বরিশালে ২ ভুয়া সাংবাদিককে আটক করেছে পুলিশ, যারা দীর্ঘদিন ধরে কীর্তনখোলা তীর জনপদে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল। শহরের উত্তর অঞ্চলের বাসিন্দা হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদার নামের এই দুই যুবকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন সময়ে মানুষকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে। গত বুধবার শহরের চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রাক্কালে তাদেরকে আটকে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা। অবশ্য এরআগে একচোট পিটুনিও দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকার হাসিব রহমান এবং বেলতলার সায়েম সিকদারসহ ৫/৬ জনের একটি গ্রুপ নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে আসছিল। বুধবার রাতে চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তারা অর্থ দাবি করে। এবং এনিয়ে তারা সংবাদ প্রকাশের হুমকি ধামকি দিয়ে ১১ হাজার টাকা প্রেমিক যুগলের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাংবাদিক পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমে ১১ হাজার টাকা নিলেও প্রেমিক যুগল নিশ্চুপ ছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয় তখন তারা ক্ষুব্ধ হন এবং এনিয়ে ভুয়া ৫/৬ সাংবাদিকের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তখন স্থানীয় দোকানিসহ পথচারীরা একত্রিত হয়ে তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে জনরোষে পড়ে। এসময় উত্তেজিত জনতা ধাওয়া দিয়ে হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদারকে আটক করতে সক্ষম হলেও পালিয়ে গেছে বাকি ৪ সহযোগী।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এই গ্রুপটিই সপ্তাহখানেক পূর্বে শহরের কলেজ এভিনিউ রোডের একটি বাসায় হানা দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সাংবাদিক পরিচয়ে স্বামী-স্ত্রীকে জিম্মি করে নগদ ১৫ হাজার টাকাসহ তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। এই ভুয়া সাংবাদিকদের দুজন আটকের খবর পেয়ে কলেজ এভিনিউ রোডের দম্পতি কোতয়ালি মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই গ্রুপটির বিরুদ্ধে এছাড়াও মাদক ক্রয় বিক্রয়সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। সূত্র জানিয়েছে, হাসিব রহমানসহ গ্রুপের সদস্যরা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল এবং স্থানীয় নেতাদের ছত্রছায়ায় পোর্টরোডে শ্রমিকের কাজ করতো। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তারা বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হয়।
২ ভুয়া সাংবাদিককে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। তিনি জানান, সাংবাদিক পরিচয়ে ৫/৬ যুবক শহরের চৌমাথায় প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তাদের ভয়ভীতি দেখাতে ছিল। এবং একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা হাতিয়ে নিতেও সক্ষম হয়। পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে আরও টাকা চাইলে দেখা দেয় বিপত্তি। সন্দেহবশত স্থানীয়রা তাদের মধ্যেকার দুজন হাসিব রহমান এবং সায়েমকে আটক করে চ্যালেঞ্জ করেন। তখন তারা দুজন নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হলে থানায় খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পুলিশের একটি টিম গিয়ে তাদের ঘটনাস্থল থেকে আটক করে নিয়ে আসে। এই ঘটনায় মামলাগ্রহণ পরবর্তী তাদের দুজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
কলেজ এভিনিউসহ আরও বিভিন্ন এলাকায় তাদের অপরাধ সংঘটিত করার বিষয়ে শুক্রবার রাতে ওসি মিজান বলেন, বিভিন্ন মাধ্যম মৌখিক অভিযোগ আসছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ জমা করেননি। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে, জানান ওসি।’

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:১৫
দেশের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের ঘাটতি থাকলেও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মক্ষম মানুষের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ (বিএম কলেজ) ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তাদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ প্রবাসীদের জন্যও সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের ঘাটতি রয়েছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। প্রতিবছর ৮ থেকে ১০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।”
কলেজের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে ছাত্র অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বিএম কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।
এ সময় কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তর এবং প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের ঘাটতি থাকলেও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে এক কোটি কর্মক্ষম মানুষের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।
বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ (বিএম কলেজ) ক্যাম্পাস পরিদর্শনকালে সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নুর বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। তাদের জন্য ঋণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ প্রবাসীদের জন্যও সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে।
তিনি বলেন, দেশের শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের ঘাটতি রয়েছে। এ বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। প্রতিবছর ৮ থেকে ১০ লাখ মানুষ কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।”
কলেজের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডে ছাত্র অধিকার পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বিএম কলেজ ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।
এ সময় কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষক ছাড়াও সরকারি বিভিন্ন দপ্তর এবং প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

৩১ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:০৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন শতাধিক শিক্ষার্থী।
সোমবার দুপুর ১২টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরের সামনে এ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এর আগে সকাল থেকেই একই স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এর আগে রোববার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের জন্য সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় অনশনে বসার ঘোষণা দেন তারা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। পাশাপাশি পক্ষপাতমূলক আচরণ, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে বিভাগটির যাত্রা শুরু হলেও দীর্ঘ সময়ে মাত্র দুটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ফলে বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। গতকাল আমরা উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এবং সংবাদ সন্মেলন করে বলেছিলাম আজ দুপুর ১২ টার ভিতর হাফিজ আশরাফুল হককে অপসারণ না করলে আমরা অনশনে বসবো। কিন্তু উপাচার্যের দপ্তরে আমরা কয়েক দফায় আলোচনা করেও কোন সমাধান নে পেয়ে প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী অনশনে বসেছি। যত সময় না পর্যন্ত এই স্বৈরাচার চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুলকে অপসারণ না করবে তত সময় পর্যন্ত আমরা অনশন চালিয়ে যাবো।
তবে শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদি হাসান সোহাগ বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। দ্রুত সময়ে সমাধান করার চেষ্টা করছি।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। ওই সময় মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক বিভাগটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন। বর্তমানে তিনি ওই দায়িত্বেই রয়েছেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন শতাধিক শিক্ষার্থী।
সোমবার দুপুর ১২টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দপ্তরের সামনে এ অনশন কর্মসূচি শুরু করেন তারা। এর আগে সকাল থেকেই একই স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
এর আগে রোববার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে শিক্ষার্থীরা চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের জন্য সোমবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় অনশনে বসার ঘোষণা দেন তারা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। পাশাপাশি পক্ষপাতমূলক আচরণ, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার কারণে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এসব সমস্যা সমাধানে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালে বিভাগটির যাত্রা শুরু হলেও দীর্ঘ সময়ে মাত্র দুটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ফলে বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। গতকাল আমরা উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। এবং সংবাদ সন্মেলন করে বলেছিলাম আজ দুপুর ১২ টার ভিতর হাফিজ আশরাফুল হককে অপসারণ না করলে আমরা অনশনে বসবো। কিন্তু উপাচার্যের দপ্তরে আমরা কয়েক দফায় আলোচনা করেও কোন সমাধান নে পেয়ে প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী অনশনে বসেছি। যত সময় না পর্যন্ত এই স্বৈরাচার চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুলকে অপসারণ না করবে তত সময় পর্যন্ত আমরা অনশন চালিয়ে যাবো।
তবে শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রক্টর মেহেদি হাসান সোহাগ বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। দ্রুত সময়ে সমাধান করার চেষ্টা করছি।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। ওই সময় মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক বিভাগটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন। বর্তমানে তিনি ওই দায়িত্বেই রয়েছেন।

