
২৯ মে, ২০২৫ ২২:৫৭
উত্তর আমানতগঞ্জের বিএনপি নেতা মিরাজ, সেলিম এবং নয়ন-সবুজসহ গুটিকয়েক সন্ত্রাসে তটস্থ এলাকাবাসী ঘুরে বসতে শুরু করেছে। বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের ভাইদের ওপর হামলাসহ কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা পরে এলাকাবাসী এখন আর আগের মতো মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এবং তার সেকেন্ড ইন কামান্ড নিরব হোসেন টুটুলের ওপর আস্থা বা ভরসা রাখতে পারছে না। ফলে অনেকেই সাদিক-টুটুল বলয় ছেড়ে বর্তমান মেয়র আবুল খায়ের ওরফে খোকন সেরনিয়াবাতের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন, হচ্ছেন। বিশেষ করে সাংবাদিক স্বজন তারেকের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে মামলা এবং টুটুলের কাছের লোক হিসেবে পরিচিত মিরাজসহ সকলে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে যাওয়ার পরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, উত্তর আমানতগঞ্জে সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নেই এমন মানুষের সংখ্যা অধিকা, এই অংশ এতদিন নিবর হোসেন টুটুলের সাথে থাকলেও মিরাজ বাহিনীর নিপীড়িন এবং সন্ত্রাসের চিত্র দেখে তাদের রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের দোষারপ করছেন। ফলশ্রুতিতে বলাই যায়, মিরাজসহ এই কয়েকজন ব্যক্তির কারণে সাবেক সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ এবং নিরব হোসেন টুটুলের বদনাম হয়েছে, হচ্ছে, সেক্ষেত্রে তাদের জনপ্রিয়তাও হ্রাস পাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মহানগর আওয়ামী লীগ শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুলের আশ্রয়-প্রশ্রয় মিরাজ এবং সেলিমসহ ৯/১০ জনের একটি বাহিনী সাদিক আব্দুল্লাহ মেয়র থাকাকালীন উত্তর আমানতগঞ্জে দেদার ত্রাস চালিয়েছে। সদর উপজেলার তালতলী বন্দর থেকে জাটকা, চাপিলা এবং রেণুপোনার মতো জাতীয় সম্পদ পাচার করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছে। পাশাপাশি বেলতলা টু শায়েস্তবাদ পর্যন্ত সমান্তরাল চালিয়ে ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজিসহ সশস্ত্র ত্রাস। সর্বশেষ যার শিকার হয়েলে সাংবাদিক স্বজন তারিকুল ইসলাম, চল্লিশোর্ধ্ব এই যুবকও সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করেন।
ঈদের দুদিন আগে এই বাহিনীর অনুরুপ হামলার শিকার হয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক মাহাবুব সিকদার। জানা গেছে, তাকেসহ তার বাবা ভাইদের মারধরের পর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে কাউনিয়া পুলিশ গিয়ে দোকানটি খুলে দেয়। সেই ঘটনার সপ্তাহখানেকের মাথায় সাংবাদিক স্বজন তারেক এবং তার ভাইদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা করেছে মিরাজ বাহিনী।
স্থানীয় বাসিন্দা নাছির, কবির, সোহেল অভিযোগ করেন, গোটা উত্তর আমানতগঞ্জবাসী সাদিক আব্দুল্লাহ এবং নিরব হোসেন টুটুলের বন্দনা করতো। কিন্তু বিএনপি নেতা মিরাজ, সেলিম, নয়ন, সবুজসহ ৯/১০ জনের বাহিনী যাকে তাকে মারধর করে ক্রমাগত সন্ত্রাস সৃষ্টি করায় মহানগরের শীর্ষ নেতা সাদিকের বদনাম করেছে। এমনকি টুটুলকে বিষয়টি এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বারংবার অভিযোগ করা হলেও কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়নি, যার প্রভাব পড়েছে সাদিক আব্দুল্লাহ’র রাজনীতিতে। দেখা গেছে, টুটুলের এই বাহিনী মিছিল মিটিংয়ে যে কজন লোক সমাবেত করছে, তাদের অপেক্ষা বিরোধী অংশটি অর্থাৎ স্থানীয় ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ সামসুদ্দোহা আবিদ এবং মৎস্যজীবী লীগ নেতা খান হাবিব জনসমর্থনে এগিয়ে যাচ্ছেন পর্যায়ক্রমে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, মিরাজসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা সাদিক আব্দুল্লাহ এবং নিরব হোসেন টুটুলের নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের ত্রাস চালিয়ে আসায় তাদের ওপর স্থানীয়রা সংক্ষুব্ধ, অনেকেই বিকল্প রাজনৈতিক হিসেবে আবিদ ও খান হাবিবকে বেশি মাত্রায় গুরুত্ব দিতে শুরু করেছেন। সেক্ষেত্রে নিরব হোসেন টুটুলের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়, মন্তব্য পাওয়া গেছে।
