নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দুদকের পটুয়াখালী জেলা সমন্বিত দপ্তরের সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে এ অভিযান চালায়।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ, মো. কবির শিকদার এবং সহকারী নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার সাকিবুল হাসান ফারুক খানের নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করা হয় এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
দুদকের সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাস বলেন, “নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে কয়েকটি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় নথি যাচাই-বাছাই শেষে বিষয়টি যাচাই করে দেখা হবে, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযান চলাকালে ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের একটি অংশ মনে করেন, দুদকের এই উদ্যোগ প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২২
কুয়াকাটার অদূরে পর্যটনপল্লী গঙ্গামতি লেকের পাশেই সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘেঁষে স্থাপনা তোলার কাজ চলছে। ধুলাসার ইউনিয়নের ধোলাই মার্কেটের পশ্চিম দিকে এই স্থাপনা তোলা হচ্ছে। গত চারদিন ধরে নির্বিঘ্নে স্থাপনাটি তোলার কাজ চললেও বনবিভাগ ও ভূমি অফিসের কেউ বিষয়টি নজরে নেয়নি। ফলে সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলসহ প্রাকৃতিক জলাশয় লেক সব ধ্বংসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ এনিয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরিবেশ প্রকৃতি ও পর্যটন এলাকা রক্ষায় কুয়াকাটা সৈকতের লেম্বুরবন খাজুরা থেকে গঙ্গামতি হয়ে কাউয়ার চর পর্যন্ত বেড়িবাঁধের বাইরে কোন ধরনের স্থাপনা তুলতে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা উপেক্ষা করে চলছে এই স্থাপনা তোলার কাজ।
দেখা গেছে, জলাশয় ও লেকের পাশে কাঠের এই স্থাপনা তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে খুটি বসানো হয়েছে। কাঠের পাটাতনের কাজ চলছে। সবুজ ম্যানগ্রোভ বনঘেঁষা এমন স্থাপনা তোলার কাজ চললেও ওখানকার কোন সাধারণ মানুষ এনিয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি। কে তুলছে, কেন তুলছে, কী হচ্ছে-এমনটি পর্যন্ত কেউ বলেননি। তবে জনশ্রুতি রয়েছে তিন প্রভাবশালী ব্যক্তি মিলে এই স্থাপনা তোলার কাজ চলমান রেখেছেন। এটি যাতে বন্ধ না হয় এজন্য আবার তাঁদের ভিন্ন প্রস্তুতি রয়েছে!
পরিবেশ সংগঠক নজরুল ইসলাম বলেন, “ গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল” পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকা। এখানে সংরক্ষিত কিংবা ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের মধ্যে প্রাকৃতিক জলাশয়, লেকের আশাপাশে কোন ধরনের স্থাপনা তোলা হলে তা পরিবেশের জন্য ঝুঁকি বয়ে আনবে। বনাঞ্চল ধ্বংসের শঙ্কা তৈরি হবে। এছাড়া কুয়াকাটা সৈকত এরিয়া রক্ষায় উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। যা অনুসরণ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে এই পরিবেশ কর্মী মনে করছেন।
বনবিভাগ গঙ্গামতির বিট কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, প্রথমদিন তিনি ওই স্থাপনা তুলতে বাধা দিয়েছেন। কিন্তু তারা নিজের জমি দাবি করে কাজ করছেন। তারপরও তিনি উপজেলা ভূমি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানান। তবে পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকায় স্থাপনা তুলতে বনবিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আছে কি না তা তিনি জানাতে পারেননি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তবে সচেতনমহলের প্রশ্ন পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকায় কোন স্থাপনা তুলতে হলে পরিবেশ অধিদপ্তর, বনবিভাগের ছাড়পত্র প্রয়োজন রয়েছে। এসব ছাড়াই মূলত পরিবেশবিনাশি এ কর্মকান্ড চলছে। যাতে কুয়াকাটার প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার শঙ্কা বাড়ছে।
