বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগীকে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে শারীরিক ও সামাজিকভাবে হেনস্তার মাধ্যমে আত্মহত্যায় বাধ্য করা ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনে মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম, বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. শারমিন আক্তার, ড. সঞ্জয় কুমার সরকার, মোহসিনা হোসাইন, পম্পা রাণী মজুমদার ও সাকিবুল হাসান সাকিব। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, “শুভ বৈরাগী আত্মহত্যা করেনি, তাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। আমরা তার মৃত্যুর পর গোপালগঞ্জে গিয়ে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। শুভর রেখে যাওয়া ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাকে মারধর ও মানসিকভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল, যা তাকে চরম হতাশার দিকে ঠেলে দেয়। আমরা দ্রুত দোষীদের শাস্তি চাই।”
শুভর সহপাঠী শিল্পী বিশ্বাস বলেন, “শুভকে যারা আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতেই আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।” বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, “শুভ আমাদের শিক্ষার্থী ছিল। তাকে যারা আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিক্ষার্থী শামিম সিকদার তিনটি দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো, দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং আগামী এক মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন স্থায়ী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিতে হবে বলে জানান। উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২০ - ২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগী নিজ বাড়ি গোপালগঞ্জের বৌলতলীতে আত্মহত্যা করেন। মৃত্যুর আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টে অভিযোগ করেন, প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাকে শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছিল।
ফেসবুক পোস্টে শুভ বৈরাগী উল্লেখ করেন, গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার সঙ্গীতা নামে এক তরুণীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৩১ ডিসেম্বর ওই তরুণীর জন্মদিনে দেখা করতে গেলে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য তাকে আটক করে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। একইসঙ্গে জোরপূর্বক একটি ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা তাকে গভীর মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে দেয়। শুভ বৈরাগী তার মৃত্যুর জন্য সংশ্লিষ্ট তরুণী ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দায়ী করে যান এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৬
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৫
বরিশালসহ দেশের পাঁচটি জেলা শহরে শত শত পুকুর ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি নোটিস পাঠিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এইচআরপিবির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন— বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক।
নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের পরিবেশ সুরক্ষা বিবেচনায় সরকার ২০০০ সালে ‘জলাধার সংরক্ষণ আইন’ পাস করে। এই আইন অনুযায়ী শহর এলাকায় পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাট ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’
বরিশালসহ দেশের পাঁচটি জেলা শহরে শত শত পুকুর ভরাট ও অবৈধ দখল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি নোটিস পাঠিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) এইচআরপিবির সভাপতি জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
যাদের নোটিশ পাঠানো হয়েছে তারা হলেন— বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক।
নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের পরিবেশ সুরক্ষা বিবেচনায় সরকার ২০০০ সালে ‘জলাধার সংরক্ষণ আইন’ পাস করে। এই আইন অনুযায়ী শহর এলাকায় পুকুর বা জলাধার ভরাট করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরাট ও দখলের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।’

০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১০
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগীকে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে শারীরিক ও সামাজিকভাবে হেনস্তার মাধ্যমে আত্মহত্যায় বাধ্য করা ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনে মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম, বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. শারমিন আক্তার, ড. সঞ্জয় কুমার সরকার, মোহসিনা হোসাইন, পম্পা রাণী মজুমদার ও সাকিবুল হাসান সাকিব। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, “শুভ বৈরাগী আত্মহত্যা করেনি, তাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। আমরা তার মৃত্যুর পর গোপালগঞ্জে গিয়ে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। শুভর রেখে যাওয়া ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাকে মারধর ও মানসিকভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল, যা তাকে চরম হতাশার দিকে ঠেলে দেয়। আমরা দ্রুত দোষীদের শাস্তি চাই।”
শুভর সহপাঠী শিল্পী বিশ্বাস বলেন, “শুভকে যারা আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতেই আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।” বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, “শুভ আমাদের শিক্ষার্থী ছিল। তাকে যারা আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিক্ষার্থী শামিম সিকদার তিনটি দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো, দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং আগামী এক মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন স্থায়ী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিতে হবে বলে জানান। উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২০ - ২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগী নিজ বাড়ি গোপালগঞ্জের বৌলতলীতে আত্মহত্যা করেন। মৃত্যুর আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টে অভিযোগ করেন, প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাকে শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছিল।
ফেসবুক পোস্টে শুভ বৈরাগী উল্লেখ করেন, গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার সঙ্গীতা নামে এক তরুণীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৩১ ডিসেম্বর ওই তরুণীর জন্মদিনে দেখা করতে গেলে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য তাকে আটক করে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। একইসঙ্গে জোরপূর্বক একটি ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা তাকে গভীর মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে দেয়। শুভ বৈরাগী তার মৃত্যুর জন্য সংশ্লিষ্ট তরুণী ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দায়ী করে যান এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