
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৬
ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে গতির দানব হয়ে ওঠেছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা। সুযোগ বুঝে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো যেন হয়ে ওঠে একেকটি বুলেট ট্রেন! বেপরোয়া এই গতির ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় ঝরছে মানুষের প্রাণ। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীসহ পথচারীদের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়ছে। জেলাজুড়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনোভাবেই সিএনজি চালিত এসব অটোরিকশাগুলোর অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সবশেষ গত ৮ জানুয়ারি বোরহানউদ্দিন উপজেলার বৌদ্ধেরপুল এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন একজন। এ ঘটনায় আহত হন আরো ৩ জন। এরআগেও ঘটেছে আরো বড় ধরনের কয়েকটি দুর্ঘটনা। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে অনেক।
স্থানীয়রা জানান, ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে দৈনিক দুইশতাধিক সিএনজি চালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে চলাচল করে। সিএনজি চালিত এসব অটোরিকশার চালকদের অধিকাংশেরই বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। কারও কাগজ থাকলেও ফিট নেই অটোরিকশা। এসব সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে কেউ আগে কৃষি কাজ ও দিনমজুরিসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িত ছিলেন। সঠিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই তারা এখন মৃত্যুদূত হয়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশা নিয়ে সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
মো. ইকবাল হোসেন, জাহিদুল ইসলাম ও মো. মিরাজ নামে কয়েকজন যাত্রী বলেন, সকাল ৮টায় লালমোহন থানার মোড় থেকে আমরা তিন জন পেছনে এবং সামনে আরো দুইজন যাত্রীসহ ভোলার ইলিশাঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। চালক বলেছেন এক ঘন্টার মধ্যে ঘাটে পৌঁছে দেবেন। চালকের কথা মতো সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি। তবে রওয়ানা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চালক বেপরোয়া গতিতে অটোরিকশাটি চালানো শুরু করেন। প্রতি মুহূর্তে মনে হচ্ছিল এই বুঝি অন্য কোনো গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। চালকের এমন কাণ্ড দেখে তাকে আমরা বারবার ধীরে চালাতে বলি। বলার পর কিছু সময় ঠিকমতো চালালেও কিছুক্ষণ পরই আবারও বেপরোয়া গতিতে চালানো শুরু করেন। যতক্ষণ সিএনজি চালিত ওই অটোরিকশায় ছিলাম, ততক্ষণ মনে হয়েছিল বাধ্য হয়ে প্রাণের মায়া ত্যাগ করে দিয়েছি। চালকদের এমন বেপরোয়া গতির কারণেই ঘটে দুর্ঘটনা। এসব বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে ট্রাফিক ভোলা জেলা দক্ষিণ জোনের লালমোহন সার্কেলের সার্জেন্ট মাখম লাল জানান, চালকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে আমরা ট্রাফিক পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছি। যারা আইন অমান্য করছেন এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করছি। তবে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকরা যেন বেপরোয়া গতিতে গাড়ি না চালান সে জন্য তাদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি। তবে সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে হলে চালক, যাত্রী ও পথচারীদের সচেতন হতে হবে। তাহলেই দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমবে বলে মনে করছি।
ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে গতির দানব হয়ে ওঠেছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা। সুযোগ বুঝে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো যেন হয়ে ওঠে একেকটি বুলেট ট্রেন! বেপরোয়া এই গতির ফলে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। এসব দুর্ঘটনায় ঝরছে মানুষের প্রাণ। এমন পরিস্থিতিতে যাত্রীসহ পথচারীদের জীবন চরম ঝুঁকিতে পড়ছে। জেলাজুড়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশাগুলো সাধারণ মানুষের কাছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনোভাবেই সিএনজি চালিত এসব অটোরিকশাগুলোর অপ্রতিরোধ্য গতি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সবশেষ গত ৮ জানুয়ারি বোরহানউদ্দিন উপজেলার বৌদ্ধেরপুল এলাকায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন একজন। এ ঘটনায় আহত হন আরো ৩ জন। এরআগেও ঘটেছে আরো বড় ধরনের কয়েকটি দুর্ঘটনা। এতে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে অনেক।
স্থানীয়রা জানান, ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে দৈনিক দুইশতাধিক সিএনজি চালিত অটোরিকশা যাত্রী নিয়ে চলাচল করে। সিএনজি চালিত এসব অটোরিকশার চালকদের অধিকাংশেরই বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। কারও কাগজ থাকলেও ফিট নেই অটোরিকশা। এসব সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালকদের মধ্যে কেউ আগে কৃষি কাজ ও দিনমজুরিসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িত ছিলেন। সঠিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই তারা এখন মৃত্যুদূত হয়ে সিএনজি চালিত অটোরিকশা নিয়ে সড়ক দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন।
মো. ইকবাল হোসেন, জাহিদুল ইসলাম ও মো. মিরাজ নামে কয়েকজন যাত্রী বলেন, সকাল ৮টায় লালমোহন থানার মোড় থেকে আমরা তিন জন পেছনে এবং সামনে আরো দুইজন যাত্রীসহ ভোলার ইলিশাঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হই। চালক বলেছেন এক ঘন্টার মধ্যে ঘাটে পৌঁছে দেবেন। চালকের কথা মতো সিএনজি চালিত অটোরিকশায় করে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করি। তবে রওয়ানা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরই চালক বেপরোয়া গতিতে অটোরিকশাটি চালানো শুরু করেন। প্রতি মুহূর্তে মনে হচ্ছিল এই বুঝি অন্য কোনো গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। চালকের এমন কাণ্ড দেখে তাকে আমরা বারবার ধীরে চালাতে বলি। বলার পর কিছু সময় ঠিকমতো চালালেও কিছুক্ষণ পরই আবারও বেপরোয়া গতিতে চালানো শুরু করেন। যতক্ষণ সিএনজি চালিত ওই অটোরিকশায় ছিলাম, ততক্ষণ মনে হয়েছিল বাধ্য হয়ে প্রাণের মায়া ত্যাগ করে দিয়েছি। চালকদের এমন বেপরোয়া গতির কারণেই ঘটে দুর্ঘটনা। এসব বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
