Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৭

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৬
আমেরিকার ফ্লোরিডায় ট্রাক চাঁপায় এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিহত কবির হোসেন মৃধা (৫৫) বাংলাদেশের বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দক্ষিণ মোড়াকাঠী গ্রামের মৃত মেছের উদ্দিন মৃধার ছোট ছেলে।
রবিবার (২১ জুন) দুপুরে কবির হোসেনের নিকট আত্মীয় হেমায়েত হাওলাদার নিহতের স্ত্রী (আমেরিকায় বসবাসরত) রুমা আক্তারের বরাত দিয়ে বলেন, বিগত ১৫ বছর পূর্বে ডিভি লটারিতে বিজয়ী হয়ে কবির হোসেন আমেরিকায় গমন করেন।
মৃত মেছের উদ্দিন মৃধার পাঁচ মেয়ে ও চার ছেলের মধ্যে কবির হোসেন ছিলেন ছোট। হেমায়েত হাওলাদার আরও বলেন, কবির হোসেনের স্ত্রী ও এক ছেলে সেখানেই (আমেরিকা) বসবাস করেন।
কবির হোসেন আমেরিকার ফ্লোরিডায় ব্যবসা করতেন। ঘটনারদিন ২০ জুন সকাল আটটায় (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ছয়টা) নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়ানো ছিলেন কবির হোসেন। এসময় বেপরোয়াগতির একটি ট্রাকের চাঁপায় ঘটনাস্থলেই তিনি (কবির হোসেন) নিহত হয়েছেন।
হেমায়েত হাওলাদার আরো বলেছেন-জীবিত অবস্থায় কবির হোসেনের ইচ্ছানুযায়ী গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে বাবা ও মায়ের কবরের পাশে তাকে (কবির) দাফন করা হবে। এজন্য আমেরিকা থেকে তার লাশ বাংলাদেশে আনার প্রস্তুতি চলছে। অপরদিকে কবির হোসেন মৃধার নির্মম মৃত্যুর খবর তার গ্রামের বাড়িতে ছড়িয়ে পরলে নিকট আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৩
বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক ছিলেন এক আসামি। অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টিম উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের রানীরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার আল আমিন (৩৫) উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের চরাদি গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, একটি চেক জালিয়াতি মামলায় আদালত আল আমিনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন জানান, আল আমিন ছয় মাস ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বরিশাল জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিকেল তিনটায় নগরীর সদররোডস্থ হোটেল কিং ফিশার হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে জেলা ও উপজেলা শাখার শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে সদস্যদের সমর্থন ও ভোটাভুটির মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটি নির্বাচন করা হয়।
বরিশাল জেলার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক বর্তমান পত্রিকার ব্যুরো চিফ ও বরিশাল বাণীর সম্পাদক মো. মামুন-অর-রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক যায়যায়দিনের ব্যুরো চিফ মো. আরিফুর রহমান খান। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি ও বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি এম.আর প্রিন্স নির্বাচন পরিচালনা করেন।
এতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আবদুস সালাম (স্বাধীনপত্র), মুজিব ফয়সাল (এসএ টিভি), জিহাদ রানা (বাংলাদেশ টুডে), মফিজুর রহমান মিলন (দৈনিক ডেসটিনি), মাসউদ সিকদার (দৈনিক মুক্তখবর), হাবিবুর রহমান (সংবাদ সংস্থা এফটিএন), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম.কে রানা (ভোরের কাগজ), এসএন পলাশ (যুগান্তর), আতিকুর রহমান চৌধুরী (দৈনিক ডেসটিনি), সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন (বিজয় টিভি), সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল শাহীন (দৈনিক আজকের বরিশাল), সহ-সাংগঠনিক পারভেজ সরদার (দৈনিক বর্তমান), দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ (বরিশাল মুখপত্র), সহ-দপ্তর সম্পাদক ইমরান হোসেন (কলমের কণ্ঠ), অর্থ সম্পাদক এইচ এম আসলাম (আজকাল বিডি), সহ-অর্থ সম্পাদক শামীম মীর (আপডেট নিউজ), প্রচার সম্পাদক এম সাইফুল ইসলাম (দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল), সহ-প্রচার সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না (বর্তমান), সাহিত্য সম্পাদক শাওন খান (জাগো নিউজ), আইন বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজ ইসলাম সবুজ ( ঢাকা প্রতিদিন ), সহ-আইন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম (আজকের