কুয়াকাটার অদূরে পর্যটনপল্লী গঙ্গামতি লেকের পাশেই সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘেঁষে স্থাপনা তোলার কাজ চলছে। ধুলাসার ইউনিয়নের ধোলাই মার্কেটের পশ্চিম দিকে এই স্থাপনা তোলা হচ্ছে। গত চারদিন ধরে নির্বিঘ্নে স্থাপনাটি তোলার কাজ চললেও বনবিভাগ ও ভূমি অফিসের কেউ বিষয়টি নজরে নেয়নি। ফলে সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলসহ প্রাকৃতিক জলাশয় লেক সব ধ্বংসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ এনিয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি। পরিবেশ প্রকৃতি ও পর্যটন এলাকা রক্ষায় কুয়াকাটা সৈকতের লেম্বুরবন খাজুরা থেকে গঙ্গামতি হয়ে কাউয়ার চর পর্যন্ত বেড়িবাঁধের বাইরে কোন ধরনের স্থাপনা তুলতে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা উপেক্ষা করে চলছে এই স্থাপনা তোলার কাজ।
দেখা গেছে, জলাশয় ও লেকের পাশে কাঠের এই স্থাপনা তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে খুটি বসানো হয়েছে। কাঠের পাটাতনের কাজ চলছে। সবুজ ম্যানগ্রোভ বনঘেঁষা এমন স্থাপনা তোলার কাজ চললেও ওখানকার কোন সাধারণ মানুষ এনিয়ে মুখ খুলতে রাজি হয়নি। কে তুলছে, কেন তুলছে, কী হচ্ছে-এমনটি পর্যন্ত কেউ বলেননি। তবে জনশ্রুতি রয়েছে তিন প্রভাবশালী ব্যক্তি মিলে এই স্থাপনা তোলার কাজ চলমান রেখেছেন। এটি যাতে বন্ধ না হয় এজন্য আবার তাঁদের ভিন্ন প্রস্তুতি রয়েছে!
পরিবেশ সংগঠক নজরুল ইসলাম বলেন, “ গঙ্গামতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল” পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকা। এখানে সংরক্ষিত কিংবা ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের মধ্যে প্রাকৃতিক জলাশয়, লেকের আশাপাশে কোন ধরনের স্থাপনা তোলা হলে তা পরিবেশের জন্য ঝুঁকি বয়ে আনবে। বনাঞ্চল ধ্বংসের শঙ্কা তৈরি হবে। এছাড়া কুয়াকাটা সৈকত এরিয়া রক্ষায় উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে। যা অনুসরণ করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে এই পরিবেশ কর্মী মনে করছেন।
বনবিভাগ গঙ্গামতির বিট কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, প্রথমদিন তিনি ওই স্থাপনা তুলতে বাধা দিয়েছেন। কিন্তু তারা নিজের জমি দাবি করে কাজ করছেন। তারপরও তিনি উপজেলা ভূমি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানান। তবে পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকায় স্থাপনা তুলতে বনবিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র আছে কি না তা তিনি জানাতে পারেননি।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইয়াসীন সাদেক বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তবে সচেতনমহলের প্রশ্ন পরিবেশ সংবেদনশীল এলাকায় কোন স্থাপনা তুলতে হলে পরিবেশ অধিদপ্তর, বনবিভাগের ছাড়পত্র প্রয়োজন রয়েছে। এসব ছাড়াই মূলত পরিবেশবিনাশি এ কর্মকান্ড চলছে। যাতে কুয়াকাটার প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে যাওয়ার শঙ্কা বাড়ছে।
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:০৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৮
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

২৮ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:৪৭
নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দুদকের পটুয়াখালী জেলা সমন্বিত দপ্তরের সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাসের নেতৃত্বে একটি দল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে এ অভিযান চালায়।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাসুম বিল্লাহ, মো. কবির শিকদার এবং সহকারী নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার সাকিবুল হাসান ফারুক খানের নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়। অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র জব্দ করা হয় এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
দুদকের সহকারী পরিচালক তাপস বিশ্বাস বলেন, “নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে কয়েকটি পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে তথ্য পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় নথি যাচাই-বাছাই শেষে বিষয়টি যাচাই করে দেখা হবে, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযান চলাকালে ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা ও গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের একটি অংশ মনে করেন, দুদকের এই উদ্যোগ প্রশাসনিক জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:০৬
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:০৯
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৫৪