
০৬ মে, ২০২৬ ১৬:১৮
পিরোজপুর নেছারাবাদের স্বরূপকাঠি পৌরসভায় বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন পেতে গিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরেও কোনো সমাধান না পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। অভিযোগ রয়েছে, ফাইল এগিয়ে নিতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন টেবিলে টাকা দেওয়ার পরও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত অনুমোদন।
ভুক্তভোগী মোসা. মৌসুমী আক্তারের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর কক্ষ পর্যন্ত একাধিকবার টাকা দিতে হয়েছে তাকে। প্রতিবারই নতুন করে ‘খরচ’ দাবি করা হয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (৫ মে) অফিসে গিয়ে কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে আবারও ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ তার। এসময় তিনি অফিসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মৌসুমী আক্তার অভিযোগে জানান, প্রবাসে কর্মরত স্বামীর পাঠানো কষ্টার্জিত টাকায় জমি কিনে একটি তিনতলা বাড়ি করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ৫৩ হাজার টাকা খরচ করেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে, অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা টাকা নেওয়ার বিষয়টি আংশিক স্বীকার করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে স্বরূপকাঠি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহসিন বলেন, ওই নারী কাজের জন্য আমার কাছে এসেছিল। কাজের ফি বাবদ টাকা চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে কত দিয়েছিল তা মনে নেই।
একটি তিনতলা বাড়ি নির্মাণের জন্য কত টাকা অনুমোদন ফি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওটা আমি বলতে পারব না। অফিসের এসও মামুনের কাছে ফাইল, তিনি বলতে পারবেন।
অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আমি ওই নারীর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। তবে সে টাকা আমি খাইনি। তাকে বরিশাল থেকে প্ল্যান এনে দিয়েছি। বরিশালের কোন সংস্থা বা ইঞ্জিনিয়ার প্ল্যান করেছে জানতে চাইলে তিনি তা বলতে পারেননি। আবার নতুন করে ৫ হাজার টাকা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
স্বরূপকাঠি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মামুন মিয়া বলেন, আমরা ওই মহিলার এক টাকাও খাইনি। সয়েল টেস্ট, প্ল্যান, সরকারি জমা এবং আবেদনের জন্য নানা খাতে প্রায় ৪৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
সয়েল টেস্ট, প্ল্যান কোন সংস্থা করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই এত কিছুর দরকার কী? বাড়ি অনুমোদনে আবেদন ফি প্রতি স্কয়ার ফুট কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফাইল না দেখে বলা যাবেনা।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক অমিত দত্ত সাংবাদিকদের জানান, সরকারি ফি ছাড়া কোনো টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পিরোজপুর নেছারাবাদের স্বরূপকাঠি পৌরসভায় বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন পেতে গিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরেও কোনো সমাধান না পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলীর অফিসে বসেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী। অভিযোগ রয়েছে, ফাইল এগিয়ে নিতে ধাপে ধাপে বিভিন্ন টেবিলে টাকা দেওয়ার পরও মেলেনি কাঙ্ক্ষিত অনুমোদন।
ভুক্তভোগী মোসা. মৌসুমী আক্তারের অভিযোগ, নির্বাহী প্রকৌশলী থেকে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর কক্ষ পর্যন্ত একাধিকবার টাকা দিতে হয়েছে তাকে। প্রতিবারই নতুন করে ‘খরচ’ দাবি করা হয়েছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (৫ মে) অফিসে গিয়ে কাজের অগ্রগতি জানতে চাইলে আবারও ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ তার। এসময় তিনি অফিসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন।
মৌসুমী আক্তার অভিযোগে জানান, প্রবাসে কর্মরত স্বামীর পাঠানো কষ্টার্জিত টাকায় জমি কিনে একটি তিনতলা বাড়ি করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু অনুমোদনের জন্য ইতোমধ্যে প্রায় ৫৩ হাজার টাকা খরচ করেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে, অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা টাকা নেওয়ার বিষয়টি আংশিক স্বীকার করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে স্বরূপকাঠি পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মহসিন বলেন, ওই নারী কাজের জন্য আমার কাছে এসেছিল। কাজের ফি বাবদ টাকা চেয়েছিলাম। তিনি আমাকে কত দিয়েছিল তা মনে নেই।
একটি তিনতলা বাড়ি নির্মাণের জন্য কত টাকা অনুমোদন ফি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওটা আমি বলতে পারব না। অফিসের এসও মামুনের কাছে ফাইল, তিনি বলতে পারবেন।
অভিযুক্ত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আবুল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আমি ওই নারীর কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়েছিলাম। তবে সে টাকা আমি খাইনি। তাকে বরিশাল থেকে প্ল্যান এনে দিয়েছি। বরিশালের কোন সংস্থা বা ইঞ্জিনিয়ার প্ল্যান করেছে জানতে চাইলে তিনি তা বলতে পারেননি। আবার নতুন করে ৫ হাজার টাকা চাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি তা অস্বীকার করেন।
স্বরূপকাঠি পৌরসভার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মামুন মিয়া বলেন, আমরা ওই মহিলার এক টাকাও খাইনি। সয়েল টেস্ট, প্ল্যান, সরকারি জমা এবং আবেদনের জন্য নানা খাতে প্রায় ৪৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।
সয়েল টেস্ট, প্ল্যান কোন সংস্থা করেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই এত কিছুর দরকার কী? বাড়ি অনুমোদনে আবেদন ফি প্রতি স্কয়ার ফুট কত জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফাইল না দেখে বলা যাবেনা।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক অমিত দত্ত সাংবাদিকদের জানান, সরকারি ফি ছাড়া কোনো টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৩ মে, ২০২৬ ১৪:৪৭
