Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:০৩
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ০১নং চরামদ্দি ইউনিয়নের ০৭নং ওয়ার্ডের উত্তর কাটাদিয়া গ্রামে রাঙ্গামাটি নদী ভাঙ্গনে ফসলি জমি ও বেরিবাঁধ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও রাঙ্গামাটি নদীস্রোতের প্রভাবে বাঁধটির বেশিরভাগ অংশ ভেঙে যাওয়ায় এখন তা প্রায় নিশ্চিহ্ন। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক আতঙ্ক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে কৃষিজমি রক্ষার্থে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বেরিবাঁধটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে ধীরে ধীরে নদীর পানি ও স্রোতের চাপে বাঁধটি ভেঙে যায়।
বর্তমানে বাঁধের বেশিরভাগ অংশ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় আশেপাশের ফসলি জমি ও বসতবাড়ি সহ উত্তর কাটাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর কাটাদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উত্তর কাটাদিয়া আনিসিয়া মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবারই আমরা প্রশাসনের কাছে বাঁধ মেরামতের দাবি জানাই, কিন্তু কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয় না। এখন সামান্য জোয়ারের পানিতেই আমাদের জমি তলিয়ে যাচ্ছে।
কৃষি জমিতে নদীর জোয়ারের পানি প্রবেশ করে ফসল নষ্ট হচ্ছে। চরমদ্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন খোকন জানান, বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।
চরমদ্দি ইউনিয়নের কাটাদিয়া বেরিবাঁধ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় এলাকার কৃষি, বসতবাড়ি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় দেখা দিয়েছে মারাত্মক ঝুঁকি। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি উদ্যোগে বাঁধ পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাটাদিয়া বেরিবাঁধ ও তৎসংলগ্ন এলাকা রাঙ্গামাটির নদীস্রোতের প্রভাবে প্রায় ৩০০ মিটার জায়গা ভাঙ্গনের কবলে পতিত হয়েছে।
বেরিবাঁধের ভাঙ্গন কবলিত জায়গায় জরুরি ভিত্তিতে ভাঙ্গন রোধ করা না হলে এই ভাঙ্গন এলাকার প্রায় ২০০ একর জমি পানিতে তলিয়ে যাবে, যাহার ফলে স্থানীয় কৃষকগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল ইসলাম খান জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষে বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবর আমি একটি লিখিত আবেদন করেছি যাতে ভেরি বাঁধ ভাঙ্গন রোদে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বিভাগ, বাপাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাবেদ ইকবাল জানান, চরামদ্দি কাটাদিয়া রাঙ্গামাটি নদী ভাঙ্গনে বেরিবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ০১নং চরামদ্দি ইউনিয়নের ০৭নং ওয়ার্ডের উত্তর কাটাদিয়া গ্রামে রাঙ্গামাটি নদী ভাঙ্গনে ফসলি জমি ও বেরিবাঁধ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাব ও রাঙ্গামাটি নদীস্রোতের প্রভাবে বাঁধটির বেশিরভাগ অংশ ভেঙে যাওয়ায় এখন তা প্রায় নিশ্চিহ্ন। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক আতঙ্ক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক বছর আগে কৃষিজমি রক্ষার্থে ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বেরিবাঁধটি নির্মাণ করা হয়। কিন্তু সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে ধীরে ধীরে নদীর পানি ও স্রোতের চাপে বাঁধটি ভেঙে যায়।
বর্তমানে বাঁধের বেশিরভাগ অংশ নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় আশেপাশের ফসলি জমি ও বসতবাড়ি সহ উত্তর কাটাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর কাটাদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উত্তর কাটাদিয়া আনিসিয়া মোহাম্মাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবারই আমরা প্রশাসনের কাছে বাঁধ মেরামতের দাবি জানাই, কিন্তু কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয় না। এখন সামান্য জোয়ারের পানিতেই আমাদের জমি তলিয়ে যাচ্ছে।
কৃষি জমিতে নদীর জোয়ারের পানি প্রবেশ করে ফসল নষ্ট হচ্ছে। চরমদ্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন খোকন জানান, বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানানো হয়েছে।
চরমদ্দি ইউনিয়নের কাটাদিয়া বেরিবাঁধ নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ায় এলাকার কৃষি, বসতবাড়ি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় দেখা দিয়েছে মারাত্মক ঝুঁকি। স্থানীয়রা দ্রুত সরকারি উদ্যোগে বাঁধ পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কাটাদিয়া বেরিবাঁধ ও তৎসংলগ্ন এলাকা রাঙ্গামাটির নদীস্রোতের প্রভাবে প্রায় ৩০০ মিটার জায়গা ভাঙ্গনের কবলে পতিত হয়েছে।
বেরিবাঁধের ভাঙ্গন কবলিত জায়গায় জরুরি ভিত্তিতে ভাঙ্গন রোধ করা না হলে এই ভাঙ্গন এলাকার প্রায় ২০০ একর জমি পানিতে তলিয়ে যাবে, যাহার ফলে স্থানীয় কৃষকগণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা কামরুল ইসলাম খান জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষে বরিশাল জেলা প্রশাসক বরাবর আমি একটি লিখিত আবেদন করেছি যাতে ভেরি বাঁধ ভাঙ্গন রোদে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ পুনর্নির্মাণের ব্যবস্থা নেয়।
বরিশাল পানি উন্নয়ন বিভাগ, বাপাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ জাবেদ ইকবাল জানান, চরামদ্দি কাটাদিয়া রাঙ্গামাটি নদী ভাঙ্গনে বেরিবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #


১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৭
মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি গ্রামে ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে সংযোগ সড়ক না থাকায়। ফলে দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি কাজে লাগাতে না পেরে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কবাই ইউনিয়নের ৫ গ্রামের হাজারো মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনসাধারণের চলাচল সহজ করতে ও এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে কালেরকাঠি গ্রামের পোরাবর্ধন খালের উপর ২০২৩ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতুটি নির্মাণ কাজ করেন এমএস রুপালি কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণের প্রায় এক বছর শেষ হলেও এখন পর্যন্ত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করেনি কর্তৃপক্ষ। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করায় এটি কার্যত অচল অবস্থায় পড়ে আছে। সেতু থাকলেও রাস্তা না থাকায় মানুষকে এখনও পুরনো ঝুঁকিপূর্ণ পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা অহিদুল তালুকদার জানান, এখানে একটি ভাঙ্গা সেতু ছিল যে সেতুটি পারাপার হতে গিয়ে একযুগেরও বেশি সময় এই এলাকার সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ছিল। এখন নতুন সেতু হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় আগের মতোই দুর্ভোগ রয়ে গেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের বর্ষা মৌসুমে চলাচল আরও কষ্টকর হয়ে পড়ে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহন করতেও দেখা দেয় মারাত্মক সমস্যা।
এ বিষয়ে এলাকার একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, কবাই ইউনিয়নের কালেরকাঠি, ঢোলা,শিয়ালঘুনি, হানুয়া, পেয়ারপুর সহ পাঁচ গ্রামের মানুষ এই সেতুটি ব্যবহার করে। সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে সেতু নির্মাণ করেছে, কিন্তু সংযোগ সড়ক না থাকায় এর কোনো সুফল পাচ্ছি না। দ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা না হলে এ সেতু শুধু দেখার জিনিস হিসেবেই থেকে যাবে।
এদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে সেতুটি চলাচলের উপযোগী করা হোক, যাতে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘব হয় এবং সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের সঠিক সুফল তারা পেতে পারে।
উপজেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো: হাসনাইন আহমেদ বলেন, সেতুটি সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর নতুন করে ডিজাইন করে রিভাইস পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় বরাদ্দ আসলেই দ্রুত সময়ের মধ্যে সেতুটির সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের বাবুগঞ্জে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান করেছেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন সহকারী শিক্ষক আজিজুল হক। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে তিনি নিজ উদ্যোগে এবং অর্থায়নে বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে পঞ্চম শ্রেণির ৪৮ জন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের মাঝে ক্লিপ বোর্ড, স্কেল, কলম, ফাইলসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেন। এসময় সেখানে এক সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাবুগঞ্জ সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসম্মৎ আমিনার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুস সালাম। এসময় সেখানে শিক্ষা উপকরণ উপহারপ্রাপ্ত পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার্থী ছাড়াও তাদের অভিভাবক, বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ প্রসঙ্গে বরিশাল মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আজিজুল হক মাস্টার বলেন, 'শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক ধাপটা অতিক্রম করার সময় মেধাবী বৃত্তি পরীক্ষার্থীদের একটু উৎসাহ এবং অনুপ্রেরণা দিতেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। এর আগেও আমি সরকারি বাবুগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করেছি। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গরীব, অসহায় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করাসহ তাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ছাত্রদলের একজন কর্মী হিসেবে সবসময় ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব বলে মনে করি। আমার সাধ অনেক কিন্তু সাধ্য সীমিত। তবুও সেই সীমিত সাধ্য দিয়েই যতটুকু সম্ভব মানুষের কল্যাণে সবসময় কাজ করে যেতে চাই।' #

মধুমাস জ্যৈষ্ঠ অত্যাসন্ন। ফলের মৌসুমের শুরুতে চৈত্রেই গাছে গাছে ঝুঁলছে আম, কাঁঠাল, জাম্বুরা, লিচু,কলা,পেয়ারাসহ নানা রসাঁলো ফল। ক্ষেতে তরমুজ ফুটি/ভাঙ্গিসহ প্রভৃতি ফল জানান দিচ্ছে এসেছে ফলের মৌসুম।
এ বছর আম-কাঁঠালের বাম্পার ফলণের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। দেশের প্রতিটি বাড়িতে,বাগানে আম,কাঁঠাল, জাম্বুরার ফলণ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ক্ষেতের তরমুজ, ফুটি-ভাঙ্গি সেই রমজান থেকেই বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
আগাম কাঁচা-পাকা আমেরও দেখা মিলছে হাট-বাজারে। বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের আঙিনায় সাইদুর রহমানের এক গাছে শতাধিক কাঁঠাল যেন দেশজুড়ে কাঁঠালের বাম্পার ফলণেরই প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
মাত্র ৪ বছর বয়সী এ গাছটির গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলে আছে সুস্বাদু রসালো ফল কাঁঠাল। সাইদুর রহমান বলেন, আল্লাহর রহমতে কাঁঠালগুলো পরিপক্ব হয়ে পাকার পরে নিজের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খাওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশীসহ আত্মীয়-স্বজনদের মাঝে বিতরণ করবেন।