ভুমি অধিকার, ভুমি ব্যবস্থাপনা, ভুমিহীনদের ভুমি অধিকার নিশ্চিত, জেলেদের প্রাপ্যতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ সেমিনার কক্ষে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিএনআরএস'র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফিসনেট’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন, পাথরঘাটা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক, পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
পরে ভুমিহীনদের অধিকার ও যথাযথ প্রাপ্যতা নিশ্চিতে কিরনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.শামীম আহমেদ ও উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন কে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্যদের উপজেলা ভুমি কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলা ভুমি কমিটি উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়ন, সামুদ্রিক সম্পদ সুরক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করবে এবং ফিটনেস প্রকল্পের মাধ্যমে ভুমিহীন, জেলেদের সহায়তা ও জেলে পরিবারের শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান করা হবে।
ফিটনেস প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুবোধ কুমার বিশ্বাস জানান, এ প্রকল্পের মাধ্যমে জেলে পরিবারের আয় এবং জীবনমানের উন্নয়ন, ঝড়ে পড়া শিশুদের বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার আওতায় আনা হবে। ১৫ থেকে ১৮ বছররের তরুনদের বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করা হবে।

১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২০
বরগুনার তালতলী উপজেলার একটি ভাড়া বাসা থেকে পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ পাঁচ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাবতলী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- বরগুনা সদর উপজেলার হৃদয় মোল্লা, কেওড়াবুনিয়া এলাকার মো. জামাল, আংগারপাড়া এলাকার লিমন সিকদার, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার অনিক এবং নড়াইলের জিহাদ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই থেকে তিন মাস আগে গাবতলী এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন লিমন সিকদার। তিন-চার দিন আগে সেখানে যান হৃদয় মোল্লা। পরে বরগুনাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও তিন যুবক ওই বাসায় আসেন। তাদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে বুধবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন ওই বাসায় গিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় একটি পিস্তল দেখতে পেয়ে তারা পাঁচ যুবককে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে। তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
তালতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. শরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার তালতলীতে বিএনপির দুটি সমাবেশ ছিল। ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের একাধিক টিম সক্রিয় অবস্থানে ছিল। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পিস্তল ও গুলিসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।’
বরগুনার তালতলী উপজেলার একটি ভাড়া বাসা থেকে পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ পাঁচ যুবককে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গাবতলী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটকরা হলেন- বরগুনা সদর উপজেলার হৃদয় মোল্লা, কেওড়াবুনিয়া এলাকার মো. জামাল, আংগারপাড়া এলাকার লিমন সিকদার, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার অনিক এবং নড়াইলের জিহাদ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই থেকে তিন মাস আগে গাবতলী এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন লিমন সিকদার। তিন-চার দিন আগে সেখানে যান হৃদয় মোল্লা। পরে বরগুনাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আরও তিন যুবক ওই বাসায় আসেন। তাদের চলাফেরা সন্দেহজনক মনে হলে বুধবার সকালে স্থানীয় কয়েকজন ওই বাসায় গিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় একটি পিস্তল দেখতে পেয়ে তারা পাঁচ যুবককে আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে। তাদের কাছ থেকে একটি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
তালতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. শরিফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার তালতলীতে বিএনপির দুটি সমাবেশ ছিল। ওই সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের একাধিক টিম সক্রিয় অবস্থানে ছিল। পরবর্তীতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পিস্তল ও গুলিসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।’

২৪ জুলাই, ২০২৬ ২০:২৬
