
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।
৩০ মে, ২০২৬ ১১:১২
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৯:২৫
২৯ মে, ২০২৬ ১৮:৫১

২৭ মে, ২০২৬ ০৯:১৭
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জেলায় বুধবার ঈদুল আজহার উদযাপন করা হচ্ছে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম, দিনাজপুর ও সাতক্ষীরায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রামের প্রায় ৬০টি গ্রামে বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। জেলার চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা এ ঈদ উদযাপন করেন।
দরবার শরীফ সূত্র জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় মির্জাখীল দরবার শরীফের কেন্দ্রীয় খানকাহ মাঠে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এবারের জামাতে ইমামতি করেন বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মৌলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।
সাতকানিয়ার মির্জাখীল, গাটিয়াডাঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা ও হালুয়াঘোনাসহ বিভিন্ন এলাকায় আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।
চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, চরবরমা, কেশুয়া, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী ও জামিরজুরিসহ বিভিন্ন গ্রামেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ ও কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা পালিত হবে।
দিনাজপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সদর উপজেলাসহ জেলার ৬টি উপজেলায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একাংশ। জেলা শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে, চিরিরবন্দর, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, বিরল ও বিরামপুর উপজেলায় আগাম ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৮ টায় শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন শহর ও শহরতলীর কয়েকটি এলাকার মানুষ। এই জামাতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুসহ প্রায় ৩০০ শতাধিক মুসল্লি অংশগহণ করেন।
এই জামাতে ইমামতি করেন ফুলবাড়ী হলি কুরআন মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক।
এছাড়া চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতারা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম, ফতেহজংপুর গ্রামে, কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ গ্রামে, ১৩ মাইলে, বিরল উপজেলার পশ্চিম বনগাঁ জামে মসজিদে, বোচাগঞ্জ উপজেলায় ও বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদরাসা মাঠে ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে প্রায় ২০/২৫টি গ্রামের কয়েকশ মানুষ ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলায় ২৫ গ্রামের মানুষ ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। সদর উপজেলার বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন তারা। জামাতে ইমামতি করেন বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মোহাব্বত আলী।
ঈদের নামাজে সাতক্ষীরার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্তর, ভাদড়া, ঘোনা, ভাড়ুখালি, মিরগিডাঙ্গাসহ প্রায় ২৫ গ্রামের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। নামায শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করেন তারা।
সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন জেলায় বুধবার ঈদুল আজহার উদযাপন করা হচ্ছে। এরমধ্যে চট্টগ্রাম, দিনাজপুর ও সাতক্ষীরায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
চট্টগ্রামের প্রায় ৬০টি গ্রামে বুধবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হচ্ছে। জেলার চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া উপজেলার মির্জাখীল দরবার শরীফের অনুসারীরা এ ঈদ উদযাপন করেন।
দরবার শরীফ সূত্র জানায়, বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় মির্জাখীল দরবার শরীফের কেন্দ্রীয় খানকাহ মাঠে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এবারের জামাতে ইমামতি করেন বর্তমান সাজ্জাদানশীন হজরত ইমামুল আরেফীন ড. মৌলানা মুহাম্মদ মকছুদুর রহমান।
সাতকানিয়ার মির্জাখীল, গাটিয়াডাঙ্গা, আলীনগর, মাদার্শা, খাগরিয়া, মৈশামুড়া, পুরানগড়, বাজালিয়া, মনেয়াবাদ, চরতি, সুঁইপুরা ও হালুয়াঘোনাসহ বিভিন্ন এলাকায় আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে।
চন্দনাইশ উপজেলার কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, চরবরমা, কেশুয়া, কানাই মাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী ও জামিরজুরিসহ বিভিন্ন গ্রামেও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ ও কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা পালিত হবে।
দিনাজপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সদর উপজেলাসহ জেলার ৬টি উপজেলায় ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিদের একাংশ। জেলা শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে, চিরিরবন্দর, কাহারোল, বোচাগঞ্জ, বিরল ও বিরামপুর উপজেলায় আগাম ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ৮ টায় শহরের চারুবাবুর মোড়স্থ পার্টি সেন্টারে ঈদুল আযহার নামাজ আদায় করেন শহর ও শহরতলীর কয়েকটি এলাকার মানুষ। এই জামাতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুসহ প্রায় ৩০০ শতাধিক মুসল্লি অংশগহণ করেন।