বরিশাল), জনকল্যাণ সম্পাদক আল আমিন (বরিশালের কথা), সমাজসেবা সম্পাদক মহিউদ্দিন মিলন (বরিশাল বাণী), ক্রীড়া সম্পাদক কামরুল আলম মামুন (দৈনিক ঘোষণা), সহঃ ক্রীড়া সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি (বর্তমান), শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জাকির জমাদ্দার (আজকের বার্তা), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুব্রত কুমার দাস (দৈনিক সত্য সংবাদ), সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল মাহমুদ (আজকের পরিবর্তন), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মালা রাখাইন (দৈনিক নবচেতনা) এবং ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ জাকারিয়া (দৈনিক ঐশিবাণী)।
এছাড়া নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পারভেজ রাসেল (মাই টিভি), মুশফিক সৌরভ (বাংলানিউজ), ফাহিম ফিরোজ (মানবকন্ঠ), এইচ এম হেলাল (বরিশাল সময়), মশিউর রহমান মন্টু (ভোরের অঙ্গীকার), এম জাহিদ (ফর্মাল নিউজ), শাহজাদা হীরা (শাহনামা), মিজানুর রহমান মৃধা (আজকের বরিশাল), অপূর্ব সাইফুল (মুখপত্র), আম্মার হোসেন (আজকের ক্রাইম টাইমস), এস.এম সেলিম (আজকের বরিশাল), আরিফুর রহমান তালুকদার (বরিশাল বার্তা), রাজিব খান (কলমের কন্ঠ), শহীদুল্লাহ সুমন (ক্রাইম নিউজ), সিহাব তোহা (সকাল সংবাদ), মাসুদুর রহমান আসলাম (তালাশ বিডি), এস.এম আল আমিন (আগামীর বাংলাদেশ), লিটন বাইজিদ (বরিশাল জনপদ), লুৎফুর কবির জুয়েল ( অাজকের সুন্দরবন ), মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ (বাংলাদেশ বাণী), মাসুদ রানা (ভোরের আকাশ), খলিফা মাইনুল (দখিনের মুখ), সাইফুল ইসলাম (কান্ট্রি টুডে), ছাব্বির আহমেদ অন্তর (বরিশাল বাণী), মাহফুজ ইসলাম সবুজ (ঢাকা প্রতিদিন), আনোয়ার হোসেন (ক্রাইম নিউজ) এনামুল রানা (দৈনিক সুলতান) এবং আরেফিন পারভেজ (জনবাণী)।
এর আগে বিগত দিনের আয় ব্যায়ের হিসাবে পেশ ও সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্থার বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি এম আর প্রিন্স। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মামুন-অর-রশিদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা শাখার পুণঃনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান খান।
জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা বরিশাল জেলা শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিকেল তিনটায় নগরীর সদররোডস্থ হোটেল কিং ফিশার হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে জেলা ও উপজেলা শাখার শতাধিক সদস্য অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে সদস্যদের সমর্থন ও ভোটাভুটির মাধ্যমে আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটি নির্বাচন করা হয়।
বরিশাল জেলার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক বর্তমান পত্রিকার ব্যুরো চিফ ও বরিশাল বাণীর সম্পাদক মো. মামুন-অর-রশিদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক যায়যায়দিনের ব্যুরো চিফ মো. আরিফুর রহমান খান। জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সহ-সভাপতি ও বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি এম.আর প্রিন্স নির্বাচন পরিচালনা করেন।
এতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আবদুস সালাম (স্বাধীনপত্র), মুজিব ফয়সাল (এসএ টিভি), জিহাদ রানা (বাংলাদেশ টুডে), মফিজুর রহমান মিলন (দৈনিক ডেসটিনি), মাসউদ সিকদার (দৈনিক মুক্তখবর), হাবিবুর রহমান (সংবাদ সংস্থা এফটিএন), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম.কে রানা (ভোরের কাগজ), এসএন পলাশ (যুগান্তর), আতিকুর রহমান চৌধুরী (দৈনিক ডেসটিনি), সহ-সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন (বিজয় টিভি), সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল শাহীন (দৈনিক আজকের বরিশাল), সহ-সাংগঠনিক পারভেজ সরদার (দৈনিক বর্তমান), দপ্তর সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ (বরিশাল মুখপত্র), সহ-দপ্তর সম্পাদক ইমরান হোসেন (কলমের কণ্ঠ), অর্থ সম্পাদক এইচ এম আসলাম (আজকাল বিডি), সহ-অর্থ সম্পাদক শামীম মীর (আপডেট নিউজ), প্রচার সম্পাদক এম সাইফুল ইসলাম (দৈনিক দক্ষিণাঞ্চল), সহ-প্রচার সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না (বর্তমান), সাহিত্য সম্পাদক শাওন খান (জাগো নিউজ), আইন বিষয়ক সম্পাদক মাহফুজ ইসলাম সবুজ ( ঢাকা প্রতিদিন ), সহ-আইন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম (আজকের বরিশাল), জনকল্যাণ সম্পাদক আল আমিন (বরিশালের কথা), সমাজসেবা সম্পাদক মহিউদ্দিন মিলন (বরিশাল বাণী), ক্রীড়া সম্পাদক কামরুল আলম মামুন (দৈনিক ঘোষণা), সহঃ ক্রীড়া সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি (বর্তমান), শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক জাকির জমাদ্দার (আজকের বার্তা), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সুব্রত কুমার দাস (দৈনিক সত্য সংবাদ), সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক জুয়েল মাহমুদ (আজকের পরিবর্তন), মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মালা রাখাইন (দৈনিক নবচেতনা) এবং ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ জাকারিয়া (দৈনিক ঐশিবাণী)।
এছাড়া নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন পারভেজ রাসেল (মাই টিভি), মুশফিক সৌরভ (বাংলানিউজ), ফাহিম ফিরোজ (মানবকন্ঠ), এইচ এম হেলাল (বরিশাল সময়), মশিউর রহমান মন্টু (ভোরের অঙ্গীকার), এম জাহিদ (ফর্মাল নিউজ), শাহজাদা হীরা (শাহনামা), মিজানুর রহমান মৃধা (আজকের বরিশাল), অপূর্ব সাইফুল (মুখপত্র), আম্মার হোসেন (আজকের ক্রাইম টাইমস), এস.এম সেলিম (আজকের বরিশাল), আরিফুর রহমান তালুকদার (বরিশাল বার্তা), রাজিব খান (কলমের কন্ঠ), শহীদুল্লাহ সুমন (ক্রাইম নিউজ), সিহাব তোহা (সকাল সংবাদ), মাসুদুর রহমান আসলাম (তালাশ বিডি), এস.এম আল আমিন (আগামীর বাংলাদেশ), লিটন বাইজিদ (বরিশাল জনপদ), লুৎফুর কবির জুয়েল ( অাজকের সুন্দরবন ), মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ (বাংলাদেশ বাণী), মাসুদ রানা (ভোরের আকাশ), খলিফা মাইনুল (দখিনের মুখ), সাইফুল ইসলাম (কান্ট্রি টুডে), ছাব্বির আহমেদ অন্তর (বরিশাল বাণী), মাহফুজ ইসলাম সবুজ (ঢাকা প্রতিদিন), আনোয়ার হোসেন (ক্রাইম নিউজ) এনামুল রানা (দৈনিক সুলতান) এবং আরেফিন পারভেজ (জনবাণী)।
এর আগে বিগত দিনের আয় ব্যায়ের হিসাবে পেশ ও সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্থার বরিশাল বিভাগীয় সভাপতি এম আর প্রিন্স। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা শাখার সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মামুন-অর-রশিদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা শাখার পুণঃনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুর রহমান খান।
আমেরিকার ফ্লোরিডায় ট্রাক চাঁপায় এক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। নিহত কবির হোসেন মৃধা (৫৫) বাংলাদেশের বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দক্ষিণ মোড়াকাঠী গ্রামের মৃত মেছের উদ্দিন মৃধার ছোট ছেলে।
রবিবার (২১ জুন) দুপুরে কবির হোসেনের নিকট আত্মীয় হেমায়েত হাওলাদার নিহতের স্ত্রী (আমেরিকায় বসবাসরত) রুমা আক্তারের বরাত দিয়ে বলেন, বিগত ১৫ বছর পূর্বে ডিভি লটারিতে বিজয়ী হয়ে কবির হোসেন আমেরিকায় গমন করেন।
মৃত মেছের উদ্দিন মৃধার পাঁচ মেয়ে ও চার ছেলের মধ্যে কবির হোসেন ছিলেন ছোট। হেমায়েত হাওলাদার আরও বলেন, কবির হোসেনের স্ত্রী ও এক ছেলে সেখানেই (আমেরিকা) বসবাস করেন।
কবির হোসেন আমেরিকার ফ্লোরিডায় ব্যবসা করতেন। ঘটনারদিন ২০ জুন সকাল আটটায় (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ছয়টা) নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়ানো ছিলেন কবির হোসেন। এসময় বেপরোয়াগতির একটি ট্রাকের চাঁপায় ঘটনাস্থলেই তিনি (কবির হোসেন) নিহত হয়েছেন।
হেমায়েত হাওলাদার আরো বলেছেন-জীবিত অবস্থায় কবির হোসেনের ইচ্ছানুযায়ী গ্রামের বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে বাবা ও মায়ের কবরের পাশে তাকে (কবির) দাফন করা হবে। এজন্য আমেরিকা থেকে তার লাশ বাংলাদেশে আনার প্রস্তুতি চলছে। অপরদিকে কবির হোসেন মৃধার নির্মম মৃত্যুর খবর তার গ্রামের বাড়িতে ছড়িয়ে পরলে নিকট আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক মাসের সাজা এড়াতে ছয় মাস পলাতক ছিলেন এক আসামি। অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টিম উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের রানীরহাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার আল আমিন (৩৫) উপজেলার চরাদি ইউনিয়নের চরাদি গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, একটি চেক জালিয়াতি মামলায় আদালত আল আমিনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন জানান, আল আমিন ছয় মাস ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।