Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১০
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগীকে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে শারীরিক ও সামাজিকভাবে হেনস্তার মাধ্যমে আত্মহত্যায় বাধ্য করা ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনে মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম, বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. শারমিন আক্তার, ড. সঞ্জয় কুমার সরকার, মোহসিনা হোসাইন, পম্পা রাণী মজুমদার ও সাকিবুল হাসান সাকিব। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, “শুভ বৈরাগী আত্মহত্যা করেনি, তাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। আমরা তার মৃত্যুর পর গোপালগঞ্জে গিয়ে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। শুভর রেখে যাওয়া ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাকে মারধর ও মানসিকভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল, যা তাকে চরম হতাশার দিকে ঠেলে দেয়। আমরা দ্রুত দোষীদের শাস্তি চাই।”
শুভর সহপাঠী শিল্পী বিশ্বাস বলেন, “শুভকে যারা আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতেই আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।” বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, “শুভ আমাদের শিক্ষার্থী ছিল। তাকে যারা আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিক্ষার্থী শামিম সিকদার তিনটি দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো, দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং আগামী এক মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন স্থায়ী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিতে হবে বলে জানান। উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২০ - ২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগী নিজ বাড়ি গোপালগঞ্জের বৌলতলীতে আত্মহত্যা করেন। মৃত্যুর আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টে অভিযোগ করেন, প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাকে শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছিল।
ফেসবুক পোস্টে শুভ বৈরাগী উল্লেখ করেন, গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার সঙ্গীতা নামে এক তরুণীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৩১ ডিসেম্বর ওই তরুণীর জন্মদিনে দেখা করতে গেলে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য তাকে আটক করে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। একইসঙ্গে জোরপূর্বক একটি ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা তাকে গভীর মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে দেয়। শুভ বৈরাগী তার মৃত্যুর জন্য সংশ্লিষ্ট তরুণী ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দায়ী করে যান এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগীকে প্রেমের সম্পর্ককে কেন্দ্র করে শারীরিক ও সামাজিকভাবে হেনস্তার মাধ্যমে আত্মহত্যায় বাধ্য করা ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনে মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম, বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. শারমিন আক্তার, ড. সঞ্জয় কুমার সরকার, মোহসিনা হোসাইন, পম্পা রাণী মজুমদার ও সাকিবুল হাসান সাকিব। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, “শুভ বৈরাগী আত্মহত্যা করেনি, তাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করা হয়েছে। আমরা তার মৃত্যুর পর গোপালগঞ্জে গিয়ে তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই। শুভর রেখে যাওয়া ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা যায়, প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাকে মারধর ও মানসিকভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল, যা তাকে চরম হতাশার দিকে ঠেলে দেয়। আমরা দ্রুত দোষীদের শাস্তি চাই।”
শুভর সহপাঠী শিল্পী বিশ্বাস বলেন, “শুভকে যারা আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতেই আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।” বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, “শুভ আমাদের শিক্ষার্থী ছিল। তাকে যারা আত্মহত্যা করতে বাধ্য করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আমরা পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।”
মানববন্ধন শেষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শিক্ষার্থী শামিম সিকদার তিনটি দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো, দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করা, এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা এবং আগামী এক মাসের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন স্থায়ী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দিতে হবে বলে জানান। উল্লেখ্য, গত ৪ জানুয়ারি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০২০ - ২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগী নিজ বাড়ি গোপালগঞ্জের বৌলতলীতে আত্মহত্যা করেন। মৃত্যুর আগে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টে অভিযোগ করেন, প্রেমের সম্পর্কের জেরে তাকে শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও সামাজিকভাবে হেয় করা হয়েছিল।
ফেসবুক পোস্টে শুভ বৈরাগী উল্লেখ করেন, গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়া উপজেলার সঙ্গীতা নামে এক তরুণীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ৩১ ডিসেম্বর ওই তরুণীর জন্মদিনে দেখা করতে গেলে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য তাকে আটক করে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। একইসঙ্গে জোরপূর্বক একটি ভিডিও ধারণ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা তাকে গভীর মানসিক চাপের মধ্যে ফেলে দেয়। শুভ বৈরাগী তার মৃত্যুর জন্য সংশ্লিষ্ট তরুণী ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দায়ী করে যান এবং আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৫
