বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের পল্লীতে সালিশ বৈঠকে পুলিশের সমক্ষে জনৈক শ্রমিককে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঈদের পর দিন অর্থাৎ রোববার বিকেলে সালিশ চলাকালে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পৌরসভার দক্ষিণ চরহোগলায় গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব খোরশেদকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার লোকজন নিয়ে এলোপাতাড়ি পিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এবং বিএনপি নেতাদের সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় নদীবেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জের এই রোমহর্ষক ঘটনাটি বেশিমাত্রায় আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মারামারির বেশকিছু ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। শাসক দল বিএনপি এই বর্বরতার ঘটনায় তাদের দলীয় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারের পদ ইতিমধ্যে কেড়ে নিলেও থানা পুলিশ নিজেদের দায় এড়াতে বিভিন্ন কৌশল নিয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের কাছে আড়াই লাখ টাকা পাবেন দাবি করে রোববার থানায় অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিকেলে ঘটনাস্থল ছুটে যান মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা নামজুল উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করে দুই প্রতিবেশি জাহাঙ্গীর এবং খোরশেদকে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকের ভিডিও ধারণ করছিলেন রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগের ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের পক্ষের লোকজন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিএনপি নেতা এবং তার বাহিনী। একপার্যায়ে উভয়গ্রুপ এনিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। অন্তত আধা ঘণ্টার সংঘাত-সংষর্ষে ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের মৃত্যু হলে বিএনপি নেতাসহ ক্যাডার বাহিনী পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি গ্রুপের লোকজন চেয়ার এবং লাঠিসোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পোশাক পরিহিত ৪/৫ জন পুলিশ সদস্য সংঘাত থামানোতো দূরের কথা, যেনো পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিএনপির নেতা নেতৃত্বে ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষ হত্যার বিষয়টি বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলছে, সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেক আগেই বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেছেন জাহাঙ্গীর হাওলাদার, এই ঘটনায় তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়।
সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে পুলিশেরও নিষেধাজ্ঞা আছে, ইতিপূর্বে উচ্চআদালত অসংখ্যবার থানাসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমঝোতা বা আপস-মীমাংসায় অংশ নিতে বারণ করেছেন। এবং এই নির্দেশনা কঠোরভাবে প্রতিপালন করতেও পুলিশের উচ্চমহলকে জানানো হয়। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, পুলিশ আদালতের এই নির্দেশনার কোনো গুরুত্বই দেয় না, বরং থানাগুলোকে এক ধরনের সালিশ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের এই বর্বরতা হয়তো তারই জ¦লন্ত উদাহরণ বা খেসারত।
নিহতের ভাতিজা রাকিব সিকদার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আমার চাচাকে বিএনপি জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে খুন করা হয়, যা অসংখ্য মানুষ প্রত্যক্ষ করেছেন। কিন্তু কেউ তার জীবন রক্ষার্থে এগিয়ে আসেনি, কারণ বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং পুলিশ তাদের সহযোগিতা করে।
সালিশ বৈঠকে বসা এবং সেখানে খুন এই বিতর্কিত বিষয়ে জানতে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমানকে সোমবার অপরাহ্নে ফোন করেও পাওয়া যায়নি। তার অফিসিয়াল মোবাইলে রিং হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে ওসি এর আগে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন এবং জানান, ঘটনাটি তদন্ত করাসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। জেলা পুলিশের একটি সূত্র বলছে, এমনিতেই সালিশেতে পুলিশের অংশগ্রহণে বারণ আছে, তদুপরি সেখানে খুন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ওসি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চাপের মুখে আছেন এবং মিডিয়াকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে সংবাদকর্মীদের ফোন তুলছেন।
তবে বরিশাল জেলা পুলিশ এজেড এম মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রতিবেদককে যা বলছেন, তা স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সাথে অমিল রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার দাবি, অভিযোগ এবং দু’গ্রুপের মধ্যেকার উত্তেজনার খবর পেয়ে রোববার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। তখন উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু একটি পক্ষ বিকালে ফোন করে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার বিষয়টি অবহিত করে, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছানোর আগেই দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং এতে একজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সোমবার নামধারী ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করা হয়েছে এবং পুলিশ তাদের ধরতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে। পরিশেষে এসপি মন্তব্য করেন, পুলিশ সালিশ করেনি এবং করতেও পারে না।