বরগুনার বেতাগী পৌর শহরে গভীর রাতে সরকারি জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নেছার খানের বিরুদ্ধে। আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভিযান চালিয়ে ঘর দুটি উচ্ছেদ করেন। পাশাপাশি দুই নির্মাণশ্রমিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বেতাগী পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফলপট্টি এলাকায় একটি খাসজমি দখল করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নেছার খান। পরে রাতেই দুটি টিনশেড দোকানঘর নির্মাণ করেন তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী জানান, সরকার পরিবর্তনের পর নেছার খান বেতাগী বাজারের ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করেছেন। তাঁর অত্যাচারে অনেকে ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হন। সবশেষ তিনি বাজারের ভেতরে সরকারি জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করেন।
বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. শাহীন মল্লিক সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি এই জমি ইজারা নিয়ে খোরসেদ আলী মল্লিক ও মতি সিকদার ব্যবসা করেছেন। পরবর্তী সময়ে দীর্ঘদিন এই জমি খালি পড়ে ছিল। এই সুযোগে বিএনপি নেতা অবৈধভাবে দুটি দোকানঘর নির্মাণ করেন। দলের পরিচয়ে তিনি এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন।
বেতাগী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. শাহ জাহান কবির সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা রাতের আঁধারে দখলবাজি করে, তারা বিএনপির কেউ হতে পারে না। এদের আমরা কঠোরভাবে প্রতিহত করব।’
বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদ্দাম হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, পৌরসভার মধ্যে ঘর নির্মাণ করতে হলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে। বাজারের ভেতরে সরকারি জমি দখল করে যাঁরা ঘর নির্মাণ করেছেন, তাঁরা আইন অমান্য করেছেন। জামাল ও রুবেল নামের দুই নির্মাণশ্রমিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
বরগুনার বেতাগী পৌর শহরে গভীর রাতে সরকারি জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নেছার খানের বিরুদ্ধে। আজ শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অভিযান চালিয়ে ঘর দুটি উচ্ছেদ করেন। পাশাপাশি দুই নির্মাণশ্রমিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অর্থদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বেতাগী পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ফলপট্টি এলাকায় একটি খাসজমি দখল করেন উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. নেছার খান। পরে রাতেই দুটি টিনশেড দোকানঘর নির্মাণ করেন তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যবসায়ী জানান, সরকার পরিবর্তনের পর নেছার খান বেতাগী বাজারের ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করেছেন। তাঁর অত্যাচারে অনেকে ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হন। সবশেষ তিনি বাজারের ভেতরে সরকারি জমি দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করেন।
বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মো. শাহীন মল্লিক সাংবাদিকদের বলেন, সরকারি এই জমি ইজারা নিয়ে খোরসেদ আলী মল্লিক ও মতি সিকদার ব্যবসা করেছেন। পরবর্তী সময়ে দীর্ঘদিন এই জমি খালি পড়ে ছিল। এই সুযোগে বিএনপি নেতা অবৈধভাবে দুটি দোকানঘর নির্মাণ করেন। দলের পরিচয়ে তিনি এসব অপকর্ম করে বেড়াচ্ছেন।
বেতাগী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো. শাহ জাহান কবির সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা রাতের আঁধারে দখলবাজি করে, তারা বিএনপির কেউ হতে পারে না। এদের আমরা কঠোরভাবে প্রতিহত করব।’
বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাদ্দাম হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, পৌরসভার মধ্যে ঘর নির্মাণ করতে হলে কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে। বাজারের ভেতরে সরকারি জমি দখল করে যাঁরা ঘর নির্মাণ করেছেন, তাঁরা আইন অমান্য করেছেন। জামাল ও রুবেল নামের দুই নির্মাণশ্রমিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদণ্ড ও কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’

২৪ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৮
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক সার্জনকে অনৈতিক প্রস্তাব, অশালীন ইঙ্গিত এবং মানসিকভাবে হয়রানির অভিযোগে হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. রেজওয়ানুর আলমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে তদন্তের স্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব (শৃঙ্খলা-২ শাখা) মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর স্বাক্ষরিত (২২ জুলাই) পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী ওই নারী চিকিৎসক বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক সার্জন হিসেবে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন সময় কোনো প্রয়োজন ছাড়াই নিজের দপ্তরে ডাকতেন তত্ত্বাবধায়ক ডা. রেজওয়ানুর আলম। সেখানে তিনি তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন এবং অশালীন ইঙ্গিত করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ সরকারি চাকরি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের মধ্যে পড়ে। এ কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