তবে মিরাজসহ তার বাহিনীর সন্ত্রাসের কারণে এলাকাবাসী কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি মো. আসাদুজ্জামানকেও দুষছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি, মিরাজ, কালু এবং নিজামসহ এই বাহিনীর সদস্যদের চোরাকারবারি করার সুযোগ করে দিয়ে মাসোহারা গ্রহণ করে থাকেন। সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম যে বিষয়টি গত শনিবার শেবাচিমে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় উর্ধ্বতন পুলিশ কর্তাদের সামনেই প্রকাশ করে দিয়েছেন। এছাড়া সন্ত্রাসী বাহিনীটির সাথে যে ওসি আসাদের গভীর সংখ্যতা রয়েছে, তা থানা পুলিশের আচারণেও প্রকাশ পেয়েছে, পাচ্ছে।
থানা পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এই বাহিনীর সদস্যদের অনেকেই প্রতিদিন ওসির রুমে যাতায়াত করেন। এমনকি তাদের একজন বিএনপি নেতা নিজাম সিকদারকে ওসি রুমে বসে সিগারেট খেতেও দেখা যায়। এবং এগুলো তারা দম্ভোক্তির সুরে এলাকার ঘুরে মানুষের কাছে বলে বেড়ায়। ফলে কাউনিয়া থানা পুলিশের ওপরও উত্তর আমানতগঞ্জবাসী ভরসা না রাখতে পেরে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম, সিটি মেয়র খোকন সেরনিয়াবাত এবং পুলিশ কমিশনার মো. জিহাদুল কবির ও র্যাবপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মেয়রের চেয়ার হারানোর পরে রাজনৈদিকভাবে দুর্বল থাকা সাদিক আব্দুল্লাহ’র এই দুসময়ে তার নাম ভাঙিয়ে বিএনপি নেতা মিরাজরা যে ত্রাস অব্যাহত রেখেছে, তাতে স্থানীয়ভাবে আরও সমর্থন হ্রাস পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। বিপরিতে তার ঘোর শক্র আপন চাচা খোকন সেরনিয়াবাত এবং সদর আসনের এমপি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের বলয়-বৃদ্ধি ঘটাবে স্থানীয় জনতা।
এই বিষয়ে সাদিক আব্দুল্লাহ’র বক্তব্য না পাওয়া গেলেও নিরব হোসেন টুটুলের ভাষ্য হচ্ছে, তার নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করলে কোনো ছাড় নয়। উত্তর আমানতগঞ্জে যা হয়েছে, হচ্ছে তার জন্য তিনি দায়ী নন জানিয়ে বলেন, মামলা হয়েছে, পুলিশ ব্যবস্থাগ্রহণ করবে। আর এই মামলায় যারা অভিযুক্ত তারা আওয়ামী লীগের কেউ না, দলীয়ভাবে তাদের কোনো পদপদবিও নেই।
জানা গেছে, গত শনিবার স্থানীয় বাসিন্দা তারেকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলাটি থানায় যাতে নথিভুক্ত না হয়, বিএনপি নেতা মিরাজ বিভিন্ন মহল থেকে সুপারিশ রেখেছিল। কিন্তু কোনো কাজে আসেনি, কারণ যাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে, সেই তারেক বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক ও সংগঠক হাসিবুল ইসলামের ভাই। এই কারণে বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রশাসন।
এই সন্ত্রাস দমন করা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য গুরুদায়িত্ব বলে মনে করছে এলাকাবাসী। পাশাপাশি যাদের নাম ভাঙিয়ে ত্রাস চালাচ্ছে, তাদেরও বিষয়টি সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। নতুবা কিছুদিন পরে উত্তর আমানতগঞ্জে সাদিক সমর্থক খুঁজে পাওয়া যাবে না, বরং রাজনৈতিক গুরু পরিবর্তন করে মেয়র খোকন সেরনিয়বাতের অনুকূলে যাবে।
নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে হলেও সাদিক আব্দুল্লাহ এবং নিরব হোসেন টুটুলকে বিএনপি নেতা মিরাজসহ ৯/১০ জনকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া বন্ধ করা উচিৎ। এর ব্যত্তয় ঘটলে উত্তর আমানতগঞ্জে আগামীতে সাদিক সমর্থক খুঁজে পাওয়া দুস্কর হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধরা।’