বরিশালের গৌরনদীতে কোনধরনের লাইসেন্স না থাকা সত্বেও অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ডিজেল, মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলো এক অসাধু ব্যবসায়ী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল জেলার এনএসআই'র সদস্যরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুনিল সিকদারের হাট সংলগ্ন চর সরিকল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চর সরিকল গ্রামের আব্দুল করিম সিকদারের ছেলে হালিম সিকদারের দোকান ও বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৩০০ লিটার ডিজেল, ২০০ লিটার মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা এনএসআই'র বরিশাল জেলা শাখার সদস্যরা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী হালিম সিকদার অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে তারা জব্দকৃত পন্যসহ ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে সোর্পদ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, অবৈধ মজুদের ঘটনায় ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পাশাপাশি লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য লিখিত মুচলেকা রাখা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় এক সমাজ সেবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩২

০৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৩৮
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।
বরিশালের গৌরনদীতে কোনধরনের লাইসেন্স না থাকা সত্বেও অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ডিজেল, মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার মজুদ করে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিলো এক অসাধু ব্যবসায়ী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ব্যবসায়ীর দোকান ও বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন বরিশাল জেলার এনএসআই'র সদস্যরা। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুনিল সিকদারের হাট সংলগ্ন চর সরিকল গ্রামে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় চর সরিকল গ্রামের আব্দুল করিম সিকদারের ছেলে হালিম সিকদারের দোকান ও বাড়ি থেকে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৩০০ লিটার ডিজেল, ২০০ লিটার মবিল ও গ্যাস সিলিন্ডার জব্দ করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করা এনএসআই'র বরিশাল জেলা শাখার সদস্যরা জানিয়েছেন, ব্যবসায়ী হালিম সিকদার অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে বিক্রি করে আসছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযোগ পেয়ে তারা অভিযান পরিচালনা করেন।
পরবর্তীতে তারা জব্দকৃত পন্যসহ ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ভ্রাম্যমান আদালতের কাছে সোর্পদ করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও গৌরনদী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, অবৈধ মজুদের ঘটনায় ব্যবসায়ী হালিম সিকদারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
পাশাপাশি লাইসেন্স না করা পর্যন্ত ওই ব্যবসায়ীর ব্যবসা বন্ধ রাখার জন্য লিখিত মুচলেকা রাখা হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত জ্বালানি তেল সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির জন্য স্থানীয় এক সমাজ সেবকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের
বাসিন্দা কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা নামক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ি চালান।
নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকা দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন।
চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় ,গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী,শাশুড়ি ও ননদকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।
পৈশাচিক নির্যাতনে হত্যার এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মাসহ পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাজুড়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
বরিশালের বানারীপাড়ায় স্বামীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে মারিয়া আক্তার (১৮) নামের এক সন্তানের জননীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তার মৃত্যু হয়। জানা গেছে, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের
বাসিন্দা কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়। তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলা নামক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ি চালান।
নিহত মারিয়ার বাবা কবির হাওলাদার অভিযোগ করেন, যৌতুকের টাকা দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন।
চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় ,গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় স্বামী,শাশুড়ি ও ননদকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়েরর প্রস্তুতি চলছে।
পৈশাচিক নির্যাতনে হত্যার এ ঘটনায় নিহতের বাবা-মাসহ পরিবার দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকাজুড়ে এ নির্মম হত্যাকান্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দার ঝড় বইছে।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারে কাজ করছে পুলিশ।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ নাজিরপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দুটি গাভীর করুন মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গাভী দুটির এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
এসময় এর মালিক অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উন্নত জাতের গাভী দুটির মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা। গাভী দুটির মালিক মোঃ বাচ্চু বেপারী জানান, তার টিনকাঠের ঘরের বারান্দায় অবস্থিত গোয়ালঘরের বিদ্যুতের তার তিনি অসাবধানবশত খুলে রেখেছিলেন।
টিনকাঠের ঘরের সামনে তার নতুন পাকা ভবন নির্মাণকাজের জন্য তিনি গোয়াল ঘরের লাইটের সরঞ্জাম খুলে সেখানে সেট করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাতে ঝড়ে গোয়াল ঘরের সেই খোলা তার পড়ে টিনের বেড়া বিদ্যুতায়িত হয়ে যায়।
বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে গরুর ডাক শুনে বাচ্চু গোয়ালঘরে ছুঁটে গিয়ে দুটি গাভীকে ফ্লোরে ছটফট করতে দেখেন। গাভীর কাছে গেলে এসময় তিনিও বিদ্যুৎ স্পর্শের শিকার হলে তার ছেলে তাৎক্ষনিক লাইন খুলে ফেলায় প্রাণে রক্ষা পান। গোয়ালের দুটি গাভী মারা গেলেও দুটি বাছুর ও একটি গাভী অক্ষত রয়েছে। এদিকে জীবিকার মাধ্যম প্রিয় গাভী দুটিকে হারিয়ে বাচ্চু ও তার পরিবারের কান্না-আহাজারীতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে।