পটুয়াখালীর বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে রমিজ মৃধা নামের চল্লিশোর্ধ্ব এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার পর চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহত রমিজ মৃধার স্ত্রীর অভিযোগ, জাতীয় নির্বাচনপরবর্তী সময় থেকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জামায়াত নেতা কামাল এবং তার ছেলে রমিজের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় শনিবার সন্ধ্যার পর কয়েকজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী পেছন থেকে আকস্মিকভাবে রমিজ মৃধার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠে ও হাতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
তিনি আরও জানান, সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রমিজ মৃধার বাম হাতের একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পিঠে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসার জন্য দ্রুত বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। হামলায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
তবে রমিজ মৃধাকে কোপানো এবং চাঁদা দাবির বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা কামাল ও তার ছেলের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ বাউফল হাসপাতালে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

১০ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৫৮
পটুয়াখালীর নির্মাণাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) প্রধান ফটকের সামনে থেকে আব্বাস সিকদার (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের ধারণা, মারধরের শিকার হয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে নির্মাণাধীন ইপিজেডের প্রধান ফটকসংলগ্ন মহাসড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় একটি মারামারির ঘটনার পর গত দুই দিন ধরে বাড়িতে ছিলেন না আব্বাস। শুক্রবার রাতে এক অটোরিকশাচালক তার চাচা শাহজালালকে ফোন করে জানান, ইপিজেডের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
এদিকে আব্বাসের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে মারধর করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন। তবে এ ঘটনায় হত্যার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করছেন স্বজনেরা।
নিহত আব্বাস সিকদার পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের মো. রফিক সিকদারের ছেলে। তিনি আগে কলেজে পড়াশোনা করলেও বর্তমানে কোনো পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
আব্বাসের বাবা রফিক সিকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি এলাকায় মেম্বারী নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ফেসবুকে এর পোস্টার ছাড়তেই শত্রুতা বেড়ে গেছে। তাই এলাকায় একটা মহলের সঙ্গে ওর দ্বন্দ্ব ছিল। পরিকল্পিত এ ঘটনায় আমি জড়িতদের বিচার চাই।’
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
পটুয়াখালীর নির্মাণাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) প্রধান ফটকের সামনে থেকে আব্বাস সিকদার (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের ধারণা, মারধরের শিকার হয়ে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত ২টার দিকে পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নে নির্মাণাধীন ইপিজেডের প্রধান ফটকসংলগ্ন মহাসড়কের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় একটি মারামারির ঘটনার পর গত দুই দিন ধরে বাড়িতে ছিলেন না আব্বাস। শুক্রবার রাতে এক অটোরিকশাচালক তার চাচা শাহজালালকে ফোন করে জানান, ইপিজেডের সামনে আব্বাস অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছেন। খবর পেয়ে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান।
এদিকে আব্বাসের মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ তাকে মারধর করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন। তবে এ ঘটনায় হত্যার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করছেন স্বজনেরা।
নিহত আব্বাস সিকদার পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পচাকোড়ালিয়া গ্রামের মো. রফিক সিকদারের ছেলে। তিনি আগে কলেজে পড়াশোনা করলেও বর্তমানে কোনো পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বলে জানা গেছে।
আব্বাসের বাবা রফিক সিকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি এলাকায় মেম্বারী নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। ফেসবুকে এর পোস্টার ছাড়তেই শত্রুতা বেড়ে গেছে। তাই এলাকায় একটা মহলের সঙ্গে ওর দ্বন্দ্ব ছিল। পরিকল্পিত এ ঘটনায় আমি জড়িতদের বিচার চাই।’
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:১১
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে আব্দুল জলিল (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত জলিল পেশায় একজন জেলে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এ সাজা দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জলিল কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইনসান উদ্দিনের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি টিকটকে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে সেনাবাহিনীর পোশাক পরা ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন।
সম্প্রতি বাগেরহাট এলাকার এক তরুণীর সঙ্গেও একইভাবে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন জলিল। পরে ওই তরুণীকে কুয়াকাটায় নিয়ে আসেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে তরুণীর পরিবারের সদস্যরা কুয়াকাটায় এসে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেন।
ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা মনির বলেন, সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে ওই যুবক তার মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তারা খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে তাদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে ওই যুবক মেয়েকে নিয়ে কুয়াকাটায় আসার খবর তার এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারেন। এরপর তারা কুয়াকাটায় এসে তাদের শনাক্ত করেন। পরে জানতে পারেন, ওই যুবক আসলে সেনাবাহিনীর সদস্য নন, তিনি একজন জেলে।
জলিলের স্ত্রী তামান্না বলেন, তার স্বামী এর আগেও একাধিক তরুণীর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। একবার নারায়ণগঞ্জ থেকে এক তরুণীকে কুয়াকাটার ওয়ানস্টার হোটেলে এনে রাখার ঘটনাও তারা জানতে পারেন। পরে ওই তরুণীর স্বজনরা এসে তাকে নিয়ে যান। তাদের পাঁচ বছরের সংসারে দুই বছরের একটি সন্তান রয়েছে। স্বামীর কারণে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হোটেল মারওয়ার ম্যানেজার আতিকুর রহমান বলেন, বুধবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে জলিল হোটেলের স্টাফের মাধ্যমে একটি কক্ষ বুকিং নিয়ে প্রবেশ করেন। হোটেলের নিয়ম অনুযায়ী তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে পুলিশ এসে জলিলকে আটক করে। তখন তারা জানতে পারেন, তিনি ওই তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কের কথা বলে প্রতারণা করেছেন এবং নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়েছেন।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদিক বলেন, এসআই মাসুদের সহযোগিতায় কুয়াকাটার হোটেল মারওয়া থেকে জলিলকে আটক করা হয়। তিনি নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য ও কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগেও এমন আরও দুটি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তার স্ত্রীও সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা বা সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রতারণার তথ্য পেলে প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।’
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে আব্দুল জলিল (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত জলিল পেশায় একজন জেলে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এ সাজা দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জলিল কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইনসান উদ্দিনের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি টিকটকে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে সেনাবাহিনীর পোশাক পরা ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন।
সম্প্রতি বাগেরহাট এলাকার এক তরুণীর সঙ্গেও একইভাবে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন জলিল। পরে ওই তরুণীকে কুয়াকাটায় নিয়ে আসেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে তরুণীর পরিবারের সদস্যরা কুয়াকাটায় এসে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেন।
ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা মনির বলেন, সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে ওই যুবক তার মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তারা খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে তাদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে ওই যুবক মেয়েকে নিয়ে কুয়াকাটায় আসার খবর তার এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারেন। এরপর তারা কুয়াকাটায় এসে তাদের শনাক্ত করেন। পরে জানতে পারেন, ওই যুবক আসলে সেনাবাহিনীর সদস্য নন, তিনি একজন জেলে।
জলিলের স্ত্রী তামান্না বলেন, তার স্বামী এর আগেও একাধিক তরুণীর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। একবার নারায়ণগঞ্জ থেকে এক তরুণীকে কুয়াকাটার ওয়ানস্টার হোটেলে এনে রাখার ঘটনাও তারা জানতে পারেন। পরে ওই তরুণীর স্বজনরা এসে তাকে নিয়ে যান। তাদের পাঁচ বছরের সংসারে দুই বছরের একটি সন্তান রয়েছে। স্বামীর কারণে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হোটেল মারওয়ার ম্যানেজার আতিকুর রহমান বলেন, বুধবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে জলিল হোটেলের স্টাফের মাধ্যমে একটি কক্ষ বুকিং নিয়ে প্রবেশ করেন। হোটেলের নিয়ম অনুযায়ী তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে পুলিশ এসে জলিলকে আটক করে। তখন তারা জানতে পারেন, তিনি ওই তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কের কথা বলে প্রতারণা করেছেন এবং নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়েছেন।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদিক বলেন, এসআই মাসুদের সহযোগিতায় কুয়াকাটার হোটেল মারওয়া থেকে জলিলকে আটক করা হয়। তিনি নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য ও কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগেও এমন আরও দুটি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তার স্ত্রীও সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা বা সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রতারণার তথ্য পেলে প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।’

০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৪৬
দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু তালুকদার এবং কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের সাংগঠনিক পদ স্থগিত করেছে জেলা বিএনপি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) পৃথক চিঠিতে তাদের পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশ্যে আসে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দুজনের নিজ নিজ সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান চুন্নুর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে এক মা ও শিশুকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি নিয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে পর্যালোচনার পর তার বিরুদ্ধে পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধরন ভিন্ন। আদালতে বিচারাধীন এবং নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা একটি জমি-সংক্রান্ত বিরোধে দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত ৩ অক্টোবর তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা বিএনপি।
নোটিশে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জেলা বিএনপি বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলা, সাংগঠনিক আচরণ ও দলের ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে জারি করা ওই নোটিশে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র, সাক্ষী ও অন্যান্য প্রমাণসহ দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে অনুপস্থিতিতেই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছিল।
কারণ দর্শানোর সেই প্রক্রিয়ার পরই জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে দুজনের পদ স্থগিত করা হলো। জেলা বিএনপির চিঠি অনুযায়ী, দলের ভাবমূর্তি রক্ষা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
মো. মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, আদালতে চলমান মামলার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। পরে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। জেলা বিএনপির দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু তালুকদার এবং কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের সাংগঠনিক পদ স্থগিত করেছে জেলা বিএনপি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) পৃথক চিঠিতে তাদের পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশ্যে আসে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দুজনের নিজ নিজ সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান চুন্নুর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে এক মা ও শিশুকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি নিয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে পর্যালোচনার পর তার বিরুদ্ধে পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধরন ভিন্ন। আদালতে বিচারাধীন এবং নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা একটি জমি-সংক্রান্ত বিরোধে দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত ৩ অক্টোবর তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা বিএনপি।
নোটিশে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জেলা বিএনপি বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলা, সাংগঠনিক আচরণ ও দলের ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে জারি করা ওই নোটিশে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র, সাক্ষী ও অন্যান্য প্রমাণসহ দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে অনুপস্থিতিতেই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছিল।
কারণ দর্শানোর সেই প্রক্রিয়ার পরই জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে দুজনের পদ স্থগিত করা হলো। জেলা বিএনপির চিঠি অনুযায়ী, দলের ভাবমূর্তি রক্ষা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
মো. মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, আদালতে চলমান মামলার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। পরে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। জেলা বিএনপির দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১০:৩০
পটুয়াখালীর বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে রমিজ মৃধা নামের চল্লিশোর্ধ্ব এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যার পর চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে প্রেরণ করে।
আহত রমিজ মৃধার স্ত্রীর অভিযোগ, জাতীয় নির্বাচনপরবর্তী সময় থেকে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের জামায়াত নেতা কামাল এবং তার ছেলে রমিজের কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় শনিবার সন্ধ্যার পর কয়েকজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী পেছন থেকে আকস্মিকভাবে রমিজ মৃধার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পিঠে ও হাতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
তিনি আরও জানান, সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রমিজ মৃধার বাম হাতের একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পিঠে মারাত্মক ক্ষত সৃষ্টি হয়। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকলে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসার জন্য দ্রুত বরিশালে স্থানান্তর করা হয়।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। হামলায় জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা।
তবে রমিজ মৃধাকে কোপানো এবং চাঁদা দাবির বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা কামাল ও তার ছেলের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া সম্ভব হয়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিরাজুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ বাউফল হাসপাতালে গিয়ে আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:০৭
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩২
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:২২
১২ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:০৬