
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৫
বরগুনার পাথরঘাটায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার ওপর হামলা চালিয়ে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলের দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের হাড়িটানা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে পাথরঘাটা শহরে লাঠি হাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জামায়াত সমর্থকরা।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হামলার শিকার ওই নেতার নাম, নাসির উদ্দিন। তিনি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের অর্থ সম্পাদক। পরে রাতে পাথরঘাটা পৌরশহরে হামলাকারীর শাস্তির দাবিতে মিছিল করা হয়।
জামায়াত নেতাকর্মীদের দাবি, হামলাকারী নুর আলম স্থানীয় বিএনপির সমর্থক, তবে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি বিএনপির কোনো পদে নেই বলে জানিয়েছেন পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নারী কর্মী দলীয় কাজে পাথারঘাটার হাড়িটানা এলাকায় যান। এসময় নুর আলমের বাড়ির সামনে পৌঁছালে তিনি তাদের ধাওয়া করেন। পরে বিষয়টি জানতে নাসির উদ্দিন এগিয়ে এলে তার ওপরও হামলা চালান নুর আলম।
এতে নাসিরে পা ভেঙে যায়। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা নাসির উদ্দিনকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান।
এদিকে এ ঘটনার পরপরই রাতে পাথারঘাটা শহরে জামায়াত নেতা নাসির উদ্দিনের ওপর হামলার প্রতিবাদে লাঠি মিছিল করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে থাকা বিভিন্ন ধরনের লাঠিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বেঁধে মিছিল করেন তারা।
নির্বাচনের আগমুহূর্তে লাঠি হাতে স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে জানতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ওসি) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত জাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার মোবাইলে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হামলার বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাসুদুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, নাসিরের ওপর হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি নুর আলম বিএনপির কর্মী। ক্ষমতার মোহে জামায়াতকে নির্মূল করতে এ হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে আহত নাসিরকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
লাঠি হাতে প্রতিবাদ মিছিলের বিষয়ে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিনের স্বজন ও এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা এ মিছিল করে। মিছিলে দলের কোনো ব্যানার ছিল না।
হামলার বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক চৌধুরী মো. ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, এটি সম্পূর্ণ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের দলীয় কোনো বিষয় নেই। হয়ত ব্যক্তিগত কোনো আক্রোশ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত নুর আলম আমাদের দলীয় কেউ না। সে বিএনপির সমর্থক হতে পারে, তবে কোনো কমিটিতে তার নাম নেই।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বলেন, প্রাথমিকভাবে জেনেছি জামায়াতের কার্যক্রম প্রচারণাকালে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরগুনার পাথরঘাটায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার ওপর হামলা চালিয়ে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলের দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের হাড়িটানা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে পাথরঘাটা শহরে লাঠি হাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জামায়াত সমর্থকরা।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হামলার শিকার ওই নেতার নাম, নাসির উদ্দিন। তিনি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের অর্থ সম্পাদক। পরে রাতে পাথরঘাটা পৌরশহরে হামলাকারীর শাস্তির দাবিতে মিছিল করা হয়।
জামায়াত নেতাকর্মীদের দাবি, হামলাকারী নুর আলম স্থানীয় বিএনপির সমর্থক, তবে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি বিএনপির কোনো পদে নেই বলে জানিয়েছেন পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নারী কর্মী দলীয় কাজে পাথারঘাটার হাড়িটানা এলাকায় যান। এসময় নুর আলমের বাড়ির সামনে পৌঁছালে তিনি তাদের ধাওয়া করেন। পরে বিষয়টি জানতে নাসির উদ্দিন এগিয়ে এলে তার ওপরও হামলা চালান নুর আলম।
এতে নাসিরে পা ভেঙে যায়। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা নাসির উদ্দিনকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান।
এদিকে এ ঘটনার পরপরই রাতে পাথারঘাটা শহরে জামায়াত নেতা নাসির উদ্দিনের ওপর হামলার প্রতিবাদে লাঠি মিছিল করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে থাকা বিভিন্ন ধরনের লাঠিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বেঁধে মিছিল করেন তারা।