উত্তর আমানতগঞ্জের বিএনপি নেতা মিরাজ, সেলিম এবং নয়ন-সবুজসহ গুটিকয়েক সন্ত্রাসে তটস্থ এলাকাবাসী ঘুরে বসতে শুরু করেছে। বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক হাসিবুল ইসলামের ভাইদের ওপর হামলাসহ কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা পরে এলাকাবাসী এখন আর আগের মতো মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ এবং তার সেকেন্ড ইন কামান্ড নিরব হোসেন টুটুলের ওপর আস্থা বা ভরসা রাখতে পারছে না। ফলে অনেকেই সাদিক-টুটুল বলয় ছেড়ে বর্তমান মেয়র আবুল খায়ের ওরফে খোকন সেরনিয়াবাতের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছেন, হচ্ছেন। বিশেষ করে সাংবাদিক স্বজন তারেকের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে মামলা এবং টুটুলের কাছের লোক হিসেবে পরিচিত মিরাজসহ সকলে গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে যাওয়ার পরে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, উত্তর আমানতগঞ্জে সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নেই এমন মানুষের সংখ্যা অধিকা, এই অংশ এতদিন নিবর হোসেন টুটুলের সাথে থাকলেও মিরাজ বাহিনীর নিপীড়িন এবং সন্ত্রাসের চিত্র দেখে তাদের রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের দোষারপ করছেন। ফলশ্রুতিতে বলাই যায়, মিরাজসহ এই কয়েকজন ব্যক্তির কারণে সাবেক সিটি মেয়র সাদিক আব্দুল্লাহ এবং নিরব হোসেন টুটুলের বদনাম হয়েছে, হচ্ছে, সেক্ষেত্রে তাদের জনপ্রিয়তাও হ্রাস পাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মহানগর আওয়ামী লীগ শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুলের আশ্রয়-প্রশ্রয় মিরাজ এবং সেলিমসহ ৯/১০ জনের একটি বাহিনী সাদিক আব্দুল্লাহ মেয়র থাকাকালীন উত্তর আমানতগঞ্জে দেদার ত্রাস চালিয়েছে। সদর উপজেলার তালতলী বন্দর থেকে জাটকা, চাপিলা এবং রেণুপোনার মতো জাতীয় সম্পদ পাচার করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছে। পাশাপাশি বেলতলা টু শায়েস্তবাদ পর্যন্ত সমান্তরাল চালিয়ে ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজিসহ সশস্ত্র ত্রাস। সর্বশেষ যার শিকার হয়েলে সাংবাদিক স্বজন তারিকুল ইসলাম, চল্লিশোর্ধ্ব এই যুবকও সংবাদকর্মী হিসেবে কাজ করেন।
ঈদের দুদিন আগে এই বাহিনীর অনুরুপ হামলার শিকার হয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক মাহাবুব সিকদার। জানা গেছে, তাকেসহ তার বাবা ভাইদের মারধরের পর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে কাউনিয়া পুলিশ গিয়ে দোকানটি খুলে দেয়। সেই ঘটনার সপ্তাহখানেকের মাথায় সাংবাদিক স্বজন তারেক এবং তার ভাইদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা করেছে মিরাজ বাহিনী।
স্থানীয় বাসিন্দা নাছির, কবির, সোহেল অভিযোগ করেন, গোটা উত্তর আমানতগঞ্জবাসী সাদিক আব্দুল্লাহ এবং নিরব হোসেন টুটুলের বন্দনা করতো। কিন্তু বিএনপি নেতা মিরাজ, সেলিম, নয়ন, সবুজসহ ৯/১০ জনের বাহিনী যাকে তাকে মারধর করে ক্রমাগত সন্ত্রাস সৃষ্টি করায় মহানগরের শীর্ষ নেতা সাদিকের বদনাম করেছে। এমনকি টুটুলকে বিষয়টি এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বারংবার অভিযোগ করা হলেও কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়নি, যার প্রভাব পড়েছে সাদিক আব্দুল্লাহ’র রাজনীতিতে। দেখা গেছে, টুটুলের এই বাহিনী মিছিল মিটিংয়ে যে কজন লোক সমাবেত করছে, তাদের অপেক্ষা বিরোধী অংশটি অর্থাৎ স্থানীয় ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ সামসুদ্দোহা আবিদ এবং মৎস্যজীবী লীগ নেতা খান হাবিব জনসমর্থনে এগিয়ে যাচ্ছেন পর্যায়ক্রমে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, মিরাজসহ কয়েকজন বিএনপি নেতা সাদিক আব্দুল্লাহ এবং নিরব হোসেন টুটুলের নাম ভাঙিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের ত্রাস চালিয়ে আসায় তাদের ওপর স্থানীয়রা সংক্ষুব্ধ, অনেকেই বিকল্প রাজনৈতিক হিসেবে আবিদ ও খান হাবিবকে বেশি মাত্রায় গুরুত্ব দিতে শুরু করেছেন। সেক্ষেত্রে নিরব হোসেন টুটুলের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়, মন্তব্য পাওয়া গেছে।
তবে মিরাজসহ তার বাহিনীর সন্ত্রাসের কারণে এলাকাবাসী কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি মো. আসাদুজ্জামানকেও দুষছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি, মিরাজ, কালু এবং নিজামসহ এই বাহিনীর সদস্যদের চোরাকারবারি করার সুযোগ করে দিয়ে মাসোহারা গ্রহণ করে থাকেন। সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম যে বিষয়টি গত শনিবার শেবাচিমে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় উর্ধ্বতন পুলিশ কর্তাদের সামনেই প্রকাশ করে দিয়েছেন। এছাড়া সন্ত্রাসী বাহিনীটির সাথে যে ওসি আসাদের গভীর সংখ্যতা রয়েছে, তা থানা পুলিশের আচারণেও প্রকাশ পেয়েছে, পাচ্ছে।
থানা পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, এই বাহিনীর সদস্যদের অনেকেই প্রতিদিন ওসির রুমে যাতায়াত করেন। এমনকি তাদের একজন বিএনপি নেতা নিজাম সিকদারকে ওসি রুমে বসে সিগারেট খেতেও দেখা যায়। এবং এগুলো তারা দম্ভোক্তির সুরে এলাকার ঘুরে মানুষের কাছে বলে বেড়ায়। ফলে কাউনিয়া থানা পুলিশের ওপরও উত্তর আমানতগঞ্জবাসী ভরসা না রাখতে পেরে প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীম, সিটি মেয়র খোকন সেরনিয়াবাত এবং পুলিশ কমিশনার মো. জিহাদুল কবির ও র্যাবপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মেয়রের চেয়ার হারানোর পরে রাজনৈদিকভাবে দুর্বল থাকা সাদিক আব্দুল্লাহ’র এই দুসময়ে তার নাম ভাঙিয়ে বিএনপি নেতা মিরাজরা যে ত্রাস অব্যাহত রেখেছে, তাতে স্থানীয়ভাবে আরও সমর্থন হ্রাস পাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। বিপরিতে তার ঘোর শক্র আপন চাচা খোকন সেরনিয়াবাত এবং সদর আসনের এমপি পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকের বলয়-বৃদ্ধি ঘটাবে স্থানীয় জনতা।
এই বিষয়ে সাদিক আব্দুল্লাহ’র বক্তব্য না পাওয়া গেলেও নিরব হোসেন টুটুলের ভাষ্য হচ্ছে, তার নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করলে কোনো ছাড় নয়। উত্তর আমানতগঞ্জে যা হয়েছে, হচ্ছে তার জন্য তিনি দায়ী নন জানিয়ে বলেন, মামলা হয়েছে, পুলিশ ব্যবস্থাগ্রহণ করবে। আর এই মামলায় যারা অভিযুক্ত তারা আওয়ামী লীগের কেউ না, দলীয়ভাবে তাদের কোনো পদপদবিও নেই।
জানা গেছে, গত শনিবার স্থানীয় বাসিন্দা তারেকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলাটি থানায় যাতে নথিভুক্ত না হয়, বিএনপি নেতা মিরাজ বিভিন্ন মহল থেকে সুপারিশ রেখেছিল। কিন্তু কোনো কাজে আসেনি, কারণ যাকে রক্তাক্ত করা হয়েছে, সেই তারেক বরিশালের সিনিয়র সাংবাদিক ও সংগঠক হাসিবুল ইসলামের ভাই। এই কারণে বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে মেট্রোপলিটন পুলিশ প্রশাসন।
এই সন্ত্রাস দমন করা এখন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য গুরুদায়িত্ব বলে মনে করছে এলাকাবাসী। পাশাপাশি যাদের নাম ভাঙিয়ে ত্রাস চালাচ্ছে, তাদেরও বিষয়টি সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি। নতুবা কিছুদিন পরে উত্তর আমানতগঞ্জে সাদিক সমর্থক খুঁজে পাওয়া যাবে না, বরং রাজনৈতিক গুরু পরিবর্তন করে মেয়র খোকন সেরনিয়বাতের অনুকূলে যাবে।
নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে হলেও সাদিক আব্দুল্লাহ এবং নিরব হোসেন টুটুলকে বিএনপি নেতা মিরাজসহ ৯/১০ জনকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়া বন্ধ করা উচিৎ। এর ব্যত্তয় ঘটলে উত্তর আমানতগঞ্জে আগামীতে সাদিক সমর্থক খুঁজে পাওয়া দুস্কর হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বোদ্ধরা।’

০৬ মে, ২০২৬ ০৩:১৫
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের ইতিহাস মানেই বিশাল সব জলযানের রাজত্ব। আজকের দিনে আমরা যখন এমভি মানামী, অ্যাডভেঞ্চার বা সুরভী-এর মতো দানবীয় ও আধুনিক লঞ্চ দেখি, তখন প্রবীণ যাত্রী ও নৌ-প্রেমীদের স্মৃতিতে আজও অম্লান হয়ে আছে একটি নাম— ‘সামাদ’। এক সময় এই রুটে ‘সামাদ’ ছিল আভিজাত্য, গতি এবং নির্ভরতার সমার্থক। আধুনিক লঞ্চের ভিড়ে সেই পুরনো দিনের ঐতিহ্যবাহী সামাদ লঞ্চের গল্প আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যায়, আশি এবং নব্বইয়ের দশকে যখন ঢাকা-বরিশাল রুটে আজকের মতো শত শত কেবিন সমৃদ্ধ লঞ্চ ছিল না, তখন সামাদ লঞ্চ ছিল যাত্রীদের প্রথম পছন্দ। বিশেষ করে এর গঠনশৈলী এবং নদীতে চলার সময় এর রাজকীয় ভঙ্গিমা মানুষকে মুগ্ধ করত। সেই সময় এই লঞ্চটি ছিল এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এক প্রকার গর্বের বিষয়। তৎকালীন সময়ে বরিশাল থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য এই লঞ্চের কেবিন পাওয়া ছিল রীতিমতো ভাগ্যের ব্যাপার।
পুরনো লঞ্চগুলোর মধ্যে সামাদ-এর বিশেষত্ব ছিল এর মজবুত কাঠামো এবং কাঠের নিখুঁত কারুকাজ। আজকের লঞ্চগুলোতে স্টিল আর কাঁচের আধিক্য থাকলেও, সামাদ লঞ্চের অন্দরসজ্জায় ছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া। বড় বড় কাঠের জানালা, প্রশস্ত ডেক এবং মাঝ বরাবর চলে যাওয়া গলিগুলো আজও প্রবীণদের নস্টালজিক করে তোলে। লঞ্চটির সার্চলাইট যখন রাতের আঁধারে মেঘনার বুকে আছড়ে পড়ত, তীরের মানুষ বুঝত— ‘সামাদ’ যাচ্ছে।
যাত্রীদের গভীর আবেগ
বরিশাল-ঢাকা রুটের নিয়মিত যাত্রীদের কাছে সামাদ কেবল একটি নৌযান ছিল না, বরং ছিল যাতায়াতের এক নিরাপদ আশ্রয়। লঞ্চের মাস্টার থেকে শুরু করে সারেং ও সুকানিদের সাথে যাত্রীদের গড়ে উঠত এক নিবিড় সম্পর্ক। এই লঞ্চের ডাইনিং বা ক্যান্টিনের রান্নার স্বাদও ছিল লোকমুখে প্রচলিত। নদীর টাটকা ইলিশ আর ঘন ডাল দিয়ে রাতের ডিনার সেরে ডেকের ওপর চাদর বিছিয়ে শুয়ে থাকার যে আনন্দ, তা আজকের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে অনেক যাত্রীই খুঁজে পান না।
কালের বিবর্তনে প্রস্থান
সময়ের সাথে সাথে নৌ-প্রকৌশল বিদ্যায় এসেছে বিশাল পরিবর্তন। নতুন নতুন স্টিল বডি ও ডাবল ডেকার-ট্রিপল ডেকার লঞ্চের ভিড়ে পুরনো কাঠের অবকাঠামোর লঞ্চগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে। নাব্য সংকট, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে এক সময় ঐতিহ্যের সামাদ লঞ্চটি এই রুট থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয়। যদিও সামাদ নামধারী বিভিন্ন নৌযান পরবর্তী সময়ে এসেছে, কিন্তু সেই আদি ও অকৃত্রিম ‘সামাদ’ আজও মানুষের স্মৃতির পাতায় এক সোনালী অধ্যায় হয়ে আছে।
সূত্র বলছে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় বিমানের গোলার আঘাতে জাহাজটি কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে গিয়েছিল। স্বাধীনতার পর বরিশালের এক ব্যবসায়ী নিজ খরচে জাহাজটি উদ্ধার করে কুমিল্লার দাউদকান্দির সাবেক এমপি মুন্সী আবদুল আলীর কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে মুন্সী আবদুল আলী এটিকে একটি আধুনিক যাত্রীবাহী লঞ্চে রূপান্তরিত করেন এবং নিজের বাবার নামানুসারে লঞ্চটির নামকরণ করেন 'এম ভি সামাদ'। অবশ্য ১৯৮৮ সালের জুলাই মাসে বরিশালের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী মোহন মিয়া লঞ্চটি কিনে নেন।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের সেই প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে কীর্তনখোলা নদীর কাউয়ার চরে লঞ্চটিকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের কারণে বেঁধে রাখা হয়েছিল। প্রবল বাতাস এবং জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে লঞ্চটি মাঝ নদীতে উল্টে গিয়ে সলিল সমাধি ঘটে। পরবর্তীতে একটি স্যালভেজ কোম্পানি লঞ্চটি কেটে পানি থেকে উদ্ধার করে, যার মাধ্যমেই চিরতরে বিলীন হয়ে যায় ইতিহাসের এই কিংবদন্তি।
বর্তমানে বরিশাল-ঢাকা রুটে হয়তো এর চেয়েও দশগুণ বড় ও বিলাসবহুল লঞ্চ চলাচল করে। কিন্তু বরিশালের প্রবীণ মানুষরা যখন আজও স্টিমার ঘাটে দাঁড়ান, তখন তারা সেই পুরনো ভোঁ-র শব্দ আর কাঠের কাঠামোর সামাদ লঞ্চটিকে মিস করেন। এটি কেবল একটি পরিবহন ছিল না, এটি ছিল একটি সময়ের প্রতিনিধি।
নৌপথের আধুনিকায়ন অবশ্যই কাম্য, তবে সামাদের মতো যেসব লঞ্চ এ অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে, তাদের ইতিহাস সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। বরিশালের নৌ-সংস্কৃতিতে ‘সামাদ’ লঞ্চটি তাই কেবল একটি নাম নয়, বরং এক অবিনাশী ঐতিহ্য হিসেবে চিরকাল বেঁচে থাকবে।’
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের ইতিহাস মানেই বিশাল সব জলযানের রাজত্ব। আজকের দিনে আমরা যখন এমভি মানামী, অ্যাডভেঞ্চার বা সুরভী-এর মতো দানবীয় ও আধুনিক লঞ্চ দেখি, তখন প্রবীণ যাত্রী ও নৌ-প্রেমীদের স্মৃতিতে আজও অম্লান হয়ে আছে একটি নাম— ‘সামাদ’। এক সময় এই রুটে ‘সামাদ’ ছিল আভিজাত্য, গতি এবং নির্ভরতার সমার্থক। আধুনিক লঞ্চের ভিড়ে সেই পুরনো দিনের ঐতিহ্যবাহী সামাদ লঞ্চের গল্প আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যায়, আশি এবং নব্বইয়ের দশকে যখন ঢাকা-বরিশাল রুটে আজকের মতো শত শত কেবিন সমৃদ্ধ লঞ্চ ছিল না, তখন সামাদ লঞ্চ ছিল যাত্রীদের প্রথম পছন্দ। বিশেষ করে এর গঠনশৈলী এবং নদীতে চলার সময় এর রাজকীয় ভঙ্গিমা মানুষকে মুগ্ধ করত। সেই সময় এই লঞ্চটি ছিল এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এক প্রকার গর্বের বিষয়। তৎকালীন সময়ে বরিশাল থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য এই লঞ্চের কেবিন পাওয়া ছিল রীতিমতো ভাগ্যের ব্যাপার।
পুরনো লঞ্চগুলোর মধ্যে সামাদ-এর বিশেষত্ব ছিল এর মজবুত কাঠামো এবং কাঠের নিখুঁত কারুকাজ। আজকের লঞ্চগুলোতে স্টিল আর কাঁচের আধিক্য থাকলেও, সামাদ লঞ্চের অন্দরসজ্জায় ছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া। বড় বড় কাঠের জানালা, প্রশস্ত ডেক এবং মাঝ বরাবর চলে যাওয়া গলিগুলো আজও প্রবীণদের নস্টালজিক করে তোলে। লঞ্চটির সার্চলাইট যখন রাতের আঁধারে মেঘনার বুকে আছড়ে পড়ত, তীরের মানুষ বুঝত— ‘সামাদ’ যাচ্ছে।
যাত্রীদের গভীর আবেগ
বরিশাল-ঢাকা রুটের নিয়মিত যাত্রীদের কাছে সামাদ কেবল একটি নৌযান ছিল না, বরং ছিল যাতায়াতের এক নিরাপদ আশ্রয়। লঞ্চের মাস্টার থেকে শুরু করে সারেং ও সুকানিদের সাথে যাত্রীদের গড়ে উঠত এক নিবিড় সম্পর্ক। এই লঞ্চের ডাইনিং বা ক্যান্টিনের রান্নার স্বাদও ছিল লোকমুখে প্রচলিত। নদীর টাটকা ইলিশ আর ঘন ডাল দিয়ে রাতের ডিনার সেরে ডেকের ওপর চাদর বিছিয়ে শুয়ে থাকার যে আনন্দ, তা আজকের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে অনেক যাত্রীই খুঁজে পান না।
কালের বিবর্তনে প্রস্থান
সময়ের সাথে সাথে নৌ-প্রকৌশল বিদ্যায় এসেছে বিশাল পরিবর্তন। নতুন নতুন স্টিল বডি ও ডাবল ডেকার-ট্রিপল ডেকার লঞ্চের ভিড়ে পুরনো কাঠের অবকাঠামোর লঞ্চগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে। নাব্য সংকট, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে এক সময় ঐতিহ্যের সামাদ লঞ্চটি এই রুট থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয়। যদিও সামাদ নামধারী বিভিন্ন নৌযান পরবর্তী সময়ে এসেছে, কিন্তু সেই আদি ও অকৃত্রিম ‘সামাদ’ আজও মানুষের স্মৃতির পাতায় এক সোনালী অধ্যায় হয়ে আছে।