মেহেন্দিগঞ্জ পল্লীর এই আলোচিত ঘটনায় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারকে বিএনপি থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। পৌর বিএনপির সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (দিনু মিয়া) সাংবাদিকদের বলেন, বিশৃঙ্খলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীরের পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’

২৯ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৬
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ২৭ জুলাই ২০২৬: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের কৃতী শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ ডিন’স মেরিট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ২৫ টি বিভাগের মোট ৭টি অনুষদের ১০৯ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সুনাগরিক ও দেশের কর্ণধার। তাদের মেধা, সততা, গবেষণামনস্কতা এবং উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তির ওপর নির্ভর করছে একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তাই, তোমাদের জ্ঞানচর্চায় মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষার্থীদের কেবল ভালো ফলাফল অর্জন নয়, বরং সৎ, দায়িত্বশীল, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন, ডিন’স মেরিট অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম ও একাডেমিক উৎকর্ষের স্বীকৃতি। সঠিক পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাফিজ আশরাফুল হক। ডিন’স মেরিট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রাপ্তদের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষায়িত বিভাগ কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তিনজন শিক্ষার্থী এই সম্মাননা লাভ করেন। তাদের মধ্যে নিহাল ইসলাম খন্দকার, পিতা: খন্দকার নজরুল ইসলাম, বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার কৃতী সন্তান। . হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, উপকূল অধ্যয়ন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ বাংলাদেশের একমাত্র বিভাগ যেখানে উপকূল দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা বিষয়ে স্নাতক(সম্মান) ডিগ্রি দেওয়া হয় যা বাংলাদেশের কোথাও দেওয়া হয় না।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, ২৭ জুলাই ২০২৬: বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের কৃতী শিক্ষার্থীদের একাডেমিক সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ ডিন’স মেরিট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কীর্তনখোলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ২৫ টি বিভাগের মোট ৭টি অনুষদের ১০৯ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, আজকের মেধাবী শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সুনাগরিক ও দেশের কর্ণধার। তাদের মেধা, সততা, গবেষণামনস্কতা এবং উদ্ভাবনী চিন্তাশক্তির ওপর নির্ভর করছে একটি সমৃদ্ধ, বৈষম্যহীন ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। তাই, তোমাদের জ্ঞানচর্চায় মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষার্থীদের কেবল ভালো ফলাফল অর্জন নয়, বরং সৎ, দায়িত্বশীল, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন, ডিন’স মেরিট অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম ও একাডেমিক উৎকর্ষের স্বীকৃতি। সঠিক পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনা পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশ-বিদেশে ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাফিজ আশরাফুল হক। ডিন’স মেরিট অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ প্রাপ্তদের মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষায়িত বিভাগ কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের তিনজন শিক্ষার্থী এই সম্মাননা লাভ করেন। তাদের মধ্যে নিহাল ইসলাম খন্দকার, পিতা: খন্দকার নজরুল ইসলাম, বরিশালের বানারীপাড়া পৌরসভার কৃতী সন্তান। . হাফিজ আশরাফুল হক বলেন, উপকূল অধ্যয়ন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ বাংলাদেশের একমাত্র বিভাগ যেখানে উপকূল দুর্যোগ ব্যবস্হাপনা বিষয়ে স্নাতক(সম্মান) ডিগ্রি দেওয়া হয় যা বাংলাদেশের কোথাও দেওয়া হয় না।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

২৯ জুলাই, ২০২৬ ০০:৩০
সমাজের অবহেলা, বৈষম্য আর বঞ্চনাকে পেছনে ফেলে নতুন জীবনের পথে হাঁটতে শুরু করলেন তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিক মাইদুল ইসলাম অভি। বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) মজুরিভিত্তিক চাকরি পেয়েছেন তিনি, যা শুধু একটি নিয়োগ নয়—বরং সমতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল বার্তা।
মঙ্গলবার বিকেলে নগর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে অভির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন বিসিসির প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এ সময় তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি মানুষকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম শর্ত।
