বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১ টার দিকে মজিবুর হাওলাদারের বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা প্রথমে নিজ উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, চোখের সামনে সাজানো সংসার পুড়ে যেতে দেখলেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরে ঢোকার কোন সুযোগ ছিল না। জীবন বাঁচাতে তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফ জনকণ্ঠকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনস্থানে আসলে সড়ক সরু থাকায় ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক গাড়ি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ও স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের পাম্প মেশিন পুকুরে লাগিয়ে আগুন নিভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে আমরা এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছি না হলে বাড়ির ভিতর আরো ৫ টি বসত ঘর ছিল সব পুড়ে যেত। প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:২৪
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৎকালীন ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবিরের তদন্ত সংস্থায় দেওয়া জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জবানবন্দিটি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করা হয়। একই দিনে মামলায় ২৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণও সম্পন্ন হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা জবানবন্দিতে সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবির দাবি করেন, তৎকালীন বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক নির্দেশ ও প্রভাবের কারণে তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ আগৈলঝাড়ায় দুই বিএনপি নেতাকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার ঘটনায় জড়িত হন।
জবানবন্দির বরাত দিয়ে মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়ায় ফলবাহী একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়। ওই মামলায় এসপি এহসানউল্লাহর তদারকিতে ঢাকা ও কেরানীগঞ্জ থেকে আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং উপজেলা জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে আগৈলঝাড়া এলাকায় গুলি করে তাঁদের হত্যা করা হয় বলে মামলার অভিযোগ।
সাবেক ডিআইজি হুমায়ুন কবিরের জবানবন্দি অনুযায়ী, ঘটনার পর তিনি আগৈলঝাড়া থানার তৎকালীন ওসি মনিরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওসি তাকে জানান, এসপি এহসানউল্লাহ গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ‘ক্রসফায়ার’ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ সদস্যরা এতে রাজি না হওয়ায় উজিরপুর থানা থেকে পুলিশ সদস্য এনে হত্যাকাণ্ডটি কার্যকর করা হয় বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, ঘটনার পর এসপি নিজে থানায় গিয়ে জিডিতে এ বিষয়ে নোট দেওয়ার নির্দেশ দেন।
হুমায়ুন কবির আরও দাবি করেন, এহসানউল্লাহর ওই ভূমিকার কারণে ২০১৫ সালে তাঁর বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (এসিআর) বিরূপ মন্তব্য লিখে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠিয়েছিলেন তিনি। পরে এহসানউল্লাহকে বরিশাল থেকে মাগুরায় বদলি করা হয়।
তবে মামলার নথিতে সাবেক ডিআইজির জবানবন্দির বরাতে আরও দাবি করা হয়েছে, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হওয়ায় বিরূপ মন্তব্য থাকা সত্ত্বেও এহসানউল্লাহ পরবর্তীতে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান এবং পুনরায় বরিশাল রেঞ্জে পদায়ন পান।
এ মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন এসপি এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিনকে।
আসামিদের মধ্যে হাসানাত আবদুল্লাহ ও এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। মঙ্গলবার তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লাকে হত্যার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে গৌরনদী–গোপালগঞ্জ হাইওয়ের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় ব্রিজের পশ্চিম পাশে অধস্তন পুলিশ সদস্যদের দিয়ে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৎকালীন ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবিরের তদন্ত সংস্থায় দেওয়া জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে জবানবন্দিটি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণের আবেদন করা হলে তা মঞ্জুর করা হয়। একই দিনে মামলায় ২৩ নম্বর সাক্ষী হিসেবে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণও সম্পন্ন হয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা জবানবন্দিতে সাবেক ডিআইজি মো. হুমায়ুন কবির দাবি করেন, তৎকালীন বরিশাল-১ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর রাজনৈতিক নির্দেশ ও প্রভাবের কারণে তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ আগৈলঝাড়ায় দুই বিএনপি নেতাকে ‘ক্রসফায়ারে’ হত্যার ঘটনায় জড়িত হন।
জবানবন্দির বরাত দিয়ে মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়ায় ফলবাহী একটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় মামলা হয়। ওই মামলায় এসপি এহসানউল্লাহর তদারকিতে ঢাকা ও কেরানীগঞ্জ থেকে আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং উপজেলা জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিটে আগৈলঝাড়া এলাকায় গুলি করে তাঁদের হত্যা করা হয় বলে মামলার অভিযোগ।
সাবেক ডিআইজি হুমায়ুন কবিরের জবানবন্দি অনুযায়ী, ঘটনার পর তিনি আগৈলঝাড়া থানার তৎকালীন ওসি মনিরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওসি তাকে জানান, এসপি এহসানউল্লাহ গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ‘ক্রসফায়ার’ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে আগৈলঝাড়া থানার পুলিশ সদস্যরা এতে রাজি না হওয়ায় উজিরপুর থানা থেকে পুলিশ সদস্য এনে হত্যাকাণ্ডটি কার্যকর করা হয় বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, ঘটনার পর এসপি নিজে থানায় গিয়ে জিডিতে এ বিষয়ে নোট দেওয়ার নির্দেশ দেন।
হুমায়ুন কবির আরও দাবি করেন, এহসানউল্লাহর ওই ভূমিকার কারণে ২০১৫ সালে তাঁর বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনে (এসিআর) বিরূপ মন্তব্য লিখে পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠিয়েছিলেন তিনি। পরে এহসানউল্লাহকে বরিশাল থেকে মাগুরায় বদলি করা হয়।
তবে মামলার নথিতে সাবেক ডিআইজির জবানবন্দির বরাতে আরও দাবি করা হয়েছে, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন হওয়ায় বিরূপ মন্তব্য থাকা সত্ত্বেও এহসানউল্লাহ পরবর্তীতে অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পান এবং পুনরায় বরিশাল রেঞ্জে পদায়ন পান।
এ মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন এসপি এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিনকে।
আসামিদের মধ্যে হাসানাত আবদুল্লাহ ও এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। মঙ্গলবার তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
প্রসিকিউশনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জেরে টিপু হাওলাদার ও কবির মোল্লাকে হত্যার পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে গৌরনদী–গোপালগঞ্জ হাইওয়ের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় ব্রিজের পশ্চিম পাশে অধস্তন পুলিশ সদস্যদের দিয়ে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়।

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৪
