দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮০ সালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদ সৃষ্টি হওয়ার আগের পদবি ব্যবহার করে শঙ্কর চন্দ্র মালাকার প্রায় ২৫৮ একর ২৬ শতাংশ সরকারি খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেন। এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত আরও ২২২ একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করার অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়। এছাড়া স্থানীয় রামানন্দী মৌজার একটি নামজারি মামলায় ভিন্ন তারিখ ব্যবহার এবং দ্বৈত খতিয়ান সৃষ্টির অভিযোগেরও সত্যতা পাওয়া যায়।
এইসব অনিয়ম-দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ার পরে ২২ জুলাই তাকে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুৎ করা হয়। ওই দিন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় থেকে জারি করা এক আদেশে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৪ (৩) (ঘ) অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালে দায়ের হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে শঙ্কর চন্দ্র মালাকারের বিরুদ্ধে আনা একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি হিজলা উপজেলার বিভিন্ন মৌজার ১ নম্বর খাস খতিয়ানের সরকারি জমি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে অবৈধভাবে খাজনা আদায় করে হোল্ডিং খুলে দিয়ে সরকারের স্বার্থ ক্ষুণ্ন করেছেন এবং ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেন। এবং দুর্নীতিবাজ এই কর্মকর্তার অনুমোদিত ১০৫টি দাখিলার মধ্যে ৮৭ টির মাধ্যমে সরকারের প্রায় দুই হাজার একর খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় অবমুক্ত করা হয়েছে। এতে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নীতিবিবর্জিত এই কর্মকর্তাকে রাজস্ব প্রশাসনে বহাল রাখা জনস্বার্থ ও সরকারি স্বার্থের পরিপন্থী। তাই তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেহাত হওয়া সরকারি খাসজমি দ্রুত সরকারের নিয়ন্ত্রণে ফিরিয়ে আনতে হিজলা উপজেলার সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি বড়াল রূপালী বাংলাদেশকে জানান, সাময়িক বরখাস্ত ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা শঙ্কর চন্দ্র মালাকারকে চূড়ান্ত বরখাস্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) উপজেলা ভূমি অফিসে আদেশ পৌঁছেছে। ওই আদেশের আগেই প্রায় সব খাসজমি উদ্ধার করা হয়। এরপরেও খাসজমি ব্যক্তিমালিকানায় আছে কি না তা তদন্তের জন্য সার্ভেয়ারকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

২৬ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৩
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’
বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগের প্রতিবাদ এবং বাতিলের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিতর্কিত ও শাস্তিপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তারা মেনে নেবেন না।
পরে শিক্ষার্থীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে গিয়ে জানতে পারেন, যোগদানের শেষ দিন হলেও ডা. মনিরুজ্জামান অফিসে উপস্থিত হননি। এরপর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা তার জন্য নির্ধারিত কক্ষের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির হোসেন জানিয়েছেন, যার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে, তাকে বরিশালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।
তার দাবি, ডা. মনিরুজ্জামান যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতা সাদিক আব্দুল্লাহর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন। বরিশালে একজন সৎ, যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ দেওয়া উচিত।
বিএম কলেজের শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেছেন, বরিশালের মানুষ উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার অধিকার রাখে। তাই জনস্বার্থে বিতর্কিত কর্মকর্তাকে অপসারণ করে নতুন সিভিল সার্জন নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন জনস্বার্থে।
কর্মসূচি শেষে শিক্ষার্থীরা দ্রুত ডা. মনিরুজ্জামানের নিয়োগ বাতিল এবং একজন যোগ্য ও বিতর্কমুক্ত কর্মকর্তাকে বরিশালের সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগের দাবি জানান। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।’

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:২৯
আর অল্প কিছুক্ষণ পরেই বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় নির্বাচনি সমাবেশে যোগ দেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারেক রহমানকে বরণ করতে ইতিমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
ইতোমধ্যে বরিশাল নগরের ঐতিহাসিক বেলস্ পার্ক ময়দানে ৪০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬০ ফুট প্রস্থের একটি মঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। সকাল থেকে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে যোগ দিচ্ছেন নেতা কর্মী।
সকাল ১১ টায় সমাবেশ শুরু হওয়ার আগেই ইতিমধ্যেই বেসবার ময়দানের অধিকাংশ এলাকা নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। ১১টার মধ্যেই বেশ পাক ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হবে বলে জানান বিএনপি নেতারা।
বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব মো. জিয়াউদ্দিন সিকদার জিয়া জানান, বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় জনসভায় বেলা ১১টায় প্রধান অতিথি হিসেবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ২০ বছর পর আমাদের প্রিয় নেতা বরিশাল আসছেন। তার আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীসহ বরিশালবাসীর মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে তার আগমন উপলক্ষে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।
এদিকে তারেক রহমান ও জনসভার নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন ।
বরিশাল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার জানান, বিএনপি জনগণের দল, তাই তারেক রহমানের নিরাপত্তা জনগণই নিশ্চিত করবে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, আজকের সমাবেশ হবে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ। বরিশাল যে বিএনপির ঘাঁটি সমাবেশ থেকে এটা প্রমাণ করবে বরিশালের মানুষ।