এই জামাতে ইমামতি করেন ফুলবাড়ী হলি কুরআন মাদরাসার পরিচালক মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক।
এছাড়া চিরিরবন্দর উপজেলার সাইতারা ইউনিয়নের রাবার ড্যাম, ফতেহজংপুর গ্রামে, কাহারোল উপজেলার জয়নন্দ গ্রামে, ১৩ মাইলে, বিরল উপজেলার পশ্চিম বনগাঁ জামে মসজিদে, বোচাগঞ্জ উপজেলায় ও বিরামপুর উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের আয়ড়া দাখিল মাদরাসা মাঠে ও খয়ের বাড়ি দাখিল মাদরাসা মাঠে প্রায় ২০/২৫টি গ্রামের কয়েকশ মানুষ ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন।
সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলায় ২৫ গ্রামের মানুষ ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। সদর উপজেলার বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন তারা। জামাতে ইমামতি করেন বাওখোলা পূর্বপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মোহাব্বত আলী।
ঈদের নামাজে সাতক্ষীরার ইসলামকাটি, গোয়ালচত্তর, ভাদড়া, ঘোনা, ভাড়ুখালি, মিরগিডাঙ্গাসহ প্রায় ২৫ গ্রামের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। নামায শেষে আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ের লক্ষ্যে পশু কোরবানি করেন তারা।

২৭ মে, ২০২৬ ০৭:৫৪
মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামে আজ বুধবার পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে জেলার প্রায় ২৫ হাজার মানুষ একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করে থাকেন।
আজ ঈদ পালন করবেন পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামের বাসিন্দারা। এ উপলক্ষে সকাল ৮টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বদরপুর দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক শতাব্দী ধরে এসব এলাকায় মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ উদযাপনের রীতি চলে আসছে। ১৯২৮ সাল থেকে এখানকার মানুষ একদিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করছেন। শুধুমাত্র সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামেই প্রায় ১০০ পরিবার এ রীতি অনুসরণ করে।
যেসব গ্রামে বুধবার ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— সদর উপজেলার বদরপুর ও ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি ও নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলাখালী, আমিরাবাদ ও কনকদিয়া; এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, নাঈয়াপট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া, দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রাম।
বদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু রায়হান বলেন, “ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি, সারা দেশে ঈদ উদযাপনের একদিন আগে আমাদের এলাকায় ঈদ পালন করা হয়। আমরাও সেই নিয়মেই ঈদ করি। ঈদের নামাজ আদায়, কোলাকুলি, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাওয়া ও কোরবানি—সব মিলিয়ে দিনটি আমাদের কাছে আনন্দের।”
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, “আগামীকাল (বুধবার) সকাল ৮টায় আমাদের দরবার শরীফে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে আমরা সেই হিসাব অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করি। হাদিসেও এ বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে।”
মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামে আজ বুধবার পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে। দীর্ঘদিনের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে জেলার প্রায় ২৫ হাজার মানুষ একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করে থাকেন।
আজ ঈদ পালন করবেন পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামের বাসিন্দারা। এ উপলক্ষে সকাল ৮টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের বদরপুর দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হবে ঈদের প্রধান জামাত।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক শতাব্দী ধরে এসব এলাকায় মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ উদযাপনের রীতি চলে আসছে। ১৯২৮ সাল থেকে এখানকার মানুষ একদিন আগেই ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা পালন করছেন। শুধুমাত্র সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামেই প্রায় ১০০ পরিবার এ রীতি অনুসরণ করে।
যেসব গ্রামে বুধবার ঈদুল আযহা উদযাপিত হবে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— সদর উপজেলার বদরপুর ও ছোটবিঘাই; গলাচিপা উপজেলার পশুরী বুনিয়া, সেনের হাওলা, কানকুনি পাড়া, মৌডুবি ও নিজ হাওলা; বাউফল উপজেলার রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, মদনপুরা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলাখালী, আমিরাবাদ ও কনকদিয়া; এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার ইটবাড়ীয়া, নাঈয়াপট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া, দক্ষিণ দেবপুরসহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রাম।