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন বন্ধু ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আটিপাড়া এলাকায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো আটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কবির ঢালীর ছেলে সৌরভ ঢালী (১৪), একই গ্রামের তাওহীদ ইসলাম (১৩) এবং মের মনির হোসেনের ছেলে মোস্তাকিন (১৪)। তিনজনই আটিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উজিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, তিন বন্ধু মোটরসাইকেলযোগে ঘুরতে বের হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আটিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী সুরভী পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলচালক সৌরভ ঢালীসহ আরোহী মোস্তাকিন এবং তাওহীদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে চালকসহ স্টাফরা পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় পর প্রায় আধাঘণ্টা মহাসড়কে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।'
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের উজিরপুরে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন বন্ধু ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার আটিপাড়া এলাকায় বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো আটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা কবির ঢালীর ছেলে সৌরভ ঢালী (১৪), একই গ্রামের তাওহীদ ইসলাম (১৩) এবং মের মনির হোসেনের ছেলে মোস্তাকিন (১৪)। তিনজনই আটিপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে উজিরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন জানান, তিন বন্ধু মোটরসাইকেলযোগে ঘুরতে বের হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে আটিপাড়া এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী সুরভী পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে মোটরসাইকেলচালক সৌরভ ঢালীসহ আরোহী মোস্তাকিন এবং তাওহীদ ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।
খবর পেয়ে উজিরপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাসটি জব্দ করেছে পুলিশ। তবে চালকসহ স্টাফরা পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় পর প্রায় আধাঘণ্টা মহাসড়কে সবধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানচলাচল স্বাভাবিক করে।'

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৫
কর্মজীবী বাবা-মায়ের সন্তানদের নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে বরিশাল নগরীতে চালু হয়েছে ‘বরিশাল ডে কেয়ার এন্ড প্রি-স্কুল’। এক থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম, পড়াশোনায় সহায়তা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নগরীর নতুন বাজার এলাকার সপ্ত বর্ণ কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বর্তমানে অনেক পরিবারে বাবা ও মা দুজনই কর্মজীবী। কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানদের নিয়মিত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একক অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সন্তান লালন-পালনে বাড়তি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ থাকে। শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফারজানা আক্তার মনি বলেন, এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এখানে ভর্তি করা যাবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অভিভাবকদের ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে সন্তানদের কার্যক্রম লাইভ দেখতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু শিশুদের দেখাশোনা নয়, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চার জন্য প্লে-জোন। পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফারজানা আক্তার মনি বলেন, কর্মজীবী অভিভাবকেরা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় যাতে সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ দেওয়া যায়—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাসুম হাসান, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব সাকলাইন মোস্তাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
আয়োজকদের মতে, নগরীতে কর্মজীবী অভিভাবকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত ডে কেয়ার সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচর্যা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কর্মজীবী বাবা-মায়ের সন্তানদের নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে বরিশাল নগরীতে চালু হয়েছে ‘বরিশাল ডে কেয়ার এন্ড প্রি-স্কুল’। এক থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম, পড়াশোনায় সহায়তা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নগরীর নতুন বাজার এলাকার সপ্ত বর্ণ কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বর্তমানে অনেক পরিবারে বাবা ও মা দুজনই কর্মজীবী। কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানদের নিয়মিত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একক অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সন্তান লালন-পালনে বাড়তি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ থাকে। শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফারজানা আক্তার মনি বলেন, এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এখানে ভর্তি করা যাবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অভিভাবকদের ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে সন্তানদের কার্যক্রম লাইভ দেখতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু শিশুদের দেখাশোনা নয়, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চার জন্য প্লে-জোন। পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফারজানা আক্তার মনি বলেন, কর্মজীবী অভিভাবকেরা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় যাতে সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ দেওয়া যায়—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাসুম হাসান, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব সাকলাইন মোস্তাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
আয়োজকদের মতে, নগরীতে কর্মজীবী অভিভাবকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত ডে কেয়ার সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচর্যা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১ টার দিকে মজিবুর হাওলাদারের বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা প্রথমে নিজ উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, চোখের সামনে সাজানো সংসার পুড়ে যেতে দেখলেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরে ঢোকার কোন সুযোগ ছিল না। জীবন বাঁচাতে তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফ জনকণ্ঠকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনস্থানে আসলে সড়ক সরু থাকায় ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক গাড়ি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ও স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের পাম্প মেশিন পুকুরে লাগিয়ে আগুন নিভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে আমরা এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছি না হলে বাড়ির ভিতর আরো ৫ টি বসত ঘর ছিল সব পুড়ে যেত। প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।