একই প্রজ্ঞাপনে ডা. রেজওয়ানুর আলমকে নোটিশ পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে আত্মপক্ষ সমর্থনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন তার বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতিসহ উপযুক্ত বিভাগীয় শাস্তি দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া তিনি ব্যক্তিগত শুনানি চান কি না, তাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যধারা শুরু হলে অভিযোগের গুরুত্ব ও তদন্তে প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখতে পারে। সেই বিধান অনুযায়ী ডা. রেজওয়ানুর আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে, ১৪ জুলাই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী ওই আবাসিক সার্জন উল্লেখ করেন, গত ৬ জুন হাসপাতালে যোগদানের পর থেকেই তত্ত্বাবধায়ক তাকে বিভিন্ন সময় নিজের অফিস কক্ষে ডেকে কুরুচিপূর্ণ আচরণ করতেন এবং মানসিকভাবে হয়রানি করতেন।
অভিযোগে ভুক্তভোগী আরও বলেন, ১৩ জুলাই সকালে তত্ত্বাবধায়ক হোয়াটসঅ্যাপ কলে যোগাযোগ করে নিজের ডরমিটরি কক্ষে একসঙ্গে সময় কাটানোর অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় পরদিন হাসপাতালের স্টাফ ও নার্সদের সামনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এতে তিনি নিজেকে নিরাপত্তাহীন মনে করে বিষয়টির তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানান।
ঘটনার একপর্যায়ে ২১ জুলাই হাসপাতালের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর ভুক্তভোগী চিকিৎসক অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন করেন। সেখানে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝির অবসানের কথা উল্লেখ করা হয়।
তবে পরদিনই নতুন আবেদন দিয়ে তিনি অভিযোগ প্রত্যাহারের নেপথ্যের ঘটনা তুলে ধরেন। আবেদনে ভুক্তভোগী দাবি করেন, চাকরিজীবনে ক্ষতির আশঙ্কা দেখিয়ে কয়েকজন চিকিৎসক তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট ও সংবাদ দেখিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়। এমনকি তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তাকে বক্তব্য দিতেও বাধ্য করা হয়েছিল।
ভুক্তভোগী আরও উল্লেখ করেন, জেলার স্বাস্থ্যসেবায় বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে এমন বিবেচনায় সে সময় প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করেননি। তবে ১৪ জুলাই দেওয়া তার মূল অভিযোগের প্রতিটি বিষয়ে তিনি এখনো অনড় রয়েছেন এবং অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেন। তাই দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
ভুক্তভোগী বলেন, আমার অভিযোগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে। এটি সমাজের জন্যও একটি বার্তা। স্বাস্থ্যসেবায় কর্মরত সবারই দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত। অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদনটি আমার কাছ থেকে চাপ সৃষ্টি করে নেওয়া হয়েছিল। আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে ডা. রেজওয়ানুর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করে বাইরে ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখতেন। এ কারণে আমি তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিলাম। শোকজ দেওয়ার পরদিনই তিনি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। হাসপাতালের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি।’
বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক সার্জনকে অনৈতিক প্রস্তাব, অশালীন ইঙ্গিত এবং মানসিকভাবে হয়রানির অভিযোগে হাসপাতালটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. রেজওয়ানুর আলমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে তদন্তের স্বার্থে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব (শৃঙ্খলা-২ শাখা) মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর স্বাক্ষরিত (২২ জুলাই) পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগী ওই নারী চিকিৎসক বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক সার্জন হিসেবে যোগদানের পর থেকেই বিভিন্ন সময় কোনো প্রয়োজন ছাড়াই নিজের দপ্তরে ডাকতেন তত্ত্বাবধায়ক ডা. রেজওয়ানুর আলম। সেখানে তিনি তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিতেন এবং অশালীন ইঙ্গিত করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ সরকারি চাকরি (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৩(খ) অনুযায়ী অসদাচরণের মধ্যে পড়ে। এ কারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে।