৩০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩৩
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণের দাবিতে তাকে বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং সেশনজট সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর শিক্ষার্থীরা প্রথমে হাফিজ আশরাফুল হকের রুমে তালা দেন এবং পরে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি জানান।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। এসব সমস্যা নিরসনে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে এবং সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান দায়ী।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। ভিসি স্যারকে অনুরোধ করেছি তিন দিনের ভিতর কোন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিতে প্রয়োজন হলে ভিসি স্যার নিজে রুটিন দায়িত্বে চেয়ারম্যান হোক। আগামী তিনদিনের ভিতর আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হোক।
আরেক শিক্ষার্থী মুসাব্বিরা জাবিন আশা বলেন , ১০ বছর ধরে তিনি চেয়ারম্যান আছেন।এই দশ বছরে মাত্র দুইটি ব্যাচ বের হয়েছে। বাকি আটটি ব্যাচ এখনো চলমান। আমাদের চেয়ারম্যান স্যারের বেশির ভাগ কোর্স।আবার তিনি ঠিক মত ক্লাস নেয় না। আবার পরিক্ষা না নিয়েই নাম্বার দিয়ে দিচ্ছে । আমাদের এই বিভাগের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ চেয়ারম্যান স্যারের নিজের কারণে হয়েছে। এজন্য আমরা তার পদত্যাগ চাই।
নাইমুর রহমান সজিব বলেন, আমরা ভিসি স্যারের সাথে মুঠো ফোনে কথা বলেছি। তিনি প্রক্টর স্যারের মাধ্যমে বলেছে আগামীকাল সকাল নয়টার সময় আমাদের সাথে আলোচনায় বসবে। আমরা যে দাবি নিয়ে এসেছি হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণ করতে হবে। আমাদের এই দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা মাঠ থেকে উঠবো না। আমাদের বিভাগের সেশনজটের মুল কারিগর তিনি কারণ দশ বছন ধরে তিনি এই বিভাগ চালাচ্ছে। ২৫ বিভাগের ২৪ বিভাগে জট নেই সেখানে আমাদের বিভাগে কেন জট থাকবে? যার কারণে এই হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণ চাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহদি হাসান সোহাগ বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। আমরা আগামীকাল সবার সাথে বসে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তখন মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক এই বিভাগে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং বর্তমানেও এই দায়িত্বে আছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন হয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণের দাবিতে তাকে বিভাগে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা, পক্ষপাতমূলক আচরণ এবং সেশনজট সৃষ্টির অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে উপাচার্যের দপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর শিক্ষার্থীরা প্রথমে হাফিজ আশরাফুল হকের রুমে তালা দেন এবং পরে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে এ কর্মসূচি শুরু করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবি জানান।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। এসব সমস্যা নিরসনে বিভাগীয় চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে এবং সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য বর্তমান চেয়ারম্যান দায়ী।
এসময়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো.নাজমুল হোসেন বলেন, আমাদের দাবি বর্তমান ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারি চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং বিভাগ থেকে অপসারণ। ভিসি স্যারকে অনুরোধ করেছি তিন দিনের ভিতর কোন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দিতে প্রয়োজন হলে ভিসি স্যার নিজে রুটিন দায়িত্বে চেয়ারম্যান হোক। আগামী তিনদিনের ভিতর আমাদের একাডেমিক কার্যক্রম চালু হোক।
আরেক শিক্ষার্থী মুসাব্বিরা জাবিন আশা বলেন , ১০ বছর ধরে তিনি চেয়ারম্যান আছেন।এই দশ বছরে মাত্র দুইটি ব্যাচ বের হয়েছে। বাকি আটটি ব্যাচ এখনো চলমান। আমাদের চেয়ারম্যান স্যারের বেশির ভাগ কোর্স।আবার তিনি ঠিক মত ক্লাস নেয় না। আবার পরিক্ষা না নিয়েই নাম্বার দিয়ে দিচ্ছে । আমাদের এই বিভাগের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে সেটা সম্পূর্ণ চেয়ারম্যান স্যারের নিজের কারণে হয়েছে। এজন্য আমরা তার পদত্যাগ চাই।