বিসিসি সূত্র জানায়, নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অভি যোগদানের দিন থেকেই মাসিক ১৬ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পাবেন। কোন শাখায় দায়িত্ব পালন করবেন তা এখনো নির্ধারণ না হলেও তাঁকে সম্মানজনক দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত অভি বলেন, “আমাদের মতো মানুষদের প্রতিনিয়ত অবহেলা ও বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয়। এই চাকরি শুধু কর্মসংস্থান নয়, এটি আমার জন্য সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার নতুন সুযোগ। এখন আমি আত্মমর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন করতে পারব।”
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, “তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী সমাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা এবং আত্মনির্ভরশীল করে তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব। সুযোগ পেলে তারাও সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।”
বরিশাল সিটি করপোরেশনের এই উদ্যোগ অনেকের কাছে একটি চাকরির খবর হলেও, বাস্তবে এটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—যেখানে পরিচয় নয়, যোগ্যতা ও মানবিকতাই হবে মানুষের মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি।’
সমাজের অবহেলা, বৈষম্য আর বঞ্চনাকে পেছনে ফেলে নতুন জীবনের পথে হাঁটতে শুরু করলেন তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিক মাইদুল ইসলাম অভি। বরিশাল সিটি করপোরেশনে (বিসিসি) মজুরিভিত্তিক চাকরি পেয়েছেন তিনি, যা শুধু একটি নিয়োগ নয়—বরং সমতা ও মানবিকতার এক উজ্জ্বল বার্তা।
মঙ্গলবার বিকেলে নগর ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে অভির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন বিসিসির প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। এ সময় তিনি বলেন, সমাজের প্রতিটি মানুষকে সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের অন্যতম শর্ত।
বিসিসি সূত্র জানায়, নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অভি যোগদানের দিন থেকেই মাসিক ১৬ হাজার ৫০০ টাকা বেতন পাবেন। কোন শাখায় দায়িত্ব পালন করবেন তা এখনো নির্ধারণ না হলেও তাঁকে সম্মানজনক দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত অভি বলেন, “আমাদের মতো মানুষদের প্রতিনিয়ত অবহেলা ও বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয়। এই চাকরি শুধু কর্মসংস্থান নয়, এটি আমার জন্য সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার নতুন সুযোগ। এখন আমি আত্মমর্যাদা নিয়ে জীবনযাপন করতে পারব।”
বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, “তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী সমাজেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা এবং আত্মনির্ভরশীল করে তোলা আমাদের সবার দায়িত্ব। সুযোগ পেলে তারাও সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।”
বরিশাল সিটি করপোরেশনের এই উদ্যোগ অনেকের কাছে একটি চাকরির খবর হলেও, বাস্তবে এটি বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা—যেখানে পরিচয় নয়, যোগ্যতা ও মানবিকতাই হবে মানুষের মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি।’

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৩৬
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর স্থান নেই। কোথাও অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে গৌরনদীর কুতুবপুরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত স্বনির্ভর খালের দুই পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, ক্ষমতার উৎস জনগণ, আমরা কেবল জনগণের সেবক। বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
পরে অতিথিরা খালের দুই পাড়ে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করেন। স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও কর্মসূচিতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, পৌর শাখার আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেন শরীফ, ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব শফিকুর রহমান শরীফ স্বপন, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু এবং জেলা যুবদলের সৈয়দ আলম খান সেন্টু প্রমুখ।’

২৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২৩
