Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৫
গল্পের থ্রিলার সিনেমাকেও হার মানাল বাস্তবের এই ঘটনা। চুরির দায়ে গ্রামবাসীর তাড়া খেয়ে খালের ঠাণ্ডা পানিতে, কচুরিপানার নিচে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা শুধু নাকটুকু জাগিয়ে লুকিয়ে রইলেন এক যুবক। কিন্তু বিধিবাম! প্রকৃতির নিয়মে শরীর সায় না দিলেও, শেষ রক্ষা আর হলো না। অবশেষে বুধবার ভোরে অর্ধ-অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হলো তাকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামে। আটক যুবকের নাম সুজন হাওলাদার (৩২)।
ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে। পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামের ব্যবসায়ী ইউনুস হাওলাদারের বন্ধ দোকানের টিনের বেড়া সন্তর্পণে কাটতে শুরু করে সুজন। ভেবেছিল কাজ সেরে নির্বিঘ্নে কেটে পড়বে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা সজীব হাওলাদার তা টের পেয়ে যান। তাঁর এক চিৎকারেই যেন পুরো গ্রামের ঘুম ভেঙে যায়।
জেগে ওঠা গ্রামবাসীদের মারমুখী তাড়া খেয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে দৌড় দেয় সুজন। পালানোর পথ না পেয়ে সোজা ঝাঁপিয়ে পড়ে দোকানের পাশের এক খালে।
গ্রেপ্তারের ভয়ে খালের ঘন কচুরিপানার নিচে নিজেকে সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দেয় সুজন। শুধু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য নাকটুকু পানির ওপর জাগিয়ে রাখে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ভোর সাড়ে ৩টা।
এদিকে গ্রামবাসীও দমবার পাত্র নন। চোরের খোঁজে টর্চের আলো ফেলে খালের চারপাশে চলে চিরুনি তল্লাশি। ওদিকে পানির নিচে শীতে ও ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সময়ের সাথে যুদ্ধ করতে থাকে সুজন। অবশেষে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টার লুকোচুরি শেষে, ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কচুরিপানার জঙ্গল থেকে তাকে খুঁজে বের করে জলজ্যান্ত আবিষ্কার করে গ্রামবাসী। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকায় সুজন মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। গণপিটুনি না দিয়ে গ্রামবাসী দেখাল মানবিকতা।
স্থানীয় ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন জানান, "যুবকের শারীরিক অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তার বড় ভাইয়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তবে ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই; সে সুস্থ হলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, ঘটনাটি এখনো থানায় কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
গল্পের থ্রিলার সিনেমাকেও হার মানাল বাস্তবের এই ঘটনা। চুরির দায়ে গ্রামবাসীর তাড়া খেয়ে খালের ঠাণ্ডা পানিতে, কচুরিপানার নিচে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা শুধু নাকটুকু জাগিয়ে লুকিয়ে রইলেন এক যুবক। কিন্তু বিধিবাম! প্রকৃতির নিয়মে শরীর সায় না দিলেও, শেষ রক্ষা আর হলো না। অবশেষে বুধবার ভোরে অর্ধ-অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হলো তাকে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামে। আটক যুবকের নাম সুজন হাওলাদার (৩২)।
ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে। পূর্ব শরিফাবাদ গ্রামের ব্যবসায়ী ইউনুস হাওলাদারের বন্ধ দোকানের টিনের বেড়া সন্তর্পণে কাটতে শুরু করে সুজন। ভেবেছিল কাজ সেরে নির্বিঘ্নে কেটে পড়বে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দা সজীব হাওলাদার তা টের পেয়ে যান। তাঁর এক চিৎকারেই যেন পুরো গ্রামের ঘুম ভেঙে যায়।
জেগে ওঠা গ্রামবাসীদের মারমুখী তাড়া খেয়ে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে দৌড় দেয় সুজন। পালানোর পথ না পেয়ে সোজা ঝাঁপিয়ে পড়ে দোকানের পাশের এক খালে।
গ্রেপ্তারের ভয়ে খালের ঘন কচুরিপানার নিচে নিজেকে সম্পূর্ণ ডুবিয়ে দেয় সুজন। শুধু নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য নাকটুকু পানির ওপর জাগিয়ে রাখে। ঘড়ির কাঁটায় তখন ভোর সাড়ে ৩টা।
এদিকে গ্রামবাসীও দমবার পাত্র নন। চোরের খোঁজে টর্চের আলো ফেলে খালের চারপাশে চলে চিরুনি তল্লাশি। ওদিকে পানির নিচে শীতে ও ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সময়ের সাথে যুদ্ধ করতে থাকে সুজন। অবশেষে টানা সাড়ে তিন ঘণ্টার লুকোচুরি শেষে, ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কচুরিপানার জঙ্গল থেকে তাকে খুঁজে বের করে জলজ্যান্ত আবিষ্কার করে গ্রামবাসী। দীর্ঘ সময় পানির নিচে থাকায় সুজন মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়ে। গণপিটুনি না দিয়ে গ্রামবাসী দেখাল মানবিকতা।
স্থানীয় ৬নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জসিম উদ্দিন জানান, "যুবকের শারীরিক অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক ছিল। তাই মানবিক দিক বিবেচনা করে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তার বড় ভাইয়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তবে ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই; সে সুস্থ হলেই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, ঘটনাটি এখনো থানায় কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে লিখিত অভিযোগ পেলেই তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। পরে সমঝোতার মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাজার থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় সেতুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হ্যান্ডকাপ হারিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি দিয়ে হ্যান্ডকাপ খুলে তা ফেরত দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে। সেতুসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৩৮
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিস শিকদারের ছেলে সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার এবং জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে চারজনের নামে হত্যা মামলা করার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিস শিকদারের ছেলে শান্ত শিকদার (২২) এবং মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে, জানান ওসি।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৭
বরিশালে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চাচা আলমগীর সিকদারক (৫৫) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এই আদেশ দেন। আদালতের নাজির কামরুল ইসলাম মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর উজিরপুরের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময়ে আসামি তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজির কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মামাতো ভাই এবং ভুক্তভোগী কিশোরী তৎকালীন মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। জীবিকার প্রয়োজনে কিশোরীর বাবা প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। কিশোরীকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন আলমগীর। এতে কিশোরী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাড়ির পেছনে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে এবং এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় মামলা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র এবং আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীরকে বৃহস্পতিবার বরিশালের আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।’
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। পরে সমঝোতার মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাজার থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় সেতুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হ্যান্ডকাপ হারিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি দিয়ে হ্যান্ডকাপ খুলে তা ফেরত দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে। সেতুসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিস শিকদারের ছেলে সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার এবং জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে চারজনের নামে হত্যা মামলা করার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিস শিকদারের ছেলে শান্ত শিকদার (২২) এবং মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে, জানান ওসি।’
বরিশালে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চাচা আলমগীর সিকদারক (৫৫) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এই আদেশ দেন। আদালতের নাজির কামরুল ইসলাম মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর উজিরপুরের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময়ে আসামি তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজির কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মামাতো ভাই এবং ভুক্তভোগী কিশোরী তৎকালীন মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। জীবিকার প্রয়োজনে কিশোরীর বাবা প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। কিশোরীকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন আলমগীর। এতে কিশোরী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাড়ির পেছনে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে এবং এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় মামলা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র এবং আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীরকে বৃহস্পতিবার বরিশালের আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।’