একই প্রজ্ঞাপনে ডা. রেজওয়ানুর আলমকে নোটিশ পাওয়ার ১০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে আত্মপক্ষ সমর্থনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন তার বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুতিসহ উপযুক্ত বিভাগীয় শাস্তি দেওয়া হবে না, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া তিনি ব্যক্তিগত শুনানি চান কি না, তাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে, পৃথক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যধারা শুরু হলে অভিযোগের গুরুত্ব ও তদন্তে প্রভাব বিস্তারের সম্ভাবনা বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে দায়িত্ব থেকে বিরত রাখতে পারে। সেই বিধান অনুযায়ী ডা. রেজওয়ানুর আলমকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এর আগে, ১৪ জুলাই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগে ভুক্তভোগী ওই আবাসিক সার্জন উল্লেখ করেন, গত ৬ জুন হাসপাতালে যোগদানের পর থেকেই তত্ত্বাবধায়ক তাকে বিভিন্ন সময় নিজের অফিস কক্ষে ডেকে কুরুচিপূর্ণ আচরণ করতেন এবং মানসিকভাবে হয়রানি করতেন।
অভিযোগে ভুক্তভোগী আরও বলেন, ১৩ জুলাই সকালে তত্ত্বাবধায়ক হোয়াটসঅ্যাপ কলে যোগাযোগ করে নিজের ডরমিটরি কক্ষে একসঙ্গে সময় কাটানোর অনৈতিক প্রস্তাব দেন। এতে রাজি না হওয়ায় পরদিন হাসপাতালের স্টাফ ও নার্সদের সামনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এতে তিনি নিজেকে নিরাপত্তাহীন মনে করে বিষয়টির তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদন জানান।
ঘটনার একপর্যায়ে ২১ জুলাই হাসপাতালের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত আলোচনার পর ভুক্তভোগী চিকিৎসক অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদন করেন। সেখানে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝির অবসানের কথা উল্লেখ করা হয়।
তবে পরদিনই নতুন আবেদন দিয়ে তিনি অভিযোগ প্রত্যাহারের নেপথ্যের ঘটনা তুলে ধরেন। আবেদনে ভুক্তভোগী দাবি করেন, চাকরিজীবনে ক্ষতির আশঙ্কা দেখিয়ে কয়েকজন চিকিৎসক তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন পোস্ট ও সংবাদ দেখিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়। এমনকি তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তাকে বক্তব্য দিতেও বাধ্য করা হয়েছিল।
ভুক্তভোগী আরও উল্লেখ করেন, জেলার স্বাস্থ্যসেবায় বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে এমন বিবেচনায় সে সময় প্রকৃত ঘটনা প্রকাশ করেননি। তবে ১৪ জুলাই দেওয়া তার মূল অভিযোগের প্রতিটি বিষয়ে তিনি এখনো অনড় রয়েছেন এবং অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি করেন। তাই দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
ভুক্তভোগী বলেন, আমার অভিযোগের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে। এটি সমাজের জন্যও একটি বার্তা। স্বাস্থ্যসেবায় কর্মরত সবারই দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত। অভিযোগ প্রত্যাহারের আবেদনটি আমার কাছ থেকে চাপ সৃষ্টি করে নেওয়া হয়েছিল। আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।
অভিযোগ অস্বীকার করে ডা. রেজওয়ানুর আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করে বাইরে ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখতেন। এ কারণে আমি তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিলাম। শোকজ দেওয়ার পরদিনই তিনি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। হাসপাতালের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি।’

১২ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:৫১
ভুমি অধিকার, ভুমি ব্যবস্থাপনা, ভুমিহীনদের ভুমি অধিকার নিশ্চিত, জেলেদের প্রাপ্যতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদ সেমিনার কক্ষে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সিএনআরএস'র উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ‘ফিসনেট’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজানুর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন, পাথরঘাটা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা হাসিবুল হক, পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
পরে ভুমিহীনদের অধিকার ও যথাযথ প্রাপ্যতা নিশ্চিতে কিরনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো.শামীম আহমেদ ও উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন কে সাধারণ সম্পাদক করে ২১ সদস্যদের উপজেলা ভুমি কমিটি গঠন করা হয়। উপজেলা ভুমি কমিটি উপকূলীয় অঞ্চলের মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়ন, সামুদ্রিক সম্পদ সুরক্ষা বাস্তবায়নে কাজ করবে এবং ফিটনেস প্রকল্পের মাধ্যমে ভুমিহীন, জেলেদের সহায়তা ও জেলে পরিবারের শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান করা হবে।
ফিটনেস প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সুবোধ কুমার বিশ্বাস জানান, এ প্রকল্পের মাধ্যমে জেলে পরিবারের আয় এবং জীবনমানের উন্নয়ন, ঝড়ে পড়া শিশুদের বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার আওতায় আনা হবে। ১৫ থেকে ১৮ বছররের তরুনদের বিভিন্ন মেয়াদে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করা হবে।
২৬ আগস্ট, ২০২৬ ০১:৩৩
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৪৪
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:২৯
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৬