
১৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বলদিয়া ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আজাহারুল ইসলাম টুটুলের নেতৃত্বে বিএনপিতে যোগ দেন তারা।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কাটাপিটানিয়া আনন্দবাজারে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমনের নির্বাচনী সেন্টার কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে তারা যোগ দেন।
সুভাষ চন্দ্র হালদারের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মহাসিন রেজার সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বাহাদুর, নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজহারুল ইসলাম টুটুল, বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মাস্টার মো. এনামুল হক রতন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহমুদুল হাসান বাবু, সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. রুহুল আমীন প্রমুখ।
বিএনপিতে যোগ দিতে আসা হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র হালদার বলেন, আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ও তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফার আঙ্গিকে বাংলাদেশকে সাজাতে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই। তাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া দল বিএনপিতে আমরা শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী যোগদান করেছি।
বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইনামুল হক রতন বলেন, নেছারাবাদ উপজেলায় সনাতন সম্প্রদায়ের লোকেদের প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার রয়েছে। তারা আমাদের জানিয়েছেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপিতে যোগদান করবেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিএনপিতে যোগদান করেছে। তাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মো. আজহারুল ইসলাম টুটুল বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত ৩১ দফা আজ দেশের মানুষের মুক্তির সনদে পরিণত হয়েছে। সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বলদিয়া ইউনিয়নে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোন বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বলদিয়া ইউনিয়ন নির্বাচন কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আজাহারুল ইসলাম টুটুলের নেতৃত্বে বিএনপিতে যোগ দেন তারা।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের কাটাপিটানিয়া আনন্দবাজারে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমনের নির্বাচনী সেন্টার কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে তারা যোগ দেন।
সুভাষ চন্দ্র হালদারের সভাপতিত্বে ও ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মহাসিন রেজার সঞ্চালনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম বাহাদুর, নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আজহারুল ইসলাম টুটুল, বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মাস্টার মো. এনামুল হক রতন, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহমুদুল হাসান বাবু, সুটিয়াকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. রুহুল আমীন প্রমুখ।
বিএনপিতে যোগ দিতে আসা হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র হালদার বলেন, আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ও তার সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপিতে যোগদান করেছি। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফার আঙ্গিকে বাংলাদেশকে সাজাতে বিএনপির কোনো বিকল্প নেই। তাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া দল বিএনপিতে আমরা শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বী যোগদান করেছি।
বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইনামুল হক রতন বলেন, নেছারাবাদ উপজেলায় সনাতন সম্প্রদায়ের লোকেদের প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটার রয়েছে। তারা আমাদের জানিয়েছেন, জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিএনপিতে যোগদান করবেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজকে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিএনপিতে যোগদান করেছে। তাদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।
উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও বলদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মো. আজহারুল ইসলাম টুটুল বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত ৩১ দফা আজ দেশের মানুষের মুক্তির সনদে পরিণত হয়েছে। সেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বলদিয়া ইউনিয়নে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোন বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৩:৪৬
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাধারণ ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে পিরোজপুরে প্রচারণামূলক কর্মসূচি পালন করছে জেলা তথ্য অফিস। ‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় মঙ্গলবার দিনব্যাপী ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সুরে সুরে সচেতনতা একটি সুসজ্জিত ট্রাককে অস্থায়ী মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করে স্থানীয় লোকসংগীত শিল্পীরা গান ও বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভোট প্রদানের গুরুত্ব এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করছেন। পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসহ শহরের প্রধান প্রধান গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানটি প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে শিল্পীরা দেহতত্ত্ব, দেশাত্মবোধক এবং নির্বাচনী সচেতনতামূলক গান পরিবেশন করেন। প্রচারণার মূল লক্ষ্য ছিল ‘গণভোট ২০২৬’ এবং একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ।
অতিথিবৃন্দ ও আয়োজন পিরোজপুর জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক পরীক্ষিৎ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী তথ্য অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
প্রশাসনের বক্তব্য জেলা তথ্য অফিসার পরীক্ষিৎ চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচনের বার্তা সহজে পৌঁছে দিতেই এই সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গানের মাধ্যমে তথ্য দিলে তা মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাউল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন। এ সময় ট্রাকের চারপাশ জুড়ে সাধারণ পথচারী ও দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ব্যানার ও পোস্টারে সজ্জিত এই ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ থেকে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, যেন তাঁরা নির্ভয়ে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। জেলা তথ্য অফিসের এই সৃজনশীল উদ্যোগকে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ সাধুবাদ জানিয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সাধারণ ভোটারদের উদ্বুদ্ধ করতে পিরোজপুরে প্রচারণামূলক কর্মসূচি পালন করছে জেলা তথ্য অফিস। ‘দেশের চাবি আপনার হাতে’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে পিরোজপুর সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় মঙ্গলবার দিনব্যাপী ট্রাকযোগে ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সুরে সুরে সচেতনতা একটি সুসজ্জিত ট্রাককে অস্থায়ী মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করে স্থানীয় লোকসংগীত শিল্পীরা গান ও বাদ্যযন্ত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে ভোট প্রদানের গুরুত্ব এবং নাগরিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন করছেন। পিরোজপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠসহ শহরের প্রধান প্রধান গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এই ভ্রাম্যমাণ সঙ্গীতানুষ্ঠানটি প্রদর্শিত হয়। অনুষ্ঠানে শিল্পীরা দেহতত্ত্ব, দেশাত্মবোধক এবং নির্বাচনী সচেতনতামূলক গান পরিবেশন করেন। প্রচারণার মূল লক্ষ্য ছিল ‘গণভোট ২০২৬’ এবং একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করতে জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ।
অতিথিবৃন্দ ও আয়োজন পিরোজপুর জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক পরীক্ষিৎ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাহমুদুর রহমান মামুন। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী তথ্য অফিসার মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদসহ স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা।
প্রশাসনের বক্তব্য জেলা তথ্য অফিসার পরীক্ষিৎ চৌধুরী বলেন, সাধারণ মানুষের কাছে নির্বাচনের বার্তা সহজে পৌঁছে দিতেই এই সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। গানের মাধ্যমে তথ্য দিলে তা মানুষের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাউল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা অংশ নেন। এ সময় ট্রাকের চারপাশ জুড়ে সাধারণ পথচারী ও দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
ব্যানার ও পোস্টারে সজ্জিত এই ভ্রাম্যমাণ মঞ্চ থেকে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, যেন তাঁরা নির্ভয়ে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। জেলা তথ্য অফিসের এই সৃজনশীল উদ্যোগকে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ সাধুবাদ জানিয়েছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৩
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন মহিলা দল নেত্রী।
এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি তার ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন।
সুলতানা রাজিয়া নেছারাবাদ উপজেলা মহিলা দলের সদস্য ও জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব। নির্বাচনী সেন্টারের খরচ না পেয়ে হতাশ হয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৩ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাজিয়া লেখেন, ‘জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি, গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলাম। সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করেছি। আর ক্ষমতা নাই। কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি।’
সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘আমি নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করেছি। এখন আর পারছি না। আমাদের কোনো খরচ দেওয়া হচ্ছে না। তাই অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে স্বেচ্ছায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তবে যতদিন বেঁচে আছি, বিএনপি করে যাব।’
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘সে সৈকত সাহেবের লোক। আমি এত পারি না।’
নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, ‘মূলত সব ইউনিয়ন থেকে মহিলা নেত্রীদের একটি তালিকা ও কাগজপত্র দিতে হবে। এরপর ন্যূনতম একটি সেন্টার খরচ দেওয়া হবে। হয়ত কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।’
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেন মহিলা দল নেত্রী।
এ ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে তিনি তার ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি স্ট্যাটাস দেন।
সুলতানা রাজিয়া নেছারাবাদ উপজেলা মহিলা দলের সদস্য ও জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস) পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব। নির্বাচনী সেন্টারের খরচ না পেয়ে হতাশ হয়ে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি ও গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ৩ নম্বর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ফেসবুক পোস্টে রাজিয়া লেখেন, ‘জলাবাড়ি, সুটিয়াকাঠি, গুয়ারেখা ইউনিয়নের নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিলাম। সামর্থ্য অনুযায়ী খরচ করেছি। আর ক্ষমতা নাই। কারো কোনো সহযোগিতা পাইনি।’
সুলতানা রাজিয়া বলেন, ‘আমি নিজের টাকা-পয়সা খরচ করে নির্বাচন পরিচালনার কাজ করেছি। এখন আর পারছি না। আমাদের কোনো খরচ দেওয়া হচ্ছে না। তাই অত্যন্ত কষ্টের সঙ্গে স্বেচ্ছায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছি। তবে যতদিন বেঁচে আছি, বিএনপি করে যাব।’
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নাসির উদ্দীন তালুকদার বলেন, ‘সে সৈকত সাহেবের লোক। আমি এত পারি না।’
নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মো. আব্দুল্লাহ আল বেরুনী সৈকত বলেন, ‘মূলত সব ইউনিয়ন থেকে মহিলা নেত্রীদের একটি তালিকা ও কাগজপত্র দিতে হবে। এরপর ন্যূনতম একটি সেন্টার খরচ দেওয়া হবে। হয়ত কিছু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।’

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৯
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মোঃ রাইয়ান মল্লিক (৫) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার দিনগত রাত ১২টার দিকে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাইয়ান ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের প্রবাসি রাসেল মল্লিক এর ছেলে। শিশুটি স্থানীয় পশারিবুনীয়া আফছারিয়া নূরানী কিন্ডার গার্টেন এ শিশু শ্রেণিতে পড়ালেখা করত। পরিবারের অভিযোগ প্রতিপক্ষ চাচা আব্দুল কাদের মল্লিক শিশুটিকে হত্যার পর লাশ খড়ের গাদায় লুকিয়ে রেখেছে।
থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গত শনিবার শিশু রাইয়ান সকলের অগোচরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। খুঁজে না পেয়ে শিশুটির মা তন্নী আক্তার ভান্ডারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ভান্ডারিয়া থানা পুিলশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
এঘটনায় নিহত শিশুর মা তন্নী আক্তার বাদি হয়ে ভা-ারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় মোঃ রাইয়ান মল্লিক (৫) নামে এক শিশু শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।সোমবার দিনগত রাত ১২টার দিকে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের গোয়ালঘরের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রাইয়ান ভান্ডারিয়া উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের প্রবাসি রাসেল মল্লিক এর ছেলে। শিশুটি স্থানীয় পশারিবুনীয়া আফছারিয়া নূরানী কিন্ডার গার্টেন এ শিশু শ্রেণিতে পড়ালেখা করত। পরিবারের অভিযোগ প্রতিপক্ষ চাচা আব্দুল কাদের মল্লিক শিশুটিকে হত্যার পর লাশ খড়ের গাদায় লুকিয়ে রেখেছে।
থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, গত শনিবার শিশু রাইয়ান সকলের অগোচরে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। খুঁজে না পেয়ে শিশুটির মা তন্নী আক্তার ভান্ডারিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে ভান্ডারিয়া থানা পুিলশ ও ডিবি পুলিশের একটি দল অনুসন্ধান চালিয়ে প্রতিবেশী এক গৃহস্থের খড়ের গাদার ভেতর থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে।
এঘটনায় নিহত শিশুর মা তন্নী আক্তার বাদি হয়ে ভা-ারিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ বিষয়ে ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.