সূত্র বলছে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় বিমানের গোলার আঘাতে জাহাজটি কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে গিয়েছিল। স্বাধীনতার পর বরিশালের এক ব্যবসায়ী নিজ খরচে জাহাজটি উদ্ধার করে কুমিল্লার দাউদকান্দির সাবেক এমপি মুন্সী আবদুল আলীর কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে মুন্সী আবদুল আলী এটিকে একটি আধুনিক যাত্রীবাহী লঞ্চে রূপান্তরিত করেন এবং নিজের বাবার নামানুসারে লঞ্চটির নামকরণ করেন 'এম ভি সামাদ'। অবশ্য ১৯৮৮ সালের জুলাই মাসে বরিশালের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী মোহন মিয়া লঞ্চটি কিনে নেন।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের সেই প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে কীর্তনখোলা নদীর কাউয়ার চরে লঞ্চটিকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের কারণে বেঁধে রাখা হয়েছিল। প্রবল বাতাস এবং জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে লঞ্চটি মাঝ নদীতে উল্টে গিয়ে সলিল সমাধি ঘটে। পরবর্তীতে একটি স্যালভেজ কোম্পানি লঞ্চটি কেটে পানি থেকে উদ্ধার করে, যার মাধ্যমেই চিরতরে বিলীন হয়ে যায় ইতিহাসের এই কিংবদন্তি।
বর্তমানে বরিশাল-ঢাকা রুটে হয়তো এর চেয়েও দশগুণ বড় ও বিলাসবহুল লঞ্চ চলাচল করে। কিন্তু বরিশালের প্রবীণ মানুষরা যখন আজও স্টিমার ঘাটে দাঁড়ান, তখন তারা সেই পুরনো ভোঁ-র শব্দ আর কাঠের কাঠামোর সামাদ লঞ্চটিকে মিস করেন। এটি কেবল একটি পরিবহন ছিল না, এটি ছিল একটি সময়ের প্রতিনিধি।
নৌপথের আধুনিকায়ন অবশ্যই কাম্য, তবে সামাদের মতো যেসব লঞ্চ এ অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে, তাদের ইতিহাস সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। বরিশালের নৌ-সংস্কৃতিতে ‘সামাদ’ লঞ্চটি তাই কেবল একটি নাম নয়, বরং এক অবিনাশী ঐতিহ্য হিসেবে চিরকাল বেঁচে থাকবে।’

১৯ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২৬
‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’র মতো জনপ্রিয় গানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী খালিদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী কেটে গেল নীরবেই।
চাইম ব্যান্ডের ভোকালিস্ট খালিদের মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ)। ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান এই গায়ক। মৃত্যুর দুই বছরের মাথায় তাকে ভুলতে বসেছে সবাই!
১৯৬৫ সালের ১ আগস্ট গোপালগঞ্জে খালিদের জন্ম। ১৯৮১ সালে ফ্রিজিং পয়েন্ট নামের একটি ব্যান্ডে যোগ দেন তিনি। ১৯৮৩ সালে সেই ব্যান্ডের নাম বদলে ‘চাইম’ রাখা হয়। সারগাম থেকে প্রকাশিত চাইমের প্রথম অ্যালবাম (সেলফ টাইটেলড) দিয়ে যাত্রা শুরু তার। এরপর এগিয়ে যাওয়ার গল্প। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বেশকিছু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি।
খালিদের গান শুনে অনেক অনেক তরুণ-তরুণীর বিকেল ঘনিয়ে সন্ধ্যা পেরিয়েছে। সেই খালিদ আজ নেই তবে তার গানগুলো এখনও ফিরে মানুষের মুখে মুখে।
উল্লেখ্য, আশির দশকের গোড়ার দিকে সংগীত জগতে খালিদের অভিষেক হয়। পুরো নাম খালিদ আনোয়ার সাইফুল্লাহ। নব্বই দশকে বেশ সাফল্যের সঙ্গে গান করে গেছেন তিনি। খালিদের ছেলে জুহাইফা আরিক ও স্ত্রী শামীমা জামান থাকেন নিউ ইয়র্কে।
বরিশাল টাইমস
‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’র মতো জনপ্রিয় গানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী খালিদের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী কেটে গেল নীরবেই।
চাইম ব্যান্ডের ভোকালিস্ট খালিদের মৃত্যুবার্ষিকী ছিল গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ)। ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান এই গায়ক। মৃত্যুর দুই বছরের মাথায় তাকে ভুলতে বসেছে সবাই!