নাইমুর রহমান সজিব বলেন, আমরা ভিসি স্যারের সাথে মুঠো ফোনে কথা বলেছি। তিনি প্রক্টর স্যারের মাধ্যমে বলেছে আগামীকাল সকাল নয়টার সময় আমাদের সাথে আলোচনায় বসবে। আমরা যে দাবি নিয়ে এসেছি হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ এবং অপসারণ করতে হবে। আমাদের এই দাবি না মানা পর্যন্ত আমরা মাঠ থেকে উঠবো না। আমাদের বিভাগের সেশনজটের মুল কারিগর তিনি কারণ দশ বছন ধরে তিনি এই বিভাগ চালাচ্ছে। ২৫ বিভাগের ২৪ বিভাগে জট নেই সেখানে আমাদের বিভাগে কেন জট থাকবে? যার কারণে এই হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণ চাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মেহদি হাসান সোহাগ বলেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে কথা হয়েছে। আমরা আগামীকাল সবার সাথে বসে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব। তবে অভিযোগের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। তখন মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হাফিজ আশরাফুল হক এই বিভাগে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন এবং বর্তমানেও এই দায়িত্বে আছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুইটি ব্যাচের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন হয়েছে।

২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৯:১৮
বরিশালে ২ ভুয়া সাংবাদিককে আটক করেছে পুলিশ, যারা দীর্ঘদিন ধরে কীর্তনখোলা তীর জনপদে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডে জড়িত ছিল। শহরের উত্তর অঞ্চলের বাসিন্দা হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদার নামের এই দুই যুবকের বিরুদ্ধে সাংবাদিক পরিচয়ে বিভিন্ন সময়ে মানুষকে জিম্মি করে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আছে। গত বুধবার শহরের চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলকে জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার প্রাক্কালে তাদেরকে আটকে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা। অবশ্য এরআগে একচোট পিটুনিও দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উত্তর আমানতগঞ্জ এলাকার হাসিব রহমান এবং বেলতলার সায়েম সিকদারসহ ৫/৬ জনের একটি গ্রুপ নিজেদের সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে আসছিল। বুধবার রাতে চৌমাথা লেকপাড়ে প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তারা অর্থ দাবি করে। এবং এনিয়ে তারা সংবাদ প্রকাশের হুমকি ধামকি দিয়ে ১১ হাজার টাকা প্রেমিক যুগলের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়। কিন্তু বিপত্তি দেখা দেয় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাংবাদিক পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমে ১১ হাজার টাকা নিলেও প্রেমিক যুগল নিশ্চুপ ছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় দফায় যখন আরও অর্থ দাবি করা হয় তখন তারা ক্ষুব্ধ হন এবং এনিয়ে ভুয়া ৫/৬ সাংবাদিকের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তখন স্থানীয় দোকানিসহ পথচারীরা একত্রিত হয়ে তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হয়ে জনরোষে পড়ে। এসময় উত্তেজিত জনতা ধাওয়া দিয়ে হাসিব রহমান এবং সায়েম সিকদারকে আটক করতে সক্ষম হলেও পালিয়ে গেছে বাকি ৪ সহযোগী।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, এই গ্রুপটিই সপ্তাহখানেক পূর্বে শহরের কলেজ এভিনিউ রোডের একটি বাসায় হানা দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সাংবাদিক পরিচয়ে স্বামী-স্ত্রীকে জিম্মি করে নগদ ১৫ হাজার টাকাসহ তিনটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। এই ভুয়া সাংবাদিকদের দুজন আটকের খবর পেয়ে কলেজ এভিনিউ রোডের দম্পতি কোতয়ালি মডেল থানায় মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
এই গ্রুপটির বিরুদ্ধে এছাড়াও মাদক ক্রয় বিক্রয়সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়। সূত্র জানিয়েছে, হাসিব রহমানসহ গ্রুপের সদস্যরা আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল এবং স্থানীয় নেতাদের ছত্রছায়ায় পোর্টরোডে শ্রমিকের কাজ করতো। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তারা বহুমুখী অপরাধমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত হয়।
২ ভুয়া সাংবাদিককে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান। তিনি জানান, সাংবাদিক পরিচয়ে ৫/৬ যুবক শহরের চৌমাথায় প্রেমিক যুগলের ছবি তুলে তাদের ভয়ভীতি দেখাতে ছিল। এবং একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা হাতিয়ে নিতেও সক্ষম হয়। পরবর্তীতে সংবাদ প্রকাশের হুমকি দিয়ে আরও টাকা চাইলে দেখা দেয় বিপত্তি। সন্দেহবশত স্থানীয়রা তাদের মধ্যেকার দুজন হাসিব রহমান এবং সায়েমকে আটক করে চ্যালেঞ্জ করেন। তখন তারা দুজন নিজেদের সাংবাদিক প্রমাণে ব্যর্থ হলে থানায় খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীতে পুলিশের একটি টিম গিয়ে তাদের ঘটনাস্থল থেকে আটক করে নিয়ে আসে। এই ঘটনায় মামলাগ্রহণ পরবর্তী তাদের দুজনকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
কলেজ এভিনিউসহ আরও বিভিন্ন এলাকায় তাদের অপরাধ সংঘটিত করার বিষয়ে শুক্রবার রাতে ওসি মিজান বলেন, বিভিন্ন মাধ্যম মৌখিক অভিযোগ আসছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ জমা করেননি। পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে, জানান ওসি।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