Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ মে, ২০২৬ ২০:৫৪
বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের সীমাহীন দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার অভিযোগে নিজ কার্যালয়ের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনত্র ও বিভিন্ন শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৬ কর্মচারীকে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করা হয়। এর আগে তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার আশংকায় শুরুতেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৫ কর্মকর্তাকে অনত্র বদলি করে দেন জেলা প্রশাসক। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অস্তিরতা ও বদলি আতংক বিরাজ করছে।
ঈদের ৫/৬ কর্মদিবসের আগে এমন বদলিকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের হিজলা-মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ- এ তিনটি উপজেলায় অতিরিক্ত অস্থায়ী ভোট কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ ভোটকেন্দ্র দেখিয়ে ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে।
শুধু অতিরিক্ত কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ কেন্দ্র দেখিয়েই টাকা আত্মসাৎ করা নয়, রিটার্নিং অফিসারের কন্ট্রোল রুম, ফলাফল সংগ্রহ, পরিবেশন, রিটার্নিং অফিসার ও তার দপ্তর, নির্বাচন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পর্যবেক্ষক টিমসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত ১৪ লক্ষাধিক টাকার কানাকড়িও খরচ করেননি বলেও অভিযোগ উঠে ।
এছাড়া বিভিন্ন খাতে এসব খাতে বরাদ্দকৃত টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার করে নিজেই তা আত্মসাৎ করেছেন- এমন আলোচনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়জুড়েই।
একইভাবে বরিশাল সদর উপজেলাসহ ১০টি উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আপ্যায়ন বাবদ বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গত ৭ মে বৃহস্পতিবার আমার দেশ-এ জেলা প্রশাসকের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরপরই বরিশালসহ সর্বত্র ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার সন্দেহে শুরুতেই নির্বাচনকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার হালদারকে সাধারণ শাখা থেকে সরিয়ে জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখায় বদলি করা হয়।
এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুজি কান্ত হাজংকে মানবসম্পদ ও উন্নয়ন শাখায় বদলি করেন। পথের কাঁটা সরাতে সম্প্রতি তাকে জোর করে নৌপরিবহন মন্ত্রাণালয়ে বদলি করতে ভূমিকা রাখেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম ।
এছাড়া সহকারী কমিশনার হাসিবুল আজমকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনে বদলি করা হয়েছে । এডিসি জেনারেল সুফল চন্দ্র গোলদারকে ওএসডি করে মানব সম্পদ শাখায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করেন। পরে তাকে রেল মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া এনডিসি আশ্রাফুল ইসলামকে তাকে সরিয়ে দিয়ে ৫ মাসের ট্রেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সাকলাইনকে এনডিসি থেকে সরিয়ে একটি শাখায় বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটকে কম গুরুত্বপূর্ণ শাখায় সরিয়ে জুনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটদের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গতকাল অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মাহফুজুর রহমান খানকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে, খাদিজা বেগমকে আইসিটি শাখায়, আনিছুর রহমানকে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে, মহিউদ্দীন খানকে নেজারত শাখায়, সার্টিফিকেট সহকারী সুবেকা সাদেকীনকে বাবুগঞ্জে এবং হিসাব সহকারী শফিকুল ইসলামকে বাকেরগঞ্জ বদলি করা হয়েছে।
আসন্ন ঈদের ৫/৬ কর্ম দিবসের আগে এমন বদলীকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন বদলি হওয়া কর্মচারীরা। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তারা।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, বদলির বিষয়টি আমার জানা নেই।
বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের সীমাহীন দুর্নীতি ও কোটি কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার অভিযোগে নিজ কার্যালয়ের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনত্র ও বিভিন্ন শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ বুধবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৬ কর্মচারীকে বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করা হয়। এর আগে তথ্য ফাঁস করে দেওয়ার আশংকায় শুরুতেই জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ৫ কর্মকর্তাকে অনত্র বদলি করে দেন জেলা প্রশাসক। এ নিয়ে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অস্তিরতা ও বদলি আতংক বিরাজ করছে।
ঈদের ৫/৬ কর্মদিবসের আগে এমন বদলিকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের হিজলা-মুলাদী ও মেহেন্দিগঞ্জ- এ তিনটি উপজেলায় অতিরিক্ত অস্থায়ী ভোট কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ ভোটকেন্দ্র দেখিয়ে ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমের বিরুদ্ধে।
শুধু অতিরিক্ত কক্ষ ও ঝুকিঁপূর্ণ কেন্দ্র দেখিয়েই টাকা আত্মসাৎ করা নয়, রিটার্নিং অফিসারের কন্ট্রোল রুম, ফলাফল সংগ্রহ, পরিবেশন, রিটার্নিং অফিসার ও তার দপ্তর, নির্বাচন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত পর্যবেক্ষক টিমসহ বিভিন্ন খাতে বরাদ্দকৃত ১৪ লক্ষাধিক টাকার কানাকড়িও খরচ করেননি বলেও অভিযোগ উঠে ।
এছাড়া বিভিন্ন খাতে এসব খাতে বরাদ্দকৃত টাকার ভুয়া বিল-ভাউচার করে নিজেই তা আত্মসাৎ করেছেন- এমন আলোচনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়জুড়েই।
একইভাবে বরিশাল সদর উপজেলাসহ ১০টি উপজেলায় নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন ও নির্বাচন-পূর্ব অনিয়ম রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় নিয়োজিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আপ্যায়ন বাবদ বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে গত ৭ মে বৃহস্পতিবার আমার দেশ-এ জেলা প্রশাসকের অর্থ আত্মসাৎ নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর পরপরই বরিশালসহ সর্বত্র ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার সন্দেহে শুরুতেই নির্বাচনকালীন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রঞ্জন কুমার হালদারকে সাধারণ শাখা থেকে সরিয়ে জুডিশিয়াল মুন্সিখানা শাখায় বদলি করা হয়।
এছাড়া অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) লুজি কান্ত হাজংকে মানবসম্পদ ও উন্নয়ন শাখায় বদলি করেন। পথের কাঁটা সরাতে সম্প্রতি তাকে জোর করে নৌপরিবহন মন্ত্রাণালয়ে বদলি করতে ভূমিকা রাখেন জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম ।
এছাড়া সহকারী কমিশনার হাসিবুল আজমকে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনে বদলি করা হয়েছে । এডিসি জেনারেল সুফল চন্দ্র গোলদারকে ওএসডি করে মানব সম্পদ শাখায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়ন করেন। পরে তাকে রেল মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া এনডিসি আশ্রাফুল ইসলামকে তাকে সরিয়ে দিয়ে ৫ মাসের ট্রেনিংয়ে পাঠানো হয়েছে। ম্যাজিস্ট্রেট সাকলাইনকে এনডিসি থেকে সরিয়ে একটি শাখায় বদলি করে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটকে কম গুরুত্বপূর্ণ শাখায় সরিয়ে জুনিয়র ম্যাজিস্ট্রেটদের গুরুত্বপূর্ণ শাখায় বদলি করা হয়েছে।
সর্বশেষ গতকাল অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মাহফুজুর রহমান খানকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অফিস সহকারী হিসেবে, খাদিজা বেগমকে আইসিটি শাখায়, আনিছুর রহমানকে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে, মহিউদ্দীন খানকে নেজারত শাখায়, সার্টিফিকেট সহকারী সুবেকা সাদেকীনকে বাবুগঞ্জে এবং হিসাব সহকারী শফিকুল ইসলামকে বাকেরগঞ্জ বদলি করা হয়েছে।
আসন্ন ঈদের ৫/৬ কর্ম দিবসের আগে এমন বদলীকে আক্রোশমূলক বদলি বলে মনে করছেন বদলি হওয়া কর্মচারীরা। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তারা।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ বলেন, বদলির বিষয়টি আমার জানা নেই।

০৭ জুন, ২০২৬ ২২:৩২
অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন
অবৈধ নিয়োগসহ অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলামকে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাকে শাস্তিস্বরূপ ওই পদ থেকে সরিয়ে প্রশাসকের কার্যালয়ে বিশেষ কর্মে ন্যস্ত করা হয়। রোববার (৭ জুন) বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলাম কর্পোরেশনের আইন পরিপন্থী বিভিন্ন ঘটনার জড়িত। এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলছে। সবশেষ ফাঁস হলো তার ভবনের কর ফাকি দেওয়ার বিষয়টি, যা সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশ হয়েছে। মূলত এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই অ্যাসেসর নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি এই কর্মকর্তার দুর্নীতি তদন্তে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান উজজামান এবং আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শাহ আমিনুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটিকে আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এই কর্মকর্তা জানান, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তাকে প্রাথমিকভাবে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে।’

০৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০১
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম। তিনি বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের বর্তমান ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত আছেন।
১৪তম বিসিএস ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি রোববার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

০৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার হ্যাটট্রিক বিজয়ী সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে (৭৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার (৭ জুন) সকালে উপজেলার চাখার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির সরদারের দায়েরকৃত বিষ্ফোরক ও ঘরপোড়া মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে বরিশালে আদালতে পাঠানো হয়।
এদিন ( রোববার) বিকালে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি জামিনের আবেদন করলে বিচারক মো. নাহিদ ইসলাম আগামী ১০ জুন জামিন শুনানীর দিন ধার্য্য করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, সাবেক পৌর মেয়র গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে একটি রাজনৈতিক পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়। প্রসঙ্গত, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লা দৈনিক সমকাল ও যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশ বরণ্যে সাংবাদিক প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারের ছোট ভাই।
এ দিকে বানারীপাড়া পৌরসভার তিন বারের সাবেক জননন্দিত মেয়র ৭১'র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজন শ্রদ্ধেয় বর্ষীয়াণ রাজনীতিক গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লাকে রাজনৈতিক হয়রাণিমূলক মামলায় গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তে কমিটি গঠন
অবৈধ নিয়োগসহ অনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলামকে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তাকে শাস্তিস্বরূপ ওই পদ থেকে সরিয়ে প্রশাসকের কার্যালয়ে বিশেষ কর্মে ন্যস্ত করা হয়। রোববার (৭ জুন) বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সিটি কর্পোরেশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, চিফ অ্যাসেসর নুরুল ইসলাম কর্পোরেশনের আইন পরিপন্থী বিভিন্ন ঘটনার জড়িত। এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলছে। সবশেষ ফাঁস হলো তার ভবনের কর ফাকি দেওয়ার বিষয়টি, যা সংবাদ মাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশ হয়েছে। মূলত এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতেই অ্যাসেসর নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়। পাশাপাশি এই কর্মকর্তার দুর্নীতি তদন্তে সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রায়হান উজজামান এবং আইন উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শাহ আমিনুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত এই কমিটিকে আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এই কর্মকর্তা জানান, নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় তাকে প্রাথমিকভাবে চিফ অ্যাসেসর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে।’
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম। তিনি বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের বর্তমান ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত আছেন।
১৪তম বিসিএস ব্যাচের শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি রোববার (৭ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার হ্যাটট্রিক বিজয়ী সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে (৭৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে বানারীপাড়া পৌর শহরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার (৭ জুন) সকালে উপজেলার চাখার ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনির সরদারের দায়েরকৃত বিষ্ফোরক ও ঘরপোড়া মামলার অজ্ঞাতনামা আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে বরিশালে আদালতে পাঠানো হয়।
এদিন ( রোববার) বিকালে বরিশাল অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনি জামিনের আবেদন করলে বিচারক মো. নাহিদ ইসলাম আগামী ১০ জুন জামিন শুনানীর দিন ধার্য্য করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বানারীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মজিবুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, সাবেক পৌর মেয়র গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লাকে একটি রাজনৈতিক পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়। প্রসঙ্গত, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ্ মঞ্জু মোল্লা দৈনিক সমকাল ও যুগান্তরের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক একুশে পদকপ্রাপ্ত দেশ বরণ্যে সাংবাদিক প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারের ছোট ভাই।
এ দিকে বানারীপাড়া পৌরসভার তিন বারের সাবেক জননন্দিত মেয়র ৭১'র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বজন শ্রদ্ধেয় বর্ষীয়াণ রাজনীতিক গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লাকে রাজনৈতিক হয়রাণিমূলক মামলায় গ্রেপ্তারের ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
০৭ জুন, ২০২৬ ২২:৩২
০৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০১
০৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮
০৭ জুন, ২০২৬ ১৬:২১