
১৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:০৬
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে কয়েকদিনের ব্যবধানে আবারও ভেসে এলো মৃত ডলফিন। প্রায় ৬ ফুট দৈর্ঘ্যের এ ডলফিনটি ইরাবতী প্রজাতির। এর পুরো শরীরে চামড়া উঠানো। ডলফিনটি দেখার জন্য স্থানীয়সহ ঘুরতে আসা পর্যটকরাও ভিড় জমিয়েছেন সৈকতে।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে কুয়াকাটা সৈকত থেকে ২ কিলোমিটার পূর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ডলফিনটি দেখতে পান উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন'র (উপরা) সদস্য কে এম বাচ্চু। তিনি বলেন, আগের তুলনায় ডলফিনের মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও এখনও নিয়মিত এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে। আমরা চাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা সংস্থা এই মৃত্যুর কারণ নিয়ে আরও গভীরভাবে অনুসন্ধান করুক।
ডলফিন শুধু সমুদ্রের প্রাণী নয়, এটি সমুদ্র পরিবেশের স্বাস্থ্য ও ভারসাম্যের এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ডলফিনের উপস্থিতি সমুদ্রের ইকোসিস্টেমকে সুস্থ রাখে, মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যকে সুরক্ষা দেয় এবং স্থানীয় পর্যটন ও জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রেও অবদান রাখে।
উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (উপরা) এই অঞ্চলের মানুষদের সচেতন করতে এবং সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। আহ্বায়ক কে এম বাচ্চু বলেন, ডলফিন রক্ষা মানে আমাদের উপকূলের পরিবেশ রক্ষা করা। এটি একপ্রকার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ। যা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য।
সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক বখতিয়ার রহমান বলেন, এটি মূলত ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন (Orcaella brevirostris)। রক্তাক্ত দাগ থেকে দেখা যায়, নৌযান, মাছ ধরার যন্ত্র ও জেলেদের কার্যক্রমই মৃত্যুর মূল কারণ।
নদী ও মোহনার দূষিত পানি যেমন শিল্প বর্জ্য, প্লাস্টিক ও তেল ও হুমকি সৃষ্টি করছে। গবেষকরা স্থানীয় সচেতনতা বৃদ্ধির এবং ডলফিন অভয়ারণ্য এলাকায় জাল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কুয়াকাটার জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত থাকে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, আমরা উপকূলজুড়ে কাজ করছি ডলফিন রক্ষায়। ২০২৫ সালে এ পর্যন্ত ৬ টি ডলফিন মৃত অবস্থায় দেখা মিলেছে সমুদ্রসৈকতে। আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। যাতে এই ডলফিনগুলোর মৃত্যুর সঠিক কারণ খুঁজে বের করা হয়।
বনবিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা কে এম মনিরুজ্জামান বলেন, মাত্রই আমরা খবর পেলাম। ঘটনাস্থলে টিম পাঠানো হয়েছে মৃত ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। যাতে দুর্গন্ধ ছড়াতে না পারে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে কয়েকদিনের ব্যবধানে আবারও ভেসে এলো মৃত ডলফিন। প্রায় ৬ ফুট দৈর্ঘ্যের এ ডলফিনটি ইরাবতী প্রজাতির। এর পুরো শরীরে চামড়া উঠানো। ডলফিনটি দেখার জন্য স্থানীয়সহ ঘুরতে আসা পর্যটকরাও ভিড় জমিয়েছেন সৈকতে।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে কুয়াকাটা সৈকত থেকে ২ কিলোমিটার পূর্বদিকে ঝাউবন এলাকায় ডলফিনটি দেখতে পান উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন'র (উপরা) সদস্য কে এম বাচ্চু। তিনি বলেন, আগের তুলনায় ডলফিনের মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও এখনও নিয়মিত এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে। আমরা চাই সরকার ও সংশ্লিষ্ট গবেষণা সংস্থা এই মৃত্যুর কারণ নিয়ে আরও গভীরভাবে অনুসন্ধান করুক।
ডলফিন শুধু সমুদ্রের প্রাণী নয়, এটি সমুদ্র পরিবেশের স্বাস্থ্য ও ভারসাম্যের এক গুরুত্বপূর্ণ সূচক। ডলফিনের উপস্থিতি সমুদ্রের ইকোসিস্টেমকে সুস্থ রাখে, মাছ ও অন্যান্য সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যকে সুরক্ষা দেয় এবং স্থানীয় পর্যটন ও জীবিকা নির্বাহের ক্ষেত্রেও অবদান রাখে।
উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (উপরা) এই অঞ্চলের মানুষদের সচেতন করতে এবং সমুদ্রের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করছে। আহ্বায়ক কে এম বাচ্চু বলেন, ডলফিন রক্ষা মানে আমাদের উপকূলের পরিবেশ রক্ষা করা। এটি একপ্রকার প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ। যা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য অপরিহার্য।
সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক বখতিয়ার রহমান বলেন, এটি মূলত ইরাবতী প্রজাতির ডলফিন (Orcaella brevirostris)। রক্তাক্ত দাগ থেকে দেখা যায়, নৌযান, মাছ ধরার যন্ত্র ও জেলেদের কার্যক্রমই মৃত্যুর মূল কারণ।
নদী ও মোহনার দূষিত পানি যেমন শিল্প বর্জ্য, প্লাস্টিক ও তেল ও হুমকি সৃষ্টি করছে। গবেষকরা স্থানীয় সচেতনতা বৃদ্ধির এবং ডলফিন অভয়ারণ্য এলাকায় জাল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কুয়াকাটার জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত থাকে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, আমরা উপকূলজুড়ে কাজ করছি ডলফিন রক্ষায়। ২০২৫ সালে এ পর্যন্ত ৬ টি ডলফিন মৃত অবস্থায় দেখা মিলেছে সমুদ্রসৈকতে। আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। যাতে এই ডলফিনগুলোর মৃত্যুর সঠিক কারণ খুঁজে বের করা হয়।
বনবিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা কে এম মনিরুজ্জামান বলেন, মাত্রই আমরা খবর পেলাম। ঘটনাস্থলে টিম পাঠানো হয়েছে মৃত ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। যাতে দুর্গন্ধ ছড়াতে না পারে।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২২
পটুয়াখালীর বাউফলে ফুটন্ত ভাতের পাতিল ঢেলে এক গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দগ্ধ গৃহবধূকে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা খারাপ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শারমিন বেগম কর্পূরকাঠী গ্রামের দুলাল প্যাদার স্ত্রী। অভিযুক্ত সালমা বেগম তার (স্বামীর বোন) ননদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় শারমিন বেগম রান্নাঘরে ভাত রান্না করছিলেন এবং সবজি কাটছিলেন। এ সময় ননদ সালমা বেগমের সাথে তুচ্ছ ঘটনায় বাকবিতন্ডা হয়। হঠাৎ ফুটন্ত ভাতের পাতিল তার শরীরের ওপর ঢেলে দেন। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহতের স্বামী দুলাল প্যাদা বলেন, “আমার বোন সালমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। হঠাৎ করেই সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শারমিন বেগমের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে ফুটন্ত ভাতের পাতিল ঢেলে এক গৃহবধূকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার ননদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দগ্ধ গৃহবধূকে প্রথমে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থা খারাপ দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কর্পূরকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত শারমিন বেগম কর্পূরকাঠী গ্রামের দুলাল প্যাদার স্ত্রী। অভিযুক্ত সালমা বেগম তার (স্বামীর বোন) ননদ।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় শারমিন বেগম রান্নাঘরে ভাত রান্না করছিলেন এবং সবজি কাটছিলেন। এ সময় ননদ সালমা বেগমের সাথে তুচ্ছ ঘটনায় বাকবিতন্ডা হয়। হঠাৎ ফুটন্ত ভাতের পাতিল তার শরীরের ওপর ঢেলে দেন। এতে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহতের স্বামী দুলাল প্যাদা বলেন, “আমার বোন সালমা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। হঠাৎ করেই সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।”
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শারমিন বেগমের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনা স্থানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৯
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘুমন্ত বাবাকে ঘরের সিল-পাটা দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে মাদকাশক্ত ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে (৩৪) আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত উত্তম দেবনাথ (৬০) পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস দেবনাথ ঘরের ভেতরে এবং স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমাচ্ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুক্রবার ভোরে তাপস দেবনাথ ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা শিল-পাটা দিয়ে বাবার মাথার ডান পাশে সজোরে আঘাত করেন। উত্তম দেবনাথের চিৎকার শুনে তার স্ত্রী ঘরে এসে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি প্রতিবেশীদের ডাকলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে উত্তম দেবনাথকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন।
স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তাপস দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মানসিক ভারসাম্যহীন আচরণ করতেন।
খবর পেয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।’
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে ঘুমন্ত বাবাকে ঘরের সিল-পাটা দিয়ে আঘাত করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে মাদকাশক্ত ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছেলে তাপস দেবনাথকে (৩৪) আটক করেছে পুলিশ।শুক্রবার (৩ জুলাই) ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে উপজেলার পূর্ব সুবিদখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত উত্তম দেবনাথ (৬০) পূর্ব সুবিদখালী গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত মহেন্দ্র দেবনাথের ছেলে। তিনি পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে পরিবারের সদস্যরা খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। উত্তম দেবনাথ ও তার ছেলে তাপস দেবনাথ ঘরের ভেতরে এবং স্ত্রী কানন দেবনাথ ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমাচ্ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, শুক্রবার ভোরে তাপস দেবনাথ ঘুম থেকে উঠে ঘরে থাকা শিল-পাটা দিয়ে বাবার মাথার ডান পাশে সজোরে আঘাত করেন। উত্তম দেবনাথের চিৎকার শুনে তার স্ত্রী ঘরে এসে স্বামীকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি প্রতিবেশীদের ডাকলে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে উত্তম দেবনাথকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং পুলিশে খবর দেন।