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের পল্লীতে সালিশ বৈঠকে পুলিশের সমক্ষে জনৈক শ্রমিককে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঈদের পর দিন অর্থাৎ রোববার বিকেলে সালিশ চলাকালে ভিডিও ধারণকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পৌরসভার দক্ষিণ চরহোগলায় গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ্ব খোরশেদকে স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদার লোকজন নিয়ে এলোপাতাড়ি পিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ এবং বিএনপি নেতাদের সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকায় নদীবেষ্টিত মেহেন্দিগঞ্জের এই রোমহর্ষক ঘটনাটি বেশিমাত্রায় আলোচিত হচ্ছে। বিশেষ করে মারামারির বেশকিছু ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। শাসক দল বিএনপি এই বর্বরতার ঘটনায় তাদের দলীয় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারের পদ ইতিমধ্যে কেড়ে নিলেও থানা পুলিশ নিজেদের দায় এড়াতে বিভিন্ন কৌশল নিয়েছে।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের কাছে আড়াই লাখ টাকা পাবেন দাবি করে রোববার থানায় অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর হাওলাদার। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিকেলে ঘটনাস্থল ছুটে যান মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের এসআই নাজমুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ কর্মকর্তা নামজুল উভয়পক্ষের সাথে আলোচনা করে দুই প্রতিবেশি জাহাঙ্গীর এবং খোরশেদকে বৈঠকে বসেন। সেই বৈঠকের ভিডিও ধারণ করছিলেন রাজধানী ঢাকার হাজারীবাগের ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের পক্ষের লোকজন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বিএনপি নেতা এবং তার বাহিনী। একপার্যায়ে উভয়গ্রুপ এনিয়ে তুমুল তর্কবিতর্ক থেকে রক্তক্ষয়ী সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। অন্তত আধা ঘণ্টার সংঘাত-সংষর্ষে ট্যানারি শ্রমিক খোরশেদের মৃত্যু হলে বিএনপি নেতাসহ ক্যাডার বাহিনী পালিয়ে যায়।
এই ঘটনার ভিডিওতে দেখা যায়, দুটি গ্রুপের লোকজন চেয়ার এবং লাঠিসোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এবং পোশাক পরিহিত ৪/৫ জন পুলিশ সদস্য সংঘাত থামানোতো দূরের কথা, যেনো পুরো বিষয়টি প্রত্যক্ষ করছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে বিএনপির নেতা নেতৃত্বে ত্রাস সৃষ্টি করে মানুষ হত্যার বিষয়টি বেশ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব বলছে, সালিশ বৈঠকে অংশ নিতে দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমান অনেক আগেই বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করেছেন জাহাঙ্গীর হাওলাদার, এই ঘটনায় তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়।
সালিশ বৈঠকে বসার ক্ষেত্রে পুলিশেরও নিষেধাজ্ঞা আছে, ইতিপূর্বে উচ্চআদালত অসংখ্যবার থানাসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমঝোতা বা আপস-মীমাংসায় অংশ নিতে বারণ করেছেন। এবং এই নির্দেশনা কঠোরভাবে প্রতিপালন করতেও পুলিশের উচ্চমহলকে জানানো হয়। কিন্তু বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, পুলিশ আদালতের এই নির্দেশনার কোনো গুরুত্বই দেয় না, বরং থানাগুলোকে এক ধরনের সালিশ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেছে। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের এই বর্বরতা হয়তো তারই জ¦লন্ত উদাহরণ বা খেসারত।
নিহতের ভাতিজা রাকিব সিকদার সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন, আমার চাচাকে বিএনপি জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে তাকে খুন করা হয়, যা অসংখ্য মানুষ প্রত্যক্ষ করেছেন। কিন্তু কেউ তার জীবন রক্ষার্থে এগিয়ে আসেনি, কারণ বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং পুলিশ তাদের সহযোগিতা করে।
সালিশ বৈঠকে বসা এবং সেখানে খুন এই বিতর্কিত বিষয়ে জানতে মেহেন্দিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মতিউর রহমানকে সোমবার অপরাহ্নে ফোন করেও পাওয়া যায়নি। তার অফিসিয়াল মোবাইলে রিং হলেও কোনো সাড়া মেলেনি।
তবে ওসি এর আগে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সাথে কথা বলেছেন এবং জানান, ঘটনাটি তদন্ত করাসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। জেলা পুলিশের একটি সূত্র বলছে, এমনিতেই সালিশেতে পুলিশের অংশগ্রহণে বারণ আছে, তদুপরি সেখানে খুন হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ওসি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের চাপের মুখে আছেন এবং মিডিয়াকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে সংবাদকর্মীদের ফোন তুলছেন।
তবে বরিশাল জেলা পুলিশ এজেড এম মোস্তাফিজুর রহমান এ প্রতিবেদককে যা বলছেন, তা স্থানীয় সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের সাথে অমিল রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার দাবি, অভিযোগ এবং দু’গ্রুপের মধ্যেকার উত্তেজনার খবর পেয়ে রোববার বেলা ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। তখন উভয়পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু একটি পক্ষ বিকালে ফোন করে নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার বিষয়টি অবহিত করে, ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌছানোর আগেই দুটি গ্রুপ সংঘার্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং এতে একজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় সোমবার নামধারী ৫ জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করা হয়েছে এবং পুলিশ তাদের ধরতে ব্যাপক তৎপরতা চালাচ্ছে। পরিশেষে এসপি মন্তব্য করেন, পুলিশ সালিশ করেনি এবং করতেও পারে না।
মেহেন্দিগঞ্জ পল্লীর এই আলোচিত ঘটনায় কর্মী জাহাঙ্গীর হাওলাদারকে বিএনপি থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়েছে। পৌর বিএনপির সদস্যসচিব রিয়াজ উদ্দিন চৌধুরী (দিনু মিয়া) সাংবাদিকদের বলেন, বিশৃঙ্খলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহাঙ্গীরের পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছে।’