
২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:০০
পিরোজপুরের নাজিরপুরে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত হেলাল সিকদারসহ পাঁচজনের একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এ সময় ভিডিও ধারণ করে চাঁদাও দাবি করেন তারা।
উপজেলার ২ নং মালিখালী ইউনিয়নের মিঠারকুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক গৃহবধূ ও এক ব্যক্তিকে বিবস্ত্র করে বুকের ওপর পা দিয়ে চেপে ধরে নির্মম নির্যাতন করছেন কয়েকজন। এ সময় তারা বাঁচার তাগিদে চিৎকার করলেও নির্যাতন চালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ ব্যাপারে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী নারীর ভাসুরের ছেলে টুটুল সিকদার (৩২) বাদী হয়ে হেলাল সিকদারসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে নাজিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযুক্তরা হলেন হেলাল সিকদার (৩৫), মিলন সিকদার (৩৮), দেলোয়ার ওরফে দেলাল সিকদার (৩০), নান্নু সিকদার (৩৪), মামুন সিকদার (২৭)। তারা সবাই নাজিরপুর উপজেলার মিঠারকুল গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে স্থানীয় ফোরকান মোল্লার ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকার সুবাদে গত ৬ আগস্ট রাতে তিনি ভুক্তভোগীর বাড়িতে যান। এ সময় অভিযুক্তরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তার স্বামী ঘরে না থাকায় পরকীয়ার আখ্যা দিয়ে বেঁধে উভয়কে বিবস্ত্র করে বেধরক মারধর করে তার ভিডিও ধারণ করে। ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার ভয় দিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরো বলেন, টাকা না থাকায় ঘরে থাকা আনুমানিক ২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় তারা এবং হুমকি দিয়ে বলে আগামী ২ দিনের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধ না করলে তাদের এ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়া হবে। তাদের দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে মোবাইল ফোন থেকে আপত্তিকর ভিডিওটি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে ভুক্তভোগীর ব্যাপক মানসম্মানের ক্ষতি হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী মোবাইল ফোনে জানান, তারা ষড়যন্ত্র করে আমার মানসম্মান ক্ষুণ্ন করেছে। জায়গা-জমি নিয়ে ঝামেলা থাকায় আমার সঙ্গে এমন ঘটনা করেছে। আমি এখন বাড়িছাড়া আছি। আপনারা একটু দেখেন আমি যেন বাড়ি এসে শান্তি-শৃঙ্খলাভাবে বসবাস করতে পারি ও ন্যায়বিচার পেতে পারি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হেলাল সিকদারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
পিরোজপুরের নাজিরপুরে এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত হেলাল সিকদারসহ পাঁচজনের একটি চক্রের বিরুদ্ধে। এ সময় ভিডিও ধারণ করে চাঁদাও দাবি করেন তারা।
উপজেলার ২ নং মালিখালী ইউনিয়নের মিঠারকুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি নির্যাতনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিওটিতে দেখা যায়, এক গৃহবধূ ও এক ব্যক্তিকে বিবস্ত্র করে বুকের ওপর পা দিয়ে চেপে ধরে নির্মম নির্যাতন করছেন কয়েকজন। এ সময় তারা বাঁচার তাগিদে চিৎকার করলেও নির্যাতন চালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
এ ব্যাপারে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী নারীর ভাসুরের ছেলে টুটুল সিকদার (৩২) বাদী হয়ে হেলাল সিকদারসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে নাজিরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযুক্তরা হলেন হেলাল সিকদার (৩৫), মিলন সিকদার (৩৮), দেলোয়ার ওরফে দেলাল সিকদার (৩০), নান্নু সিকদার (৩৪), মামুন সিকদার (২৭)। তারা সবাই নাজিরপুর উপজেলার মিঠারকুল গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে স্থানীয় ফোরকান মোল্লার ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকার সুবাদে গত ৬ আগস্ট রাতে তিনি ভুক্তভোগীর বাড়িতে যান। এ সময় অভিযুক্তরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভুক্তভোগীর বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তার স্বামী ঘরে না থাকায় পরকীয়ার আখ্যা দিয়ে বেঁধে উভয়কে বিবস্ত্র করে বেধরক মারধর করে তার ভিডিও ধারণ করে। ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার ভয় দিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরো বলেন, টাকা না থাকায় ঘরে থাকা আনুমানিক ২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার ও নগদ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যায় তারা এবং হুমকি দিয়ে বলে আগামী ২ দিনের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধ না করলে তাদের এ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়া হবে। তাদের দাবিকৃত টাকা পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে মোবাইল ফোন থেকে আপত্তিকর ভিডিওটি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে ভুক্তভোগীর ব্যাপক মানসম্মানের ক্ষতি হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারী মোবাইল ফোনে জানান, তারা ষড়যন্ত্র করে আমার মানসম্মান ক্ষুণ্ন করেছে। জায়গা-জমি নিয়ে ঝামেলা থাকায় আমার সঙ্গে এমন ঘটনা করেছে। আমি এখন বাড়িছাড়া আছি। আপনারা একটু দেখেন আমি যেন বাড়ি এসে শান্তি-শৃঙ্খলাভাবে বসবাস করতে পারি ও ন্যায়বিচার পেতে পারি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হেলাল সিকদারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে নাজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বজ্রপাতে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ২৯ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যার সময় উপজেলার হারজী নলবুনিয়া গ্রামের মো. আ. সালামের স্ত্রী মোসা. আয়েশা বেগমের (৫০) মৃত্যু হয়। নিজ বাড়ি থেকে বৃষ্টির মধ্যে মাঠে হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