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আলোচিত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (সি.এ) মো. ইয়াসির আরাফাতকে বদলি করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলি কার্যকর করা হয়।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদে কর্মরত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. ইয়াসির আরাফাতকে জিয়ানগর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদে একই পদে কর্মরত শাহারিয়ারকে নাজিরপুর উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে।
এর আগে ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— সরকারি কাজে অনিয়ম, ফাইল গায়েবের অভিযোগ, নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাদ্য বরাদ্দে অনিয়ম, বাবুরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ সম্পন্ন না করেই প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ এবং বেনামে ঠিকাদারি পরিচালনার তথ্য।
এসব অভিযোগ নিয়ে টেলিভিশন, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে জানতে মো. ইয়াসির আরাফাতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আলোচিত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (সি.এ) মো. ইয়াসির আরাফাতকে বদলি করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলি কার্যকর করা হয়।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদে কর্মরত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. ইয়াসির আরাফাতকে জিয়ানগর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদে একই পদে কর্মরত শাহারিয়ারকে নাজিরপুর উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে।
এর আগে ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— সরকারি কাজে অনিয়ম, ফাইল গায়েবের অভিযোগ, নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাদ্য বরাদ্দে অনিয়ম, বাবুরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ সম্পন্ন না করেই প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ এবং বেনামে ঠিকাদারি পরিচালনার তথ্য।
এসব অভিযোগ নিয়ে টেলিভিশন, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে জানতে মো. ইয়াসির আরাফাতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১২ মে, ২০২৬ ১৩:১৭
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব সোহাগদল গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মো. রাসেল খান (২৮) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য দুজন হলেন- মেহরাব হোসেন (২০) ও শাকির মোল্লা (২০)। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ কৌড়িখারা গ্রামে। রাসেল ওই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে, মেহরাব মো. মিজানুর রহমানের এবং শাকির মো. সালাম মোল্লার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ইন্দেরহাটের গ্রিনরোড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রাসেল খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব সোহাগদল গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মো. রাসেল খান (২৮) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য দুজন হলেন- মেহরাব হোসেন (২০) ও শাকির মোল্লা (২০)। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ কৌড়িখারা গ্রামে। রাসেল ওই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে, মেহরাব মো. মিজানুর রহমানের এবং শাকির মো. সালাম মোল্লার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ইন্দেরহাটের গ্রিনরোড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রাসেল খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

১২ মে, ২০২৬ ১২:৩৬
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদর উপজেলায় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী কয়েকটি দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের দায়ে এক দোকানিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর স্টেরয়েড ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহারের প্রবণতা ঠেকাতে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী তিনটি দোকান পরিদর্শন করা হয়।
অভিযানকালে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনে ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া অন্যান্য দোকানদারদের স্টেরয়েডজাত ঔষধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং গবাদিপশুর জন্য এ ধরনের ঔষধ বিক্রি ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয় বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহার করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদর উপজেলায় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী কয়েকটি দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন। অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের দায়ে এক দোকানিকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর স্টেরয়েড ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহারের প্রবণতা ঠেকাতে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় গবাদিপশুর ঔষধ বিক্রয়কারী তিনটি দোকান পরিদর্শন করা হয়।
অভিযানকালে একটি দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ স্টেরয়েড ঔষধ সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার ও সংশ্লিষ্ট আইনে ২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া অন্যান্য দোকানদারদের স্টেরয়েডজাত ঔষধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতন করা হয় এবং গবাদিপশুর জন্য এ ধরনের ঔষধ বিক্রি ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর আহমেদ জয় বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ প্রাণিসম্পদ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোরবানির পশু মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ও নিষিদ্ধ ঔষধ ব্যবহার করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.