১৯৬৫ সালের ১ আগস্ট গোপালগঞ্জে খালিদের জন্ম। ১৯৮১ সালে ফ্রিজিং পয়েন্ট নামের একটি ব্যান্ডে যোগ দেন তিনি। ১৯৮৩ সালে সেই ব্যান্ডের নাম বদলে ‘চাইম’ রাখা হয়। সারগাম থেকে প্রকাশিত চাইমের প্রথম অ্যালবাম (সেলফ টাইটেলড) দিয়ে যাত্রা শুরু তার। এরপর এগিয়ে যাওয়ার গল্প। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বেশকিছু জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি।
খালিদের গান শুনে অনেক অনেক তরুণ-তরুণীর বিকেল ঘনিয়ে সন্ধ্যা পেরিয়েছে। সেই খালিদ আজ নেই তবে তার গানগুলো এখনও ফিরে মানুষের মুখে মুখে।
উল্লেখ্য, আশির দশকের গোড়ার দিকে সংগীত জগতে খালিদের অভিষেক হয়। পুরো নাম খালিদ আনোয়ার সাইফুল্লাহ। নব্বই দশকে বেশ সাফল্যের সঙ্গে গান করে গেছেন তিনি। খালিদের ছেলে জুহাইফা আরিক ও স্ত্রী শামীমা জামান থাকেন নিউ ইয়র্কে।
বরিশাল টাইমস

০৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫
‘সার্জেন্ট’ পদে জনবল নিয়োগে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হবে। যা চলবে ২ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ;
পদের নাম: সার্জেন্ট;
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়;
চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন (স্থায়ী);
বেতন: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০);
অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা: সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রাপ্য হবেন;
প্রার্থীর বয়স: সাধারণ প্রার্থীদের ১৯ থেকে ২৭ বছর (২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে)। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য;
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন;
শিক্ষাগত যোগ্যতা—
অন্যূন স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে;
মোটরসাইকেল চালনায় দক্ষ হতে হবে;
*কম্পিউটারে কাজের দক্ষতা থাকতে হবে;
বৈবাহিক অবস্থা: প্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে (তালাকপ্রাপ্ত গ্রহণযোগ্য নয়) এবং শিক্ষানবিশকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিবাহিত থাকতে হবে;
শারীরিক যোগ্যতা—
উচ্চতা (পুরুষ): ন্যূনতম ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি (১.৭২৭২ মিটার) হতে হবে;
বুকের মাপ: স্বাভাবিক অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৪ ইঞ্চি হতে হবে;
উচ্চতা (নারী): ন্যূনতম ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি (১.৬২৫৬ মিটার) হতে হবে;
আবেদন যেভাবে—
আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে সংশ্লিষ্ট পদে আবেদন করতে পারবেন;
আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ২ এপ্রিল ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট;

‘সার্জেন্ট’ পদে জনবল নিয়োগে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। রোববার (৮ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে আবেদন শুরু হবে। যা চলবে ২ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাংলাদেশ পুলিশ;
পদের নাম: সার্জেন্ট;
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়;
চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন (স্থায়ী);
বেতন: ১৬,০০০-৩৮,৬৪০ টাকা (গ্রেড-১০);
অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা: সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী প্রাপ্য হবেন;
প্রার্থীর বয়স: সাধারণ প্রার্থীদের ১৯ থেকে ২৭ বছর (২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে)। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য;
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন;
শিক্ষাগত যোগ্যতা—
অন্যূন স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে;
মোটরসাইকেল চালনায় দক্ষ হতে হবে;
*কম্পিউটারে কাজের দক্ষতা থাকতে হবে;
বৈবাহিক অবস্থা: প্রার্থীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে (তালাকপ্রাপ্ত গ্রহণযোগ্য নয়) এবং শিক্ষানবিশকাল শেষ না হওয়া পর্যন্ত অবিবাহিত থাকতে হবে;
শারীরিক যোগ্যতা—
উচ্চতা (পুরুষ): ন্যূনতম ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি (১.৭২৭২ মিটার) হতে হবে;
বুকের মাপ: স্বাভাবিক অবস্থায় ৩২ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৪ ইঞ্চি হতে হবে;
উচ্চতা (নারী): ন্যূনতম ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি (১.৬২৫৬ মিটার) হতে হবে;
আবেদন যেভাবে—
আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে সংশ্লিষ্ট পদে আবেদন করতে পারবেন;
আবেদনের শেষ তারিখ: আগামী ২ এপ্রিল ২০২৬, রাত ১১টা ৫৯ মিনিট;

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.