এ বিষয়ে ট্রাফিক ভোলা জেলা দক্ষিণ জোনের লালমোহন সার্কেলের সার্জেন্ট মাখম লাল জানান, চালকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে আমরা ট্রাফিক পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছি। যারা আইন অমান্য করছেন এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারছেন না তাদের বিরুদ্ধে আমরা আইনি ব্যবস্থাও গ্রহণ করছি। তবে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকরা যেন বেপরোয়া গতিতে গাড়ি না চালান সে জন্য তাদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি। তবে সড়কে দুর্ঘটনা কমাতে হলে চালক, যাত্রী ও পথচারীদের সচেতন হতে হবে। তাহলেই দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমবে বলে মনে করছি।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।
ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলায় কালবৈশাখীর তীব্র ঝড়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আকস্মিক ঝড়ো হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টিতে বিদ্যালয়টির টিনের ছাউনি উড়ে যায়। ফলে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দুর্গম চর জহিরউদ্দিন এলাকায় অবস্থিত ৬৩ নম্বর মরিয়ম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি বিকেলে কালবৈশাখীর ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়। ঝড়ের তীব্রতায় বিদ্যালয় ভবনের পুরো চাল উপড়ে গিয়ে দূরে ছিটকে পড়ে। এতে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম জানান, হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে ঝড় শুরু হলে আমরা দ্রুত শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দিই। সৌভাগ্যবশত, ঝড়ের সময় কোনো শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গেছে। তবে বিদ্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যালয়টি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রিয়াজ আলম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়ের ছবি সংযুক্ত করে জরুরি বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনা হবে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস
টেলিগ্রামভিত্তিক পর্নোগ্রাফি কনটেন্ট বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত একটি সাইবার অপরাধ চক্রের পাঁচ সদস্যকে ভোলা জেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮, বরিশাল।
র্যাব জানায়, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়েদের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। তারা মূলত টেলিগ্রাম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রাইভেট চ্যানেলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত।
র্যাব-৮ সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে টেলিগ্রাম অ্যাপের অপব্যবহার, সাইবার ব্ল্যাকমেইল এবং গোপন ছবি-ভিডিও ফাঁসের ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করে র্যাব।
অনুসন্ধানে জানা যায়, চক্রটি ফেসবুক ও ব্যক্তিগত ডিভাইস হ্যাকিং, ব্রেকআপের পর প্রাক্তন প্রেমিকদের কাছ থেকে ছবি-ভিডিও সংগ্রহ এবং ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে গোপন ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করে তা অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করত।
র্যাব জানায়, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে প্রায় দেড় লাখ নগ্ন ও স্পর্শকাতর ছবি-ভিডিও এবং প্রায় ৩৫০টি গ্রুপ ও চ্যানেলের সন্ধান পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় গত ২৬ এপ্রিল রাতে র্যাব-৮-এর একটি আভিযানিক দল ভোলা ও বরিশাল জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- মেরাজুর রহমান আরমান (২১), বিল্লাল হোসেন অন্তর (২১), রবি আলম মমিন (২১), আল আমিন ইসলাম মাহি (১৯) এবং মো. হাসিব (২৩)।
এ সময় তাদের কাছ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত ১২টি মোবাইল ফোনও উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, মানবাধিকার রক্ষা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব ভবিষ্যতেও এ ধরনের অপরাধ দমনে আরও কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করবে।
বরিশাল টাইমস

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ভোলার মনপুরা উপজেলায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয়রা। এ সময় ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অফিস ঘেরাও করে কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনাও ঘটে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ সাকুচিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত ওয়েস্টার্ন সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ খলিফা, জসিম মিজি ও মো. ফরহাদ অভিযোগ করেন, ওয়েস্টার্ন রিনিউএবল এনার্জি পরিচালিত সোলার মিনি গ্রিড কোম্পানি নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহে ব্যর্থ হচ্ছে।
তাদের দাবি, দিনে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, সরেজমিনে ডিজেল মজুদ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ “ডিজেল সংকট” দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোলার মিনি গ্রিড বিদ্যুৎ কেন্দ্রের লাইনম্যান এনায়েত হোসেন বলেন, দেশের চলমান জ্বালানি সংকটের কারণে নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বিক্ষোভকারীদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করে জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.