বদরপুর গ্রামের বাসিন্দা আবু রায়হান বলেন, “ছোটবেলা থেকেই দেখে আসছি, সারা দেশে ঈদ উদযাপনের একদিন আগে আমাদের এলাকায় ঈদ পালন করা হয়। আমরাও সেই নিয়মেই ঈদ করি। ঈদের নামাজ আদায়, কোলাকুলি, আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে যাওয়া ও কোরবানি—সব মিলিয়ে দিনটি আমাদের কাছে আনন্দের।”
বদরপুর দরবার শরীফ মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা মো. শফিকুল আলম গনি বলেন, “আগামীকাল (বুধবার) সকাল ৮টায় আমাদের দরবার শরীফে ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো স্থানে চাঁদ দেখা গেলে আমরা সেই হিসাব অনুযায়ী ঈদ উদযাপন করি। হাদিসেও এ বিষয়ে নির্দেশনা রয়েছে।”

২৬ মে, ২০২৬ ১৯:৪৯
পটুয়াখালীর বাউফলে টিসিবির কার্ডের অনুকুলে দেয়া প্রায় ২৪০ কেজি চাল আত্মসাত করে ঘরে তোলার সময় মো. শাকিল শিকদার নামে এক ইউনিয়ন জামায়াত নেতাকে আটক করেছে স্থানীয়রা।
সোমবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। শাকিল ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাতে সকলের অগোচরে কয়েকটি বস্তাভর্তি টিসিবির চাল শাকিল তার মমিনবাজার সংলঘœ বাসায় তোলার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।
পরে তাঁরা শাকিলের বাসায় গিয়ে ২৫ জনের টিসিবি পন্য সুবিধাভোগীদের স্মাট কার্ডসহ বস্তাভর্তি ২৪০ কেজি চাল উদ্ধার করেন। এ নিয়ে উভয়ের মাধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উদ্ধারকৃত চাল ওই ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ হাসানের জিম্মায় রাখে।
স্থানীয়দের দাবি, টিসিবির চাল দিনের বেলা বিতরণ করা হয়। রাতে কেন একজনের বাসায় এতগুলি বস্তাভর্তি চাল তোলা হবে? আত্মসাত করার উদ্দ্যেশ্যেই শাকিল টিসিবির ওই বস্তাভর্তি চাল নিজের বাসায় তুলে ছিলেন।
অভিযুক্ত জামায়াত নেতা হাসান শিকদার বলেন, আটকের ঘটনাটি স্থানীয় বিএনপির সাজানো নাটক। আমার ছোট ভাই রাজিব ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালায়। এক বছর ধরে টিসিবির সুবিধাভোগীরা রাজিবের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করে আসছে।
বিনিময়ে রাজিব সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ৩০ টাকা করে পাচ্ছেন। নিরাপদে রাখার জন্য বস্তাভর্তি ওই চাল আমার বাসায় রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কেশবপুর ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি মোঃ আবু দাউদ বলেন, অভিযুক্ত হাসান শিকদারের ভাই অটো গাড়ী চালক,কয়েক ব্যক্তির চাল একত্রে করে তার গাড়ীতে করে এনেছে।
এ খানে জামায়াত নেতা নেতা হাসান শিকদার এ ঘটনার সাথে জড়ীতনা। এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি মোঃ থালিদুর রহমান বলেন, এ ঘটনাটি আমার জানা নেই। খোজ নিয়ে জানার চেষ্টা করতেছি।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয় আমাকে কেউ অবহিত করেন নাই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সালেহ আহম্মেদ বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে টিসিবির কার্ডের অনুকুলে দেয়া প্রায় ২৪০ কেজি চাল আত্মসাত করে ঘরে তোলার সময় মো. শাকিল শিকদার নামে এক ইউনিয়ন জামায়াত নেতাকে আটক করেছে স্থানীয়রা।
সোমবার দিবাগত রাত ১০ টার দিকে কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। শাকিল ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর বায়তুল মাল সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাতে সকলের অগোচরে কয়েকটি বস্তাভর্তি টিসিবির চাল শাকিল তার মমিনবাজার সংলঘœ বাসায় তোলার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।
পরে তাঁরা শাকিলের বাসায় গিয়ে ২৫ জনের টিসিবি পন্য সুবিধাভোগীদের স্মাট কার্ডসহ বস্তাভর্তি ২৪০ কেজি চাল উদ্ধার করেন। এ নিয়ে উভয়ের মাধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে উদ্ধারকৃত চাল ওই ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ হাসানের জিম্মায় রাখে।
স্থানীয়দের দাবি, টিসিবির চাল দিনের বেলা বিতরণ করা হয়। রাতে কেন একজনের বাসায় এতগুলি বস্তাভর্তি চাল তোলা হবে? আত্মসাত করার উদ্দ্যেশ্যেই শাকিল টিসিবির ওই বস্তাভর্তি চাল নিজের বাসায় তুলে ছিলেন।
অভিযুক্ত জামায়াত নেতা হাসান শিকদার বলেন, আটকের ঘটনাটি স্থানীয় বিএনপির সাজানো নাটক। আমার ছোট ভাই রাজিব ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালায়। এক বছর ধরে টিসিবির সুবিধাভোগীরা রাজিবের মাধ্যমে পণ্য ক্রয় করে আসছে।
বিনিময়ে রাজিব সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ৩০ টাকা করে পাচ্ছেন। নিরাপদে রাখার জন্য বস্তাভর্তি ওই চাল আমার বাসায় রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কেশবপুর ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি মোঃ আবু দাউদ বলেন, অভিযুক্ত হাসান শিকদারের ভাই অটো গাড়ী চালক,কয়েক ব্যক্তির চাল একত্রে করে তার গাড়ীতে করে এনেছে।
এ খানে জামায়াত নেতা নেতা হাসান শিকদার এ ঘটনার সাথে জড়ীতনা। এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াত ইসলামী সেক্রেটারি মোঃ থালিদুর রহমান বলেন, এ ঘটনাটি আমার জানা নেই। খোজ নিয়ে জানার চেষ্টা করতেছি।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, এ বিষয় আমাকে কেউ অবহিত করেন নাই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোঃ সালেহ আহম্মেদ বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.