স্বজন ও স্থানীয়দের দাবি, তাপস দেবনাথ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মানসিক ভারসাম্যহীন আচরণ করতেন।
খবর পেয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে জানান, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে তাপস দেবনাথকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিষয়ে বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের নেতাবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাকসুদ আহম্মেদ বায়জীদ পান্না এর সভাপতিত্বে ও জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আল আমিন সুজনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান পটুয়াখালী-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাস্ট্র মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
সভায় প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট সর্বোউচ্চ বাজেট। এ বাজেট দেশের উন্নয়নে ও মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। এ বাজেট দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। এতে দেশের উন্নয়ন যেমন হবে, তেমনি মানুষের কল্যাণ হবে।
তাই বিএনপি সরকারের জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যারা ভোট দিয়েছেন, যারা দেননি এবং যারা বিরোধীতা করেছেন আমি এখন সবার এমপি। বিএনপি সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষকেই দেখভাল করছে এবং করবে। এ সময় বিএনপির শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জেলা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল আজম রঞ্জু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম কিবরিয়া মৃধা, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি একেএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক রাস্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর প্রধান লায়লা ইয়াসমিন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জেসমিন জাফর, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিচুর রহমান ও লাউকাঠি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ প্রমুখ।
বরিশাল টাইমস
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিষয়ে বিএনপি ও এর সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের নেতাবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহষ্পতিবার (২ জুলাই) বেলা ১১ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাকসুদ আহম্মেদ বায়জীদ পান্না এর সভাপতিত্বে ও জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আল আমিন সুজনের পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির অন্যতম ভাইস চেয়ারম্যান পটুয়াখালী-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য সাবেক স্বরাস্ট্র মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
সভায় প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদ সদস্য আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের ঘোষিত জাতীয় বাজেট সর্বোউচ্চ বাজেট। এ বাজেট দেশের উন্নয়নে ও মানুষের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে। এ বাজেট দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নে কাজ করবে। এতে দেশের উন্নয়ন যেমন হবে, তেমনি মানুষের কল্যাণ হবে।
তাই বিএনপি সরকারের জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে বিএনপি ও তার সকল অঙ্গ সংগঠন সমূহের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদেরকে আন্তরিকভাবে সহযোগীতা করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের সময় যারা ভোট দিয়েছেন, যারা দেননি এবং যারা বিরোধীতা করেছেন আমি এখন সবার এমপি। বিএনপি সরকার দেশের ২০ কোটি মানুষকেই দেখভাল করছে এবং করবে। এ সময় বিএনপির শত শত নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জেলা বারের সাবেক সভাপতি অ্যাভোকেট ওয়াহিদ সরোয়ার কালাম, বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. সাইফুল আজম রঞ্জু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার গোলাম কিবরিয়া মৃধা, জেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি একেএম কলেজের সহকারী অধ্যাপক রাস্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ এর প্রধান লায়লা ইয়াসমিন তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক জেসমিন জাফর, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাবেক কাউন্সিলর সৈয়দ মোস্তাফিজুর রহমান রুমী, জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আনিচুর রহমান ও লাউকাঠি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মো. হাফিজুর রহমান হাফিজ প্রমুখ।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৫ জুলাই, ২০২৬ ০০:২৪
০৪ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৫
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২২
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:১৭