
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০১
পিরোজপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় বিএনপির দুই নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মল্লিক নাছির ও শংকরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু।
আহত রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু জানান, মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে করে আসা একদল তাদের গতিরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে গুরুতর জখম করেন।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রাজিব পাইক জানান, আহত দুজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর জখম রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন জাহান বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমরা হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে কথা বলেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় বিএনপির দুই নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন পিরোজপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মল্লিক নাছির ও শংকরপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু।
আহত রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু জানান, মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে ৮ থেকে ১০টি মোটরসাইকেলে করে আসা একদল তাদের গতিরোধ করে। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে গুরুতর জখম করেন।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়।
পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. রাজিব পাইক জানান, আহত দুজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর জখম রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) নাসরিন জাহান বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমরা হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে কথা বলেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। হামলার কারণ ও জড়িতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫৪
পিরোজপুর-বরিশাল মহাসড়কে দুই বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রানীপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভান্ডারিয়াগামী পালকি পরিবহন এবং চরমোনাইয়ের মাহফিল থেকে আগত মোল্লা ট্রাভেলস নামের বাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মোল্লা ট্রাভেলস বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। মোল্লা ট্রাভেলসে থাকা যাত্রীরা অভিযোগ করেন, বিপরীত দিক থেকে আসা পালকি পরিবহনের অতিরিক্ত গতির কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পিরোজপুর সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান জানান, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে উভয় বাসের যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পিরোজপুর-বরিশাল মহাসড়কে দুই বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রানীপুর নামক এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, ঢাকা থেকে ভান্ডারিয়াগামী পালকি পরিবহন এবং চরমোনাইয়ের মাহফিল থেকে আগত মোল্লা ট্রাভেলস নামের বাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মোল্লা ট্রাভেলস বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। মোল্লা ট্রাভেলসে থাকা যাত্রীরা অভিযোগ করেন, বিপরীত দিক থেকে আসা পালকি পরিবহনের অতিরিক্ত গতির কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পিরোজপুর সদর থানার কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান জানান, দুর্ঘটনায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে উভয় বাসের যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন আহত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১১
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় খাস জমির মাটি অবৈধভাবে কাটার অভিযোগে তিনটি ইটভাটাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্তের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুয়ারেখা ও সারেংকাঠী ইউনিয়নের সংযোগস্থল পশ্চিম সারেংকাঠী এলাকায় সন্ধ্যা নদীর তীরে অভিযান চালিয়ে খাস জমির মাটি কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত ইটভাটা আশা, মর্ডান ও ডায়মন্ড ব্রিকসের প্রতিনিধিরা অপরাধ স্বীকার করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত জানান, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী প্রতিটি ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকারে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়।
অভিযানে জব্দ করা চার ট্রলার মাটি সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের কাজে ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অভিযান পরিচালনায় নেছারাবাদ থানা পুলিশ, স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং এলাকার মহল্লাদাররা সহযোগিতা করেন।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় খাস জমির মাটি অবৈধভাবে কাটার অভিযোগে তিনটি ইটভাটাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্তের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুয়ারেখা ও সারেংকাঠী ইউনিয়নের সংযোগস্থল পশ্চিম সারেংকাঠী এলাকায় সন্ধ্যা নদীর তীরে অভিযান চালিয়ে খাস জমির মাটি কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত ইটভাটা আশা, মর্ডান ও ডায়মন্ড ব্রিকসের প্রতিনিধিরা অপরাধ স্বীকার করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত দত্ত জানান, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ অনুযায়ী প্রতিটি ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা করে মোট ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকারে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়।
অভিযানে জব্দ করা চার ট্রলার মাটি সুটিয়াকাঠী ইউনিয়নের একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের কাজে ব্যবহারের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। অভিযান পরিচালনায় নেছারাবাদ থানা পুলিশ, স্থানীয় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং এলাকার মহল্লাদাররা সহযোগিতা করেন।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪২
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় লাইসেন্সবিহীন ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ‘পপুলার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামে একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের সরকারি হাসপাতালের পেছনে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার বৈধ লাইসেন্স বা ল্যাব পরিচালনার অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এছাড়া অভিযানের সময় হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক, প্যাথলজিস্ট কিংবা টেকনিশিয়ানকে পাওয়া যায়নি। এমনকি অভিযানের খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পালিয়ে যান।
অভিযানে উপস্থিত থাকা মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ জানান, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কোনো বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশগত সনদ ছাড়াই হাসপাতালটি পরিচালিত হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম দূর করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় লাইসেন্সবিহীন ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ‘পপুলার জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ নামে একটি বেসরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে পৌর শহরের সরকারি হাসপাতালের পেছনে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি কোনো প্রকার বৈধ লাইসেন্স বা ল্যাব পরিচালনার অনুমোদন ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। এছাড়া অভিযানের সময় হাসপাতালে কোনো চিকিৎসক, প্যাথলজিস্ট কিংবা টেকনিশিয়ানকে পাওয়া যায়নি। এমনকি অভিযানের খবর পেয়ে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও পালিয়ে যান।
অভিযানে উপস্থিত থাকা মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত দেবনাথ জানান, চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের কোনো বৈধ কাগজপত্র ও পরিবেশগত সনদ ছাড়াই হাসপাতালটি পরিচালিত হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনিয়ম দূর করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নেওয়া পর্যন্ত এটি বন্ধ থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৩
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১১
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৯
০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৫