নির্বাচনের আগমুহূর্তে লাঠি হাতে স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে জানতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ওসি) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত জাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার মোবাইলে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হামলার বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাসুদুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, নাসিরের ওপর হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি নুর আলম বিএনপির কর্মী। ক্ষমতার মোহে জামায়াতকে নির্মূল করতে এ হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে আহত নাসিরকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
লাঠি হাতে প্রতিবাদ মিছিলের বিষয়ে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিনের স্বজন ও এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা এ মিছিল করে। মিছিলে দলের কোনো ব্যানার ছিল না।
হামলার বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক চৌধুরী মো. ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, এটি সম্পূর্ণ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের দলীয় কোনো বিষয় নেই। হয়ত ব্যক্তিগত কোনো আক্রোশ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত নুর আলম আমাদের দলীয় কেউ না। সে বিএনপির সমর্থক হতে পারে, তবে কোনো কমিটিতে তার নাম নেই।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বলেন, প্রাথমিকভাবে জেনেছি জামায়াতের কার্যক্রম প্রচারণাকালে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৫
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৬
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৯

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।
সর্বস্ব বিক্রি করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেছিলেন বরগুনা সদর উপজেলার ৩ নম্বর ফুলঝুরি ইউনিয়নের ছোট গৌরিচান্না এলাকার রিমন খন্দকার। জীবনের সব আশা-ভরসা ছিল ওই পুকুরের মাছের ওপর। পরিশ্রম আর ঘাম ঝরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছিলেন তিনি। কিন্তু এক রাতেই গুঁড়িয়ে গেল সেই স্বপ্ন।
গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা রিমন খন্দকারের পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে। সকালে উঠে পুকুরে ভেসে ওঠে সাদা পেট উল্টে থাকা হাজার হাজার মাছ। চোখের সামনে মুহূর্তেই শেষ হয়ে যায় একজন অসহায় মানুষের জীবনের শেষ আশাটুকু।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, এই ঘটনায় রিমন খন্দকারের প্রায় ৮ লাখ টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে। জমিজমা বিক্রি করে এবং ধারদেনা করে তিনি মাছ চাষ শুরু করেছিলেন। পুকুরের মাছই ছিল তার একমাত্র সম্বল।
স্থানীয়রা জানান, রিমন দীর্ঘদিন ধরেই আর্থিক সংকটে ভুগছিলেন। অনেক দেনার বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি মাছ চাষে নামেন। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সর্বস্ব খুইয়ে মাছ চাষ শুরু করেছিল ছেলেটা। এইভাবে পুকুরে বিষ দিয়ে মাছ নিধন করা চরম অমানবিক। ও এখন একেবারে পথে বসে গেছে। আমরা এই ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।”
ভুক্তভোগী রিমন খন্দকার কাঁপা কণ্ঠে বলেন, “এই মাছগুলিই ছিল আমার শেষ সম্বল। সারা জীবনের কষ্টার্জিত টাকা এখানে লাগিয়েছি। আমি জানি না কার কী ক্ষতি করেছি। যারা আমার সবকিছু শেষ করে দিল, তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে বিচার চাই।”
এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—এটা কি শুধু মাছ নিধন, নাকি একজন অসহায় মানুষের স্বপ্নকে হত্যা? এই অপরাধের সঠিক বিচার কি হবে, নাকি আগের মতোই পার পেয়ে যাবে অপরাধীরা—এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে এলাকাবাসীর মনে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে অশালীন মন্তব্য করার অভিযোগে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল শামীম আহসানকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুনের স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত শামীম আহসান বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর একটি নির্বাচনী জনসভায় ‘‘ডাকসু একসময় মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা ছিল, ছাত্রশিবির নির্বাচিত হওয়ার পর তা পরিবর্তন করা সম্ভব হয়েছে’’ বলে মন্তব্য করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শামীম আহসানের জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রুকন) পদ স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা সহকারী সেক্রেটারির দায়িত্বসহ সংগঠনের সব ধরনের দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.