
০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্স ও চিকিৎসকদের অবহেলার কারনে এক নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তোভোগী দম্পতি পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাব্বির সিকদারের স্ত্রী ইতি বেগম (২২)। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নবজাতকের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত আড়াইটার দিকে প্রসব বেদনা শুরু হলে ইতি বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্বজনেরা। এসময় জরুরি বিভাগে কোনো চিকিৎসক বা সহায়তাকারী কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন না। রোগীকে স্থানান্তরের জন্য কোনো ট্রলি বা লোকজনও পাওয়া যায়নি। পরে স্বজনরাই নিজ উদ্যোগে তাকে ওপরের তলায় নার্সদের রুমে নিয়ে যান।
অভিযোগে আরও জানা যায়, ডেলিভারি রুমে ভর্তি করার পর সারারাত ইতি বেগমের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলেও নার্সরা দায়িত্বরত চিকিৎসককে বিষয়টি জানাননি বা ফোন করেননি। পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেয়ে সকালে ডেলিভারি করানোর পর নবজাতককে মৃত ঘোষণা করা হয়।
মৃত্যু নবজাতকের বাবা সাব্বির সিকদার অভিযোগ করে বলেন, “রাতে কোনো চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই আমার সন্তান মারা গেছে। নার্সদের বারবার অনুরোধ করা হলেও তারা ডাক্তারকে ফোন দেয়নি বা সহযোগিতা করেনি।”
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাতে জরুরি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন চিকিৎসক ফাতেমা বেগম যুথী। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টারে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় শিরিন এবং শিপ্রা নামের দুইজন নার্স হাসপাতালে দায়িত্বে ছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স শিরিন বেগম বরিশালটাইমসকে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী জরুরি রোগী এলে আগে ভর্তি করতে হয়, তারপর চিকিৎসক দেখেন। আমি তো ডাক্তার না। ডাক্তারের নির্দেশ ছাড়া কোনো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়। ডেলিভারি ব্যথা বেশি ছিল, সেটা আমি দেখেছি।
রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক ফাতেমা বেগম যুথী বলেন, “রাতে কোনো রোগী আসার বিষয়ে আমি অবগত ছিলাম না। সকালে রোগীর কথা জানতে পারি এবং তখন কোনো ভর্তি কাগজও ছিল না। পরে ভর্তি করে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করলে দেখা যায়, নবজাতক আর জীবিত নেই।”
তবে এই বিয়োগান্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাননি দাবি করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রউফ। তিনি বরিশালটােইমসকে বলেন, রোগীর পরিবার অভিযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নার্স ও চিকিৎসকদের অবহেলার কারনে এক নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তোভোগী দম্পতি পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাব্বির সিকদারের স্ত্রী ইতি বেগম (২২)। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নবজাতকের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত আড়াইটার দিকে প্রসব বেদনা শুরু হলে ইতি বেগমকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় স্বজনেরা। এসময় জরুরি বিভাগে কোনো চিকিৎসক বা সহায়তাকারী কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন না। রোগীকে স্থানান্তরের জন্য কোনো ট্রলি বা লোকজনও পাওয়া যায়নি। পরে স্বজনরাই নিজ উদ্যোগে তাকে ওপরের তলায় নার্সদের রুমে নিয়ে যান।
অভিযোগে আরও জানা যায়, ডেলিভারি রুমে ভর্তি করার পর সারারাত ইতি বেগমের অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলেও নার্সরা দায়িত্বরত চিকিৎসককে বিষয়টি জানাননি বা ফোন করেননি। পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেয়ে সকালে ডেলিভারি করানোর পর নবজাতককে মৃত ঘোষণা করা হয়।
মৃত্যু নবজাতকের বাবা সাব্বির সিকদার অভিযোগ করে বলেন, “রাতে কোনো চিকিৎসা না পাওয়ার কারণেই আমার সন্তান মারা গেছে। নার্সদের বারবার অনুরোধ করা হলেও তারা ডাক্তারকে ফোন দেয়নি বা সহযোগিতা করেনি।”
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাতে জরুরি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন চিকিৎসক ফাতেমা বেগম যুথী। তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোয়ার্টারে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় শিরিন এবং শিপ্রা নামের দুইজন নার্স হাসপাতালে দায়িত্বে ছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত সিনিয়র নার্স শিরিন বেগম বরিশালটাইমসকে বলেন, নিয়ম অনুযায়ী জরুরি রোগী এলে আগে ভর্তি করতে হয়, তারপর চিকিৎসক দেখেন। আমি তো ডাক্তার না। ডাক্তারের নির্দেশ ছাড়া কোনো চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়। ডেলিভারি ব্যথা বেশি ছিল, সেটা আমি দেখেছি।
রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক ফাতেমা বেগম যুথী বলেন, “রাতে কোনো রোগী আসার বিষয়ে আমি অবগত ছিলাম না। সকালে রোগীর কথা জানতে পারি এবং তখন কোনো ভর্তি কাগজও ছিল না। পরে ভর্তি করে আল্ট্রাসনোগ্রাফি করলে দেখা যায়, নবজাতক আর জীবিত নেই।”
তবে এই বিয়োগান্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাননি দাবি করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রউফ। তিনি বরিশালটােইমসকে বলেন, রোগীর পরিবার অভিযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