একইদিন বিকালে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. নবী হোসেনের ছেলে মো. হাসানের (২৫) মৃত্যু হয়। হাসান বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামের বাসিন্দা মশিউর রহমানের ছেলে স্বাধীন তালুকদারের (২০) মৃত্যু হয়। দুপুরে গরু আনতে মাঠে গিয়ে নিখোঁজ হন স্বাধীন।
অনেক খোঁজাখুজির পর রাতে মাঠে তার লাশ পাওয়া যায়। তার শরীরে বজ্রপাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার বলেন, নিহদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বজ্রপাতে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ২৯ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যার সময় উপজেলার হারজী নলবুনিয়া গ্রামের মো. আ. সালামের স্ত্রী মোসা. আয়েশা বেগমের (৫০) মৃত্যু হয়। নিজ বাড়ি থেকে বৃষ্টির মধ্যে মাঠে হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
একইদিন বিকালে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. নবী হোসেনের ছেলে মো. হাসানের (২৫) মৃত্যু হয়। হাসান বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামের বাসিন্দা মশিউর রহমানের ছেলে স্বাধীন তালুকদারের (২০) মৃত্যু হয়। দুপুরে গরু আনতে মাঠে গিয়ে নিখোঁজ হন স্বাধীন।
অনেক খোঁজাখুজির পর রাতে মাঠে তার লাশ পাওয়া যায়। তার শরীরে বজ্রপাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার বলেন, নিহদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৫
পিরোজপুরের সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজাদের পিটুনিতে মানিক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক সরদার মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মানিক সরদারের সঙ্গে অন্য ভাইদের বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতে মানিক সরদার ও তার ছেলে মেহেদীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তার ভাতিজা রাব্বি সরদার, আজিম সরদার, সাইফুল ইসলাম মৃধা, প্রতিবেশী রবিন শেখ ও সজিব। প্রথমে তাদের নিজ বাড়িতে মারধর করা হয়, পরে মজিবুর সরদারের বাড়িতে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালানো হয়।
এ সময় স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে মানিকের স্ত্রী ফরিদা বেগমকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মানিক সরদার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাড়িতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সাইফুল ইসলাম মৃধা (২৭), রাব্বি সরদার, আজিম সরদার (২৭) ও রবিন শেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় ইউনিয়নের চৌকিদার শেখ মিকচান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহতের মেয়ে তামান্না আক্তার বন্যা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার আব্বাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ছেলে মেহেদী বলেন, আমাকে ও বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাবা অচেতন হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা বিরোধের পাশাপাশি গরু চুরির সন্দেহ নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৩ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মৃধা বলেন, বিরোধের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজাদের পিটুনিতে মানিক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক সরদার মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মানিক সরদারের সঙ্গে অন্য ভাইদের বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতে মানিক সরদার ও তার ছেলে মেহেদীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তার ভাতিজা রাব্বি সরদার, আজিম সরদার, সাইফুল ইসলাম মৃধা, প্রতিবেশী রবিন শেখ ও সজিব। প্রথমে তাদের নিজ বাড়িতে মারধর করা হয়, পরে মজিবুর সরদারের বাড়িতে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালানো হয়।
এ সময় স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে মানিকের স্ত্রী ফরিদা বেগমকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মানিক সরদার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাড়িতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সাইফুল ইসলাম মৃধা (২৭), রাব্বি সরদার, আজিম সরদার (২৭) ও রবিন শেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় ইউনিয়নের চৌকিদার শেখ মিকচান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহতের মেয়ে তামান্না আক্তার বন্যা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার আব্বাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ছেলে মেহেদী বলেন, আমাকে ও বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাবা অচেতন হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা বিরোধের পাশাপাশি গরু চুরির সন্দেহ নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৩ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মৃধা বলেন, বিরোধের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ মে, ২০২৬ ০০:২৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫৫
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫৩